Wednesday, September 16, 2026

Creating liberating content

ঋতব্রত-সহ ১০ বিধায়কের পদ...

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরের সংঘাত এবার আরও তীব্র আকার নিল। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ মোট ১০...

আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তেই বিশ্বকাপ...

২০২৬ সালের টি-২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে তৈরি তদন্ত প্রতিবেদনে সাবেক...

গঙ্গার গ্রাসে ভূতনি, জলবন্দি...

মালদহের ভূতনি জুড়ে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি। চারদিকে শুধু জল আর জল। গঙ্গার ভয়ংকর...

প্রতীক নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত...

দলীয় নাম ও নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ বিরোধের মধ্যেই বড় বার্তা...
Homeবাংলাআরব সাগরে ভারতীয়...

আরব সাগরে ভারতীয় রণতরীতে ধাক্কা পাক জাহাজের

আরব সাগরে ভারতীয় নৌসেনার একটি রণতরীর সঙ্গে পাকিস্তানি নৌসেনার একটি জাহাজের সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আন্তর্জাতিক জলসীমায় এই ঘটনা ঘটে বলে জানা গিয়েছে। ভারতীয় নৌসেনার রণতরীটি নিয়মিত নজরদারি অভিযানে ছিল। সেই সময় পাকিস্তানি নৌসেনার একটি জাহাজ দ্রুত গতিতে ভারতীয় যুদ্ধজাহাজটির দিকে এগিয়ে আসে এবং আচমকা গতিপথ পরিবর্তন করে। এর জেরেই দুই জাহাজের মধ্যে সংঘর্ষ হয় বলে ভারতীয় সূত্রের দাবি। 

ঘটনার পর ভারত তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত পাকিস্তানের শীর্ষ কূটনীতিককে তলব করেছে বিদেশমন্ত্রক। ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের তরফে পাকিস্তানি নৌসেনার এই আচরণকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ এবং ‘অপেশাদার’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে, তা নিশ্চিত করার জন্য ইসলামাবাদকে বার্তা দেওয়া হয়েছে। 

## কোথায় ঘটেছে দুই যুদ্ধজাহাজের সংঘর্ষ?

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গদর বন্দরের কাছে আন্তর্জাতিক জলসীমায় ভারতীয় নৌসেনার একটি রণতরী নজরদারি অভিযান চালাচ্ছিল। অন্যদিকে, পাকিস্তানি নৌসেনার একটি জাহাজ সেই এলাকায় চলাচল করছিল। ভারতীয় সূত্রের দাবি, পাকিস্তানি জাহাজটি দ্রুত গতিতে ভারতীয় রণতরীর দিকে এগিয়ে আসে।

এরপর হঠাৎ সেটি গতিপথ পরিবর্তন করে। ফলে ভারতীয় রণতরীর সঙ্গে পাকিস্তানি জাহাজটির সংঘর্ষ হয়। আন্তর্জাতিক জলসীমায় দুই দেশের যুদ্ধজাহাজের এমন সংঘর্ষকে অত্যন্ত সংবেদনশীল ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, সমুদ্রপথে যুদ্ধজাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিরাপত্তা বিধি এবং পারস্পরিক যোগাযোগের নিয়ম রয়েছে।

ভারতের বক্তব্য, কোনও যুদ্ধজাহাজ অন্য কোনও জাহাজের গতিপথ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করলে সাধারণত দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করা হয়। কিন্তু এই ঘটনায় পাকিস্তানি জাহাজের গতিবিধি নিরাপদ ও পেশাদার ছিল না বলে অভিযোগ করেছে নয়াদিল্লি। 

## ভারতীয় রণতরীর ক্ষতি হয়নি

সংঘর্ষের ঘটনায় ভারতীয় নৌসেনার রণতরীর কোনও ক্ষতি হয়নি বলে জানা গিয়েছে। সংঘর্ষের পরও ভারতীয় যুদ্ধজাহাজটি নিজের নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যায়। অন্যদিকে, পাকিস্তানি জাহাজটি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পরে করাচি বন্দরের দিকে ফিরে যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই ঘটনায় কোনও ভারতীয় নৌসেনা কর্মী আহত হয়েছেন কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত হয়নি। একইভাবে পাকিস্তানি জাহাজে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ভারতীয় সূত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, সংঘর্ষের ফলে ভারতীয় রণতরীর অভিযান বন্ধ হয়নি।

