Friday, October 2, 2026

Creating liberating content

यूईएम जयपुर ने मानवता...

जयपुर में आयोजित मानवता के लिए दौड़ के दसवें संस्करण में यूनिवर्सिटी ऑफ...

अक्टूबर 2026 में पड़ेंगी...

सनातन हिंदू धर्म में एकादशी तिथि का विशेष धार्मिक महत्व माना जाता है।...

इंफोसिस और विप्रो में...

देश की प्रमुख सूचना प्रौद्योगिकी सेवा कंपनियों में शामिल इंफोसिस और विप्रो के...

स्वर्ग में कर्ण को...

महाभारत के महान योद्धाओं में कर्ण का नाम केवल उनकी वीरता और संघर्ष...
Homeবাংলাখেলাধুলাখোঁচা খাওয়া বাঘের...

খোঁচা খাওয়া বাঘের প্রত্যাবর্তন, আল-আরবিকে উড়িয়ে ACL 2-তে ইস্টবেঙ্গল

**খোঁচা খাওয়া বাঘ যে কতটা ভয়ংকর হতে পারে, বুধবার তারই প্রমাণ দিল ইস্টবেঙ্গল।** ঘরের মাঠে কুয়েতের শক্তিশালী আল-আরবির বিরুদ্ধে প্রথমে পিছিয়ে পড়েও দুরন্ত প্রত্যাবর্তন করল লাল-হলুদ। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ১-১ সমতা ফেরানোর পর অতিরিক্ত সময়ে আরও তিন গোল করে ম্যাচ ৪-১ ব্যবধানে জিতে নিল East Bengal FC। এই দুর্দান্ত জয়ের ফলে AFC Champions League 2-এর মূল গ্রুপ পর্বে জায়গা করে নিল কলকাতার এই ঐতিহ্যবাহী ক্লাব।

বুধবার কলকাতার বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচের শুরু থেকেই উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। কুয়েত লিগের রানার্স-আপ আল-আরবি শক্তিশালী বিদেশি ফুটবলারদের নিয়ে মাঠে নেমেছিল। অন্যদিকে ইস্টবেঙ্গলের কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের বড় চিন্তা ছিল দলের বেশ কয়েকজন বিদেশি ফুটবলারকে না পাওয়া। কিন্তু আন্তর্জাতিক মঞ্চে নামার পর যেন সম্পূর্ণ অন্য চেহারার ইস্টবেঙ্গলকে দেখা গেল।

প্রথমার্ধে গোল না পেলেও দ্বিতীয়ার্ধে পেনাল্টি থেকে গোল করে এগিয়ে যায় আল-আরবি। ম্যাচের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মনে হচ্ছিল, ভারতীয় ক্লাবটির অভিযান হয়তো এখানেই শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু ৮৯ মিনিটে জয় গুপ্তার গোল ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এরপর অতিরিক্ত সময়ে রশিদ, ডেভিড এবং রোহিত দানুর গোলে ৪-১ ব্যবধানে দুর্দান্ত জয় নিশ্চিত করে ইস্টবেঙ্গল। 

## প্রথম থেকেই চাপ তৈরি করেছিল আল-আরবি

ম্যাচের শুরুতেই বোঝা যাচ্ছিল, আল-আরবি কোনওভাবেই সহজ প্রতিপক্ষ নয়। কুয়েতের দলটি পাঁচ বিদেশি ফুটবলারকে প্রথম একাদশে রেখেছিল। কেনিয়ার মালেকো, লিওনার্দো মার্টিন্স, নাইজেরিয়ার ইওয়ালা, জোহের রশুল এবং জাইদ কুনবারকে সামনে রেখে আক্রমণাত্মক ফুটবল শুরু করে তারা।

ইস্টবেঙ্গল অবশ্য শুরুতেই সুযোগ তৈরি করেছিল। মাত্র ছয় মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে থেকে রশিদের জোরালো শট আল-আরবির গোলকিপার আবদুলওয়াহাব আটকে দেন। ১১ মিনিটে জেসিন টিকের শটও গোলের ঠিকানা খুঁজে পায়নি।

এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধীরে ধীরে নিজেদের হাতে নেওয়ার চেষ্টা করে আল-আরবি। ২৩ মিনিটে বড় বিপদ থেকে ইস্টবেঙ্গলকে রক্ষা করেন গোলকিপার প্রভসুখন সিং গিল। মালেকোর শট প্রথমবারে ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলেও গোললাইন থেকে পরিস্থিতি সামলে নেন তিনি। 

প্রথমার্ধের শেষ দিকেও আল-আরবি বেশ কয়েকবার আক্রমণ তৈরি করে। কিন্তু ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণ এবং গোলকিপারের তৎপরতায় গোলের মুখ খুলতে পারেনি তারা। ফলে গোলশূন্য অবস্থাতেই বিরতিতে যায় দুই দল।

## দ্বিতীয়ার্ধে বাড়ে উত্তেজনা

বিরতির পর ইস্টবেঙ্গল আরও আক্রমণাত্মক হওয়ার চেষ্টা করে। ৫০ মিনিটে দানি রামিরেজের পাস থেকে জেসিন টিকে বল বাড়িয়ে দেন বিপিন সিংকে। দ্রুত গতিতে বক্সে ঢুকে পড়লেও সেই সুযোগ থেকে গোল করতে পারেননি তিনি।

ম্যাচ যত এগোতে থাকে, ততই চাপ বাড়ছিল। ইস্টবেঙ্গলের সামনে সুযোগ এলেও শেষ মুহূর্তে ফিনিশিংয়ের অভাবে গোল হচ্ছিল না। অন্যদিকে আল-আরবিও পাল্টা আক্রমণে বিপজ্জনক হয়ে উঠছিল।

৭৫ মিনিটে ইস্টবেঙ্গলের জন্য বড় ধাক্কা আসে। নিজেদের বক্সের মধ্যে মালেকোকে ফাউল করে বসেন সন্দীপ মাণ্ডি। রেফারি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন। স্পট কিক থেকে গোল করে আল-আরবিকে ১-০ এগিয়ে দেন নাইজেরিয়ার উইঙ্গার ইওয়ালা। 

এই গোলের পর ম্যাচে চাপ আরও বেড়ে যায়। নির্ধারিত সময় শেষ হতে তখন খুব বেশি সময় বাকি নেই। ইস্টবেঙ্গলকে গোল করতেই হবে, নাহলে AFC Champions League 2-এর গ্রুপ পর্বে যাওয়ার স্বপ্ন শেষ হয়ে যেত।

## হাবাসের পরিবর্তনেই বদলে গেল ম্যাচ

ম্যাচের শেষদিকে হাবাস ক্রিস ইকোনোমিডিসকে মাঠে নামান। এই পরিবর্তনই যেন ম্যাচে নতুন প্রাণ এনে দেয় ইস্টবেঙ্গলকে।

শেষ কয়েক মিনিটে লাল-হলুদের আক্রমণের গতি বেড়ে যায়। একের পর এক আক্রমণে চাপে পড়ে যায় আল-আরবির রক্ষণ। ইস্টবেঙ্গল তখন শুধু সমতা ফেরানোর জন্য নয়, পুরো ম্যাচ ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল।

অবশেষে ৮৯ মিনিটে সেই কাঙ্ক্ষিত গোল আসে।

সেটপিস থেকে আসা নিখুঁত ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে গোল করেন **জয় গুপ্তা**। গোলের সঙ্গে সঙ্গে গ্যালারিতে শুরু হয় উচ্ছ্বাস। ১-১ সমতায় ম্যাচ পৌঁছে যায় নির্ধারিত সময়ের শেষ প্রান্তে। 

এই গোলই ইস্টবেঙ্গলকে ম্যাচে বাঁচিয়ে রাখে এবং অতিরিক্ত সময়ে নিয়ে যায়।

## অতিরিক্ত সময়ে রশিদের দুরন্ত গোল

ম্যাচের ৯০ মিনিট শেষ হলেও নাটক তখনও বাকি। অতিরিক্ত সময়ে ইস্টবেঙ্গল আরও বেশি আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলতে শুরু করে।

১০৮ মিনিটে রোহিত দানুর শট আল-আরবির ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে ফিরে আসে। সেই ফিরতি বল বক্সের বাইরে থেকে অসাধারণ হাফ-ভলিতে জালে পাঠান **রশিদ**।

গোলটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২-১ এগিয়ে যাওয়ার পর ইস্টবেঙ্গলের খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে যায়। অন্যদিকে আল-আরবি ম্যাচে ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে।

