Monday, September 14, 2026

Creating liberating content

নন্দীগ্রাম আসন ছাড়তে কংগ্রেসকে...

নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রকে ঘিরে বাংলার রাজনীতিতে ফের জটিলতা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, নন্দীগ্রাম...

জেলায় মিড-ডে মিলের দায়িত্ব...

পশ্চিমবঙ্গে স্কুলের মিড-ডে মিল বা মধ্যাহ্নভোজ প্রকল্পকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই নতুন তথ্য সামনে...

দুর্গাপুজো উদ্যোক্তাদের একজোট করতে...

দুর্গাপুজোকে সামনে রেখে বাংলার রাজনীতিতে নতুন তৎপরতা শুরু করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। রাজ্যের...

প্রাচীন ভারতের গুরুকুল শিক্ষা,...

ভারতের শিক্ষাব্যবস্থার ইতিহাস অত্যন্ত প্রাচীন ও সমৃদ্ধ। আধুনিক স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রযুক্তিনির্ভর...
HomeবাংলাFATF বৈঠকের আগে...

FATF বৈঠকের আগে মসুদ আজহারের পুরস্কার বাড়াল পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যেই জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের প্রধান মসুদ আজহারকে নিয়ে বড় পদক্ষেপের ঘোষণা করল পাকিস্তান। রিপোর্ট অনুযায়ী, মসুদ আজহারের মাথার দাম বাড়িয়ে ৭০ লক্ষ পাকিস্তানি রুপি করেছে ইসলামাবাদ। একইসঙ্গে তাকে পাকিস্তানের ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বা FIA-এর ‘রেড বুক’-এ সবচেয়ে wanted বা মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গিদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আগামী অক্টোবর মাসে ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স বা FATF-এর বৈঠকের আগে পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

## মসুদ আজহারের মাথার দাম বাড়ল

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এর আগে মসুদ আজহারের মাথার দাম ছিল ৫০ লক্ষ পাকিস্তানি রুপি। সোমবার সেই পুরস্কারের পরিমাণ আরও ২০ লক্ষ বাড়িয়ে ৭০ লক্ষ করা হয়েছে। পাশাপাশি পাকিস্তানের তদন্তকারী সংস্থার প্রকাশিত ২০২৬ সালের মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

পাকিস্তান সরকারের এই ঘোষণার আনুষ্ঠানিক কারণ হিসেবে মসুদ আজহারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং তাকে গ্রেফতারে সহায়ক তথ্যের জন্য পুরস্কারের কথা বলা হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ মনে করছেন, এই পদক্ষেপের পিছনে কূটনৈতিক চাপও বড় ভূমিকা পালন করতে পারে।

মসুদ আজহার দীর্ঘদিন ধরে ভারতের কাছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সন্ত্রাসবাদী হিসেবে চিহ্নিত। তার নেতৃত্বাধীন জইশ-ই-মহম্মদের বিরুদ্ধে ভারতের একাধিক জঙ্গি হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। বিশেষ করে ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলার সঙ্গে তার নাম বারবার উঠে এসেছে। ওই হামলায় ৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ান নিহত হয়েছিলেন।

## FATF বৈঠকের আগে কেন এই পদক্ষেপ?

FATF বা Financial Action Task Force হল আন্তর্জাতিক আর্থিক অপরাধ এবং সন্ত্রাসবাদে অর্থ জোগান বন্ধ করার বিষয়ে নজরদারি চালানো একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। কোনও দেশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন, বেআইনি আর্থিক লেনদেন বা মানি লন্ডারিং রুখতে ব্যর্থতার অভিযোগ থাকলে FATF সেই দেশকে বিশেষ নজরদারির আওতায় আনতে পারে।

পাকিস্তান অতীতে FATF-এর ধূসর তালিকায় ছিল। ২০২২ সালে নির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপের পর দেশটি সেই তালিকা থেকে বেরিয়ে আসে। কিন্তু পাকিস্তানের মাটিতে সক্রিয় জঙ্গি সংগঠন এবং তাদের আর্থিক নেটওয়ার্ক নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি।

এই পরিস্থিতিতে FATF-এর পরবর্তী বৈঠকের আগে মসুদ আজহারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের ঘোষণা পাকিস্তানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ইসলামাবাদ সম্ভবত দেখাতে চাইছে যে তারা জঙ্গি সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আগ্রহী এবং আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করছে।

তবে শুধু পুরস্কার ঘোষণা বা কোনও জঙ্গিকে মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় রাখলেই বাস্তব পদক্ষেপ প্রমাণিত হয় না। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা, তার সংগঠনের আর্থিক নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়া, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা এবং সংগঠনের কার্যকলাপ বন্ধ করা—এসব বিষয়ও আন্তর্জাতিক মহলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

## পাকিস্তানের পদক্ষেপ নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

পাকিস্তানের এই ঘোষণাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অনেকে। প্রশ্ন উঠছে, মসুদ আজহার যদি পাকিস্তানের বাইরে থাকে, তাহলে তাকে গ্রেফতারের জন্য এই পুরস্কার ঘোষণা কতটা কার্যকর হবে? আবার যদি সে পাকিস্তানের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে, তাহলে এতদিন তাকে গ্রেফতার করা হয়নি কেন?

ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলি দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছে, মসুদ আজহার পাকিস্তানের নিরাপদ আশ্রয় পেয়ে থাকতে পারে। যদিও পাকিস্তান অতীতে একাধিকবার দাবি করেছে, মসুদ আজহার দেশের বাইরে চলে গিয়েছে। এই পরস্পরবিরোধী অবস্থানের কারণে ইসলামাবাদের নতুন ঘোষণাকে ঘিরে সন্দেহ আরও বেড়েছে।

সমালোচকদের বক্তব্য, আন্তর্জাতিক চাপের মুখে পাকিস্তান প্রায়ই কিছু প্রশাসনিক পদক্ষেপের ঘোষণা করে। কিন্তু সেই পদক্ষেপ বাস্তবে কতটা কার্যকর হয়, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। মসুদ আজহারের ক্ষেত্রে পুরস্কার বাড়ানোর পাশাপাশি তার গতিবিধি, সংগঠনের কার্যকলাপ এবং আর্থিক নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সেটিই এখন বড় বিষয়।

## ‘রেড বুক’-এ নাম ওঠার তাৎপর্য

পাকিস্তানের FIA-এর ‘রেড বুক’ হল দেশের মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি ও অপরাধীদের তালিকা। এই তালিকায় কোনও ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়া মানে সংশ্লিষ্ট সংস্থা তাকে গ্রেফতারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করছে।

মসুদ আজহারের নাম এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার ফলে পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার বার্তা দিয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হল, এই অবস্থান কেবল নথিপত্রে সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি মাঠে বাস্তব অভিযানও হবে?

আন্তর্জাতিক মহলে কোনও দেশের বিশ্বাসযোগ্যতা শুধু ঘোষণার মাধ্যমে তৈরি হয় না। বাস্তব তদন্ত, গ্রেফতার, বিচারপ্রক্রিয়া এবং জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার মাধ্যমেই সেই বিশ্বাসযোগ্যতা প্রতিষ্ঠিত হয়। তাই মসুদ আজহারের নাম ‘রেড বুক’-এ ওঠার পর পাকিস্তান কী পদক্ষেপ নেয়, তা নজরে থাকবে।

## ভারতের জন্য মসুদ আজহার কেন গুরুত্বপূর্ণ?

ভারতের নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী অভিযানের ক্ষেত্রে মসুদ আজহার একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। জইশ-ই-মহম্মদ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে তার বিরুদ্ধে একাধিক জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা ও পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে।

১৯৯৯ সালে কান্দাহার বিমান অপহরণ কাণ্ডের পর মসুদ আজহারকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে তার নেতৃত্বে জইশ-ই-মহম্মদের কার্যকলাপ আরও সক্রিয় হয় বলে ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির দাবি। সংসদ হামলা, পাঠানকোট হামলা এবং পুলওয়ামা হামলার মতো একাধিক ঘটনায় সংগঠনটির নাম উঠে এসেছে।

যদিও কোনও নির্দিষ্ট মামলায় ব্যক্তিগত দায় প্রমাণের বিষয়টি বিচারিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত, তবুও ভারতীয় সরকারের কাছে মসুদ আজহার দীর্ঘদিন ধরে উচ্চঝুঁকির জঙ্গি হিসেবে চিহ্নিত। তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক স্তরেও নানা নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

এই কারণে পাকিস্তান তার মাথার দাম বাড়ানোর ঘোষণা করায় ভারতের নজরও স্বাভাবিকভাবে এই ঘটনার দিকে রয়েছে। নয়াদিল্লি দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানের মাটিতে সক্রিয় জঙ্গি সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে।

## আন্তর্জাতিক চাপ সামলানোর কৌশল?

পাকিস্তানের নতুন ঘোষণাকে অনেকেই আন্তর্জাতিক চাপ সামলানোর কৌশল হিসেবে দেখছেন। FATF-এর বৈঠকের আগে ইসলামাবাদ যে সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী পদক্ষেপ করছে, সেই বার্তা দিতে চাইছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