প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে সামুদ্রিক সংঘর্ষ হিসেবে দেখা হলেও, পাকিস্তানি জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন এবং তার আগে দুই জাহাজের মধ্যে যোগাযোগ হয়েছিল কি না, তা তদন্তের বিষয় হয়ে উঠেছে। এই তথ্যগুলি পরিষ্কার হলে সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ আরও স্পষ্ট হতে পারে।

## পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কড়া প্রতিবাদ ভারতের

ঘটনার পর ভারতীয় বিদেশমন্ত্রক পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছে। নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত পাকিস্তানের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স বা শীর্ষ কূটনীতিককে তলব করা হয়। ভারত জানিয়েছে, পাকিস্তানি নৌসেনার এই ধরনের আচরণ কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

ভারতের অভিযোগ, পাকিস্তানি নৌসেনার জাহাজটি সমুদ্রে অনিরাপদ ও অপেশাদার আচরণ করেছে। এর ফলে দুই দেশের যুদ্ধজাহাজের মধ্যে সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। বিদেশমন্ত্রক ইসলামাবাদকে এই ঘটনার গুরুত্ব উপলব্ধি করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। 

ভারতীয় কূটনৈতিক মহলের মতে, সমুদ্রপথে দুই দেশের নৌসেনার জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে সতর্কতা এবং পারস্পরিক যোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সামান্য ভুল সিদ্ধান্তও বড় ধরনের সামরিক উত্তেজনা তৈরি করতে পারে। তাই এই ঘটনায় দ্রুত কূটনৈতিক প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

## ১৯৯১ সালের চুক্তির প্রসঙ্গ

ভারত জানিয়েছে, এই ঘটনা ১৯৯১ সালে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির নির্দিষ্ট ধারার লঙ্ঘন করেছে। ওই চুক্তিতে দুই দেশের সামরিক মহড়া, অভিযান এবং সৈন্য চলাচল সংক্রান্ত আগাম তথ্য বিনিময়ের বিষয়ে নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছিল।

ভারতের বক্তব্য, সমুদ্রে দুই দেশের নৌসেনার কার্যকলাপের ক্ষেত্রে পারস্পরিক আস্থা ও নিরাপত্তা বজায় রাখার যে ব্যবস্থা রয়েছে, এই ঘটনায় তা বিঘ্নিত হয়েছে। ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের দাবি, পাকিস্তানি নৌসেনার জাহাজের আচরণ ওই চুক্তির ১০ নম্বর অনুচ্ছেদের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি কমানো এবং অনিচ্ছাকৃত সংঘর্ষ এড়ানো। তাই ভারত এই ঘটনাকে শুধু একটি সামুদ্রিক দুর্ঘটনা হিসেবে দেখছে না। বরং এর সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে থাকা সামরিক আস্থা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়টিও যুক্ত রয়েছে বলে মনে করছে নয়াদিল্লি।

## আগেও ঘটেছিল একই ধরনের ঘটনা

ভারত-পাকিস্তান নৌসেনার মধ্যে এই ধরনের ঘটনা অবশ্য নতুন নয়। ২০১১ সালের জুন মাসে পাকিস্তানি নৌবাহিনীর জাহাজ ‘বাবর’ এবং ভারতীয় নৌসেনার যুদ্ধজাহাজ আইএনএস ‘গোদাবরী’র মধ্যে একই ধরনের একটি ঘটনা ঘটেছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সেই ঘটনার সঙ্গে বর্তমান সংঘর্ষের কিছু মিল রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। দুই ক্ষেত্রেই সমুদ্রপথে যুদ্ধজাহাজের গতিবিধি, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা এবং যোগাযোগের প্রশ্ন সামনে এসেছে। তবে বর্তমান ঘটনার সঙ্গে ২০১১ সালের ঘটনার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা বলা যাচ্ছে না।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে রাজনৈতিক ও সামরিক সম্পর্ক অত্যন্ত সংবেদনশীল। ফলে সমুদ্রে ছোট কোনও ঘটনা দ্রুত কূটনৈতিক পর্যায়ে পৌঁছে যেতে পারে। বিশেষ করে আরব সাগরের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে দুই দেশের নৌসেনার উপস্থিতি থাকায় সতর্কতা আরও প্রয়োজন।

## পাকিস্তানের তরফে এখনও প্রতিক্রিয়া নেই

এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত পাকিস্তান সরকারের তরফে ঘটনাটি নিয়ে বিস্তারিত কোনও প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। ইসলামাবাদ সংঘর্ষের কারণ, ক্ষয়ক্ষতি অথবা ভারতীয় অভিযোগের বিষয়ে কী বক্তব্য দেয়, সে দিকে নজর রয়েছে।