কিন্তু তখন ইস্টবেঙ্গল পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে। 

## ডেভিডের গোলেই ম্যাচের ভাগ্য নিশ্চিত

রশিদের গোলের পর হাবাস আরও দুটি পরিবর্তন করেন। রশিদের জায়গায় মাঠে আসেন রোহিত কুমার এবং এডমুন্ডের পরিবর্তে নামেন ডেভিড।

এই পরিবর্তনই হয়ে ওঠে ম্যাচের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।

১১৭ মিনিটে ক্রিস ইকোনোমিডিসের শট আল-আরবির গোলকিপার বাঁচিয়ে দেন। কিন্তু ফিরতি বল পেয়ে দুর্দান্ত দক্ষতায় গোলকিপারকে কাটিয়ে বল জালে পাঠান **ডেভিড**।

৩-১ এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল।

এই গোলের পর কার্যত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণ চলে আসে লাল-হলুদের হাতে। আল-আরবির পক্ষে আর ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে।

## রোহিত দানুর গোলে ৪-১

ম্যাচের শেষ মুহূর্তেও থামেনি ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ।

১২০ মিনিটে বাঁদিক দিয়ে উঠে বল বাড়ান পিভি বিষ্ণু। সেই বল ডেভিডের কাছে পৌঁছলে তিনি বুদ্ধিদীপ্তভাবে পাস করেন রোহিত দানুকে। ফাঁকা গোলে বল ঠেলে দিয়ে ইস্টবেঙ্গলের জয় নিশ্চিত করেন দানু।

স্কোরলাইন দাঁড়ায় **ইস্টবেঙ্গল ৪-১ আল-আরবি**।

এক গোলে পিছিয়ে থাকা দলটি অতিরিক্ত সময়ে তিন গোল করে ম্যাচ জিতে নিল—এমন প্রত্যাবর্তন নিঃসন্দেহে লাল-হলুদের সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় আন্তর্জাতিক জয় হয়ে থাকল। 

## গ্যালারিতে ছিল উৎসবের আবহ

ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকদের জন্য ম্যাচটি ছিল বিশেষ আবেগের। AFC-এর মঞ্চে দলের পুরুষ ও মহিলা দলের লড়াইকে সামনে রেখে সমর্থকেরা বিশেষ ব্যানার নিয়ে গ্যালারিতে হাজির হয়েছিলেন।

ম্যাচের আগে দেখা যায় বড় টিফোও। প্রায় সাড়ে ১৭ হাজার লাল-হলুদ সমর্থক জাতীয় পতাকা হাতে গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রথমে যখন আল-আরবি এগিয়ে যায়, তখন গ্যালারিতে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু জয় গুপ্তার সমতাসূচক গোলের পর পরিস্থিতি পুরোপুরি বদলে যায়। অতিরিক্ত সময়ে রশিদ, ডেভিড এবং দানুর গোলের সঙ্গে সঙ্গে গ্যালারিতে শুরু হয় উচ্ছ্বাস। 

## আন্তর্জাতিক মঞ্চে ফের ইস্টবেঙ্গলের দাপট

ইস্টবেঙ্গলের জন্য এই জয় শুধু একটি ম্যাচ জেতা নয়। আন্তর্জাতিক ফুটবলে ক্লাবটির ঐতিহ্য বহু পুরনো। ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় নানা ওঠানামা থাকলেও এশীয় মঞ্চে নামলেই লাল-হলুদের মধ্যে আলাদা আত্মবিশ্বাস দেখা যায়।

এই ম্যাচেও সেটিই দেখা গেল। দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিদেশি ফুটবলারকে না পাওয়া সত্ত্বেও হাবাসের দল শেষ পর্যন্ত শক্তিশালী কুয়েতি প্রতিপক্ষকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে।

এই জয় প্রমাণ করল, সীমাবদ্ধতা থাকলেও বড় মঞ্চে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার ক্ষমতা ইস্টবেঙ্গলের রয়েছে।

## ACL 2-এর মূল পর্বে নতুন চ্যালেঞ্জ

এই জয়ের ফলে ইস্টবেঙ্গল এখন AFC Champions League 2-এর মূল গ্রুপ পর্বে খেলবে। অর্থাৎ এশিয়ার ক্লাব ফুটবলের দ্বিতীয় স্তরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতায় আরও বড় দলগুলির মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ পাবে তারা।

