Wednesday, August 12, 2026

Creating liberating content

श्रीलंका दौरे के बाद...

भारतीय क्रिकेट टीम के अगले अंतरराष्ट्रीय कार्यक्रम को लेकर बड़ी जानकारी सामने आई...

চাঁদে ঘাঁটি তৈরিতে NASA-র...

মহাকাশ গবেষণায় ভারত ও আমেরিকার সহযোগিতা এবার আরও বড় মাত্রা পেতে চলেছে। চাঁদের...

‘বন্দে মাতরম’-এর অপমানে এবার...

জাতীয় সংগীতের পাশাপাশি এবার দেশের জাতীয় গান **‘বন্দে মাতরম’**-এর মর্যাদা ও পরিবেশনের ক্ষেত্রেও...

নেতাজি-অসম্মানে কড়া ব্যবস্থা, অনন্ত...

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় অসম্মানজনক পোস্ট ঘিরে পশ্চিমবঙ্গের...
Homeবাংলাগাঁজা ও ঘুমের...

গাঁজা ও ঘুমের ওষুধের অভিযোগ, চাপে এয়ার ইন্ডিয়া পাইলট

এয়ার ইন্ডিয়ার এক পাইলটকে ঘিরে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৪ আগস্ট ফুকেট-দিল্লিগামী একটি এয়ার ইন্ডিয়া বিমানে মাঝআকাশে তীব্র ঝাঁকুনির ঘটনার তদন্তে ওই পাইলটের ডোপ টেস্টে গাঁজা বা cannabis-এর উপস্থিতি ধরা পড়ে। শুধু তাই নয়, তাঁর শরীরে ঘুমের ওষুধের উপস্থিতিও পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। দ্বিতীয়বার পরীক্ষাতেও psychoactive substance-এর উপস্থিতি নিশ্চিত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। 

ঘটনাটি সামনে আসার পর বিমানযাত্রীদের নিরাপত্তা, পাইলটদের কর্মঘণ্টা, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং aviation medical fitness নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে কোনও পাইলট যদি ঘুমের ওষুধ অথবা মাদকজাতীয় পদার্থ গ্রহণ করে থাকেন, তাহলে তাঁর উড়ান পরিচালনার উপযুক্ততা কীভাবে যাচাই করা হয়েছিল, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

### ফুকেট-দিল্লি বিমানে ঠিক কী ঘটেছিল?

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৪ আগস্ট ফুকেট থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান অবতরণের কিছুটা আগে আচমকা তীব্র ঝাঁকুনির মধ্যে পড়ে। বিমানের উচ্চতা প্রায় ৩০০ ফুট নেমে যায় বলে দাবি করা হয়েছে। সেই ঘটনায় ১১ জন যাত্রী এবং চারজন বিমানকর্মী আহত হন। যদিও এয়ার ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, আহতদের কারও গুরুতর চোট লাগেনি। 

ঘটনার পর বিমানটির ভিতরে ক্ষয়ক্ষতির ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে তদন্ত শুরু হয় এবং দুই পাইলটকেই উড়ান থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। 

তদন্ত যত এগিয়েছে, ততই পাইলটদের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন সামনে এসেছে।

### ডোপ টেস্টে গাঁজার উপস্থিতি

প্রকাশিত প্রতিবেদনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি হল, দুই পাইলটের মধ্যে একজনের ডোপ টেস্টের ফল পজিটিভ এসেছে। প্রথম পরীক্ষায় তাঁর শরীরে psychoactive substance-এর উপস্থিতি ধরা পড়ে। বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য দ্বিতীয়বার পরীক্ষা করা হলে সেই পরীক্ষার ফলও পজিটিভ আসে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর পরীক্ষায় cannabis বা গাঁজা গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। 

এখানেই তৈরি হয়েছে বড় প্রশ্ন। বিমান চালানোর মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল ও দায়িত্বপূর্ণ কাজের আগে একজন পাইলটের শরীরে psychoactive substance-এর উপস্থিতি থাকলে তাঁর flying fitness কীভাবে নির্ধারণ করা হয়েছিল?

