Saturday, August 15, 2026

Creating liberating content

চাকরির খোঁজে বেঙ্গালুরু, TTP...

উচ্চশিক্ষা শেষ করে চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সরকারি চাকরি পাওয়ার আশায় একাধিক পরীক্ষা...

Flashback: What happened when...

Seventeen years after Hyderabad hosted the BWF World Championships, badminton's biggest...

দলীয় পতাকার নিচে জাতীয়...

স্বাধীনতা দিবসের দিন জাতীয় পতাকা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে বিতর্কে জড়াল সিপিএম। উত্তর ২৪...

মধ্যপ্রদেশে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি,...

স্বাধীনতা দিবসের মঞ্চ থেকে বড় ঘোষণা করলেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব। রাজ্যে দ্রুত...
Homeবাংলাঋষি অরবিন্দের কলকাতার...

ঋষি অরবিন্দের কলকাতার বাসভবনে শ্রদ্ধা শুভেন্দুর

স্বাধীনতা দিবসের আবহে মহান বিপ্লবী, দার্শনিক ও আধ্যাত্মিক সাধক ঋষি অরবিন্দের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কলকাতায় ঋষি অরবিন্দের ঐতিহাসিক বাসভবনে গিয়ে তাঁর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মুখ্যমন্ত্রী। স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে অরবিন্দ ঘোষের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা স্মরণ করে তাঁর অবদানকে সম্মান জানান শুভেন্দু। স্বাধীনতার ৮০তম বর্ষে এই শ্রদ্ধাজ্ঞাপন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

ঋষি অরবিন্দ শুধু স্বাধীনতা সংগ্রামী হিসেবেই নন, একজন বিশিষ্ট দার্শনিক, লেখক এবং আধ্যাত্মিক চিন্তাবিদ হিসেবেও ভারতীয় ইতিহাসে বিশেষ স্থান অধিকার করে রয়েছেন। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের উত্তাল সময়ে তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বাংলার জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করেছিল। কলকাতার সঙ্গে তাঁর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ও জড়িয়ে রয়েছে। সেই ঐতিহাসিক স্মৃতিবিজড়িত বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি তাই স্বাধীনতা দিবসের আবেগের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।

### স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে শ্রদ্ধা নিবেদন

১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশজুড়ে যখন স্বাধীনতা সংগ্রামীদের স্মরণ করা হচ্ছে, সেই সময় কলকাতার বুকে ঋষি অরবিন্দের স্মৃতিবিজড়িত বাড়িতে যান শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে গিয়ে তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে ঋষি অরবিন্দকে স্মরণ করেন। স্বাধীনতা অর্জনের পিছনে যাঁদের আত্মত্যাগ, সংগ্রাম ও চিন্তাভাবনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল, তাঁদের অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তার কথাও এই ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে সামনে আসে।

ঋষি অরবিন্দের রাজনৈতিক জীবন বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের বাংলায়। তিনি ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে পূর্ণ স্বাধীনতার দাবিকে জোরালোভাবে তুলে ধরেছিলেন। সেই সময় দেশের মূলধারার রাজনীতিতে স্বশাসনের দাবি নিয়ে যখন বিতর্ক চলছিল, অরবিন্দের চিন্তায় স্বাধীনতার ধারণা ছিল আরও বেশি সুস্পষ্ট ও দৃঢ়।

### কলকাতার সঙ্গে গভীর সম্পর্ক ঋষি অরবিন্দের

ঋষি অরবিন্দের জীবনের সঙ্গে কলকাতার সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। বিদেশে শিক্ষালাভের পর ভারতে ফিরে তিনি বরোদায় কর্মজীবন শুরু করলেও পরবর্তীতে বাংলার রাজনৈতিক আন্দোলনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হন। কলকাতায় এসে তিনি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে ওঠেন।

তাঁর রাজনৈতিক লেখালেখিও সেই সময় ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল। জাতীয়তাবাদ, স্বদেশি এবং ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে তাঁর বক্তব্য ও লেখনী তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেমের আবেগ তৈরি করেছিল। তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত ‘বন্দে মাতরম’ পত্রিকাও ব্রিটিশবিরোধী জাতীয়তাবাদী মতাদর্শ প্রচারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কলকাতার ঐতিহাসিক বাসভবনটি সেই সময়কার বহু রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের স্মৃতি বহন করে। ফলে বাড়িটি শুধু একজন মহান ব্যক্তিত্বের বাসস্থান নয়, বরং বাংলার স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল।

### স্বাধীনতা সংগ্রামে অরবিন্দের ভূমিকা

অরবিন্দ ঘোষ ছিলেন ভারতীয় জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের অন্যতম উগ্রপন্থী নেতা। ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান ছিল অত্যন্ত দৃঢ়। তিনি মনে করতেন, ভারতকে শুধু প্রশাসনিক সংস্কার নয়, সম্পূর্ণ স্বাধীনতার দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

