Monday, November 2, 2026

Creating liberating content

यूईएम जयपुर ने मानवता...

जयपुर में आयोजित मानवता के लिए दौड़ के दसवें संस्करण में यूनिवर्सिटी ऑफ...

अक्टूबर 2026 में पड़ेंगी...

सनातन हिंदू धर्म में एकादशी तिथि का विशेष धार्मिक महत्व माना जाता है।...

इंफोसिस और विप्रो में...

देश की प्रमुख सूचना प्रौद्योगिकी सेवा कंपनियों में शामिल इंफोसिस और विप्रो के...

स्वर्ग में कर्ण को...

महाभारत के महान योद्धाओं में कर्ण का नाम केवल उनकी वीरता और संघर्ष...
Homeবাংলামারাঠি না জানায়...

মারাঠি না জানায় অটোচালকদের নোটিস, সোনমের প্রতিক্রিয়া ঘিরে চর্চা

মহারাষ্ট্রে বাণিজ্যিক গাড়ির চালকদের মারাঠি ভাষা জানা বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মহারাষ্ট্রের পরিবহণ দফতরের পদক্ষেপ নিয়ে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া জানালেন অভিনেত্রী সোনম কাপুর। সাংবাদিক ফায়ে ডি’সুজার একটি পোস্টে মাত্র একটি শব্দ—**“Huh”**—লিখেছেন অভিনেত্রী। তাঁর এই ছোট্ট মন্তব্যই এখন নেটদুনিয়ায় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

মহারাষ্ট্রে অটো ও ট্যাক্সি-সহ বাণিজ্যিক যাত্রীবাহী গাড়ির চালকদের মারাঠি ভাষায় ব্যবহারিক জ্ঞান থাকা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই সরকারি উদ্যোগ চলছে। পরিবহণ দফতরের তরফে চালকদের ভাষাগত দক্ষতা যাচাই করা হচ্ছে। নির্ধারিত পরীক্ষায় যাঁরা প্রয়োজনীয় জ্ঞান দেখাতে পারেননি, তাঁদের বিরুদ্ধে নোটিস দেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একদিকে যেমন সরকারি নিয়ম মানার প্রশ্ন উঠছে, অন্যদিকে চালকদের জীবিকা এবং ভাষা শেখার জন্য পর্যাপ্ত সময় ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে কি না, তা নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। 

## মারাঠি জানা বাধ্যতামূলক কেন?

মহারাষ্ট্রে অটো-রিকশা, ট্যাক্সি এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক যাত্রীবাহী গাড়ির চালকদের যাত্রীদের সঙ্গে কার্যকরভাবে যোগাযোগ করার জন্য মারাঠি ভাষা জানার প্রয়োজনীয়তার কথা সরকার তুলে ধরেছে। নতুন করে চালকদের ভাষাগত দক্ষতা যাচাইয়ের বিষয়টিও সেই নীতির অংশ।

পরিবহণ দফতরের বক্তব্য অনুযায়ী, যাঁরা গণপরিবহণ ব্যবস্থায় কাজ করছেন, তাঁদের স্থানীয় ভাষায় অন্তত প্রয়োজনীয় যোগাযোগ করতে পারা উচিত। যাত্রীদের সঙ্গে কথাবার্তা, রাস্তার নির্দেশ বোঝা কিংবা জরুরি পরিস্থিতিতে যোগাযোগের ক্ষেত্রে স্থানীয় ভাষার জ্ঞান কাজে আসতে পারে। তবে এই নিয়ম কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সেটিই এখন বিতর্কের কেন্দ্রে।

নতুন অটো ও ট্যাক্সি ড্রাইভার ব্যাজের আবেদনকারীদের মারাঠি ভাষার যাচাই প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ করতে ২০ আগস্ট থেকে পরীক্ষার পুরো প্রক্রিয়া ভিডিও রেকর্ড করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। 

