স্বাধীনতা দিবসের দিন জাতীয় পতাকা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে বিতর্কে জড়াল সিপিএম। উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহ ও উত্তর দমদমের নিমতা এলাকায় দলের কার্যালয়ের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময় নিয়মভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, সিপিএমের লাল দলীয় পতাকা জাতীয় পতাকার তুলনায় বেশি উচ্চতায় ছিল। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। বিজেপির পক্ষ থেকে ঘটনাটিকে জাতীয় পতাকার অবমাননা বলে অভিযোগ তুলে সিপিএমকে নিশানা করা হয়। অন্যদিকে স্থানীয় সিপিএম নেতৃত্ব ভুল স্বীকার করে জানিয়েছে, ঘটনাটি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত এবং দ্রুত তা সংশোধন করা হয়েছে।
১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশের সর্বত্র জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের পক্ষ থেকেও নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সেই আবহেই খড়দহের কল্যাণনগর বটতলা এবং উত্তর দমদমের নিমতা এলাকায় সিপিএমের পতাকা উত্তোলন ঘিরে এই বিতর্কের সূত্রপাত। ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি দ্রুত রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে।
### খড়দহে কী ঘটেছিল?
অভিযোগ অনুযায়ী, খড়দহের কল্যাণনগর বটতলায় সিপিএমের পার্টি অফিসের সামনে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে পতাকা উত্তোলনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানকার দৃশ্যের ছবি এবং ভিডিও সামনে আসার পর দেখা যায়, লাল দলীয় পতাকাটি জাতীয় পতাকার তুলনায় বেশি উচ্চতায় রয়েছে। অর্থাৎ তেরঙ্গা পতাকা তুলনামূলকভাবে নিচে অবস্থান করছিল।
এই দৃশ্য প্রকাশ্যে আসতেই বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয় যে, জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষার ক্ষেত্রে নিয়ম মানা হয়নি। বিজেপির স্থানীয় নেতারা বিষয়টি নিয়ে সরব হন এবং সিপিএমের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক আক্রমণ শুরু করেন।
খড়দহে বিজেপির ২ নম্বর মণ্ডলের সহ-সভাপতি দিলীপ কুমার দাশগুপ্ত অভিযোগ করেন, জাতীয় পতাকার উপরে সিপিএমের দলীয় পতাকা রাখা হয়েছিল। তাঁর দাবি, স্বাধীনতা দিবসের মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনে এমন ঘটনা জাতীয় পতাকার অবমাননার শামিল। তিনি এই ঘটনাকে সিপিএমের দেশবিরোধী মানসিকতার সঙ্গে যুক্ত করেও মন্তব্য করেন। তবে এই অভিযোগ রাজনৈতিক বক্তব্য হিসেবেই সামনে এসেছে।
### ভুল স্বীকার করল স্থানীয় সিপিএম
বিতর্কের মধ্যেই স্থানীয় সিপিএম নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ঘটনাটি নিয়ে সাফাই দেওয়া হয়েছে। খড়দহের স্থানীয় সিপিএম নেতা চারুন চক্রবর্তী জানিয়েছেন, জাতীয় পতাকা রাজনৈতিক দলের পতাকার উপরে থাকবে—এই নিয়ম সম্পর্কে তাঁরা অবগত এবং সাধারণত সেই নিয়মই মেনে চলা হয়।
তাঁর বক্তব্য, এদিন কোনওভাবে ভুল হয়ে গিয়েছে। ঘটনাটি ইচ্ছাকৃত ছিল না। দ্রুত ভুল সংশোধন করাই প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন তিনি। অর্থাৎ জাতীয় পতাকার মর্যাদা খাটো করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না বলেই স্থানীয় নেতৃত্বের দাবি।