তবে FATF-এর মূল্যায়নে শুধু কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে পুরস্কার ঘোষণা যথেষ্ট নয়। একটি দেশের আর্থিক ব্যবস্থায় সন্ত্রাসবাদে অর্থ জোগানের পথ বন্ধ হয়েছে কি না, জঙ্গি সংগঠনগুলির সম্পদ ও অর্থের উৎস চিহ্নিত করা হয়েছে কি না এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কার্যকর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না—এসব বিষয় বিবেচনা করা হয়।

সেই কারণে মসুদ আজহারকে তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কিছুটা ইতিবাচক বার্তা দিলেও, এর বাস্তব ফলাফল নির্ভর করবে পরবর্তী পদক্ষেপের উপর। পাকিস্তান যদি সত্যিই তাকে গ্রেফতার করতে পারে এবং জইশ-ই-মহম্মদের আর্থিক ও সাংগঠনিক নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়, তাহলে এই ঘোষণার গুরুত্ব বাড়বে।

## পাকিস্তানের দাবি বনাম বাস্তবতা

পাকিস্তান বহুবার দাবি করেছে যে তারা সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। কিন্তু ভারতের অভিযোগ, সীমান্তপারের জঙ্গি সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে পাকিস্তানের পদক্ষেপ অনেক সময়ই অসম্পূর্ণ বা লোকদেখানো হয়ে থাকে।

মসুদ আজহারের ক্ষেত্রে নতুন ঘোষণা সেই পুরনো বিতর্ককে ফের সামনে এনেছে। একদিকে পাকিস্তান তাকে মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি হিসেবে চিহ্নিত করছে, অন্যদিকে তার অবস্থান এবং দীর্ঘদিন ধরে গ্রেফতার না হওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

এখন আন্তর্জাতিক মহল দেখতে চাইবে, পাকিস্তান ঘোষণার পর বাস্তবে কী করে। শুধু পুরস্কারের পরিমাণ বাড়ানো নয়, মসুদ আজহারের বিরুদ্ধে তদন্ত, গ্রেফতার, বিচার এবং তার সংগঠনের বিরুদ্ধে আর্থিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কি না, সেটিই হবে আসল পরীক্ষা।

## উপসংহার

FATF-এর পরবর্তী বৈঠকের আগে মসুদ আজহারের মাথার দাম ৭০ লক্ষ পাকিস্তানি রুপি করা এবং তাকে FIA-এর মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। পাকিস্তান এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মহলকে সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী অবস্থানের বার্তা দিতে চাইছে।

তবে এই ঘোষণার বিশ্বাসযোগ্যতা নির্ভর করবে বাস্তব পদক্ষেপের উপর। মসুদ আজহারকে গ্রেফতার করা, জইশ-ই-মহম্মদের কার্যকলাপ বন্ধ করা এবং জঙ্গি অর্থায়নের পথ রুখতে পাকিস্তান কতটা কার্যকর ব্যবস্থা নেয়, সেটিই আগামী দিনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

FATF বৈঠকে পাকিস্তানের এই পদক্ষেপ কীভাবে মূল্যায়িত হয়, তা দেখার জন্য এখন আন্তর্জাতিক মহলের নজর অক্টোবরের দিকে।

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

নন্দীগ্রাম আসন ছাড়তে কংগ্রেসকে বার্তা মমতার

নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রকে ঘিরে বাংলার রাজনীতিতে ফের জটিলতা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, নন্দীগ্রাম আসনে কংগ্রেসকে প্রার্থী না দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিষয়ে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক কে সি ভেনুগোপালের সঙ্গে তাঁর ফোনে কথা হয়েছে বলে...

জেলায় মিড-ডে মিলের দায়িত্ব এখনই নিচ্ছে না ইসকন

পশ্চিমবঙ্গে স্কুলের মিড-ডে মিল বা মধ্যাহ্নভোজ প্রকল্পকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই নতুন তথ্য সামনে এসেছে। রাজ্যের জেলাগুলিতে এখনই মিড-ডে মিলের দায়িত্ব নিচ্ছে না ইসকন বা ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর কৃষ্ণ কনশাসনেস। আপাতত কলকাতার নির্দিষ্ট কিছু স্কুলে রান্না করা খাবার সরবরাহের বিষয়টি...

দুর্গাপুজো উদ্যোক্তাদের একজোট করতে রুদ্রনীলের নেতৃত্বে কমিটি

দুর্গাপুজোকে সামনে রেখে বাংলার রাজনীতিতে নতুন তৎপরতা শুরু করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। রাজ্যের বিভিন্ন দুর্গাপুজো কমিটি ও উদ্যোক্তাদের এক ছাতার তলায় আনতে বিশেষ কমিটি গঠন করল বিজেপি। অভিনেতা-রাজনীতিক রুদ্রনীল ঘোষকে এই কমিটির নেতৃত্বে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুজোকে...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.