তবে কোনও পাইলটের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর আগে তদন্তকারী সংস্থার পূর্ণ রিপোর্ট এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ।

### দ্বিতীয় পরীক্ষাতেও পজিটিভ ফল

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম ডোপ টেস্টে পজিটিভ ফল পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়ার জন্য দ্বিতীয়বার পরীক্ষা করা হয়। দ্বিতীয় পরীক্ষাতেও একই ধরনের ফল পাওয়া যায়। অর্থাৎ বিষয়টি শুধুমাত্র একটি পরীক্ষার ফলের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। 

এ ধরনের ঘটনায় laboratory testing procedure, sample collection, chain of custody এবং রিপোর্টের interpretation অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিমান চালনার ক্ষেত্রে কোনও substance শনাক্ত হওয়া এবং সেই substance-এর কারণে পাইলট উড়ানের সময় impaired ছিলেন—এই দুটি বিষয় সবসময় একই অর্থ বহন করে না।

তাই তদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্টেই প্রকৃত পরিস্থিতি স্পষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

### শরীরে মিলেছে ঘুমের ওষুধও

ঘটনার আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল পাইলটের শরীরে sleeping medication-এর উপস্থিতির দাবি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেরার সময় ওই পাইলট জানিয়েছিলেন যে ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে একজন চিকিৎসক তাঁকে ঘুমের ওষুধ দিয়েছিলেন। 

পাইলটের বক্তব্য অনুযায়ী, উড়ানের আগে তিনি ওষুধ না খেয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তাতে কাজ না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত ওষুধ গ্রহণ করেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

এখানে মূল প্রশ্ন হল, কোনও prescription medication নেওয়ার পর পাইলটের flight duty-তে থাকা aviation medical rules-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল কি না।

### রস্টার নিয়ে পাইলটের অভিযোগ

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই পাইলট তাঁর বক্তব্যে flight roster বা duty schedule নিয়েও অভিযোগ করেছেন। তাঁর দাবি, কাজের রস্টার এমনভাবে তৈরি করা হয়েছিল যে পর্যাপ্ত বিশ্রামের সময় পাওয়া যাচ্ছিল না। প্রয়োজনীয় minimum rest period-এর তুলনায় বিশ্রামের সময় কম ছিল বলেও তিনি দাবি করেছেন।

যদি তদন্তে এমন অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে বিষয়টি শুধু একজন পাইলটের আচরণে সীমাবদ্ধ থাকবে না। তখন airline scheduling, crew management এবং fatigue management system নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।

কারণ দীর্ঘসময় কাজ, অনিয়মিত duty এবং পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব একজন flight crew member-এর concentration এবং decision-making ability-কে প্রভাবিত করতে পারে।

### ঘুমের ওষুধ নিয়ে কেন প্রশ্ন?

ঘুমের ওষুধের অনেক ধরনের medication রয়েছে এবং প্রতিটির প্রভাব এক নয়। কিছু ওষুধ ঘুমঘুম ভাব, reaction time কমে যাওয়া বা alertness-এর পরিবর্তন ঘটাতে পারে। বিমান চালানোর মতো উচ্চ-ঝুঁকির পেশায় এই বিষয়গুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তাই কোনও pilot যদি prescription sleeping medication গ্রহণ করেন, তাহলে সেটি flight duty-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা medical assessment-এর মাধ্যমে নির্ধারণ করা জরুরি।

এই কারণেই তদন্তে পাইলটের medication history গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

### গাঁজা বৈধ হলেই পাইলটের ক্ষেত্রে নিয়ম আলাদা নয়

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, থাইল্যান্ডে cannabis সহজলভ্য এবং সেখানে এর ব্যবহার বৈধ হওয়ার কারণে বিষয়টি নিয়ে আলাদা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। 