এই স্বীকারোক্তির ফলে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও এক নতুন মাত্রা পেয়েছে। বিজেপি যেখানে ঘটনাটিকে জাতীয় পতাকার অবমাননা বলে তুলে ধরছে, সেখানে সিপিএমের বক্তব্য—এটি কোনও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বা ইচ্ছাকৃত কাজ নয়, নিছক ভুল।
### নিমতাতেও একই অভিযোগ
শুধু খড়দহ নয়, একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে উত্তর দমদমের নিমতা এলাকার সিপিএমের এরিয়া কমিটির পার্টি অফিসের সামনেও। সেখানেও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে পতাকা উত্তোলন করা হয়েছিল।
সামনে আসা ছবি অনুযায়ী, পার্টি অফিসের সামনে শহিদ বেদি থেকে দলীয় লাল পতাকা উড়ছিল। তার পাশে ইট দিয়ে কিছুটা উঁচু জায়গা তৈরি করে জাতীয় পতাকা রাখা হয়েছিল। কিন্তু পতাকা উত্তোলনের সময় তেরঙ্গাটি দলীয় পতাকার তুলনায় কম উচ্চতায় ছিল বলে অভিযোগ ওঠে।
নিমতার ঘটনায় আরও একটি বিষয় নজরে আসে। ইট দিয়ে তৈরি করা উঁচু জায়গায় স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ছবিও রাখা হয়েছিল। স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা এবং স্বাধীনতা সংগ্রামীদের স্মরণকে কেন্দ্র করে এমন আয়োজনের মধ্যেই পতাকার উচ্চতা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।
### সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে ছবি
খড়দহ এবং নিমতার ঘটনাগুলির ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরই বিষয়টি দ্রুত আলোচনায় আসে। রাজনৈতিক কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে শুরু হয় পাল্টাপাল্টি মন্তব্য।
বিশেষ করে বিজেপির পক্ষ থেকে ভিডিও ও ছবি প্রচার করে সিপিএমকে আক্রমণ করা হয়। ঘটনাটিকে দলের ‘ঐতিহাসিক ভুল’ বলে উল্লেখ করা হয়। স্বাধীনতা দিবসের মতো একটি জাতীয় অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকার অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় বিষয়টি আরও স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে।
তবে কোনও ভিডিও বা ছবির ভিত্তিতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর আগে সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট বিবেচনা করা জরুরি। স্থানীয় সিপিএম নেতৃত্বও জানিয়েছে, ভুলটি অনিচ্ছাকৃত।
### প্রতিবাদে বিজেপির বিক্ষোভ
ঘটনার প্রতিবাদে খড়দহে সিপিএম কার্যালয়ের সামনে বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের অভিযোগ ছিল, স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষা করা হয়নি।
নিমতাতেও একইভাবে বিজেপির পক্ষ থেকে প্রতিবাদ কর্মসূচি নেওয়া হয়। সেখানে বিক্ষোভ ঘিরে পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়।
ফলে একটি পতাকা উত্তোলনকে ঘিরে স্থানীয় স্তরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়। স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের মতো একটি জাতীয় আবেগের বিষয় খুব দ্রুত দলীয় রাজনৈতিক সংঘাতের রূপ নেয়।
