Saturday, August 15, 2026

Creating liberating content

‘We will try not...

Harmanpreet Singh (Pic credit: Hockey India) NEW DELHI: India captain Harmanpreet Singh...

2026 के बाद बंद...

हर वर्ष वाहन उद्योग में कुछ कारें ऐसी होती हैं, जिनका उत्पादन धीरे-धीरे...

हिंदी शीर्षक: आईफोन 18...

एप्पल के आगामी आईफोन 18 प्रो और आईफोन 18 प्रो मैक्स को लेकर...

खिलाड़ियों से विवाद के...

श्रीलंका में क्रिकेट जगत से जुड़ी एक दुखद घटना सामने आई है। 62...
Homeবাংলালালকেল্লায় ৮০তম স্বাধীনতা...

লালকেল্লায় ৮০তম স্বাধীনতা দিবস, চোখে পড়ল বর্ণময় উদযাপন

দেশের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬, ঐতিহাসিক লালকেল্লায় আয়োজিত হল বর্ণাঢ্য জাতীয় অনুষ্ঠান। সকাল থেকেই দিল্লির লালকেল্লা চত্বরে ছিল উৎসবের আবহ। জাতীয় পতাকা উত্তোলন, দেশাত্মবোধক পরিবেশ, সামরিক কুচকাওয়াজ, সাংস্কৃতিক আয়োজন এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে ঐতিহাসিক দুর্গের চেহারাই বদলে যায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লালকেল্লার প্রাচীর থেকে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। স্বাধীনতার ৮০তম বর্ষে তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে আত্মনির্ভরতা, যুবশক্তি, জাতীয় নিরাপত্তা এবং উন্নত ভারত গঠনের বার্তা। 

প্রতিবছরের মতো এবারও স্বাধীনতা দিবসের মূল অনুষ্ঠানকে ঘিরে লালকেল্লায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ভোর থেকেই দিল্লির বিভিন্ন রাস্তা ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। আমন্ত্রিত অতিথি, পড়ুয়া, NCC ক্যাডেট, স্বেচ্ছাসেবক এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ঐতিহাসিক লালকেল্লা এদিন কার্যত দেশের জাতীয় উদযাপনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে।

### জাতীয় পতাকা উত্তোলনে বিশেষ মুহূর্ত

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সকালে রাজঘাটে গিয়ে মহাত্মা গান্ধীকে শ্রদ্ধা জানান। এরপর তিনি লালকেল্লায় পৌঁছন। সেখানে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। পরবর্তী সময়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন প্রধানমন্ত্রী। পতাকা উত্তোলনের সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশিত হয় জাতীয় সঙ্গীত এবং ২১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানো হয়। এবারের ২১-গান স্যালুটে দেশীয় ১৭২১ ফিল্ড ব্যাটারির অংশগ্রহণ ছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। 

লালকেল্লার প্রাচীর থেকে পতাকা উত্তোলনের দৃশ্য প্রতিবছরই দেশবাসীর কাছে অত্যন্ত আবেগঘন। ১৯৪৭ সালের স্বাধীনতার স্মৃতি থেকে শুরু করে বর্তমান ভারতের উন্নয়নযাত্রা—এই অনুষ্ঠান দেশের ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। তাই স্বাধীনতা দিবসের দিন লালকেল্লার প্রতিটি মুহূর্তের দিকেই নজর থাকে দেশবাসীর।

### প্রথমবার জাতীয় সঙ্গীতের আগে ‘বন্দে মাতরম’

এবারের অনুষ্ঠানে ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। ১৫ আগস্টের লালকেল্লার অনুষ্ঠানে প্রথমবারের মতো জাতীয় সঙ্গীতের আগে ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশন করা হয়। ২০২৬ সালে জাতীয় গানটির ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই আয়োজন বিশেষ তাৎপর্য পেয়েছে। সরকারি অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’-এর গুরুত্ব বাড়ানোর সিদ্ধান্তের সঙ্গে মিল রেখেই এবারের অনুষ্ঠানে এই নতুন ক্রম অনুসরণ করা হয়েছে। 

‘বন্দে মাতরম’ ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত এই গান ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সময়ে জাতীয়তাবাদী আবেগ জাগাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ফলে স্বাধীনতার ৮০তম বছরে গানটির ১৫০ বছর পূর্তির সঙ্গে লালকেল্লার মূল অনুষ্ঠানে বিশেষ মর্যাদা দেওয়ার বিষয়টি প্রতীকী গুরুত্ব বহন করছে।

