তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে **ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া (এনসিপিআই)**-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে এবার সরাসরি হস্তক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় তাঁদের সাংসদ পদ খারিজের দাবিতে তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা মামলায় মঙ্গলবার শীর্ষ আদালত সব পক্ষকে নোটিস জারি করেছে। ফলে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়-সহ তৃণমূলত্যাগী সাংসদদের সদস্যপদ নিয়ে রাজনৈতিক ও আইনি চাপ আরও বাড়ল। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে দুই সপ্তাহ পরে।
মামলাটি উঠেছিল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনের বেঞ্চে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে আদালতে সওয়াল করেন কালীঘাট তৃণমূলের সাংসদ এবং বর্ষীয়ান আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে কেন্দ্রের হয়ে সওয়াল করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসে—লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার দফতর ইতিমধ্যেই এই দলত্যাগী সাংসদদের বিষয়ে প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
## ২০ সাংসদের সদস্যপদ নিয়েই মূল প্রশ্ন
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন আসে। নির্বাচনের ফলাফলের পর তৃণমূলের একাধিক সাংসদ দল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেন। তাঁদের একাংশ নতুন রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে এনডিএ সরকারকে সমর্থনের কথাও জানান।
এরপর সংসদে তাঁদের আসনেও পরিবর্তন আসে। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং শতাব্দী রায়ের মতো পরিচিত সাংসদদের আসন বদল হয়। তবে তাঁরা এখনও এনসিপিআইয়ের সাংসদ হিসেবে পূর্ণাঙ্গ স্বীকৃতি পাননি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতেই তৃণমূলের পক্ষ থেকে তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
## অভিষেকের দাবি কী?
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মূল দাবি, তৃণমূলের প্রতীকে নির্বাচিত হয়ে পরে অন্য দলে যোগ দেওয়া সাংসদদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তাঁদের সাংসদ পদ খারিজ করার জন্য তিনি লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠিও দিয়েছিলেন।
তৃণমূলের অভিযোগ ছিল, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এই বিষয়ে স্পিকারের তরফে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। বাদল অধিবেশন চলাকালীন বিষয়টির নিষ্পত্তি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক।
তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল, নির্বাচিত প্রতিনিধিরা যদি দল পরিবর্তন করেন, তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে সংবিধানের দশম তফসিল বা দলত্যাগ বিরোধী আইনের বিধান প্রয়োগ করা উচিত কি না, তা দ্রুত নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
## স্পিকারের দফতর কী করেছে?
মঙ্গলবারের শুনানিতে কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতকে জানান, বিষয়টি নিয়ে লোকসভার স্পিকার ইতিমধ্যেই প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনের ভিত্তিতে ২০ জন সাংসদের কাছেই পৃথকভাবে নোটিস পাঠানো হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, সাংসদদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তাঁদের নিজস্ব অবস্থান জানার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
স্পিকারের দফতর থেকে এই অগ্রগতির বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টকে জানানোর জন্য সলিসিটর জেনারেলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলেও আদালতে জানানো হয়।
এর ফলে মামলাটি এখন শুধু রাজনৈতিক অভিযোগের পর্যায়ে নেই। সংসদীয় প্রক্রিয়ার মধ্যেও বিষয়টি এগিয়েছে।
## সুপ্রিম কোর্টের গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ
শুনানির সময় বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। তিনি জানান, সময়সীমার মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তি হওয়া জরুরি।
এর পরেই বেঞ্চ সব পক্ষকে নোটিস জারি করার নির্দেশ দেয়। পরবর্তী শুনানির জন্য দুই সপ্তাহ পরে দিন ধার্য করা হয়েছে।
তবে মঙ্গলবারের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট এখনও তৃণমূলত্যাগী সাংসদদের সদস্যপদ খারিজের বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি। আদালতের বর্তমান পদক্ষেপ মূলত সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য এবং অবস্থান সামনে আনার প্রক্রিয়ার অংশ।