## বহু চালক পরীক্ষায় সমস্যায়

সম্প্রতি পরিবহণ দফতরের আধিকারিকরা বাণিজ্যিক গাড়িচালকদের মারাঠি ভাষার দক্ষতা পরীক্ষা করেন। সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ১০ আগস্ট থেকে মোট ৫,২১১ জন গাড়িচালকের পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর মধ্যে মুম্বই মেট্রোপলিটন অঞ্চলের চালক ছিলেন ৩,৯৮২ জন। তাঁদের মধ্যে ৭৭২ জন মারাঠি ভাষায় কথা বলতে সক্ষম হননি বলে পরিবহণ দফতরের তরফে নোটিস দেওয়া হয়েছে। 

অন্য একটি প্রতিবেদনে আবার জানানো হয়েছে, মহারাষ্ট্রে আরও ৭৭৭ জন বাণিজ্যিক চালক মারাঠি ভাষার পরীক্ষায় প্রয়োজনীয় মান পূরণ করতে পারেননি এবং তাঁদের নোটিস দেওয়া হয়েছে। 

এই পরিসংখ্যান সামনে আসার পর বিষয়টি আরও বড় আকারে আলোচনায় আসে। কারণ, বহু চালক দীর্ঘদিন ধরে মুম্বই ও আশপাশের এলাকায় গাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই মহারাষ্ট্রের বাইরের রাজ্য থেকে এসেছেন। ফলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভাষাগত দক্ষতা অর্জন করা তাঁদের কাছে কঠিন হয়ে উঠতে পারে বলে দাবি উঠেছে।

## নোটিস ঘিরে চালকদের উদ্বেগ

পরিবহণ দফতরের নোটিস পাওয়ার পর চালকদের একটি অংশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, ভাষা শেখার জন্য পর্যাপ্ত সময় এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা না করে সরাসরি পরীক্ষা নেওয়া হলে অনেকেই সমস্যায় পড়বেন।

বিশেষ করে বয়স্ক চালকদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও কঠিন হতে পারে। যাঁদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ সীমিত ছিল, তাঁদের পক্ষে নতুন ভাষা দ্রুত শেখা সহজ নয়। ফলে ভাষার নিয়মকে তাঁরা শুধুমাত্র প্রশাসনিক নির্দেশ হিসেবে নয়, নিজেদের জীবিকার সঙ্গে যুক্ত একটি বিষয় হিসেবেও দেখছেন।

এই কারণেই চালকদের একটি অংশ নিয়মটি নিয়ে আপত্তি জানিয়ে প্রতিবাদে নেমেছেন। মুম্বইয়ের অটোচালকদের একাংশ সোমবার থেকে তিন দিনের ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন বলেও সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে | 

## অটোচালকদের ধর্মঘট

মারাঠি ভাষার নিয়মের প্রতিবাদে মুম্বইয়ের অটোচালকদের ধর্মঘট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। প্রতিবাদকারীদের অভিযোগ, নতুন নিয়মের কারণে তাঁদের উপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে।

কিছু এলাকায় বিক্ষোভকারীরা রাস্তা অবরোধও করেন। কান্দিভালি লিংক রোডে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। এর ফলে সাধারণ যাত্রীদেরও সমস্যায় পড়তে হয়েছে।

অন্যদিকে চালকদের বক্তব্য, ভাষা শেখানোর ক্ষেত্রে সরকারের আরও সহায়ক ভূমিকা নেওয়া প্রয়োজন। নিয়ম থাকতেই পারে, কিন্তু তা বাস্তবায়নের আগে প্রশিক্ষণ এবং পর্যাপ্ত সময় দেওয়া উচিত—এমন দাবিও উঠেছে।

## সোনম কাপুরের রহস্যময় প্রতিক্রিয়া

এই পরিস্থিতির মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে নজর পড়ে সোনম কাপুরের দিকে। সাংবাদিক ফায়ে ডি’সুজা সোশ্যাল মিডিয়ায় মহারাষ্ট্র পরিবহণ দফতরের চালকদের ভাষা পরীক্ষা এবং নোটিস দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেছিলেন।

