Wednesday, September 30, 2026

Creating liberating content

यूईएम जयपुर ने मानवता...

जयपुर में आयोजित मानवता के लिए दौड़ के दसवें संस्करण में यूनिवर्सिटी ऑफ...

अक्टूबर 2026 में पड़ेंगी...

सनातन हिंदू धर्म में एकादशी तिथि का विशेष धार्मिक महत्व माना जाता है।...

इंफोसिस और विप्रो में...

देश की प्रमुख सूचना प्रौद्योगिकी सेवा कंपनियों में शामिल इंफोसिस और विप्रो के...

स्वर्ग में कर्ण को...

महाभारत के महान योद्धाओं में कर्ण का नाम केवल उनकी वीरता और संघर्ष...
Homeবাংলাস্বাধীনতা সংগ্রামে RSS...

স্বাধীনতা সংগ্রামে RSS কোথায় ছিল, প্রশ্ন প্রিয়াঙ্কের

ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ বা RSS-কে তীব্র আক্রমণ করলেন কর্নাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গে। স্বাধীনতা সংগ্রামে সংগঠনটির ভূমিকা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলে তিনি জানতে চান, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে RSS ঠিক কোন স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ নিয়েছিল। একইসঙ্গে তিনি RSS-কে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দেওয়া সংগঠনের অন্তত ৫০ জন সদস্যের নাম প্রকাশ করা হোক। তাঁর দাবি, তিনি স্বাধীনতা আন্দোলনে আত্মবলিদান দেওয়া ৫০০ জন কংগ্রেস কর্মীর নাম বলতে পারবেন। 

১৫ আগস্ট কালাবুরাগিতে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রিয়াঙ্ক খাড়গের এই মন্তব্য সামনে আসে। স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস এবং RSS-এর ভূমিকা নিয়ে তাঁর বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশেষ করে কর্নাটকে RSS-এর কার্যকলাপ, সরকারি সম্পত্তি ব্যবহারের প্রস্তাবিত আইন এবং বিজেপি-কংগ্রেসের রাজনৈতিক সংঘাতের মধ্যেই তাঁর এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

### ‘কোন স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ নিয়েছিলেন?’

স্বাধীনতা দিবসের মঞ্চ থেকেই RSS-এর উদ্দেশে সরাসরি প্রশ্ন ছুড়ে দেন প্রিয়াঙ্ক খাড়গে। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে সংগঠনটির অবদান কী ছিল, তা স্পষ্ট করা উচিত।

তিনি বলেন, RSS-এর কাছে তাঁর একটাই প্রশ্ন—সংগঠনটি কোন স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ নিয়েছিল? একইসঙ্গে তিনি RSS-কে এমন অন্তত ৫০ জন সদস্যের নাম বলতে বলেন, যাঁরা স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কংগ্রেসের পক্ষ থেকে স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মবলিদান দেওয়া বহু কর্মী ও নেতার নামের তালিকা দেওয়া সম্ভব। 

প্রিয়াঙ্কের এই বক্তব্য মূলত স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে পুরনো বিতর্ককে আবার সামনে নিয়ে এসেছে। স্বাধীনতার ৮০ বছর পরেও এই প্রশ্ন রাজনৈতিক পরিসরে যে কতটা স্পর্শকাতর, তাঁর মন্তব্যের পরবর্তী প্রতিক্রিয়াতেই তা স্পষ্ট।

### ৫০০ কংগ্রেস কর্মীর নাম বলার দাবি

প্রিয়াঙ্ক খাড়গে তাঁর বক্তব্যে কংগ্রেসের স্বাধীনতা সংগ্রামের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দেওয়া ৫০০ কংগ্রেস কর্মীর নাম তিনি বলতে পারবেন। অন্যদিকে RSS-এর কাছে তিনি অন্তত ৫০ জন সদস্যের নাম চেয়েছেন।

এই তুলনার মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে কংগ্রেসের সংগঠিত রাজনৈতিক ভূমিকা ছিল, কিন্তু RSS-এর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর বক্তব্য অবশ্য রাজনৈতিক বিতর্কের অংশ হিসেবেই সামনে এসেছে এবং RSS-এর সমর্থকেরা এই ব্যাখ্যার সঙ্গে একমত নন।

