Sunday, September 20, 2026

Creating liberating content

SIR নোটিস কেজরিওয়াল ও...

দিল্লির ভোটার তালিকা সংশোধনের চলমান Special Intensive Revision বা SIR প্রক্রিয়াকে ঘিরে নতুন...

পশ্চিমবঙ্গে প্রথম প্রবাসী ভারতীয়...

পশ্চিমবঙ্গে এবার প্রথমবারের মতো আয়োজিত হতে চলেছে প্রবাসী ভারতীয় দিবসের মূল অনুষ্ঠান। আগামী...

কিষানজি-আকাশের দুই দেহরক্ষী পুলিশের...

পুরুলিয়া ও জঙ্গলমহল সংলগ্ন এলাকায় মাওবাদী কার্যকলাপ ঘিরে ফের বড়সড় পুলিশি তৎপরতার খবর...

রিয়াধ বিমানবন্দরের কাছে আগুন,...

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াধে শনিবার তৈরি হল নতুন করে আতঙ্কের পরিস্থিতি। শহরের প্রধান...
Homeবাংলাশহরের কোলাহল ছেড়ে...

শহরের কোলাহল ছেড়ে নদীর ধারে কাটান একদিনের ছুটি

প্রতিদিনের ব্যস্ততা, অফিসের চাপ কিংবা শহরের কোলাহল থেকে কিছুটা সময়ের জন্য মুক্তি পেতে চাইলে দূরে কোথাও দীর্ঘ ছুটিতে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন নদীঘেরা এলাকায় একদিনের ছোট্ট ভ্রমণই মনকে করে তুলতে পারে সতেজ ও প্রাণবন্ত। প্রকৃতির সান্নিধ্যে কয়েক ঘণ্টা কাটিয়ে আবার সন্ধ্যার মধ্যেই বাড়ি ফেরা—এই ধরনের ‘ওয়ান ডে ট্রিপ’ এখন ভ্রমণপ্রেমীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

ভোরবেলা শহর থেকে রওনা দিলে খুব সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায় নদীর ধারের শান্ত পরিবেশে। গঙ্গা বা অন্যান্য নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলিতে সকালের নির্মল বাতাস, সবুজ গাছপালা এবং নদীর জলের শব্দ মনকে এক অন্যরকম প্রশান্তি দেয়। যারা ফটোগ্রাফি করতে ভালোবাসেন, তাঁদের জন্য সূর্যোদয় কিংবা নদীর ওপর ভেসে চলা নৌকার দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করার দারুণ সুযোগ থাকে।

এই ধরনের ভ্রমণের অন্যতম আকর্ষণ হল নদীর পাড়ে বসে সময় কাটানো। অনেকেই সঙ্গে করে বাড়ির তৈরি খাবার নিয়ে যান। পরিবার কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে গল্প, আড্ডা, গান কিংবা ছোটখাটো পিকনিক—সব মিলিয়ে দিনটি হয়ে ওঠে স্মরণীয়। শিশুদের জন্যও খোলা প্রাকৃতিক পরিবেশে খেলাধুলার সুযোগ থাকে, যা শহুরে জীবনে খুব একটা মেলে না।

নদীর ধারে গেলে স্থানীয় সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও মেলে। অনেক জায়গায় জেলেদের মাছ ধরা, ছোট নৌকার আনাগোনা কিংবা স্থানীয় বাজারের পরিবেশ পর্যটকদের কাছে বাড়তি আকর্ষণ হয়ে ওঠে। কোথাও কোথাও নদীর ধারে ছোট্ট মন্দির, পুরনো স্থাপত্য বা ঐতিহাসিক নিদর্শনও দেখা যায়, যা ভ্রমণকে আরও সমৃদ্ধ করে।

যদি ভ্রমণের পরিকল্পনা করেন, তাহলে সকালে তাড়াতাড়ি বের হওয়াই ভালো। সঙ্গে অবশ্যই পানীয় জল, হালকা খাবার, টুপি, সানস্ক্রিন, ছাতা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ রাখুন। বর্ষাকালে গেলে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখে বের হওয়া উচিত। নদীর ধারে ছবি তুলতে গিয়ে বা জলের খুব কাছে গিয়ে অসাবধানতা না করাই নিরাপদ।

অনেক নদীতীরবর্তী এলাকায় নৌকাভ্রমণের ব্যবস্থাও থাকে। নিরাপত্তার নিয়ম মেনে লাইফ জ্যাকেট পরে নৌকায় চড়লে নদীকে আরও কাছ থেকে উপভোগ করা যায়। পাশাপাশি স্থানীয় দোকানে পাওয়া তাজা চা, জলখাবার বা আঞ্চলিক খাবারের স্বাদও ভ্রমণের আনন্দ বাড়িয়ে দেয়।

বর্তমান সময়ে ‘শর্ট ট্রিপ’ বা একদিনের ভ্রমণের জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে। কারণ এতে সময় ও খরচ—দুটিই কম লাগে। সপ্তাহান্তে কিংবা ছুটির দিনে পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে এমন একটি পরিকল্পনা করলে মানসিক ক্লান্তি অনেকটাই দূর হয়। দীর্ঘ ছুটি না নিয়েও নতুন জায়গা দেখার আনন্দ পাওয়া যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকৃতির মাঝে কিছুটা সময় কাটানো মানসিক চাপ কমাতে এবং মনকে সতেজ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নদীর শান্ত পরিবেশ, সবুজ প্রকৃতি এবং নির্মল বাতাস মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই সুযোগ পেলেই কাছাকাছি কোনও নদীতীরবর্তী এলাকায় একদিনের ভ্রমণের পরিকল্পনা করতেই পারেন।

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

SIR নোটিস কেজরিওয়াল ও পরিবারের পাঁচ সদস্যকে

দিল্লির ভোটার তালিকা সংশোধনের চলমান Special Intensive Revision বা SIR প্রক্রিয়াকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনা শুরু হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার আওতায় দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং আম আদমি পার্টির জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল-সহ তাঁর পরিবারের পাঁচ সদস্যকে নোটিস...

পশ্চিমবঙ্গে প্রথম প্রবাসী ভারতীয় দিবস, বিনিয়োগে নজর

পশ্চিমবঙ্গে এবার প্রথমবারের মতো আয়োজিত হতে চলেছে প্রবাসী ভারতীয় দিবসের মূল অনুষ্ঠান। আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ সালের ৭ থেকে ৯ জানুয়ারি তিন দিন ধরে এই বিশেষ সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে। রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক সূত্রের খবর অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে...

কিষানজি-আকাশের দুই দেহরক্ষী পুলিশের জালে, জঙ্গলমহলে চাঞ্চল্য

পুরুলিয়া ও জঙ্গলমহল সংলগ্ন এলাকায় মাওবাদী কার্যকলাপ ঘিরে ফের বড়সড় পুলিশি তৎপরতার খবর সামনে এল। মাওবাদী নেতা কিষানজি এবং পরবর্তীকালে সংগঠনের অন্যতম শীর্ষ নেতা আকাশের দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করা মঙ্গল মাহাতো ও তাঁর স্ত্রী মালতি মুর্মুকে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.