তবে কোনও দেশে কোনও substance-এর ব্যবহার বৈধ বা সহজলভ্য হওয়া এবং aviation duty-তে সেটি গ্রহণযোগ্য হওয়া এক বিষয় নয়। বিমান চালনার ক্ষেত্রে safety regulations এবং professional fitness standards আলাদা করে প্রযোজ্য হতে পারে।

অর্থাৎ কোনও পাইলট বিদেশে থাকাকালীন কোনও নির্দিষ্ট substance আইনসঙ্গতভাবে গ্রহণ করলেও, পরবর্তী সময়ে flight duty-তে তার প্রভাব পড়লে তা aviation safety-এর দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

### বিমানে ছিলেন শতাধিক যাত্রী

একটি যাত্রীবাহী বিমানের cockpit-এ থাকা crew-এর সিদ্ধান্তের উপর বহু মানুষের নিরাপত্তা নির্ভর করে। তাই পাইলটের শারীরিক ও মানসিক fitness নিয়ে কোনও প্রশ্ন উঠলে সেটিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়।

এই ঘটনাতেও সেই কারণেই প্রশ্ন উঠছে—যদি পাইলটের শরীরে psychoactive substance এবং sleeping medication-এর উপস্থিতি আগে থেকেই জানা থাকত, তাহলে তাঁকে flight duty-তে পাঠানো হল কীভাবে?

তবে এই প্রশ্নের উত্তর তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে দেওয়া সম্ভব নয়।

### পাইলটকে কি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় দেখা গিয়েছিল?

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাইলটকে টলমল পায়ে হাঁটতে দেখা গিয়েছিল এবং এমনকী urine sample দেওয়ার ক্ষেত্রেও সমস্যা হচ্ছিল বলে সূত্রের দাবি। 

এই দাবি সত্য হলে তা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। কারণ কোনও flight crew member-এর দৃশ্যমানভাবে impaired অবস্থায় থাকার অভিযোগ থাকলে তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর flying fitness পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

তবে এই বিষয়টিও সূত্রভিত্তিক দাবি হিসেবে এসেছে। তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক রিপোর্ট ছাড়া এটিকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা উচিত নয়।

### পাইলটদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে

ঘটনার পর দুই পাইলটকেই flight duty থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। 

এটি তদন্ত চলাকালীন একটি precautionary measure হিসেবেও দেখা যেতে পারে। Aviation sector-এ কোনও crew member-এর fitness নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে operational duty থেকে সরিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

এর মাধ্যমে তদন্ত চলাকালীন আরও কোনও safety risk এড়ানোর চেষ্টা করা হয়।

### Fatigue management নিয়ে নতুন প্রশ্ন

এই ঘটনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল pilot fatigue। পাইলটের নিজের বক্তব্য অনুযায়ী, roster-এর কারণে পর্যাপ্ত বিশ্রাম পাওয়া যাচ্ছিল না। 

এখন প্রশ্ন হল, airline-এর duty roster কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং prescribed rest requirements যথাযথভাবে মেনে চলা হয়েছিল কি না।

যদি দীর্ঘ duty hours এবং কম rest period-এর অভিযোগ সত্যি হয়, তাহলে airline-এর crew scheduling system-ও তদন্তের আওতায় আসতে পারে।

### যাত্রী নিরাপত্তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

বিমান পরিবহণে passenger safety সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাওয়ার কথা। একটি উড়ান পরিচালনার ক্ষেত্রে শুধু aircraft-এর technical fitness নয়, cockpit crew-এর physical এবং mental fitness-ও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

পাইলটের decision-making, concentration, reflex এবং alertness—সবকিছুর উপর নিরাপদ উড়ান নির্ভর করে।

তাই drug screening এবং medical assessment-এর মতো প্রক্রিয়াগুলিকে কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়।

### Prescription medicine এবং aviation duty

একজন সাধারণ মানুষ চিকিৎসকের পরামর্শে কোনও ওষুধ গ্রহণ করতে পারেন। কিন্তু pilot-এর ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও সংবেদনশীল। কারণ ওষুধের side effects তাঁর operational performance-কে প্রভাবিত করতে পারে।