### RSS-এর ভূমিকা নিয়ে পুরনো রাজনৈতিক বিতর্ক

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে RSS-এর ভূমিকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক বিতর্ক রয়েছে। সংগঠনটি ১৯২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও স্বাধীনতা আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে তার সাংগঠনিক ভূমিকা নিয়ে ইতিহাসবিদ ও রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে।

কংগ্রেস এবং অন্যান্য বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি প্রায়ই অভিযোগ করে যে RSS-এর মূল সংগঠন স্বাধীনতা আন্দোলনের মূলধারার রাজনৈতিক কর্মসূচিতে কংগ্রেসের মতো ভূমিকা নেয়নি। অন্যদিকে RSS এবং তার সমর্থকেরা সংগঠনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাজ এবং বিভিন্ন সময়ে দেশ ও সমাজের জন্য তার ভূমিকার কথা তুলে ধরে।

এই ঐতিহাসিক বিতর্কই স্বাধীনতা দিবসের মঞ্চে প্রিয়াঙ্ক খাড়গের বক্তব্যের মাধ্যমে ফের রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে।

### সরকারি সম্পত্তি ব্যবহারের বিল ঘিরেও উত্তেজনা

RSS নিয়ে প্রিয়াঙ্ক খাড়গের মন্তব্যের পেছনে কর্নাটকের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিও গুরুত্বপূর্ণ। রাজ্য সরকার সরকারি জায়গা এবং জনসাধারণের সম্পত্তি ব্যবহারের নিয়ম আরও কঠোর করার লক্ষ্যে একটি বিল আনার উদ্যোগ নিয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, এই প্রস্তাবিত আইন RSS-কে লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়েছে। 

প্রিয়াঙ্ক অবশ্য সেই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁর বক্তব্য, প্রস্তাবিত আইনে কোনও নির্দিষ্ট সংগঠন, প্রতিষ্ঠান বা রাজনৈতিক দলের নাম উল্লেখ করা হয়নি। সরকারি সম্পত্তি এবং জনসাধারণের জায়গা ব্যবহারের ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশ মেনে নিয়ম তৈরি করাই এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য বলে তিনি জানিয়েছেন। 

তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কোনও সংগঠনকে নিজের অফিস বা নিজস্ব জায়গায় অনুষ্ঠান করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে না। সমস্যা হচ্ছে সরকারি বা জনসাধারণের ব্যবহারের জায়গা কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তা নিয়ে।

### RSS-এর নিবন্ধন নিয়েও প্রশ্ন

RSS-এর সাংগঠনিক অবস্থান নিয়েও সম্প্রতি কর্নাটকে রাজনৈতিক চাপানউতোর বেড়েছে। প্রিয়াঙ্ক খাড়গে সংগঠনটির নিবন্ধন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তার পাল্টা জবাবে বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক বি এল সন্তোষ জানিয়েছেন, RSS-এর অস্তিত্বের জন্য আলাদা নিবন্ধনের প্রয়োজন নেই। 

বি এল সন্তোষ RSS-এর ভূমিকা নিয়ে পাল্টা বক্তব্যও রেখেছেন। তিনি দাবি করেছেন, দেশভাগের সময় RSS হিন্দুদের পাশে দাঁড়িয়েছিল। পাশাপাশি হায়দরাবাদ অঞ্চলে রজাকারদের বিরুদ্ধে RSS কর্মীদের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। 

অর্থাৎ একদিকে প্রিয়াঙ্ক খাড়গে RSS-এর স্বাধীনতা আন্দোলনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, অন্যদিকে বিজেপি নেতারা স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে এবং দেশভাগের সময় সংগঠনের ভূমিকার কথা সামনে আনছেন।

### রজাকার প্রসঙ্গেও পাল্টা জবাব

RSS-এর ভূমিকা নিয়ে বিজেপি নেতা বি এল সন্তোষের বক্তব্যেরও পাল্টা জবাব দিয়েছেন প্রিয়াঙ্ক খাড়গে। সন্তোষ দাবি করেছিলেন, তাঁর পরিবারের সদস্যদের রজাকারদের হাত থেকে রক্ষা করতে RSS কর্মীরা ভূমিকা নিয়েছিলেন। প্রিয়াঙ্ক সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেন, তাঁদের রক্ষা করেছিল ভারতীয় সেনা এবং দেশের জাতীয় নেতৃত্ব।

