Friday, August 21, 2026

Creating liberating content

दिल्ली मास्टर प्लान 2047...

दिल्ली के समग्र और संतुलित विकास को नई दिशा देने के लिए दिल्ली...

मोबाइल फोन को लेकर...

महाराष्ट्र के छत्रपति संभाजीनगर जिले में मोबाइल फोन को लेकर शुरू हुआ एक...

बीएमडब्ल्यू एक्स1 एलडब्ल्यूबी भारत...

जर्मन वाहन निर्माता बीएमडब्ल्यू ने भारतीय बाजार में अपनी नई एक्स1 एलडब्ल्यूबी को...

২০২৬-এ গোয়ার হয়েই খেলবেন...

ক্রিকেটপ্রেমীদের দীর্ঘদিনের জল্পনার অবসান। ২০২৬-২৭ মরশুমে ঘরোয়া ক্রিকেটে কোন রাজ্যের হয়ে খেলবেন অর্জুন...
Homeবাংলাবর্ষায় কাঁচালঙ্কা-ধনেপাতা পচবে...

বর্ষায় কাঁচালঙ্কা-ধনেপাতা পচবে না, মানুন এই টিপস

বর্ষাকাল মানেই একদিকে মনোরম আবহাওয়া, অন্যদিকে রান্নাঘরে নানা সমস্যার ঝামেলা। বিশেষ করে এই সময়ে শাকসবজি, কাঁচালঙ্কা, ধনেপাতা-সহ বিভিন্ন কাঁচা উপকরণ খুব দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। বাজার থেকে টাটকা কাঁচালঙ্কা বা ধনেপাতা কিনে আনার পর কয়েক দিনের মধ্যেই দেখা যায় সেগুলি নরম হয়ে যাচ্ছে, শুকিয়ে যাচ্ছে অথবা পচন ধরছে। ফলে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি পরিমাণে কিনে ফেললে একটা বড় অংশ শেষ পর্যন্ত ফেলে দিতে হয়। 

বাঙালি রান্নায় কাঁচালঙ্কা এবং ধনেপাতা দু’টিই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডাল, তরকারি, মাছের ঝোল থেকে শুরু করে চাটনি কিংবা বিভিন্ন মুখরোচক পদ—প্রায় সব ক্ষেত্রেই এই দুই উপকরণ রান্নার স্বাদ এবং গন্ধ বাড়িয়ে দেয়। তাই প্রতিদিন অল্প অল্প করে বাজার থেকে কিনে আনার বদলে অনেকেই একসঙ্গে কয়েক দিনের কাঁচালঙ্কা ও ধনেপাতা কিনে রাখেন। কিন্তু বর্ষার আর্দ্র পরিবেশে সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করলে সেগুলি বেশিদিন ভালো থাকে না। 

তবে চিন্তার কারণ নেই। সংরক্ষণের পদ্ধতিতে সামান্য পরিবর্তন আনলেই কাঁচালঙ্কা এবং ধনেপাতা তুলনামূলকভাবে অনেকদিন সতেজ রাখা সম্ভব। বাড়িতে থাকা সাধারণ টিস্যু পেপার, পরিষ্কার কাপড়, কন্টেনার কিংবা জিপলক পাউচ ব্যবহার করেই এই কাজ করা যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক বর্ষাকালে কীভাবে কাঁচালঙ্কা ও ধনেপাতা সংরক্ষণ করলে সহজে নষ্ট হবে না।

## কেন বর্ষায় দ্রুত পচে যায় কাঁচালঙ্কা ও ধনেপাতা?

বর্ষাকালে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেড়ে যায়। রান্নাঘর কিংবা ফ্রিজের ভিতরেও অতিরিক্ত জলীয় ভাব তৈরি হতে পারে। কাঁচালঙ্কা বা ধনেপাতার গায়ে জল লেগে থাকলে সেই আর্দ্রতার কারণে দ্রুত পচন শুরু হতে পারে।