বিশেষ করে sleeping medication-এর ক্ষেত্রে পরের দিনও drowsiness বা reduced alertness থাকতে পারে কি না, তা বিবেচনা করা প্রয়োজন।

সেই কারণে পাইলটের বক্তব্যে prescription sleeping medicine-এর প্রসঙ্গ উঠে আসায় তদন্তে বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।

### ঘটনাটি কি শুধুই পাইলটের দায়?

এখনই শুধু ব্যক্তিগত দায়ের দিকে তাকানো যথেষ্ট নাও হতে পারে। যদি সত্যিই পর্যাপ্ত বিশ্রামের অভাব থেকে থাকে, তাহলে roster planning এবং fatigue management system-ও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

একইসঙ্গে যদি drug screening-এর নিয়ম থাকে, তাহলে pre-flight বা periodic medical checks কীভাবে পরিচালিত হয়েছিল, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

অর্থাৎ তদন্তে pilot behaviour-এর পাশাপাশি airline operational procedures-ও পর্যালোচনা করা প্রয়োজন হতে পারে।

### Air India-র জন্য বড় চ্যালেঞ্জ

এয়ার ইন্ডিয়া বর্তমানে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিমান সংস্থা। যাত্রী পরিষেবার পাশাপাশি flight safety এবং crew management-এর ক্ষেত্রেও তাদের উপর বড় দায়িত্ব রয়েছে।

একজন পাইলটের বিরুদ্ধে drug use এবং medication সংক্রান্ত অভিযোগ সামনে আসা স্বাভাবিকভাবেই সংস্থার জন্য উদ্বেগের বিষয়।

তদন্তে যদি কোনও procedural lapse বা safety protocol-এর ঘাটতি পাওয়া যায়, তাহলে তা সংশোধন করা প্রয়োজন হবে।

### দুর্ঘটনা ও ডোপ টেস্টের সম্পর্ক এখনও স্পষ্ট নয়

এখানে আরও একটি বিষয় পরিষ্কার করা জরুরি। পাইলটের শরীরে কোনও substance পাওয়া গিয়েছে বলেই সেই substance-এর কারণে বিমানটির ঝাঁকুনি বা incident ঘটেছে—এমন সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া যায় না।

বিমান দুর্ঘটনা বা serious incident-এর কারণ নির্ধারণে weather conditions, aircraft systems, pilot inputs, air traffic control, turbulence এবং অন্যান্য operational factors পরীক্ষা করা হয়।

তাই drug test-এর ফল তদন্তের একটি অংশ হতে পারে, কিন্তু সেটিই পুরো ঘটনার কারণ—এমন দাবি করার জন্য আরও প্রমাণ প্রয়োজন।

### তদন্তে আরও কী কী খতিয়ে দেখা হতে পারে?

এই ধরনের ঘটনায় তদন্তকারীরা সাধারণত একাধিক বিষয় বিবেচনা করতে পারেন। যেমন—

* পাইলটের duty roster ও rest period

* medical fitness records

* drug test results

* prescription medication history

* flight data

* cockpit voice বা অন্যান্য operational records

* weather এবং turbulence conditions

* aircraft technical status

* crew reporting procedures

সব তথ্য একত্রে বিশ্লেষণ করেই ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব।

### পাইলটের বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ

প্রতিবেদনে যে বক্তব্যের কথা বলা হয়েছে, সেখানে পাইলট ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে চিকিৎসকের দেওয়া sleeping medication গ্রহণের কথা বলেছেন। পাশাপাশি duty roster-এর কারণে পর্যাপ্ত বিশ্রাম না পাওয়ার অভিযোগও করেছেন। 

এই বক্তব্যের সত্যতা এবং প্রেক্ষাপট তদন্তেই যাচাই হবে।

কারণ aviation incident-এর ক্ষেত্রে প্রত্যেক পক্ষের বক্তব্যের পাশাপাশি documentary এবং scientific evidence অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