তিনি হায়দরাবাদ অঞ্চলের সংযুক্তিকরণ এবং পরবর্তী সময়ের ঘটনাপ্রবাহের প্রসঙ্গও তোলেন। তাঁর বক্তব্য, সেই অঞ্চলের মুক্তি ও ভারতের সঙ্গে সংযুক্তিকরণের ইতিহাসকে শুধুমাত্র কোনও একটি সংগঠনের কৃতিত্ব হিসেবে দেখানো ঠিক নয়।

এভাবে স্বাধীনতা সংগ্রামের পাশাপাশি স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ের রাজনৈতিক ইতিহাসও বর্তমান বিতর্কের অংশ হয়ে উঠেছে।

### গান্ধী হত্যার প্রসঙ্গও তুললেন প্রিয়াঙ্ক

RSS-এর আদর্শ নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মহাত্মা গান্ধীর হত্যার প্রসঙ্গও টেনে আনেন কর্নাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি RSS-এর আদর্শের সঙ্গে নাথুরাম গডসের যোগসূত্রের অভিযোগ তুলে সংগঠনটির বিরুদ্ধে তীব্র রাজনৈতিক আক্রমণ করেন।

এই মন্তব্যের ফলে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। RSS এবং বিজেপির নেতারা দীর্ঘদিন ধরেই গান্ধী হত্যার সঙ্গে সংগঠনটির সরাসরি সাংগঠনিক দায়ের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছেন। ফলে প্রিয়াঙ্কের বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে পাল্টা প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

### জাতীয় পতাকা নিয়েও আগে সরব হয়েছিলেন

RSS-কে নিয়ে প্রিয়াঙ্ক খাড়গের এই আক্রমণ হঠাৎ করে হয়নি। স্বাধীনতা দিবসের আগে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি নিয়েও তিনি RSS-কে নিশানা করেছিলেন।

তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচি যদি সত্যিই জাতীয় পতাকার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের উদ্যোগ হয়, তাহলে তা RSS-এর সদর দফতর থেকেই শুরু করা উচিত। তাঁর অভিযোগ ছিল, নাগপুরের RSS সদর দফতরে দীর্ঘ সময় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়নি এবং ২০০২ সালে সেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে তেরঙ্গা উত্তোলন করা হয়। 

এই বক্তব্যও বিজেপি ও RSS-এর সঙ্গে কংগ্রেসের রাজনৈতিক সংঘাতকে আরও তীব্র করেছিল। স্বাধীনতা দিবসের দিন তাঁর নতুন বক্তব্য সেই বিতর্ককেই আরও বিস্তৃত করেছে।

### রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ার সম্ভাবনা

প্রিয়াঙ্ক খাড়গের বক্তব্যের পর বিজেপি ও RSS-এর পক্ষ থেকে পাল্টা প্রতিক্রিয়া আসা স্বাভাবিক বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ তাঁর প্রশ্ন সরাসরি সংগঠনটির স্বাধীনতা সংগ্রামের ভূমিকা এবং ঐতিহাসিক অবস্থানকে কেন্দ্র করে।

ইতিমধ্যেই বি এল সন্তোষ প্রিয়াঙ্কের বক্তব্যের পাল্টা যুক্তি দিয়েছেন। RSS-এর নিবন্ধন প্রয়োজন নেই এবং সংগঠনটি দেশভাগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিল—এই দাবির মাধ্যমে বিজেপি নেতৃত্ব তাদের নিজস্ব ঐতিহাসিক ব্যাখ্যা তুলে ধরেছে। 

ফলে আগামী দিনে স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস, RSS-এর ভূমিকা এবং দেশভাগের সময় সংগঠনটির কার্যকলাপ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হতে পারে।

### স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে নতুন করে বিতর্ক

ভারতের স্বাধীনতার ৮০তম বর্ষে দাঁড়িয়ে এই ধরনের বিতর্ক নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে থাকে। তবে বর্তমান বিতর্কে বিশেষ তাৎপর্য হল, স্বাধীনতা দিবসের সরকারি অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকেই একটি জাতীয় সংগঠনের ঐতিহাসিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

প্রিয়াঙ্ক খাড়গের বক্তব্যে মূলত তিনটি বিষয় সামনে এসেছে—স্বাধীনতা সংগ্রামে RSS-এর ভূমিকা, স্বাধীনতার সময় আত্মবলিদান দেওয়া সদস্যদের সংখ্যা ও পরিচয় এবং দেশভাগের সময় সংগঠনটির কার্যকলাপ।