প্রাথমিক পর্বের ম্যাচে জয়ের গুরুত্ব তাই অনেক বেশি। কারণ হারলে AFC Challenge League-এর দিকে যেতে হত, আর জয় ইস্টবেঙ্গলকে সরাসরি ACL 2-এর গ্রুপ পর্বে জায়গা করে দিয়েছে।

এশিয়ার ক্লাব ফুটবলে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করার জন্য এই মঞ্চ ইস্টবেঙ্গলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।

## প্রভসুখন গিলও ছিলেন গুরুত্বপূর্ণ

ইস্টবেঙ্গলের জয়ের পেছনে গোলদাতাদের পাশাপাশি গোলকিপার প্রভসুখন সিং গিলের অবদানও কম নয়।

ম্যাচের শুরুতেই তিনি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন। বিশেষ করে ২৩ মিনিটে মালেকোর শট থেকে গোললাইন সেভ করে দলকে বড় বিপদ থেকে রক্ষা করেন।

পরে আল-আরবি একাধিকবার আক্রমণে উঠলেও ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণ এবং গোলকিপার পরিস্থিতি সামাল দেন। ফলে ম্যাচের শেষদিকে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পায় লাল-হলুদ।

## জয় গুপ্তার গোল ছিল টার্নিং পয়েন্ট

ম্যাচের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলির একটি নিঃসন্দেহে জয় গুপ্তার ৮৯ মিনিটের গোল।

১-০ পিছিয়ে থাকা অবস্থায় যদি ইস্টবেঙ্গল নির্ধারিত ৯০ মিনিটে সমতা ফেরাতে না পারত, তাহলে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা হতে পারত। কিন্তু শেষ মুহূর্তে জয় গুপ্তার গোল শুধু ম্যাচকে সমতায় ফেরায়নি, গোটা দলের মানসিকতাও বদলে দেয়।

এরপর অতিরিক্ত সময়ে ইস্টবেঙ্গল যে ফুটবল খেলেছে, তা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন মাত্রার।

## হাবাসের কৌশল সফল

এই ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের জয়ের অন্যতম বড় কারণ ছিল হাবাসের পরিবর্তন এবং কৌশলগত সিদ্ধান্ত।

ক্রিস ইকোনোমিডিসকে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মাঠে নামানো, পরে ডেভিড এবং রোহিত কুমারকে ব্যবহার—সব মিলিয়ে ম্যাচের শেষ পর্যায়ে ইস্টবেঙ্গল আক্রমণের গতি বাড়িয়ে দেয়।

ডেভিড মাঠে নেমেই গোল করে দলের জয় আরও নিশ্চিত করে দেন। ফলে হাবাসের পরিবর্তনগুলি কার্যত ম্যাচের ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। 

## এক গোল থেকে চার গোল—অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন

ফুটবলে শেষ কয়েক মিনিটে ম্যাচের ফল বদলে যাওয়া নতুন ঘটনা নয়। কিন্তু ৭৫ মিনিটে ০-১ পিছিয়ে থেকে ৮৯ মিনিটে সমতা এবং অতিরিক্ত সময়ে আরও তিন গোল করে ৪-১ জয় নিঃসন্দেহে অসাধারণ প্রত্যাবর্তন।

ইস্টবেঙ্গল দেখিয়ে দিল, ম্যাচ শেষ না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেলে ফল বদলানো সম্ভব।

এই জয় দলের আত্মবিশ্বাস যেমন বাড়াবে, তেমনই ACL 2-এর মূল পর্বে যাওয়ার আগে সমর্থকদের মধ্যেও নতুন প্রত্যাশা তৈরি করবে।

## সামনে আরও কঠিন পরীক্ষা

আল-আরবির বিরুদ্ধে জয় নিঃসন্দেহে বড় সাফল্য। কিন্তু মূল পর্বে প্রতিপক্ষ আরও শক্তিশালী হবে। তাই এই ম্যাচের সাফল্যকে ধরে রেখে দলকে আরও সংগঠিত হতে হবে।