বিশেষ করে ধনেপাতা অত্যন্ত নরম এবং সংবেদনশীল। বাজার থেকে আনার পর পাতাগুলি ভেজা অবস্থায় প্যাকেট বা বন্ধ কৌটোর মধ্যে রেখে দিলে সেখানে জলীয় বাষ্প জমে যায়। ধীরে ধীরে পাতাগুলি কালচে হয়ে নরম হতে শুরু করে এবং শেষ পর্যন্ত ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে যেতে পারে।

কাঁচালঙ্কার ক্ষেত্রেও একই সমস্যা দেখা যায়। অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণে লঙ্কা নরম হয়ে যেতে পারে। আবার দীর্ঘদিন রেখে দিলে তার উপর ছত্রাক বা পচন দেখা দেওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। তাই সংরক্ষণের আগে অতিরিক্ত জল সরিয়ে নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

## ধনেপাতা সংরক্ষণের প্রথম পদ্ধতি

বর্ষায় ধনেপাতা দীর্ঘদিন ভালো রাখার জন্য প্রথমে পাতাগুলি ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। প্রয়োজনে জল দিয়ে ধুয়ে ময়লা এবং ধুলো সরিয়ে নিন। এরপর ধনেপাতার নীচের অংশ অর্থাৎ অতিরিক্ত ডাঁটা কেটে ফেলা যেতে পারে।

এবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ধনেপাতার গায়ে যেন অতিরিক্ত জল না থাকে। ধোয়ার পর পরিষ্কার কাপড় বা টিস্যু পেপারের সাহায্যে পাতাগুলি ভালোভাবে শুকিয়ে নিতে হবে।

এরপর একটি পরিষ্কার ও শুকনো কাপড় কিংবা টিস্যু পেপারের মধ্যে ধনেপাতাগুলি আলতোভাবে মুড়ে রাখতে পারেন। এতে পাতার অতিরিক্ত আর্দ্রতা শোষিত হবে এবং সহজে পচন ধরবে না। মূল প্রতিবেদনে এই পদ্ধতিকে বর্ষাকালে ধনেপাতা দীর্ঘদিন সতেজ রাখার একটি ঘরোয়া উপায় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। 

তবে ধনেপাতা খুব শক্ত করে মুড়ে রাখা উচিত নয়। পাতাগুলির চারপাশে সামান্য বাতাস চলাচলের সুযোগ থাকলে তা আরও ভালো হতে পারে।

## এয়ারটাইট কন্টেনারে রাখুন ধনেপাতা

ধনেপাতা সংরক্ষণের আরেকটি সহজ উপায় হল পরিষ্কার এয়ারটাইট কন্টেনার ব্যবহার করা। প্রথমে কন্টেনারটি ভালোভাবে পরিষ্কার করে শুকিয়ে নিন। এরপর তার ভিতরে একটি পরিষ্কার কিচেন টিস্যু বা পেপার টাওয়েল বিছিয়ে দিন।

তার উপর শুকনো ধনেপাতা রাখুন। প্রয়োজনে ধনেপাতার উপরেও আরেকটি টিস্যু পেপার রাখা যেতে পারে। টিস্যু অতিরিক্ত আর্দ্রতা শোষণ করতে সাহায্য করবে।

এরপর কন্টেনারের ঢাকনা ভালোভাবে বন্ধ করে ফ্রিজে রাখতে পারেন। মূল প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পদ্ধতিতে টিস্যু অতিরিক্ত আর্দ্রতা শোষণ করবে এবং ধনেপাতা দীর্ঘদিন ভালো রাখতে সাহায্য করবে। 

তবে কয়েকদিন অন্তর কন্টেনারটি পরীক্ষা করে দেখা ভালো। টিস্যু যদি ভিজে যায়, তাহলে সেটি বদলে শুকনো টিস্যু ব্যবহার করা উচিত।

## জলের মধ্যে ধনেপাতা রাখার পদ্ধতি

ধনেপাতা সতেজ রাখার আরও একটি পরিচিত ঘরোয়া উপায় হল অল্প জলের মধ্যে ডাঁটার অংশ রেখে দেওয়া। এর জন্য প্রথমে একটি পরিষ্কার গ্লাস নিতে হবে।

