Monday, November 2, 2026

Creating liberating content

यूईएम जयपुर ने मानवता...

जयपुर में आयोजित मानवता के लिए दौड़ के दसवें संस्करण में यूनिवर्सिटी ऑफ...

अक्टूबर 2026 में पड़ेंगी...

सनातन हिंदू धर्म में एकादशी तिथि का विशेष धार्मिक महत्व माना जाता है।...

इंफोसिस और विप्रो में...

देश की प्रमुख सूचना प्रौद्योगिकी सेवा कंपनियों में शामिल इंफोसिस और विप्रो के...

स्वर्ग में कर्ण को...

महाभारत के महान योद्धाओं में कर्ण का नाम केवल उनकी वीरता और संघर्ष...
Homeবাংলাদুর্গাপুজো উদ্যোক্তাদের একজোট...

দুর্গাপুজো উদ্যোক্তাদের একজোট করতে রুদ্রনীলের নেতৃত্বে কমিটি

দুর্গাপুজোকে সামনে রেখে বাংলার রাজনীতিতে নতুন তৎপরতা শুরু করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। রাজ্যের বিভিন্ন দুর্গাপুজো কমিটি ও উদ্যোক্তাদের এক ছাতার তলায় আনতে বিশেষ কমিটি গঠন করল বিজেপি। অভিনেতা-রাজনীতিক রুদ্রনীল ঘোষকে এই কমিটির নেতৃত্বে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুজোকে কেন্দ্র করে সাংস্কৃতিক, সামাজিক এবং সাংগঠনিক যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে মনে করা হচ্ছে।

বাংলার দুর্গাপুজো শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে সামাজিক সম্প্রীতি, শিল্প-সংস্কৃতি, অর্থনীতি এবং স্থানীয় মানুষের আবেগ। কলকাতা থেকে জেলা—প্রায় সর্বত্রই পুজো কমিটিগুলিকে ঘিরে তৈরি হয় বড় সামাজিক পরিসর। সেই জায়গাকে সামনে রেখে বিজেপির এই কমিটি গঠন রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ।

## রুদ্রনীলের নেতৃত্বে নতুন কমিটি

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুর্গাপুজোর উদ্যোক্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি এবং তাঁদের একজোট করার উদ্দেশ্যে বিজেপির তরফে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা রুদ্রনীল ঘোষকে কমিটির নেতৃত্বে রাখা হয়েছে।

রুদ্রনীল ঘোষ দীর্ঘদিন ধরেই বাংলা বিনোদন জগতের পরিচিত মুখ। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি সক্রিয় রাজনীতিতেও যুক্ত। সাংস্কৃতিক পরিসরে তাঁর পরিচিতি এবং বিভিন্ন সামাজিক বিষয়ে প্রকাশ্য বক্তব্য রাখার কারণে পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরিতে তাঁকে সামনে রাখা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

এই কমিটির মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের দুর্গাপুজো কমিটির সঙ্গে আলোচনা করা হবে। পুজোর আয়োজন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রশাসনিক সহযোগিতা, নিরাপত্তা, ঐতিহ্য রক্ষা এবং উদ্যোক্তাদের বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে মতবিনিময় করা হতে পারে। তবে কমিটির পূর্ণাঙ্গ সদস্য তালিকা এবং কাজের বিস্তারিত পরিধি নিয়ে আরও তথ্য সামনে আসা প্রয়োজন।

## পুজোকে ঘিরে বিজেপির সাংগঠনিক উদ্যোগ

পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপুজোকে ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলির আগ্রহ নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীরা পুজো কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। পুজোর উদ্বোধন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সামাজিক কর্মসূচি কিংবা উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলি জনসংযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করে।

বিজেপির এই নতুন উদ্যোগকেও সেই বৃহত্তর জনসংযোগ কৌশলের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দলের লক্ষ্য হতে পারে, বিভিন্ন পুজো কমিটির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ তৈরি করা এবং স্থানীয় স্তরে সাংগঠনিক উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করা।

রাজ্যের বহু পুজো কমিটি স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে পরিচালিত হয়। সেখানে রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা, ব্যক্তিগত যোগাযোগ এবং এলাকার উন্নয়নমূলক কাজও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারলে রাজনৈতিক দলগুলির জনভিত্তি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়।

## বাংলার পুজোয় রাজনীতির প্রভাব

বাংলার দুর্গাপুজোকে ঘিরে রাজনীতি নিয়ে বহুদিন ধরেই আলোচনা রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক দলগুলি পুজো কমিটিকে আর্থিক সহায়তা, বিদ্যুৎ বিলের ছাড়, প্রশাসনিক সহযোগিতা কিংবা অন্যান্য সুবিধা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। এর ফলে পুজো আয়োজনের সঙ্গে প্রশাসন ও রাজনীতির সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে।

একদিকে পুজো কমিটিগুলি সরকারি সাহায্য ও প্রশাসনিক সহযোগিতাকে প্রয়োজনীয় বলে মনে করে। অন্যদিকে রাজনৈতিক দলগুলি পুজোকে জনসংযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করতে চায়। এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা সবসময় সহজ হয় না।