### ‘ইউভা শক্তি’র উপর বিশেষ জোর

এবারের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের অন্যতম প্রধান থিম ছিল ‘Yuva Shakti for Viksit Bharat@2047’। অর্থাৎ ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে একটি উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তরুণ প্রজন্মের ভূমিকার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক তরুণ, পড়ুয়া, NCC ক্যাডেট এবং স্বেচ্ছাসেবকের উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য। 

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণেও তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে একাধিক বার্তা উঠে আসে। নতুন ভারত গঠনে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়। শিক্ষা, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, ক্রীড়া এবং উৎপাদন ক্ষেত্রে তরুণদের অংশগ্রহণকে দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়।

### আত্মনির্ভর ভারতের বার্তা

লালকেল্লা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণে আত্মনির্ভরতার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশ নিজেদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে—এই বাস্তবতার কথা তুলে ধরে তিনি ভারতের নিজস্ব সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন। জ্বালানি, প্রযুক্তি, ওষুধ, উৎপাদন এবং গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত ক্ষেত্রে বাইরের নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় সক্ষমতা বাড়ানোর বার্তা দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে দেশের অর্থনৈতিক নিরাপত্তার সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তার সম্পর্কও উঠে আসে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সম্পদ, জ্বালানি, প্রযুক্তি এবং গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহপথকে কৌশলগত অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে ভারতকে আরও প্রস্তুত থাকার বার্তা দেওয়া হয়।

### মাওবাদ ও জাতীয় নিরাপত্তা নিয়েও বার্তা

স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, দীর্ঘদিনের সশস্ত্র নকশাল সমস্যার বিরুদ্ধে দেশের লড়াই বড় সাফল্য পেয়েছে। একইসঙ্গে তিনি ‘মস্তিষ্ক নকশাল’ বা ‘dimagi naxal’ শব্দবন্ধ ব্যবহার করে মতাদর্শগত চ্যালেঞ্জের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার বার্তা দেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, শুধু অস্ত্র হাতে জঙ্গলে থাকা সশস্ত্র গোষ্ঠী নয়, দেশের ঐক্য ও অখণ্ডতার বিরুদ্ধে কাজ করা মতাদর্শগত শক্তিকেও গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। 

### পড়ুয়া ও তরুণদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মুহূর্ত

লালকেল্লার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পড়ুয়া ও তরুণদের যোগাযোগও নজর কেড়েছে। অনুষ্ঠানের পরে NCC ক্যাডেট এবং My Bharat স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে তাঁর কথোপকথনের দৃশ্য সামনে আসে। একটি মুহূর্তে এক NCC ক্যাডেটের টুপি মাটিতে পড়ে গেলে প্রধানমন্ত্রী নিজে সেটি তুলে তাঁর মাথায় পরিয়ে দেন। এই ছোট্ট ঘটনাটি অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক পরিবেশের মধ্যেও একটি মানবিক মুহূর্ত তৈরি করে। 

তরুণদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এই যোগাযোগ এবারের অনুষ্ঠানের ‘Yuva Shakti’ ভাবনার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। স্বাধীনতার ৮০তম বছরে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সামনে রেখে অনুষ্ঠান সাজানোর লক্ষ্যই ছিল এবারের বিশেষত্বগুলির অন্যতম।

### অতিথিদের উপস্থিতিতে জমজমাট অনুষ্ঠান

লালকেল্লার অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন। লোকসভার স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সেনা, নৌসেনা, বায়ুসেনা এবং দিল্লি পুলিশের প্রতিনিধিরাও আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন করেন। 

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেও প্রতিনিধিরা এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন। ফলে লালকেল্লা এদিন কার্যত ভারতের বৈচিত্র্যের একটি প্রতীকী মঞ্চে পরিণত হয়। বিভিন্ন রাজ্য ও সামাজিক ক্ষেত্রের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি স্বাধীনতা দিবসের জাতীয় চরিত্রকে আরও স্পষ্ট করে।

### লালকেল্লা এবং স্বাধীনতা দিবসের ঐতিহাসিক সম্পর্ক

লালকেল্লার সঙ্গে ভারতের স্বাধীনতা দিবসের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। যদিও ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট জওহরলাল নেহরু প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন দিল্লির প্রিন্সেস পার্কে, পরদিন ১৬ আগস্ট লালকেল্লায় তাঁর পতাকা উত্তোলনের পর এই ঐতিহাসিক স্থানের সঙ্গে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান আরও দৃঢ়ভাবে যুক্ত হয়ে যায়। সময়ের সঙ্গে লালকেল্লার প্রাচীর থেকেই প্রধানমন্ত্রীর স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ দেওয়া একটি জাতীয় ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। 

