দুর্গাপুজো মিটলেই বাংলার গ্রামীণ আবাসন প্রকল্পে বড়সড় আর্থিক সহায়তা দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে রাজ্য সরকার। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার আওতায় নির্বাচিত প্রায় **৩০ লক্ষ পরিবারকে প্রথম কিস্তি হিসেবে ৬০ হাজার টাকা** দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। উৎসব শেষ হওয়ার পরই এই টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। পাকা বাড়ি তৈরির জন্য এই আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি পুরো প্রক্রিয়াটি যাতে স্বচ্ছ থাকে এবং কোনও অযোগ্য ব্যক্তি সুবিধা না পান, সে বিষয়েও বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের তরফে একাধিক পর্যায়ে যাচাই ও পুনরায় যাচাইয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
রাজ্য প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রামীণ এলাকার পাকা বাড়িহীন পরিবারগুলিকে আবাসনের সুবিধা দেওয়ার জন্য উপভোক্তা বাছাইয়ের কাজ ইতিমধ্যেই একাধিক ধাপে এগিয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে প্রায় **৫৪.৫৯ লক্ষ গ্রামীণ আবাস উপভোক্তার নাম** প্রশাসনের হাতে এসেছে। এর মধ্যে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সমীক্ষার মাধ্যমে প্রায় ৪৪.৫ লক্ষ আবেদন পাওয়া গিয়েছে। আরও প্রায় ১০ লক্ষ আবেদন অনলাইনের মাধ্যমে জমা পড়েছে। আবেদন যাচাইয়ের ক্ষেত্রে শুধু একটি স্তরের উপর নির্ভর করা হচ্ছে না। বরং বিডিও অফিস, জেলা প্রশাসন এবং অন্যান্য পর্যায়ে একাধিকবার নাম ও তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।
আবাস যোজনার সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে যোগ্য উপভোক্তা নির্বাচনই এবার প্রশাসনের কাছে সবচেয়ে বড় বিষয়। অতীতে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে ভুয়ো নাম, স্বজনপোষণ কিংবা দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। সেই অভিজ্ঞতা মাথায় রেখেই এবার শুরু থেকেই বাছাই প্রক্রিয়ায় কঠোরতা আনা হয়েছে। প্রশাসনের নির্দেশ, কোনওভাবেই যেন অযোগ্য ব্যক্তি সরকারি আবাসন প্রকল্পের টাকা না পান। একই সঙ্গে প্রকৃত যোগ্য পরিবার যাতে সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হয়, সেটিও নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।
এই কারণেই দ্বিতীয় দফার স্ক্রিনিং বা যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। বিডিও অফিসের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট সংখ্যক আবেদন পুনরায় পরীক্ষা করা হচ্ছে। প্রশাসনিক তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১০ শতাংশ ক্ষেত্রে পুনরায় বাছাই বা যাচাইয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কোনও ভুল বা অসঙ্গতি ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট স্তরে তা খতিয়ে দেখা হবে। পাশাপাশি প্রতিটি বিডিওকে আরও অন্তত ৫ শতাংশ ক্ষেত্রে পুনরায় যাচাই করতে বলা হয়েছে। জেলা স্তরেও অতিরিক্তভাবে ২ থেকে ৩ শতাংশ আবেদন পুনরায় পরীক্ষা করার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রশাসনের এই একাধিক স্তরের যাচাইয়ের অন্যতম উদ্দেশ্য হল ভুয়ো বা অযোগ্য নাম বাদ দেওয়া। কারও নাম তালিকায় ঢোকার পরেও যদি দেখা যায় তিনি প্রকল্পের শর্ত পূরণ করছেন না, তাহলে তাঁর আবেদন বাতিল হতে পারে। একই সঙ্গে নথিপত্রে কোনও অসঙ্গতি থাকলেও তা সংশোধনের সুযোগ তৈরি হবে। ফলে শুধু রাজনৈতিক বা স্থানীয় সুপারিশের ভিত্তিতে কেউ আবাস যোজনার সুবিধা পেয়ে যাবেন—এমন সম্ভাবনা কমাতেই এবার বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রের খবর।
প্রথম পর্যায়ের হিসাবে পাকা বাড়ি তৈরির জন্য সাধারণ এলাকায় **১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত** সরকারি সহায়তার কথা বলা হয়েছে। পাহাড়ি এলাকার ক্ষেত্রে সেই সাহায্যের পরিমাণ আরও বেশি, সেখানে **১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত** দেওয়া হতে পারে। অর্থাৎ উপভোক্তারা একবারে পুরো টাকা পাবেন না; নির্দিষ্ট পর্যায়ে কাজের অগ্রগতি অনুযায়ী কিস্তিতে টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। প্রথম কিস্তি হিসেবে ৬০ হাজার টাকা দেওয়ার পর বাড়ি তৈরির কাজ কতটা এগিয়েছে, তা যাচাই করে পরবর্তী কিস্তির অর্থ দেওয়ার কথা।