স্বদেশি আন্দোলনের সময় তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হয়ে ওঠে। বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে যখন বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছিল, তখন অরবিন্দ জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অন্যতম প্রধান মুখ হয়ে ওঠেন।

তাঁর রাজনৈতিক দর্শনে দেশকে শুধু একটি ভূখণ্ড হিসেবে দেখা হয়নি। ভারতকে তিনি একটি আধ্যাত্মিক শক্তি হিসেবেও বিবেচনা করতেন। পরবর্তী জীবনে তাঁর চিন্তাধারায় আধ্যাত্মিকতা আরও বেশি গুরুত্ব পেলেও স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রাথমিক পর্যায়ে তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা ভারতীয় জাতীয়তাবাদের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

### আলিপুর বোমা মামলা এবং অরবিন্দ

ঋষি অরবিন্দের জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বহুল আলোচিত আলিপুর বোমা মামলা। ১৯০৮ সালে মুজফ্ফরপুরে ব্রিটিশ ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ডকে লক্ষ্য করে বোমা হামলার পর ব্যাপক ধরপাকড় শুরু হয়। সেই সময় অরবিন্দ ঘোষকেও গ্রেফতার করা হয়।

আলিপুর জেলে প্রায় এক বছর বন্দি থাকার সময় তাঁর জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ আধ্যাত্মিক পরিবর্তন ঘটে। পরবর্তীতে তিনি নিজেই জানিয়েছিলেন, কারাবাসের সময় তাঁর আধ্যাত্মিক উপলব্ধি গভীর হয়। এই অভিজ্ঞতা তাঁর পরবর্তী জীবনের দর্শন ও সাধনার উপর গভীর প্রভাব ফেলে।

আলিপুর বোমা মামলায় শেষ পর্যন্ত তিনি খালাস পান। এরপর কিছু সময় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকলেও পরবর্তীতে তিনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে গিয়ে আধ্যাত্মিক সাধনায় মনোনিবেশ করেন।

### রাজনৈতিক নেতা থেকে আধ্যাত্মিক সাধক

স্বাধীনতা আন্দোলনের সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে যাওয়ার পর অরবিন্দ প্রথমে চন্দননগরে এবং পরে ফরাসি উপনিবেশ পুদুচেরিতে চলে যান। সেখানে তাঁর জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হয়।

পুদুচেরিতে তিনি আধ্যাত্মিক সাধনা ও দর্শনচর্চায় মনোনিবেশ করেন। তাঁর চিন্তাধারা পরবর্তীকালে ‘ইন্টিগ্রাল যোগ’ বা সমন্বিত যোগের দর্শন হিসেবে পরিচিত হয়। মানুষের চেতনার বিবর্তন, আধ্যাত্মিক উন্নতি এবং মানবজাতির ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁর চিন্তা ভারতীয় দর্শনের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

তবে রাজনীতি থেকে সরে গেলেও দেশের স্বাধীনতার প্রতি তাঁর আগ্রহ কখনও শেষ হয়নি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁর বক্তব্য সামনে এসেছিল।

### স্বাধীনতার সঙ্গে অরবিন্দের ঐতিহাসিক সম্পর্ক

১৫ আগস্ট দিনটি অরবিন্দের জীবনে আরও একটি বিশেষ কারণে গুরুত্বপূর্ণ। ১৮৭২ সালের ১৫ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেছিলেন অরবিন্দ ঘোষ। অর্থাৎ ভারতের স্বাধীনতা দিবসের দিনই তাঁর জন্মদিন। ফলে ১৫ আগস্ট ভারতীয় ইতিহাসে একইসঙ্গে স্বাধীনতা ও ঋষি অরবিন্দের জন্মদিনের স্মৃতি বহন করে।

এই বিশেষ সমাপতনের কারণে প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবসে অরবিন্দের জীবন, দর্শন ও স্বাধীনতা আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা নতুন করে আলোচনায় আসে। এবারের ৮০তম স্বাধীনতা দিবসেও তাঁর ঐতিহাসিক অবদান স্মরণ করা হয়েছে।

### নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাস পৌঁছে দেওয়ার বার্তা

ঋষি অরবিন্দের মতো স্বাধীনতা সংগ্রামীদের স্মৃতিবিজড়িত স্থান সংরক্ষণ করা এবং সেই ইতিহাস নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা গুরুত্বপূর্ণ। স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস শুধু পাঠ্যবইয়ের বিষয় নয়, বরং দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বিবর্তন বোঝার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

কলকাতার মতো শহরে এমন বহু ঐতিহাসিক বাড়ি রয়েছে, যেগুলির সঙ্গে স্বাধীনতা আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় জড়িয়ে রয়েছে। অরবিন্দের বাসভবনও সেই তালিকায় অন্যতম। তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, লেখালেখি এবং পরবর্তী আধ্যাত্মিক জীবন—সব মিলিয়ে বাড়িটি ভারতের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিচিহ্ন।