গ্লাসে অল্প পরিমাণ জল দিন। এরপর ধনেপাতার ডাঁটার অংশ জলের মধ্যে রেখে দিন। পাতাগুলি যেন পুরোপুরি জলের মধ্যে ডুবে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

মূল প্রতিবেদনে এই পদ্ধতিতে ধনেপাতা প্রায় ৬ থেকে ৭ দিন পর্যন্ত সতেজ থাকতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। 

তবে এই পদ্ধতিতে জল নিয়মিত পরীক্ষা করা জরুরি। জল নোংরা বা দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে গেলে তা পরিবর্তন করে পরিষ্কার জল দিতে হবে।

## কাঁচালঙ্কা সংরক্ষণের সহজ উপায়

এবার আসা যাক রান্নার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ কাঁচালঙ্কায়। বর্ষাকালে কাঁচালঙ্কা দ্রুত নরম বা পচে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে প্রথমেই সেগুলি ভালোভাবে বেছে নেওয়া দরকার।

বাজার থেকে আনার পর পচা, নরম বা ক্ষতিগ্রস্ত লঙ্কা আলাদা করে ফেলুন। কারণ একটি পচা লঙ্কা পাশাপাশি রাখা অন্য লঙ্কাগুলির উপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

যদি লঙ্কা ধুয়ে রাখেন, তাহলে অবশ্যই ভালোভাবে শুকিয়ে নিতে হবে। ভেজা অবস্থায় সরাসরি বন্ধ কৌটোর মধ্যে রাখলে আর্দ্রতা আটকে গিয়ে নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যেতে পারে।

## টিস্যু পেপার ব্যবহার করুন

কাঁচালঙ্কা সংরক্ষণের জন্য একটি পরিষ্কার কন্টেনার নিতে পারেন। তার মধ্যে কাঁচালঙ্কা রাখার আগে একটি শুকনো টিস্যু পেপার ব্যবহার করুন।

লঙ্কাগুলির উপরও একটি টিস্যু পেপার রাখা যেতে পারে। এরপর কন্টেনারের ঢাকনা বন্ধ করে ফ্রিজে রেখে দিন। মূল প্রতিবেদনে এই পদ্ধতিটি কাঁচালঙ্কা দীর্ঘদিন ভালো রাখার জন্য উল্লেখ করা হয়েছে। 

টিস্যুর মূল কাজ হল অতিরিক্ত আর্দ্রতা শোষণ করা। ফলে কৌটোর ভিতরে জল জমে থাকার সম্ভাবনা কমে এবং লঙ্কা তুলনামূলকভাবে বেশি সময় ভালো থাকতে পারে।

## কাঁচালঙ্কার বোঁটা ছাড়িয়ে রাখুন

আরেকটি পদ্ধতিতে কাঁচালঙ্কার বোঁটা খুলে সংরক্ষণ করার কথা বলা হয়েছে। প্রথমে লঙ্কাগুলি ভালোভাবে ধুয়ে নিন এবং তারপর বোঁটা ছাড়িয়ে দিন।

এরপর পরিষ্কার কাপড় বা টিস্যু দিয়ে লঙ্কাগুলি সম্পূর্ণ শুকিয়ে নিতে হবে। এই ধাপটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ লঙ্কার গায়ে জল লেগে থাকলে ফ্রিজে রাখার পরেও দ্রুত নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

ভালোভাবে শুকিয়ে নেওয়ার পর লঙ্কাগুলি একটি জিপলক পাউচে ভরে ফ্রিজে রাখতে পারেন। মূল প্রতিবেদনে এই পদ্ধতিতে কেনা কাঁচালঙ্কা দীর্ঘদিন ভালো থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

## কাঁচালঙ্কার পেস্ট করেও রাখতে পারেন

যাঁরা নিয়মিত রান্নায় কাঁচালঙ্কা ব্যবহার করেন, তাঁদের জন্য আরেকটি বিকল্প হল কাঁচালঙ্কার পেস্ট তৈরি করে রাখা।

