Friday, October 2, 2026

Creating liberating content

यूईएम जयपुर ने मानवता...

जयपुर में आयोजित मानवता के लिए दौड़ के दसवें संस्करण में यूनिवर्सिटी ऑफ...

अक्टूबर 2026 में पड़ेंगी...

सनातन हिंदू धर्म में एकादशी तिथि का विशेष धार्मिक महत्व माना जाता है।...

इंफोसिस और विप्रो में...

देश की प्रमुख सूचना प्रौद्योगिकी सेवा कंपनियों में शामिल इंफोसिस और विप्रो के...

स्वर्ग में कर्ण को...

महाभारत के महान योद्धाओं में कर्ण का नाम केवल उनकी वीरता और संघर्ष...
Homeবাংলাশ্যামবাজারে মমতাকে ঘিরে...

শ্যামবাজারে মমতাকে ঘিরে বিক্ষোভ, উঠল ‘চোর’ স্লোগান

হালিশহরের পর এবার কলকাতার শ্যামবাজারেও বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর সেখান থেকে ফেরার পথে তাঁর গাড়িকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। বিক্ষোভকারীদের একাংশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে ‘চোর’ স্লোগান দেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শ্যামবাজার চত্বরে সাময়িক উত্তেজনা তৈরি হয়।

ঘটনাটি এমন সময়ে ঘটল, যখন পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ইতিমধ্যেই তীব্র উত্তাপ রয়েছে। মাত্র কয়েক দিন আগেই উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহরে এক তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন মমতা। সেই ঘটনার পর ফের কলকাতার গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় তাঁর সামনে প্রকাশ্য বিক্ষোভের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। 

### নেতাজিকে শ্রদ্ধা জানাতে শ্যামবাজারে মমতা

জানা গিয়েছে, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শ্যামবাজারে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতার এই ঐতিহাসিক মোড়ে নেতাজির মূর্তি দীর্ঘদিন ধরেই বাঙালির রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক আবেগের সঙ্গে যুক্ত।

নেতাজির মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর মুখ্যমন্ত্রী সেখান থেকে রওনা হওয়ার সময়ই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীদের একাংশ তাঁর কনভয়ের দিকে এগিয়ে এসে স্লোগান দিতে শুরু করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তাঁদের মধ্যে কয়েকজন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি স্লোগান দেন। ‘চোর’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে দ্রুত পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

### কেন বিক্ষোভ?

শ্যামবাজারের বিক্ষোভের নির্দিষ্ট কারণ নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যাখ্যা সামনে আসতে পারে। তবে এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এটি কোনও একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনার প্রতিক্রিয়া নাকি বৃহত্তর রাজনৈতিক অসন্তোষের প্রকাশ—তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন এসেছে। নির্বাচনের ফলাফলকে ঘিরে রাজ্যের দুই প্রধান রাজনৈতিক শিবিরের মধ্যে টানাপোড়েনও অব্যাহত রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী বা শাসক দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে প্রকাশ্য বিক্ষোভ রাজনৈতিকভাবে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।

### হালিশহরের ঘটনার পর ফের বিক্ষোভ

শ্যামবাজারের ঘটনার আগে হালিশহরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়কে ঘিরেও বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে। রবিবার উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহরে এক মৃত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখানোর অভিযোগ ওঠে।

বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পাথর, ইট, কাদা এবং জুতো ছোড়ার অভিযোগও সামনে আসে। ঘটনাটি নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মতো নেতারা ঘটনার নিন্দা করেন। 

তবে বিজেপির পক্ষ থেকে ঘটনাটির সঙ্গে দলের কোনও যোগ থাকার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও ঘটনার দায় বিজেপির উপর চাপানোর বিরোধিতা করেছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

### শ্যামবাজারের ঘটনা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

শ্যামবাজার কলকাতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত এলাকা। উত্তর কলকাতার এই অঞ্চল রাজনৈতিকভাবেও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। অতীতে বহু রাজনৈতিক কর্মসূচি, মিছিল এবং সভার সাক্ষী থেকেছে এই এলাকা।

এমন একটি জায়গায় রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রীকে ঘিরে প্রকাশ্য বিক্ষোভের ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক বার্তা বহন করছে।

বিশেষ করে নেতাজির মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানানোর মতো একটি কর্মসূচির পর এই বিক্ষোভ হওয়ায় বিষয়টি আরও আলোচিত হয়েছে।

### নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

কোনও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতার প্রকাশ্য কর্মসূচিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো একজন শীর্ষ রাজনৈতিক নেত্রীকে ঘিরে বিক্ষোভ হলে নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।