বিজেপির নতুন কমিটি গঠনের ফলে পুজোকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা আরও বাড়তে পারে। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে বিজেপির রাজনৈতিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে পুজো কমিটিগুলিকে নিয়ে দুই দলেরই সক্রিয়তা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পুজোর মতো সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উৎসবকে রাজনৈতিক বিভাজনের বাইরে রাখার দাবিও বিভিন্ন মহল থেকে উঠে আসে।

## উদ্যোক্তাদের কী কী সমস্যা রয়েছে?

দুর্গাপুজোর আয়োজন করতে গিয়ে উদ্যোক্তাদের নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। পুজোর বাজেট, স্পনসর জোগাড়, বিদ্যুৎ সংযোগ, রাস্তা ব্যবহার, মণ্ডপ নির্মাণ, অগ্নিনিরাপত্তা, পুলিশি অনুমতি এবং দর্শনার্থীদের ভিড় নিয়ন্ত্রণ—সবকিছু সামলাতে হয় পুজো কমিটিগুলিকে।

এছাড়াও থিমপুজোর ক্ষেত্রে পরিবেশবান্ধব উপকরণ ব্যবহার, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ, বিসর্জনের ব্যবস্থা এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের অসুবিধা কমানোর মতো বিষয়গুলিও গুরুত্বপূর্ণ। ছোট পুজো কমিটিগুলির ক্ষেত্রে অর্থের অভাব ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনেক সময় বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।

নতুন কমিটির মাধ্যমে এই সমস্যাগুলি নিয়ে উদ্যোক্তাদের মতামত সংগ্রহ করা হতে পারে। বিজেপি যদি পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করে, তাহলে স্থানীয় সমস্যাগুলি রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছে পৌঁছনোর সুযোগ তৈরি হবে। তবে সেই উদ্যোগ বাস্তবে কতটা কার্যকর হয়, তা নির্ভর করবে কমিটির কাজের ধরন এবং প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের উপর।

## ঐতিহ্য রক্ষার বার্তা

দুর্গাপুজোর আধুনিকীকরণ এবং থিমপুজোর জনপ্রিয়তা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে নানা আলোচনা হয়েছে। একদিকে থিমপুজো বাংলার শিল্প ও সৃজনশীলতাকে আন্তর্জাতিক পরিচিতি দিয়েছে। অন্যদিকে অনেকের অভিযোগ, অতিরিক্ত বাণিজ্যিকীকরণের কারণে পুজোর ঐতিহ্য, আচার এবং ধর্মীয় আবহ কিছুটা পিছিয়ে পড়ছে।

এই পরিস্থিতিতে পুজোর ঐতিহ্য রক্ষা, স্থানীয় সংস্কৃতির গুরুত্ব এবং ধর্মীয় রীতিনীতির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের বিষয়টিও বিজেপির প্রচারের অংশ হতে পারে। দলের বিভিন্ন নেতা ইতিমধ্যেই দুর্গাপুজোয় বাংলার নিজস্ব সংস্কৃতি ও রীতিনীতি বজায় রাখার কথা বলেছেন।

তবে পুজোর ঐতিহ্য রক্ষার সঙ্গে আধুনিক শিল্প, সৃজনশীলতা এবং সামাজিক অন্তর্ভুক্তির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখাও জরুরি। কারণ বাংলার দুর্গাপুজোর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল এর বহুমাত্রিকতা। ধর্মীয় আচার, শিল্প, সংগীত, নাটক, সামাজিক মিলন এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড—সবকিছু মিলেই এই উৎসবের পরিসর তৈরি হয়।

## রাজনৈতিক লাভের সম্ভাবনা

পুজো উদ্যোক্তাদের একজোট করার উদ্যোগ বিজেপির সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। স্থানীয় পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি হলে দলের নেতা-কর্মীরা সাধারণ মানুষের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন।

বিশেষ করে শহর ও শহরতলির এলাকায় পুজো কমিটিগুলির সামাজিক প্রভাব যথেষ্ট। অনেক পুজো কমিটি সারা বছরই নানা সামাজিক কাজ করে—রক্তদান শিবির, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, বস্ত্র বিতরণ, শিক্ষামূলক কর্মসূচি এবং দরিদ্রদের সহায়তা। এই ধরনের সংগঠনগুলির সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করলে রাজনৈতিক দলগুলির জনসংযোগ আরও বিস্তৃত হতে পারে।

তবে পুজো কমিটিগুলির মধ্যে রাজনৈতিক বিভাজন তৈরি হলে তার নেতিবাচক প্রভাবও পড়তে পারে। বহু পুজো কমিটি নিজেদের অরাজনৈতিক পরিচয় বজায় রাখতে চায়। তাই বিজেপির নতুন কমিটিকে কাজ করতে হলে উদ্যোক্তাদের স্বাধীনতা, মতপার্থক্য এবং সামাজিক ভারসাম্যের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।