এর জন্য পরিষ্কার কাঁচালঙ্কা নিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে শুকিয়ে নিতে হবে। এরপর বেটে বা ব্লেন্ড করে পেস্ট তৈরি করা যায়। সেই পেস্টের সঙ্গে অল্প তেল এবং নুন মিশিয়ে সংরক্ষণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

এই পদ্ধতিতে প্রয়োজনের সময় সরাসরি পেস্ট ব্যবহার করা যায়। মাছের ঝোল, ডাল, তরকারি কিংবা বিভিন্ন মশলা তৈরির সময়ও এটি কাজে লাগতে পারে।

তবে ঘরে তৈরি যেকোনও সংরক্ষিত খাবারের মতোই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। শুকনো এবং পরিষ্কার চামচ ব্যবহার করা উচিত এবং পেস্টে অস্বাভাবিক গন্ধ, রং বা ছত্রাক দেখা দিলে সেটি ব্যবহার না করাই নিরাপদ।

## শুধু ফ্রিজে রাখলেই হবে না

অনেকেই মনে করেন, কাঁচালঙ্কা বা ধনেপাতা ফ্রিজে ঢুকিয়ে দিলেই তা দীর্ঘদিন ভালো থাকবে। কিন্তু আসলে সংরক্ষণের আগে কিছু প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন।

প্রথমত, পচা বা নষ্ট অংশ আলাদা করতে হবে। দ্বিতীয়ত, অতিরিক্ত জল সরিয়ে ফেলতে হবে। তৃতীয়ত, যে কন্টেনার বা পাউচে রাখা হবে সেটি পরিষ্কার এবং শুকনো হতে হবে।

বিশেষ করে ধনেপাতা যদি ধোয়ার পর সম্পূর্ণ ভেজা অবস্থায় প্লাস্টিকের প্যাকেটে রেখে দেওয়া হয়, তাহলে ফ্রিজের মধ্যেও পাতাগুলি দ্রুত নরম হয়ে যেতে পারে।

তাই ফ্রিজের তাপমাত্রার পাশাপাশি moisture control-ও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

## টিস্যু পেপার কেন কাজে আসে?

এই ঘরোয়া সংরক্ষণ পদ্ধতিগুলির মধ্যে টিস্যু পেপারের ব্যবহার বিশেষভাবে সহজ। এর কারণ, কাঁচালঙ্কা বা ধনেপাতার চারপাশে জমে থাকা অতিরিক্ত আর্দ্রতা শোষণ করতে টিস্যু সাহায্য করে।

বর্ষাকালে বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় এই বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। কন্টেনারের ভিতর যদি জলীয় ভাব জমে যায়, তাহলে শাকপাতা বা সবজির পচন দ্রুত হতে পারে।

তাই শুকনো টিস্যু ব্যবহার করে অতিরিক্ত আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। তবে টিস্যু ভিজে গেলে সেটি দীর্ঘদিন রেখে না দিয়ে পরিবর্তন করা উচিত।

## ধনেপাতা কেন দ্রুত নষ্ট হয়?

ধনেপাতার পাতা খুবই নরম এবং পাতলা। ফলে এর মধ্যে আর্দ্রতা আটকে গেলে খুব দ্রুত পচন শুরু হতে পারে।

এছাড়া বাজার থেকে ধনেপাতা আনার সময় অনেক সময় তার সঙ্গে মাটি, জল বা অন্য ধরনের আর্দ্রতা লেগে থাকে। সেগুলি না সরিয়ে সরাসরি ফ্রিজে রাখলে সংরক্ষণের সময় কমে যেতে পারে।

তাই ধনেপাতা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে তিনটি বিষয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—**পরিষ্কার করা, ভালোভাবে শুকানো এবং অতিরিক্ত আর্দ্রতা শোষণ করা।**

## কাঁচালঙ্কা কেন শুকিয়ে যায়?

বর্ষায় কাঁচালঙ্কা পচে যাওয়ার পাশাপাশি অন্য একটি সমস্যাও দেখা যায়—লঙ্কা শুকিয়ে কুঁচকে যায়।