পাকিস্তান যদি ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা হিসেবে ব্যাখ্যা করে বা ভারতের অভিযোগ অস্বীকার করে, তাহলে বিষয়টি নিয়ে কূটনৈতিক আলোচনার নতুন পর্ব শুরু হতে পারে। আবার পাকিস্তানের তরফে কোনও ব্যাখ্যা না এলে ভারতের প্রতিবাদ আরও জোরালো হতে পারে।

বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আগেই উত্তেজনাপূর্ণ। সেই পরিস্থিতিতে নৌসেনার যুদ্ধজাহাজের সংঘর্ষ কূটনৈতিক যোগাযোগকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। দুই দেশই যদি বিষয়টি দ্রুত আলোচনার মাধ্যমে সামাল দিতে পারে, তাহলে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হতে পারে।

## আরব সাগরে নৌসেনার তৎপরতা

আরব সাগর ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল, জ্বালানি পরিবহণ এবং আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথের নিরাপত্তার কারণে এই অঞ্চলে ভারতীয় নৌসেনার নিয়মিত নজরদারি অভিযান চলে।

সাম্প্রতিক সময়ে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি, লোহিত সাগরের নিরাপত্তা এবং বিভিন্ন সামুদ্রিক সংঘাতের কারণে আরব সাগর ও সংলগ্ন অঞ্চলে নৌসেনার তৎপরতা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ভারতীয় যুদ্ধজাহাজগুলি নিয়মিত নজরদারি ও নিরাপত্তা অভিযানে অংশ নেয়।

এই পরিস্থিতিতে অন্য দেশের যুদ্ধজাহাজের সঙ্গে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক নিয়ম মেনে চলা জরুরি। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ মনে করছে, পাকিস্তানি জাহাজের আচরণ সেই নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না।

## পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর

এই ঘটনার পর ভারতের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কূটনৈতিক প্রতিবাদের পাশাপাশি ভারত পাকিস্তানের কাছে ঘটনার ব্যাখ্যা চাইতে পারে। একই সঙ্গে সমুদ্রে দুই দেশের নৌসেনার গতিবিধি নিয়ে আরও সতর্কতা অবলম্বন করা হতে পারে।

পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া এবং তদন্তের তথ্য সামনে এলে সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। আপাতত ভারতীয় রণতরীর কোনও ক্ষতি না হওয়ায় পরিস্থিতি বড় সামরিক সংঘাতে পরিণত হয়নি। তবে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

সব মিলিয়ে, আরব সাগরে ভারতীয় রণতরীর সঙ্গে পাকিস্তানি নৌসেনার জাহাজের সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে কূটনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে। ভারত এই ঘটনাকে অগ্রহণযোগ্য ও অপেশাদার আচরণ হিসেবে উল্লেখ করে পাকিস্তানের শীর্ষ কূটনীতিককে তলব করেছে। ভারতীয় যুদ্ধজাহাজ অক্ষত থাকলেও পাকিস্তানি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে করাচি বন্দরে ফিরে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এখন পাকিস্তানের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এবং পরবর্তী কূটনৈতিক পদক্ষেপের দিকেই নজর থাকবে।

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

ঋতব্রত-সহ ১০ বিধায়কের পদ খারিজ চায় তৃণমূল

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরের সংঘাত এবার আরও তীব্র আকার নিল। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ মোট ১০ জন বিধায়কের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে বিধানসভার স্পিকারের কাছে আবেদন করার পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টেরও দ্বারস্থ হয়েছে কালীঘাটের তৃণমূল শিবির। এই পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন...

আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তেই বিশ্বকাপ খেলেনি বাংলাদেশ

২০২৬ সালের টি-২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে তৈরি তদন্ত প্রতিবেদনে সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকে প্রধানত দায়ী করা হয়েছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি মঙ্গলবার তাদের রিপোর্ট প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়েছে,...

গঙ্গার গ্রাসে ভূতনি, জলবন্দি দেড় লক্ষ মানুষের হাহাকার

মালদহের ভূতনি জুড়ে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি। চারদিকে শুধু জল আর জল। গঙ্গার ভয়ংকর স্রোতে একের পর এক এলাকা প্লাবিত হয়েছে। কোথাও বাড়ির একতলা পর্যন্ত জল উঠে গিয়েছে, কোথাও আবার ১০ থেকে ১২ ফুট জলের নিচে চলে গিয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকা।...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.