বিশেষ করে রক্ষণভাগে কিছু জায়গায় আল-আরবি যে চাপ তৈরি করেছিল, তা ভবিষ্যতের ম্যাচগুলিতে আরও বড় সমস্যার কারণ হতে পারে। আক্রমণভাগেও সুযোগ কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে আরও ধারাবাহিকতা প্রয়োজন।

তবে এই জয় যে ইস্টবেঙ্গলের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়িয়ে দেবে, তা নিয়ে সন্দেহ নেই।

## কলকাতার ফুটবলে নতুন উত্তেজনা

কলকাতা বরাবরই ভারতীয় ফুটবলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। ইস্টবেঙ্গলের মতো ঐতিহ্যবাহী ক্লাবের এশীয় মঞ্চে সাফল্য তাই শুধু ক্লাবের জন্য নয়, শহরের ফুটবল সংস্কৃতির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

ঘরের মাঠে হাজার হাজার সমর্থকের সামনে ৪-১ ব্যবধানে জয় এবং ACL 2-এর মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়া কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের জন্য নিঃসন্দেহে বড় আনন্দের খবর।

এখন নজর থাকবে মূল পর্বে ইস্টবেঙ্গল কতটা দূর যেতে পারে তার দিকে।

## শেষ কথা

কুয়েতের আল-আরবির বিরুদ্ধে ম্যাচের শুরুটা ইস্টবেঙ্গলের পক্ষে মোটেই সহজ ছিল না। বরং ৭৫ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল খেয়ে যখন তারা ০-১ পিছিয়ে পড়ে, তখন পরিস্থিতি যথেষ্ট কঠিন হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষ ১৫ মিনিট এবং অতিরিক্ত সময়ে সম্পূর্ণ বদলে যায় ম্যাচের ছবি।

৮৯ মিনিটে **জয় গুপ্তার গোল**, ১০৮ মিনিটে **রশিদের দুর্দান্ত হাফ-ভলি**, ১১৭ মিনিটে **ডেভিডের অসাধারণ ফিনিশ** এবং ১২০ মিনিটে **রোহিত দানুর গোল**—এই চারটি মুহূর্তই ইস্টবেঙ্গলের ৪-১ জয়ের গল্প লিখে দেয়। 

ফলে আল-আরবিকে হারিয়ে **AFC Champions League 2-এর মূল গ্রুপ পর্বে পৌঁছে গেল ইস্টবেঙ্গল**। এশিয়ার মঞ্চে লাল-হলুদের এই প্রত্যাবর্তন শুধু একটি জয় নয়, বরং আগামী দিনের জন্য আত্মবিশ্বাসের বড় বার্তা।

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

ঔরঙ্গজেবের আমলের ৩৩৪ বছরের বনেদি পুজোর অমলিন ঐতিহ্য

পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজোর ইতিহাসে বনেদি পুজোর আলাদা মর্যাদা রয়েছে। সেই ঐতিহ্যের অন্যতম উজ্জ্বল অধ্যায় পূর্ব বর্ধমানের পানাগড়ের সোঁয়াই গ্রামের মুখোপাধ্যায় পরিবারের দুর্গাপুজো। এ বছর এই পুজো ৩৩৪ বছরে পা দিয়েছে। শুধু প্রাচীনত্ব নয়, এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে স্বপ্নাদেশ, বর্ধমানের...

বাংলায় পথচলা শুরু বিজয় থলপতির টিভিকের নতুন অধ্যায়

তামিলনাড়ুতে রাজনৈতিক সাফল্যের পর এবার পশ্চিমবঙ্গে সাংগঠনিক বিস্তার শুরু করল বিজয় থলপতি-র দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগম (TVK)। পূর্ব বর্ধমান জেলার ফাগুপুরে দলের প্রথম কার্যালয় খোলার মাধ্যমে বাংলায় আনুষ্ঠানিকভাবে পথচলা শুরু হয়েছে। এই পদক্ষেপের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—তাহলে...

সন্ত্রাসে শীর্ষে পাকিস্তান, হাক্কানির বিস্ফোরক আত্মসমালোচনা ভাইরাল

সন্ত্রাসবাদে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় পাকিস্তানের শীর্ষে উঠে আসার দাবি ঘিরে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (IEP)-এর প্রকাশিত Global Terrorism Index 2026-এর তথ্য সামনে আসার পর পাকিস্তানের প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত হুসেন হাক্কানি ইসলামাবাদের দীর্ঘদিনের...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.