ফ্রিজে বা রান্নাঘরে দীর্ঘদিন খোলা অবস্থায় রেখে দিলে কাঁচালঙ্কার জলীয় অংশ কমে যেতে পারে। ফলে লঙ্কা নরম না হয়ে বরং কুঁচকে যেতে শুরু করে।

সঠিক কন্টেনার বা জিপলক পাউচে রেখে দিলে এই সমস্যা কিছুটা কমানো যায়। তবে একইসঙ্গে অতিরিক্ত জলীয় পরিবেশ তৈরি করাও উচিত নয়। অর্থাৎ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে moisture-এর ভারসাম্য বজায় রাখাই মূল বিষয়।

## বাজার থেকে বেশি কিনে রাখার আগে সতর্কতা

কম দামে বাজারে কাঁচালঙ্কা বা ধনেপাতা পাওয়া গেলে অনেকেই একসঙ্গে বেশি পরিমাণে কিনে রাখেন। কিন্তু কতটা পরিমাণ কিনবেন, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

যদি কয়েক দিনের মধ্যে ব্যবহার করার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে প্রয়োজন অনুযায়ী পরিমাণ কিনে রাখাই ভালো। বেশি পরিমাণে কিনলে সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করলে অপচয়ের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

বিশেষ করে ধনেপাতা খুব বেশি পরিমাণে কিনে ফেলার আগে পরিবারের দৈনিক ব্যবহারের পরিমাণ বিবেচনা করা উচিত।

## রান্নাঘরে আরও কিছু বিষয় খেয়াল রাখুন

কাঁচালঙ্কা এবং ধনেপাতা ভালো রাখতে চাইলে শুধু ফ্রিজের উপর নির্ভর না করে রান্নাঘরের সামগ্রিক পরিচ্ছন্নতার দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন।

কন্টেনার ব্যবহারের আগে সেটি পরিষ্কার এবং শুকনো করে নিন। ভেজা হাতে সংরক্ষিত উপকরণ ধরার অভ্যাস এড়িয়ে চলুন। একইভাবে, একটি পচা লঙ্কা বা পচা ধনেপাতা দেখতে পেলে দ্রুত আলাদা করে ফেলুন।

কারণ নষ্ট অংশ দীর্ঘদিন অন্য উপকরণের সঙ্গে থাকলে পচন ছড়ানোর সম্ভাবনা বাড়তে পারে।

## কোন পদ্ধতিটি সবচেয়ে সহজ?

যাঁরা খুব সহজ পদ্ধতি চান, তাঁদের জন্য ধনেপাতা শুকিয়ে টিস্যু পেপারে মুড়ে ফ্রিজে রাখা সহজ একটি উপায়। অন্যদিকে, কন্টেনারের মধ্যে টিস্যু রেখে ধনেপাতা সংরক্ষণ করাও সুবিধাজনক।

কাঁচালঙ্কার ক্ষেত্রে শুকিয়ে নিয়ে টিস্যু-সহ কন্টেনারে রাখা অথবা বোঁটা ছাড়িয়ে শুকিয়ে জিপলক পাউচে রাখা যেতে পারে। আর যাঁরা নিয়মিত কাঁচালঙ্কার পেস্ট ব্যবহার করেন, তাঁরা তেল ও নুন মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে রাখতে পারেন। 

## অপচয় কমাতেও সাহায্য করবে

এই ধরনের সহজ সংরক্ষণ পদ্ধতির আরও একটি সুবিধা হল খাবারের অপচয় কমানো। কয়েক দিনের মধ্যেই ধনেপাতা বা কাঁচালঙ্কা নষ্ট হয়ে গেলে সেগুলি ফেলে দিতে হয়। এতে টাকা এবং খাবার—দু’টোই নষ্ট হয়।

কিন্তু একটু যত্ন নিয়ে সংরক্ষণ করলে একই বাজারের জিনিস তুলনামূলকভাবে বেশি দিন ব্যবহার করা সম্ভব হতে পারে। বিশেষ করে বর্ষার মতো আর্দ্র আবহাওয়ায় এই বিষয়টি আরও কার্যকর।