### জাতীয় পতাকার মর্যাদা নিয়ে নিয়ম কী?
ভারতের জাতীয় পতাকা ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। Flag Code of India অনুযায়ী জাতীয় পতাকাকে সর্বদা মর্যাদার সঙ্গে প্রদর্শন করতে হয়। কোনও অন্য পতাকার সঙ্গে প্রদর্শিত হলে তেরঙ্গার অবস্থান ও মর্যাদা যাতে খর্ব না হয়, তা নিশ্চিত করার বিধান রয়েছে।
সাধারণভাবে জাতীয় পতাকা কোনও দলীয় বা অন্য পতাকার তুলনায় অসম্মানজনক অবস্থানে রাখা উচিত নয়। একইভাবে পতাকা যেন মাটি স্পর্শ না করে, ছেঁড়া বা নোংরা অবস্থায় ব্যবহার না করা হয় এবং তাকে শুধুমাত্র সাজসজ্জার উপকরণ হিসেবে ব্যবহার না করা হয়—এসব বিষয়েও নিয়ম রয়েছে।
তাই খড়দহ ও নিমতার ঘটনায় জাতীয় পতাকা দলীয় পতাকার তুলনায় নিচে থাকার দৃশ্য সামনে আসায় রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়।
### সিপিএমের পতাকা উত্তোলনের ইতিহাস
জাতীয় পতাকা এবং সিপিএমকে ঘিরে বিতর্ক অবশ্য নতুন নয়। ২০২১ সালে ভারতের ৭৫তম স্বাধীনতা দিবসের আগে সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটি দেশের স্বাধীনতা দিবস আনুষ্ঠানিকভাবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয় এবং দলের কার্যালয়গুলিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নির্দেশ দেয়।
সেই সময় বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে রাজনৈতিক বিতর্ক হয়েছিল। কারণ সিপিএমের প্রতিষ্ঠার পর থেকে দলীয় কার্যালয়ে নিয়মিত স্বাধীনতা দিবস পালন এবং তেরঙ্গা উত্তোলনের এমন সাংগঠনিক কর্মসূচি দেখা যায়নি।
১৯৪৭ সালের স্বাধীনতার পর অবিভক্ত কমিউনিস্ট পার্টির ‘ইয়ে আজাদি ঝুঠা হ্যায়’ বা ‘এই স্বাধীনতা মিথ্যা’ স্লোগানের ঐতিহাসিক প্রসঙ্গও তখন নতুন করে সামনে এসেছিল। পরে সিপিএমের পক্ষ থেকে এই ব্যাখ্যা দেওয়া হয় যে, স্বাধীনতা দিবস পালনের ক্ষেত্রে দলের অবস্থানকে নতুনভাবে সামনে আনা হচ্ছে।
### ২০২১ সালে কেন তেরঙ্গা নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল?
২০২১ সালে সিপিএমের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্তকে বিজেপি এবং কংগ্রেসের পক্ষ থেকে রাজনৈতিকভাবে আক্রমণ করা হয়েছিল। বিরোধীদের বক্তব্য ছিল, এত বছর পরে সিপিএম জাতীয় পতাকা উত্তোলনের দিকে এগিয়েছে।
সিপিএম অবশ্য সেই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছিল, স্বাধীনতা সংগ্রামে বামপন্থীদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। দলের নেতারা স্বাধীনতা আন্দোলনে কমিউনিস্টদের অবদান তুলে ধরেন।
সেই ঐতিহাসিক বিতর্কের কয়েক বছর পরেই বাংলায় স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকার অবস্থান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন ওঠায় বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
### জাতীয় পতাকা বনাম দলীয় রাজনীতি
স্বাধীনতা দিবস মূলত জাতীয় ঐক্য এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের স্মৃতিকে সামনে আনার দিন। রাজনৈতিক দলগুলি নিজেদের কর্মসূচির মাধ্যমে এই দিনটি পালন করলেও জাতীয় পতাকার মর্যাদা নিয়ে কোনও বিতর্ক তৈরি হলে তা সহজেই রাজনৈতিক সংঘাতে পরিণত হয়।
খড়দহ এবং নিমতার ঘটনাতেও ঠিক সেটাই হয়েছে। সিপিএমের বিরুদ্ধে বিজেপির অভিযোগ, জাতীয় পতাকাকে দলীয় পতাকার নিচে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে সিপিএম বলছে, এটি কোনও পরিকল্পিত পদক্ষেপ নয়। স্থানীয় নেতা ভুল স্বীকার করেছেন এবং জানিয়েছেন, এমনটা ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়নি।
ফলে ঘটনাটিকে ঘিরে মূল প্রশ্ন দাঁড়াচ্ছে—এটি কি শুধুই পতাকা উত্তোলনের সময় হওয়া একটি প্রশাসনিক বা সাংগঠনিক ভুল, নাকি এর মধ্যে রাজনৈতিক মানসিকতার কোনও প্রতিফলন রয়েছে?
### রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ার সম্ভাবনা
পশ্চিমবঙ্গে ইতিমধ্যেই সিপিএম, বিজেপি এবং তৃণমূলের মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাত তীব্র। তার মধ্যে স্বাধীনতা দিবসের মতো জাতীয় অনুষ্ঠানে পতাকা উত্তোলন নিয়ে বিতর্ক স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে।
বিজেপি ঘটনাটিকে হাতিয়ার করে সিপিএমের দেশপ্রেম এবং জাতীয়তাবাদ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে। অন্যদিকে সিপিএমের পক্ষ থেকে এটিকে অনিচ্ছাকৃত ভুল হিসেবে তুলে ধরে বিজেপির রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলার সম্ভাবনা রয়েছে।
স্থানীয় নেতৃত্বের তরফে ভুল স্বীকার করে দ্রুত তা সংশোধনের কথা বলা হওয়ায় বিতর্ক কতটা দীর্ঘস্থায়ী হবে, সেটিই এখন দেখার।
### স্বাধীনতা দিবসে এমন বিতর্কের তাৎপর্য
১৫ আগস্টের দিন দেশের জাতীয় পতাকা শুধু একটি প্রতীক নয়; এটি স্বাধীনতা সংগ্রাম, শহিদদের আত্মত্যাগ এবং দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। তাই এই পতাকার অবস্থান নিয়ে সামান্য ভুলও রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে বড় প্রতিক্রিয়া তৈরি করতে পারে।
খড়দহ এবং নিমতার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেই বিষয়টিই আবার সামনে এসেছে। একদিকে রয়েছে জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষার প্রশ্ন, অন্যদিকে রাজনৈতিক দলগুলির পারস্পরিক অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ।
এই পরিস্থিতিতে সিপিএমের স্থানীয় নেতৃত্বের দ্রুত ভুল স্বীকার করে সংশোধনের কথা বলা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ রাজনৈতিক বিতর্কের বাইরে জাতীয় পতাকার মর্যাদা নিয়ে কোনও ধরনের অসতর্কতা যাতে ভবিষ্যতে না ঘটে, সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
### শেষ পর্যন্ত কী দাঁড়াল?
স্বাধীনতা দিবস ২০২৬-এ উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহ ও নিমতায় সিপিএমের পতাকা উত্তোলনকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। অভিযোগ ছিল, দলীয় লাল পতাকা জাতীয় পতাকার তুলনায় বেশি উচ্চতায় রাখা হয়েছিল। ছবি ও ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর বিজেপি কর্মীরা প্রতিবাদ করেন এবং বিষয়টিকে জাতীয় পতাকার অবমাননা বলে অভিযোগ তোলেন।
অন্যদিকে স্থানীয় সিপিএম নেতৃত্ব এই ভুল স্বীকার করে জানিয়েছে, জাতীয় পতাকা দলীয় পতাকার উপরে থাকবে—এই নিয়ম তাঁরা জানেন এবং মানেন। কিন্তু কোনওভাবে ভুল হয়ে গিয়েছিল। সিপিএম নেতা চারুন চক্রবর্তীর বক্তব্য অনুযায়ী, ঘটনাটি অনিচ্ছাকৃত এবং তা দ্রুত সংশোধন করা উচিত।
ফলে এই মুহূর্তে ঘটনাটির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে দুটি বিষয়—জাতীয় পতাকার মর্যাদা এবং রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া। স্বাধীনতা দিবসের মতো দিনে এমন ঘটনা রাজনৈতিক তরজা তৈরি করলেও, ভবিষ্যতে সমস্ত রাজনৈতিক দল ও সংগঠনকে জাতীয় পতাকা ব্যবহারের নিয়ম আরও সতর্কতার সঙ্গে মেনে চলার প্রয়োজনীয়তাই এই বিতর্ক ফের সামনে এনে দিল।