আজ তাই লালকেল্লার প্রাচীর থেকে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শুধু একটি সরকারি অনুষ্ঠান নয়, দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ভবিষ্যতের দিকনির্দেশ দেওয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবেও বিবেচিত হয়।

### রঙিন পোশাকেও নজর কাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পোশাকও প্রতি বছরই আলাদা করে আলোচনায় আসে। ২০২৬ সালে তিনি ঐতিহ্যবাহী বান্ধনি নকশার পাগড়ি পরেছিলেন। লাল, সাদা ও হলুদ নকশার এই পাগড়ির সঙ্গে অফ-হোয়াইট কুর্তা-পায়জামা এবং বাদামি স্লিভলেস জ্যাকেট ছিল তাঁর পোশাকে। দেশীয় বস্ত্র ও লোকশিল্পকে গুরুত্ব দেওয়ার বার্তাও তাঁর পোশাকে প্রতিফলিত হয়েছে বলে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। 

স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পাগড়ির রং ও নকশা দীর্ঘদিন ধরেই একটি আলাদা আকর্ষণের বিষয়। বিভিন্ন রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও বস্ত্রশিল্পকে তুলে ধরার মাধ্যমে ‘ভোকাল ফর লোকাল’-এর বার্তাও বহু বছর ধরে তাঁর স্বাধীনতা দিবসের পোশাকে দেখা যায়।

সব মিলিয়ে, ২০২৬ সালের ৮০তম স্বাধীনতা দিবসে দিল্লির লালকেল্লায় ছিল ইতিহাস, দেশপ্রেম, সামরিক ঐতিহ্য এবং ভবিষ্যতের ভারতের স্বপ্ন—সবকিছুর সমন্বয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলন থেকে ‘বন্দে মাতরম’-এর বিশেষ পরিবেশন, ২১ বার তোপধ্বনি থেকে তরুণদের অংশগ্রহণ—প্রতিটি পর্বেই ছিল আলাদা তাৎপর্য। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে আত্মনির্ভর ভারত, জাতীয় নিরাপত্তা, যুবশক্তি এবং বিকশিত ভারত গঠনের লক্ষ্য সামনে এসেছে।

স্বাধীনতার ৮০তম বছরে লালকেল্লার এই বর্ণময় অনুষ্ঠান তাই শুধু অতীতের সংগ্রামকে স্মরণ করার দিন হয়ে থাকেনি। একইসঙ্গে ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত ভারত গড়ার লক্ষ্য এবং আগামী প্রজন্মের হাতে দেশের ভবিষ্যৎ তুলে দেওয়ার বার্তাও স্পষ্ট হয়েছে। ইতিহাসের সাক্ষী লালকেল্লা আবারও হয়ে উঠল ভারতের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় আকাঙ্ক্ষার অন্যতম প্রধান প্রতীক। 

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

নেপালে সংঘর্ষের নেপথ্যে কারা, তদন্তে নামল NID

নেপালে সাম্প্রতিক সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের ঘটনায় নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা National Investigation Department বা NID। বিশেষ করে দেশের পূর্বাঞ্চলের সুনসারি জেলার ডিওয়ানগঞ্জে সংঘর্ষের নেপথ্যে কী ছিল, আগে থেকে কোনও পরিকল্পনা বা উসকানি ছিল কি না এবং...

চোট কাটিয়ে দ্বিতীয় দিন ব্যাট করবেন রাহুল, আশাবাদী কোটাক

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে গল টেস্টে প্রথম দিনেই বড় ধাক্কা খেল ভারতীয় দল। একদিকে জশপ্রীত বুমরাহর চোট নিয়ে উদ্বেগ, অন্যদিকে সাই সুদর্শনের ছিটকে যাওয়া—তার মধ্যেই দিনের শেষে নতুন করে চিন্তা বাড়িয়েছিল কেএল রাহুলের চোট। তবে দিনের খেলা শেষ হওয়ার পর ভারতীয়...

পহেলগাঁও হামলার পর মোদির প্রথম প্রশ্ন কী ছিল, জানালেন ডোভাল

পহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার পর দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে যখন চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, তখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রথম প্রতিক্রিয়া কী ছিল? সেই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের কথা এবার প্রকাশ্যে আনলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে হামলার...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.