### সামনে কী হতে পারে?

তদন্ত সম্পূর্ণ হলে পাইলটের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক বা পেশাগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে, যদি অভিযোগগুলি প্রমাণিত হয়। একইসঙ্গে airline-এর crew scheduling বা medical screening ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি থাকলে তার বিরুদ্ধেও পদক্ষেপের সম্ভাবনা থাকতে পারে।

তবে তদন্তের ফল প্রকাশের আগে কোনও পক্ষকেই চূড়ান্তভাবে দায়ী করা ঠিক হবে না।

### শেষ কথা

ফুকেট-দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে ৪ আগস্টের ঘটনার তদন্তে এক পাইলটের ডোপ টেস্টে **cannabis-এর উপস্থিতি এবং sleeping medication গ্রহণের অভিযোগ** সামনে আসায় বিমান নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, প্রথম পরীক্ষার পর দ্বিতীয় পরীক্ষাতেও psychoactive substance-এর উপস্থিতি ধরা পড়ে এবং পাইলট গাঁজা গ্রহণ করেছিলেন বলে পরীক্ষায় নিশ্চিত হয়। একইসঙ্গে তাঁর শরীরে ঘুমের ওষুধও পাওয়া যায় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। 

পাইলটের বক্তব্য অনুযায়ী, ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে চিকিৎসকের পরামর্শে তিনি ঘুমের ওষুধ নিয়েছিলেন এবং flight roster-এর কারণে পর্যাপ্ত বিশ্রাম পাচ্ছিলেন না। 

অন্যদিকে, ঘটনার সময় তাঁকে শারীরিকভাবে অসুস্থ বা impaired অবস্থায় দেখা গিয়েছিল বলে সূত্রের দাবি রয়েছে। 

তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল—**ডোপ টেস্টে substance পাওয়া এবং সেটির কারণেই বিমান incident ঘটেছে—এই দুই বিষয়কে এক করে দেখা যাবে না।** তদন্তের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট প্রকাশিত হওয়ার পরই জানা যাবে, ওই পাইলটের medication, alleged substance use, duty roster এবং ৪ আগস্টের ঘটনার মধ্যে আদৌ কোনও প্রত্যক্ষ সম্পর্ক ছিল কি না।

ঘটনাটি একইসঙ্গে ভারতের aviation sector-এ **pilot fatigue management, drug screening, medical fitness এবং passenger safety protocols** কতটা কার্যকর, সেই প্রশ্নও সামনে নিয়ে এসেছে।

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

চাঁদে ঘাঁটি তৈরিতে NASA-র আমন্ত্রণ পেল ISRO

মহাকাশ গবেষণায় ভারত ও আমেরিকার সহযোগিতা এবার আরও বড় মাত্রা পেতে চলেছে। চাঁদের বুকে দীর্ঘমেয়াদি মানব উপস্থিতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে NASA যে **Moon Base Programme** নিয়ে এগোচ্ছে, সেই কর্মসূচিতে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা **ISRO**-কে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে মার্কিন...

‘বন্দে মাতরম’-এর অপমানে এবার থেকে কড়া শাস্তি

জাতীয় সংগীতের পাশাপাশি এবার দেশের জাতীয় গান **‘বন্দে মাতরম’**-এর মর্যাদা ও পরিবেশনের ক্ষেত্রেও আরও কড়া আইনি সুরক্ষা কার্যকর হল। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু **Prevention of Insults to National Honour (Amendment) Bill, 2026**-এ সম্মতি দিয়েছেন। এর ফলে বিলটি আইনে পরিণত হয়েছে।...

নেতাজি-অসম্মানে কড়া ব্যবস্থা, অনন্ত মহারাজকে ঘিরে বাড়ছে চাপ

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় অসম্মানজনক পোস্ট ঘিরে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বুধবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পুলিশকে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, নেতাজিকে অসম্মান করে কোনও ধরনের মন্তব্য, মিথ্যা প্রচার...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.