বিক্ষোভকারীরা কীভাবে কনভয়ের এত কাছে পৌঁছলেন, আগে থেকেই কোনও গোয়েন্দা সতর্কতা ছিল কি না এবং স্থানীয় পুলিশ কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দিল—এসব প্রশ্ন সামনে আসতে পারে।

তবে ঘটনাটি কতটা পরিকল্পিত ছিল বা বিক্ষোভকারীদের পরিচয় কী, সে বিষয়ে তদন্ত বা প্রশাসনিক বক্তব্যই চূড়ান্ত তথ্য দিতে পারে।

### রাজনৈতিক উত্তাপের নতুন ছবি?

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের ফলাফলকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে বলে বিভিন্ন মহলের পর্যবেক্ষণ।

এই পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে পরপর দুই জায়গায় বিক্ষোভের ঘটনা তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও আলোচনা বাড়িয়েছে।

তবে একটি বা দুটি বিক্ষোভের ঘটনা থেকেই বৃহত্তর জনমতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো ঠিক হবে না। বিক্ষোভে কারা ছিলেন, তাঁদের রাজনৈতিক পরিচয় কী এবং তাঁদের দাবিগুলি কী ছিল—এসব বিষয়ও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

### ‘চোর’ স্লোগান ঘিরে রাজনৈতিক তরজা

শ্যামবাজারের ঘটনার সবচেয়ে আলোচিত দিক হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে ‘চোর’ স্লোগান ওঠা। রাজনৈতিক আন্দোলনে এই ধরনের স্লোগান নতুন নয়। তবে কোনও শীর্ষ নেতার প্রকাশ্য কর্মসূচির সময় এমন স্লোগান উঠলে তা দ্রুত রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে চলে আসে।

তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই ধরনের বিক্ষোভকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করা হতে পারে। অন্যদিকে বিরোধীরা এটিকে মানুষের ক্ষোভের প্রকাশ হিসেবে তুলে ধরতে পারে।

কোনটি সত্য, তা নির্ধারণ করতে বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য এবং ঘটনার পূর্ণ প্রেক্ষাপট জানা প্রয়োজন।

### মমতার রাজনৈতিক অবস্থান

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরে বাংলার রাজনীতির অন্যতম প্রধান মুখ। ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন এলেও তিনি তৃণমূলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে সক্রিয় রয়েছেন।

নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে তাঁর অবস্থান এবং পরবর্তী রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে ইতিমধ্যেই নানা আলোচনা চলছে। এই পরিস্থিতিতে তাঁর প্রকাশ্য কর্মসূচিতে বিক্ষোভের ঘটনা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তবে কোনও বিক্ষোভ তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানকে কতটা প্রভাবিত করবে, তা নির্ভর করবে ভবিষ্যতের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর।

### নেতাজির মূর্তির সামনে বিক্ষোভের তাৎপর্য

শ্যামবাজারে নেতাজির মূর্তি শুধু একটি ঐতিহাসিক স্মারক নয়; এটি কলকাতার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের সঙ্গেও গভীরভাবে যুক্ত। সেই জায়গায় শ্রদ্ধা জানাতে এসে মমতার বিরুদ্ধে স্লোগান ওঠায় ঘটনাটি আরও প্রতীকী মাত্রা পেয়েছে।

একদিকে নেতাজির প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যদিকে সমসাময়িক রাজনৈতিক বিরোধ—দুটি ভিন্ন আবেগ একই জায়গায় এসে মিশেছে।

এই কারণে শ্যামবাজারের ঘটনাটি শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক বিক্ষোভ হিসেবে না দেখে বৃহত্তর রাজনৈতিক আবহের মধ্যেও দেখা হচ্ছে।

### হালিশহর ও শ্যামবাজার—পরপর দুই ঘটনা

মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে হালিশহর ও শ্যামবাজারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে বিক্ষোভের ঘটনা সামনে আসায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—এগুলি কি পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত?