অন্যদিকে RSS-এর পক্ষ থেকে স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ের বিভিন্ন সামাজিক ও জাতীয় কর্মকাণ্ডকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফলে একই ইতিহাসকে দুই রাজনৈতিক শিবির সম্পূর্ণ ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করছে।

### বিতর্কের কেন্দ্রে ইতিহাস ও রাজনীতি

প্রিয়াঙ্ক খাড়গের বক্তব্যকে শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক আক্রমণ হিসেবে দেখলে বিষয়টির পুরো প্রেক্ষাপট ধরা পড়বে না। এর মধ্যে স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস কীভাবে ব্যাখ্যা করা হবে, কোন সংগঠনের ভূমিকা কতটা ছিল এবং জাতীয়তাবাদের ধারণাকে কোন রাজনৈতিক শক্তি কীভাবে তুলে ধরবে—এই বৃহত্তর প্রশ্নও জড়িয়ে রয়েছে।

একইসঙ্গে কর্নাটকের বর্তমান রাজনীতিতে কংগ্রেস সরকার এবং বিজেপি-RSS-এর মধ্যে যে সংঘাত চলছে, তার প্রভাবও এই বিতর্কে রয়েছে। সরকারি সম্পত্তি ব্যবহারের প্রস্তাবিত আইনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বিজেপির সঙ্গে রাজ্য সরকারের মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। 

সেই প্রেক্ষাপটে স্বাধীনতা দিবসে RSS-কে নিয়ে প্রিয়াঙ্কের মন্তব্য রাজনৈতিক লড়াইয়ের নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

সব মিলিয়ে, স্বাধীনতা দিবসের মঞ্চে কর্নাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গের RSS-বিরোধী বক্তব্য ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। স্বাধীনতা সংগ্রামে RSS-এর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি সংগঠনটিকে অন্তত ৫০ জন শহিদের নাম প্রকাশের চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন। একইসঙ্গে কংগ্রেসের স্বাধীনতা সংগ্রামের অবদানের কথা তুলে ধরে ৫০০ জন আত্মবলিদানকারী কংগ্রেস কর্মীর নাম বলার দাবি করেছেন। 

অন্যদিকে বিজেপি নেতা বি এল সন্তোষ RSS-এর স্বাধীনতা-পরবর্তী ও দেশভাগকালীন ভূমিকার কথা তুলে ধরে পাল্টা বক্তব্য দিয়েছেন। ফলে ইতিহাসের ব্যাখ্যা, জাতীয়তাবাদ এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের উত্তরাধিকার নিয়ে কংগ্রেস ও বিজেপি-RSS-এর রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

ঔরঙ্গজেবের আমলের ৩৩৪ বছরের বনেদি পুজোর অমলিন ঐতিহ্য

পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজোর ইতিহাসে বনেদি পুজোর আলাদা মর্যাদা রয়েছে। সেই ঐতিহ্যের অন্যতম উজ্জ্বল অধ্যায় পূর্ব বর্ধমানের পানাগড়ের সোঁয়াই গ্রামের মুখোপাধ্যায় পরিবারের দুর্গাপুজো। এ বছর এই পুজো ৩৩৪ বছরে পা দিয়েছে। শুধু প্রাচীনত্ব নয়, এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে স্বপ্নাদেশ, বর্ধমানের...

বাংলায় পথচলা শুরু বিজয় থলপতির টিভিকের নতুন অধ্যায়

তামিলনাড়ুতে রাজনৈতিক সাফল্যের পর এবার পশ্চিমবঙ্গে সাংগঠনিক বিস্তার শুরু করল বিজয় থলপতি-র দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগম (TVK)। পূর্ব বর্ধমান জেলার ফাগুপুরে দলের প্রথম কার্যালয় খোলার মাধ্যমে বাংলায় আনুষ্ঠানিকভাবে পথচলা শুরু হয়েছে। এই পদক্ষেপের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—তাহলে...

সন্ত্রাসে শীর্ষে পাকিস্তান, হাক্কানির বিস্ফোরক আত্মসমালোচনা ভাইরাল

সন্ত্রাসবাদে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় পাকিস্তানের শীর্ষে উঠে আসার দাবি ঘিরে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (IEP)-এর প্রকাশিত Global Terrorism Index 2026-এর তথ্য সামনে আসার পর পাকিস্তানের প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত হুসেন হাক্কানি ইসলামাবাদের দীর্ঘদিনের...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.