এই প্রথম কিস্তির অর্থ সরাসরি উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। এর ফলে মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে টাকা লেনদেনের সম্ভাবনা কমবে। সরকারি প্রকল্পের অর্থ সরাসরি সুবিধাভোগীর হাতে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার বা DBT ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে টাকা পাঠানোর আগে উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার সংযুক্ত রয়েছে কি না, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আবাস যোজনার বাড়ি তৈরির ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট কিছু শর্ত রয়েছে। তৈরি হওয়া পাকা বাড়ির ন্যূনতম আয়তন **২৫ বর্গমিটার** হতে হবে। শুধু ঘর তৈরি করলেই হবে না, বাড়ির মধ্যে রান্নার জন্য স্বাস্থ্যসম্মত জায়গার ব্যবস্থাও থাকতে হবে। অর্থাৎ প্রকল্পের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র কোনও পরিবারকে একটি কাঠামো তৈরি করে দেওয়া নয়; বরং ন্যূনতম বসবাসযোগ্য এবং স্বাস্থ্যসম্মত আবাসন নিশ্চিত করা।
এর পাশাপাশি শৌচালয় নির্মাণের জন্য অতিরিক্ত **১২ হাজার টাকা** দেওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে। ফলে আবাস যোজনার সঙ্গে স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থাকেও যুক্ত করা হয়েছে। একটি পরিবার পাকা বাড়ির পাশাপাশি শৌচালয়ের সুবিধা পেলে তাদের জীবনযাত্রার মানও উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। গ্রামীণ এলাকায় স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার দিক থেকে এই ধরনের পরিকাঠামোর গুরুত্ব যথেষ্ট বেশি।
আবাস যোজনার এই টাকা দেওয়ার ক্ষেত্রে দুর্গাপুজোর সময়টিকেও বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, উৎসব শেষ হলেই প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে। অর্থাৎ পুজোর পরপরই নির্বাচিত পরিবারগুলির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছনোর সম্ভাবনা রয়েছে। রাজ্যের তরফে চলতি অর্থবর্ষের মধ্যেই প্রায় ৩০ লক্ষ উপভোক্তাকে বাড়ি তৈরির জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।
এখানে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, আবেদন সংগ্রহের সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছিল। প্রথমে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন নেওয়ার কথা থাকলেও পরে তা বাড়িয়ে **৩১ আগস্ট** করা হয়। ফলে আরও বেশি সংখ্যক যোগ্য পরিবারকে আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। আবেদন জমা পড়ার পর শুরু হয় মাঠপর্যায়ের যাচাই। বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থিক ও আবাসন পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি অনলাইন আবেদনগুলিও যাচাইয়ের আওতায় আনা হয়েছে।
গ্রামীণ বাংলার বহু পরিবারের কাছে পাকা বাড়ি এখনও একটি বড় স্বপ্ন। কাঁচা বাড়ি বা দুর্বল কাঠামোয় বসবাসকারী পরিবারগুলির জন্য বর্ষাকাল কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। পাকা বাড়ি তৈরি হলে তাঁদের নিরাপত্তা বাড়তে পারে। সেই কারণে আবাসন প্রকল্পের অর্থ শুধুমাত্র আর্থিক সাহায্য নয়, সামাজিক নিরাপত্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবেও কাজ করতে পারে।
বিশেষ করে নিম্নআয়ের পরিবারগুলির জন্য নিজেদের অর্থে পাকা বাড়ি তৈরি করা অনেক সময় সম্ভব হয় না। একসঙ্গে কয়েক লক্ষ টাকা খরচ করে বাড়ি তৈরির সামর্থ্য তাঁদের থাকে না। সরকারি সহায়তা কিস্তিতে পাওয়া গেলে ধাপে ধাপে বাড়ির কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সহজ হয়। প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা দিয়ে নির্মাণকাজ শুরু করার পর পরবর্তী পর্যায়ে কাজের অগ্রগতি অনুযায়ী আরও অর্থ পাওয়ার সুযোগ থাকবে।
তবে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রশাসনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জও রয়েছে। কয়েক দশক ধরে সরকারি আবাসন প্রকল্পে উপভোক্তা নির্বাচনের ক্ষেত্রে অভিযোগ ওঠে স্থানীয় প্রভাব, রাজনৈতিক পক্ষপাত কিংবা কাটমানি নিয়ে। এবার সেই ধরনের অভিযোগ এড়াতে প্রশাসন শুরু থেকেই একাধিক স্তরে যাচাইয়ের ব্যবস্থা করেছে। কোনও অযোগ্য নাম তালিকায় ঢুকে গেলে সংশ্লিষ্ট বিডিওর উপরও দায় বর্তাতে পারে বলে প্রশাসনিক মহলে জানানো হয়েছে।