### শুভেন্দুর শ্রদ্ধায় রাজনৈতিক তাৎপর্যও

স্বাধীনতা দিবসের আবহে মুখ্যমন্ত্রীর এই শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের রাজনৈতিক তাৎপর্যও রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস বরাবরই রাজনৈতিক আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় থেকে ঋষি অরবিন্দ—বাংলার বিভিন্ন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বকে ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলির নিজস্ব ব্যাখ্যাও রয়েছে।

এর আগে বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বাংলার স্বাধীনতা আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদী ইতিহাসের বিভিন্ন ব্যক্তিত্বের অবদান নিয়ে কথা বলেছেন। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও তিনি একাধিকবার বক্তব্য রেখেছেন।

তাই ঋষি অরবিন্দের ঐতিহাসিক বাসভবনে গিয়ে শ্রদ্ধা জানানো স্বাধীনতা দিবসের কর্মসূচির পাশাপাশি বাংলার জাতীয়তাবাদী ঐতিহ্যকে সামনে আনার একটি প্রচেষ্টাও হিসেবে দেখা যেতে পারে।

### ইতিহাসের সাক্ষী কলকাতার এই বাড়ি

কলকাতার বহু বাড়ি ও স্থাপত্যের সঙ্গে স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে। ঋষি অরবিন্দের বাসভবন তার মধ্যে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। একসময় যে বাড়িতে বসে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের নানা পরিকল্পনা, লেখালেখি এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চলত, আজ সেটিই ইতিহাসের স্মারক হিসেবে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

স্বাধীনতার ৮০তম বর্ষে সেই বাড়িতে গিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী কার্যত সেই ইতিহাসকেই সামনে আনলেন। বর্তমান প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রকৃত ইতিহাস এবং সংগ্রামীদের আত্মত্যাগ তুলে ধরার ক্ষেত্রে এমন স্মরণ কর্মসূচির গুরুত্ব রয়েছে।

সব মিলিয়ে, স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে কলকাতায় ঋষি অরবিন্দের বাসভবনে শুভেন্দু অধিকারীর শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ঐতিহাসিক এবং প্রতীকী—দুই দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ। অরবিন্দ ঘোষ ছিলেন একদিকে ব্রিটিশবিরোধী জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ, অন্যদিকে পরবর্তী জীবনে আধ্যাত্মিক দর্শনের অন্যতম বিশিষ্ট চিন্তাবিদ। তাঁর জীবন ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের রাজনৈতিক ইতিহাস থেকে আধ্যাত্মিক চিন্তার জগৎ—দুই ক্ষেত্রকেই সমৃদ্ধ করেছে।

স্বাধীনতার ৮০তম বর্ষে তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো তাই শুধু একজন স্বাধীনতা সংগ্রামীকে স্মরণ করা নয়; বরং সেই সময়ের রাজনৈতিক সংগ্রাম, আত্মত্যাগ এবং দেশের স্বাধীনতার স্বপ্নকে নতুন করে স্মরণ করা। কলকাতার ঐতিহাসিক বাসভবনে মুখ্যমন্ত্রীর এই উপস্থিতি সেই স্মৃতিরই পুনরাবৃত্তি ঘটাল।

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

চাকরির খোঁজে বেঙ্গালুরু, TTP যোগে ধৃত যুবক

উচ্চশিক্ষা শেষ করে চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সরকারি চাকরি পাওয়ার আশায় একাধিক পরীক্ষা দিয়েছিলেন। কিন্তু সাফল্য না আসায় শেষ পর্যন্ত বাড়ি ছেড়ে বেঙ্গালুরুতে গিয়ে নিরাপত্তারক্ষীর কাজ শুরু করেন উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়ার ২৫ বছরের যুবক আশাফুল মালিক। আর সেখানেই...

দলীয় পতাকার নিচে জাতীয় পতাকা, বিতর্কে সিপিএম

স্বাধীনতা দিবসের দিন জাতীয় পতাকা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে বিতর্কে জড়াল সিপিএম। উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহ ও উত্তর দমদমের নিমতা এলাকায় দলের কার্যালয়ের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময় নিয়মভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, সিপিএমের লাল দলীয় পতাকা জাতীয় পতাকার তুলনায় বেশি...

মধ্যপ্রদেশে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, বড় ঘোষণা মোহন যাদবের

স্বাধীনতা দিবসের মঞ্চ থেকে বড় ঘোষণা করলেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব। রাজ্যে দ্রুত কার্যকর করা হবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বা Uniform Civil Code (UCC)। শনিবার স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর ভাষণ দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, মধ্যপ্রদেশ সরকার...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.