## শেষ কথা

বর্ষাকালে কাঁচালঙ্কা এবং ধনেপাতা দ্রুত পচে যাওয়া খুব সাধারণ সমস্যা। তবে সামান্য কিছু ঘরোয়া কৌশল মেনে চললে এই সমস্যা অনেকটাই কমানো সম্ভব। ধনেপাতা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল অতিরিক্ত জল সরিয়ে শুকনো রাখা এবং টিস্যু পেপারের সাহায্যে আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ করা। প্রয়োজনে অল্প জলের মধ্যে ডাঁটা রেখে গ্লাসেও সংরক্ষণ করা যায়।

অন্যদিকে, কাঁচালঙ্কা টিস্যু-সহ কন্টেনারে ফ্রিজে রাখা, ভালোভাবে শুকিয়ে জিপলক পাউচে সংরক্ষণ করা কিংবা প্রয়োজন অনুযায়ী পেস্ট বানিয়ে রাখার মতো পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে। 

তবে মনে রাখতে হবে, সংরক্ষণের আগে সব উপকরণ ভালোভাবে পরীক্ষা করা এবং পরিষ্কার, শুকনো পাত্র ব্যবহার করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পচে যাওয়া বা ছত্রাক ধরা খাবার ব্যবহার না করে ফেলে দেওয়া উচিত।

অর্থাৎ বর্ষায় প্রতিদিন বাজার থেকে ধনেপাতা বা কাঁচালঙ্কা কিনতে না চাইলে এবং খাবারের অপচয় কমাতে চাইলে এই সহজ Cooking Tipsগুলি কাজে লাগাতে পারেন। একটু সচেতনভাবে সংরক্ষণ করলেই রান্নাঘরের এই নিত্যপ্রয়োজনীয় উপকরণগুলি আরও বেশি দিন ব্যবহারযোগ্য রাখা সম্ভব।

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

২০২৬-এ গোয়ার হয়েই খেলবেন অর্জুন, মিলল সিদ্ধান্ত

ক্রিকেটপ্রেমীদের দীর্ঘদিনের জল্পনার অবসান। ২০২৬-২৭ মরশুমে ঘরোয়া ক্রিকেটে কোন রাজ্যের হয়ে খেলবেন অর্জুন তেন্ডুলকর, তা নিয়ে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা এবার অনেকটাই কেটে গেল। শচীন তেন্ডুলকরের পুত্র অর্জুন তেন্ডুলকর গোয়ার হয়েই ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে সাম্প্রতিক...

জনগণনার কাজে শিক্ষক, বড় প্রশ্ন কলকাতা হাইকোর্টের

# জনগণনার কাজে শিক্ষকদের দায়িত্ব, বড় প্রশ্ন কলকাতা হাইকোর্টের পশ্চিমবঙ্গে চলা জনগণনার কাজে সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের ব্যাপকভাবে যুক্ত করা নিয়ে এবার সরব কলকাতা হাইকোর্ট। স্কুলের নিয়মিত পঠনপাঠনের দায়িত্ব সামলে শিক্ষকদের কীভাবে অতিরিক্ত জনগণনার কাজ করতে হবে, তা নিয়ে বাস্তব পরিস্থিতির...

উত্তরবঙ্গের এই গ্রামে গেলে মিলবে প্রকৃতির শান্তি

উত্তরবঙ্গ মানেই শুধু দার্জিলিং, কালিম্পং কিংবা ডুয়ার্সের পরিচিত পর্যটনকেন্দ্র নয়। পাহাড়, জঙ্গল, নদী, চা-বাগান এবং ছোট ছোট পাহাড়ি গ্রামকে ঘিরে উত্তরবঙ্গে এমন বহু জায়গা রয়েছে, যেখানে শহরের ভিড় থেকে দূরে কয়েকটা দিন একেবারে প্রকৃতির কাছাকাছি কাটানো যায়। বিশেষ করে...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.