## অন্যান্য দলের প্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনা

বিজেপির এই উদ্যোগের পর তৃণমূল কংগ্রেসসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলিও পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে পারে। বাংলার রাজনৈতিক পরিসরে দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে জনসংযোগের প্রতিযোগিতা নতুন নয়। ফলে এক দলের উদ্যোগের পর অন্য দলও পাল্টা কর্মসূচি ঘোষণা করতে পারে।

তৃণমূলের সঙ্গে পুজো কমিটিগুলির দীর্ঘদিনের যোগাযোগ রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে মনে করা হয়। সরকারি সহায়তা, প্রশাসনিক অনুমতি এবং স্থানীয় স্তরের সংগঠনের মাধ্যমে পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে দলের সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। বিজেপির নতুন কমিটি সেই পরিসরে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, তা সময়ই বলবে।

রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা থাকলেও পুজোর সময়ে শান্তি, সম্প্রীতি এবং নিরাপত্তা বজায় রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কোনও রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের কর্মসূচির কারণে যাতে সাধারণ মানুষ বা দর্শনার্থীদের অসুবিধা না হয়, সেদিকেও নজর রাখতে হবে।

## সামনে কী লক্ষ্য?

রুদ্রনীল ঘোষের নেতৃত্বাধীন কমিটি আগামী দিনে কীভাবে কাজ করবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়। শুধু পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠক করা নয়, তাঁদের সমস্যার সমাধানে কার্যকর ভূমিকা নেওয়া গেলে এই উদ্যোগের গ্রহণযোগ্যতা বাড়তে পারে।

কমিটি যদি রাজ্যের বিভিন্ন জেলার পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখে, তাহলে বিজেপির সাংগঠনিক বিস্তার আরও বাড়তে পারে। পাশাপাশি পুজোর ঐতিহ্য, সামাজিক সম্প্রীতি এবং স্থানীয় সংস্কৃতি রক্ষার বিষয়েও দলটি নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার সুযোগ পাবে।

তবে পুজোকে রাজনৈতিক সংঘাতের ক্ষেত্র না বানিয়ে সামাজিক মিলন ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের উৎসব হিসেবে ধরে রাখাই সবচেয়ে জরুরি। রাজনৈতিক দলগুলি যদি সেই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করে, তাহলে পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ ইতিবাচক ফল দিতে পারে।

## উপসংহার

দুর্গাপুজো উদ্যোক্তাদের একজোট করতে রুদ্রনীল ঘোষের নেতৃত্বে বিজেপির কমিটি গঠন বাংলার রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো, তাঁদের সমস্যার কথা জানা এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার বার্তা পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে এই কমিটি কতটা কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে, তা নির্ভর করবে বাস্তব কাজের উপর। পুজো কমিটিগুলির আস্থা অর্জন, রাজনৈতিক বিভাজন এড়ানো এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রেখে কাজ করাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দুর্গাপুজোর মতো আবেগঘন উৎসবকে সামনে রেখে বিজেপির এই সাংগঠনিক উদ্যোগ আগামী দিনে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলে, সেদিকেই নজর থাকবে।

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

ঔরঙ্গজেবের আমলের ৩৩৪ বছরের বনেদি পুজোর অমলিন ঐতিহ্য

পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজোর ইতিহাসে বনেদি পুজোর আলাদা মর্যাদা রয়েছে। সেই ঐতিহ্যের অন্যতম উজ্জ্বল অধ্যায় পূর্ব বর্ধমানের পানাগড়ের সোঁয়াই গ্রামের মুখোপাধ্যায় পরিবারের দুর্গাপুজো। এ বছর এই পুজো ৩৩৪ বছরে পা দিয়েছে। শুধু প্রাচীনত্ব নয়, এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে স্বপ্নাদেশ, বর্ধমানের...

বাংলায় পথচলা শুরু বিজয় থলপতির টিভিকের নতুন অধ্যায়

তামিলনাড়ুতে রাজনৈতিক সাফল্যের পর এবার পশ্চিমবঙ্গে সাংগঠনিক বিস্তার শুরু করল বিজয় থলপতি-র দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগম (TVK)। পূর্ব বর্ধমান জেলার ফাগুপুরে দলের প্রথম কার্যালয় খোলার মাধ্যমে বাংলায় আনুষ্ঠানিকভাবে পথচলা শুরু হয়েছে। এই পদক্ষেপের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—তাহলে...

সন্ত্রাসে শীর্ষে পাকিস্তান, হাক্কানির বিস্ফোরক আত্মসমালোচনা ভাইরাল

সন্ত্রাসবাদে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় পাকিস্তানের শীর্ষে উঠে আসার দাবি ঘিরে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (IEP)-এর প্রকাশিত Global Terrorism Index 2026-এর তথ্য সামনে আসার পর পাকিস্তানের প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত হুসেন হাক্কানি ইসলামাবাদের দীর্ঘদিনের...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.