## কারা রয়েছেন এই তালিকায়?
তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআইয়ে যাওয়া ২০ সাংসদের মধ্যে বেশ কয়েকজন পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে অত্যন্ত পরিচিত মুখ। তাঁদের মধ্যে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং শতাব্দী রায়ের নাম বিশেষভাবে উঠে এসেছে।
একসময় তাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ সাংসদ হিসেবে সংসদে দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দল পরিবর্তনের পর তাঁদের রাজনৈতিক অবস্থান বদলে যাওয়ায় বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই জাতীয় রাজনীতিতেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
তাঁদের সদস্যপদ বজায় থাকবে কি না, সেটি এখন স্পিকার এবং পরবর্তীতে আদালতের আইনি ব্যাখ্যার উপর নির্ভর করবে।
## কেন দলত্যাগ বিরোধী আইন গুরুত্বপূর্ণ?
ভারতের সংবিধানের দশম তফসিলের অধীনে দলত্যাগ বিরোধী আইন তৈরি করা হয়েছিল নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দলবদল নিয়ন্ত্রণ করার জন্য। নির্বাচনের মাধ্যমে একটি দলের প্রতীকে জয়ী হওয়ার পর অন্য দলে চলে যাওয়া নিয়ে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সদস্যপদ খারিজের বিধান রয়েছে।
তবে এই আইনের প্রয়োগ সবসময় সরল নয়। দলত্যাগের পরিস্থিতি, দলীয় বিভাজন, একীভূত হওয়া এবং সংশ্লিষ্ট সাংসদের অবস্থানের মতো বিষয়গুলি বিবেচনা করতে হয়।
এই মামলাতেও তাই শুধু দল পরিবর্তনের ঘটনা নয়, পুরো সাংবিধানিক ও সংসদীয় প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
## সংসদের স্পিকারের ভূমিকা
দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় সাংসদদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের ক্ষেত্রে লোকসভার স্পিকারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অভিযোগ পাওয়ার পরে সংশ্লিষ্ট সদস্যদের বক্তব্য শোনা এবং নথিপত্র পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়া রয়েছে।
এই মামলায় স্পিকারের দফতর ২০ জন সাংসদকে পৃথক নোটিস দিয়েছে বলে সুপ্রিম কোর্টকে জানানো হয়েছে। ফলে তাঁদের প্রত্যেকের বক্তব্য এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
সাংসদরা কী জবাব দেন এবং সেই জবাবের ভিত্তিতে স্পিকার কী সিদ্ধান্ত নেন, সেটিই পরবর্তী পর্যায়ে বড় বিষয় হতে পারে।
## আগে থেকেই স্পিকারের কাছে আবেদন
এই মামলার সূত্রপাত অবশ্য মঙ্গলবারের শুনানির অনেক আগে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দলত্যাগী সাংসদদের সদস্যপদ খারিজের জন্য লোকসভার স্পিকারকে চিঠি দিয়েছিলেন।
তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, বাদল অধিবেশন চলাকালীনই বিষয়টির নিষ্পত্তি করা হোক। কিন্তু অধিবেশন শেষ হওয়ার পরও সিদ্ধান্ত না হওয়ায় অভিষেক সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে যান।
এর আগে কালীঘাট তৃণমূল স্পিকারকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য চাপ দিয়েছিল। এমনকি সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না হলে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার কথাও জানিয়েছিল দলটি।
## স্পিকারের সঙ্গে দেখা করেছিলেন অভিষেকরা
এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল সাংসদদের একটি প্রতিনিধি দল লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করেছিল। সেখানে মূলত দুটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রথমত, দলত্যাগী সাংসদদের সদস্যপদ খারিজের আবেদনের দ্রুত নিষ্পত্তি। দ্বিতীয়ত, লোকসভায় তৃণমূল সাংসদদের আসন পিছনের সারিতে সরিয়ে দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন।
সেই বৈঠকের পরও দলত্যাগী সাংসদদের বিষয়ে স্পিকারের তরফে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্যে আসেনি।
## সংসদে আসন বদল নিয়েও বিতর্ক
তৃণমূলত্যাগী সাংসদদের নিয়ে বিতর্কের পাশাপাশি লোকসভায় আসন বিন্যাস নিয়েও রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি হয়েছে।