এখনও পর্যন্ত এমন কোনও নির্ভরযোগ্য তথ্য সামনে আসেনি যার ভিত্তিতে দুই ঘটনাকে একই পরিকল্পনার অংশ বলা যায়। হালিশহরের ঘটনার প্রেক্ষাপট ছিল মৃত তৃণমূল কর্মীর পরিবারকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা, আর শ্যামবাজারে ঘটনাটি ঘটেছে নেতাজির মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর। 

তাই দুটির প্রেক্ষাপট আলাদা বলেই আপাতত মনে হচ্ছে।

### প্রশাসনের সামনে চ্যালেঞ্জ

পরপর এমন ঘটনার পর প্রশাসনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হল রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ বা বিক্ষোভের অধিকার এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করাও গুরুত্বপূর্ণ।

যদি কোনও বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণভাবে হয়, তাহলে তা গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের অংশ। কিন্তু বিক্ষোভ যদি হামলা, পাথর ছোড়া বা নিরাপত্তা ভাঙার পর্যায়ে পৌঁছয়, তাহলে আইনশৃঙ্খলার প্রশ্ন সামনে আসে।

হালিশহরের ঘটনায় পাথর ও জুতো ছোড়ার অভিযোগ থাকলেও শ্যামবাজারের ঘটনায় মূলত স্লোগান ও বিক্ষোভের বিষয়টি সামনে এসেছে। তাই দুই ঘটনার প্রকৃতিও এক নয়।

### সামনে কী?

শ্যামবাজারের ঘটনার পর এখন নজর থাকবে প্রশাসনের প্রতিক্রিয়া এবং রাজনৈতিক দলগুলির বক্তব্যের দিকে। বিক্ষোভকারীদের পরিচয়, তাঁদের উদ্দেশ্য এবং কোনও রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ ছিল কি না—এসব বিষয় স্পষ্ট হলে ঘটনাটির রাজনৈতিক তাৎপর্য আরও পরিষ্কার হবে।

একই সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরবর্তী কর্মসূচিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয় কি না, সেটিও নজরে থাকবে।

সব মিলিয়ে, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে ফেরার পথে শ্যামবাজারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে বিক্ষোভ এবং তাঁর উদ্দেশে ‘চোর’ স্লোগান ওঠার ঘটনা বাংলার বর্তমান রাজনৈতিক উত্তেজনাকে আরও সামনে নিয়ে এল। এর আগে হালিশহরেও তাঁর কনভয়কে ঘিরে তীব্র বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছিল। ফলে পরপর দুই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশ কতটা উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। তবে এই ঘটনাগুলিকে বৃহত্তর জনমতের প্রতিফলন হিসেবে দেখার আগে বিক্ষোভকারীদের পরিচয়, উদ্দেশ্য এবং ঘটনার পূর্ণ প্রেক্ষাপট খতিয়ে দেখা জরুরি। হালিশহরের ঘটনায় বিজেপির পক্ষ থেকে ঘটনার নিন্দা করা হলেও দলের সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

শ্যামবাজারে ঠিক কারা বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন এবং তাঁদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয় কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয় কি না, তা নিয়েও নজর থাকবে। আপাতত ঘটনাটি রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার আবহ তৈরি করেছে এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে সাম্প্রতিক বিক্ষোভের ধারাবাহিকতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

ঔরঙ্গজেবের আমলের ৩৩৪ বছরের বনেদি পুজোর অমলিন ঐতিহ্য

পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজোর ইতিহাসে বনেদি পুজোর আলাদা মর্যাদা রয়েছে। সেই ঐতিহ্যের অন্যতম উজ্জ্বল অধ্যায় পূর্ব বর্ধমানের পানাগড়ের সোঁয়াই গ্রামের মুখোপাধ্যায় পরিবারের দুর্গাপুজো। এ বছর এই পুজো ৩৩৪ বছরে পা দিয়েছে। শুধু প্রাচীনত্ব নয়, এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে স্বপ্নাদেশ, বর্ধমানের...

বাংলায় পথচলা শুরু বিজয় থলপতির টিভিকের নতুন অধ্যায়

তামিলনাড়ুতে রাজনৈতিক সাফল্যের পর এবার পশ্চিমবঙ্গে সাংগঠনিক বিস্তার শুরু করল বিজয় থলপতি-র দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগম (TVK)। পূর্ব বর্ধমান জেলার ফাগুপুরে দলের প্রথম কার্যালয় খোলার মাধ্যমে বাংলায় আনুষ্ঠানিকভাবে পথচলা শুরু হয়েছে। এই পদক্ষেপের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—তাহলে...

সন্ত্রাসে শীর্ষে পাকিস্তান, হাক্কানির বিস্ফোরক আত্মসমালোচনা ভাইরাল

সন্ত্রাসবাদে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় পাকিস্তানের শীর্ষে উঠে আসার দাবি ঘিরে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (IEP)-এর প্রকাশিত Global Terrorism Index 2026-এর তথ্য সামনে আসার পর পাকিস্তানের প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত হুসেন হাক্কানি ইসলামাবাদের দীর্ঘদিনের...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.