এই কারণে শুধু নামের তালিকা তৈরি করাই নয়, প্রতিটি পরিবারের বাস্তব পরিস্থিতি যাচাই করাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কারও ইতিমধ্যেই পাকা বাড়ি রয়েছে কি না, আবেদনকারী প্রকল্পের শর্ত পূরণ করছেন কি না, ব্যাঙ্ক ও আধার সংক্রান্ত তথ্য সঠিক কি না—এই বিষয়গুলি যাচাই করা হচ্ছে। এর ফলে চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করতে কিছুটা সময় লাগলেও প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছে টাকা পৌঁছনোর সম্ভাবনা বাড়বে।
রাজ্য প্রশাসনের তরফে জেলাভিত্তিক বৈঠকও করা হচ্ছে। পঞ্চায়েত দপ্তরের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বিভিন্ন জেলার আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে আবাসন প্রকল্প এবং সংশ্লিষ্ট কাজের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। শুধু আবাস যোজনা নয়, শৌচালয় নির্মাণ এবং অন্যান্য গ্রামীণ উন্নয়নমূলক কাজ নিয়েও প্রশাসনিক পর্যায়ে পর্যালোচনা চলছে।
সমীক্ষা ও অভিযোগ জানানোর জন্য রাজ্যের পক্ষ থেকে একটি ই-মেল ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এর ফলে কোনও যোগ্য ব্যক্তি তালিকা থেকে বাদ পড়লে বা কোনও অযোগ্য ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বলে মনে হলে প্রশাসনের কাছে তথ্য পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ থাকবে। অভিযোগ যাচাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগও তৈরি হবে।
আবাস যোজনার সঙ্গে যুক্ত অর্থনীতি নিয়েও এর প্রভাব পড়তে পারে। কয়েক লক্ষ পরিবার বাড়ি তৈরি শুরু করলে স্থানীয় নির্মাণ শ্রমিক, রাজমিস্ত্রি, বালি-পাথর সরবরাহকারী, ইটভাটা, সিমেন্ট ও অন্যান্য নির্মাণসামগ্রীর ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মানুষও কাজ পাবেন। ফলে সরকারি আবাসন প্রকল্পের অর্থ সরাসরি উপভোক্তার হাতে পৌঁছলেও তার একটি অংশ স্থানীয় অর্থনীতির মধ্যেও প্রবাহিত হবে।
গ্রামের অর্থনীতিতে এই ধরনের সরকারি ব্যয়ের প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। একটি পরিবার পাকা বাড়ি তৈরি করার সময় স্থানীয় শ্রমিক নিয়োগ করে। স্থানীয় দোকান থেকে নির্মাণসামগ্রী কেনে। ফলে বাড়ি তৈরির জন্য দেওয়া সরকারি অর্থ একাধিক স্তরে ঘুরে স্থানীয় ব্যবসা ও কর্মসংস্থানকে সক্রিয় করতে পারে। সেই দিক থেকেও চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ পরিবারকে সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা যথেষ্ট বড় পদক্ষেপ।
তবে উপভোক্তাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, তালিকায় নাম থাকা মানেই সঙ্গে সঙ্গে টাকা পাওয়া নয়। চূড়ান্ত যাচাই এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র ঠিক থাকার পরেই টাকা পাঠানো হবে। বিশেষ করে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও আধার সংযুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করা হচ্ছে। ফলে যাঁরা আবাস যোজনার টাকা পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন, তাঁদের নিজেদের নথিপত্র এবং ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত তথ্য সঠিক রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করা জরুরি।
সব মিলিয়ে, দুর্গাপুজোর পর পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ৩০ লক্ষ গ্রামীণ পরিবার আবাস যোজনার প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। মোট ৫৪.৫৯ লক্ষেরও বেশি আবেদন বা উপভোক্তার নাম প্রাথমিক পর্যায়ে সামনে আসার পর এখন চলছে আরও কঠোর যাচাই। প্রশাসনের লক্ষ্য একদিকে প্রকৃত দরিদ্র ও পাকা বাড়িহীন পরিবারকে সুবিধা দেওয়া, অন্যদিকে ভুয়ো নাম, অযোগ্য আবেদন এবং দুর্নীতির সম্ভাবনা রোধ করা। প্রথম কিস্তির অর্থ সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর পাশাপাশি পরবর্তী কিস্তিও বাড়ির কাজের অগ্রগতি যাচাই করে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে পুজোর পর এই প্রকল্প বাস্তবায়নের দিকে রাজ্য প্রশাসনের নজর থাকবে, আর কয়েক লক্ষ পরিবারের কাছে পাকা বাড়ির স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে এটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হয়ে উঠতে পারে।