তৃণমূলের অভিযোগ, তাদের সাংসদদের পিছনের সারিতে বসানো হয়েছে এবং অন্যদিকে এনসিপিআইয়ের সাংসদদের তুলনামূলকভাবে সামনে জায়গা দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়েও অভিষেকরা স্পিকারের সঙ্গে কথা বলেছিলেন।
তবে মঙ্গলবারের সুপ্রিম কোর্টের মামলার মূল বিষয় ছিল দলত্যাগী সাংসদদের সদস্যপদ এবং দলত্যাগ বিরোধী আইন।
## এনডিএ সমর্থন নিয়েও নজর
তৃণমূলত্যাগী সাংসদদের একটি বড় রাজনৈতিক পদক্ষেপ ছিল এনসিপিআইয়ে যোগ দেওয়ার পর এনডিএ সরকারকে সমর্থন করা। তাঁদের নতুন রাজনৈতিক অবস্থান কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দেয়।
এই সাংসদরা যদি শেষ পর্যন্ত এনসিপিআইয়ের হয়ে সংসদে সক্রিয় থাকেন, তাহলে সংসদীয় রাজনীতির সমীকরণে তার প্রভাব পড়তে পারে। আবার তাঁদের সদস্যপদ খারিজ হলে সম্পূর্ণ পরিস্থিতিই বদলে যেতে পারে।
এই কারণেই মামলাটিকে শুধু দলত্যাগ বিরোধী আইনের একটি মামলা হিসেবে নয়, জাতীয় রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি লড়াই হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
## বিজেপির অবস্থানও নজরে
এর আগে এনসিপিআইয়ের সাংসদদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিজেপির মধ্যেও আলোচনা হয়েছে। তাঁদের সংসদে স্বীকৃতি দেওয়া হবে, নাকি তাঁরা সরাসরি বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হবেন—এই প্রশ্নে বিজেপি আপাতত অপেক্ষার নীতি নিয়েছে বলে সংবাদ প্রতিদিনের একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল।
সুপ্রিম কোর্টে চলা মামলা এবং দলত্যাগ বিরোধী আইনের বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার পরেই পরবর্তী রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সম্ভাবনার কথা ওই প্রতিবেদনে উঠে এসেছিল।
অর্থাৎ, এই মামলার রায় বা পরবর্তী নির্দেশ শুধু তৃণমূল ও দলত্যাগী সাংসদদের ক্ষেত্রেই নয়, বৃহত্তর রাজনৈতিক সমীকরণের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
## এখন কী হতে পারে?
মঙ্গলবারের নোটিসের পর ২০ জন সাংসদকে তাঁদের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে হবে। একইসঙ্গে স্পিকারের দফতরের নেওয়া পদক্ষেপও আদালতের নজরে থাকবে।
দুই সপ্তাহ পর মামলাটি ফের শুনানিতে উঠলে আদালত সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির বক্তব্য এবং ইতিমধ্যে স্পিকারের প্রক্রিয়ার অগ্রগতি বিবেচনা করতে পারে।
তবে এখনই কোনও সাংসদের সদস্যপদ খারিজ হয়ে যাচ্ছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর সুযোগ নেই। সুপ্রিম কোর্ট আপাতত সব পক্ষকে নোটিস দিয়েছে এবং দ্রুত নিষ্পত্তির প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছে।
## রাজনৈতিক লড়াই থেকে আইনি লড়াই
তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংকট এবার আদালতের দরজায় পৌঁছে গিয়েছে। নির্বাচনের পর দলবদল, সাংসদদের নতুন রাজনৈতিক দলে যোগদান, এনডিএ-কে সমর্থন এবং লোকসভায় আসন পরিবর্তন—সব মিলিয়ে ঘটনাপ্রবাহ দ্রুত বদলেছে।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথমে স্পিকারের কাছে আবেদন করেন। স্পিকারকে চিঠি, পরে সরাসরি সাক্ষাৎ এবং শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে মামলা—এই ধারাবাহিকতায় বিষয়টি এখন দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নজরে।
## পরবর্তী শুনানির দিকে নজর
এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী শুনানির আগে স্পিকারের দফতর ২০ জন সাংসদের বিষয়ে কতটা এগোয়। একইসঙ্গে সাংসদরা নোটিসের জবাবে কী বক্তব্য রাখেন, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।
দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় তাঁদের সদস্যপদ নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা এখনই নিশ্চিত নয়। তবে সুপ্রিম কোর্টের নোটিসের ফলে বিষয়টি যে নতুন গতি পেল, তা স্পষ্ট।
দুই সপ্তাহ পর মামলাটি ফের শুনানিতে উঠবে। তখন আদালতের পর্যবেক্ষণ এবং স্পিকারের প্রক্রিয়ার অগ্রগতি গোটা মামলার পরবর্তী দিক নির্ধারণ করতে পারে।