সেই পোস্টের কমেন্ট সেকশনে সোনম কাপুর মাত্র একটি শব্দ লেখেন—**“Huh”**। 

এই একটি শব্দের মাধ্যমে অভিনেত্রী ঠিক কী বোঝাতে চেয়েছেন, তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, প্রশ্ন তুলেছেন নাকি গোটা ঘটনাটি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন—সেটি তিনি ব্যাখ্যা করেননি।

ফলে সোনমের মন্তব্যের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা ধরনের ব্যাখ্যা শুরু হয়েছে।

## সমর্থন না আপত্তি?

সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে সোনমের এই প্রতিক্রিয়াকে পরিবহণ দফতরের পদক্ষেপের প্রসঙ্গে বিশেষ প্রতিক্রিয়া হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। তবে তাঁর মন্তব্য যেহেতু শুধুমাত্র “Huh”, তাই সেটিকে সরাসরি কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক অবস্থান হিসেবে ব্যাখ্যা করার সুযোগ সীমিত।

অন্য সংবাদমাধ্যমগুলিও উল্লেখ করেছে যে অভিনেত্রীর মন্তব্যটি খুবই সংক্ষিপ্ত এবং তিনি তাঁর অবস্থান বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেননি। 

তাই সোনম এই নিয়মকে সমর্থন করেছেন না বিরোধিতা করেছেন—এমন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর আগে তাঁর আরও কোনও বক্তব্যের অপেক্ষা করাই যুক্তিযুক্ত।

## কেন সোনমের মন্তব্য এত গুরুত্বপূর্ণ?

সোনম কাপুর দীর্ঘদিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন সামাজিক ও জনজীবনের বিষয় নিয়ে নিজের মত প্রকাশ করে থাকেন। ফলে কোনও বিতর্কিত বিষয় নিয়ে তাঁর একটি ছোট মন্তব্যও দ্রুত নজরে আসে।

এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। মাত্র একটি শব্দের প্রতিক্রিয়া নিয়ে সংবাদমাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিশেষ করে মহারাষ্ট্রের মতো ভাষা ও পরিচয়কে ঘিরে সংবেদনশীল রাজ্যে স্থানীয় ভাষা ব্যবহারের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই একজন পরিচিত অভিনেত্রীর এমন প্রতিক্রিয়া স্বাভাবিকভাবেই আরও বেশি নজর কেড়েছে।

## সরকারের নিয়ম বনাম চালকদের বাস্তব সমস্যা

এই বিতর্কের মূল জায়গায় রয়েছে দুটি আলাদা দৃষ্টিভঙ্গি। একদিকে মহারাষ্ট্র সরকারের বক্তব্য—বাণিজ্যিক গাড়ির চালকদের স্থানীয় ভাষায় প্রয়োজনীয় জ্ঞান থাকা উচিত। অন্যদিকে চালকদের একাংশের দাবি—এই নিয়ম বাস্তবায়নের আগে তাঁদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ এবং সময় দেওয়া দরকার।

সরকারি নিয়মের উদ্দেশ্য যদি যাত্রীদের সঙ্গে সহজ যোগাযোগ নিশ্চিত করা হয়, তাহলে ভাষা শেখার সুযোগ করে দেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কারণ পরীক্ষার মাধ্যমে দক্ষতা যাচাই করার পাশাপাশি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকলে নিয়মটি বাস্তবায়ন করা তুলনামূলক সহজ হতে পারে।

এই কারণেই বিষয়টি শুধুমাত্র ভাষার প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নেই; এর সঙ্গে কর্মসংস্থান, জীবিকা, প্রশাসনিক নিয়ম এবং শহরের গণপরিবহণ ব্যবস্থাও জড়িয়ে রয়েছে।

## লাইসেন্স বাতিলের আশঙ্কাও রয়েছে

মহারাষ্ট্রের পরিবহণমন্ত্রী প্রতাপ সরনায়েকের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় ভাষাজ্ঞান দেখাতে না পারা চালকদের প্রথমে ৩০ দিনের নোটিস দেওয়া হতে পারে। এরপরও নিয়ম মেনে না চললে তাঁদের ড্রাইভিং লাইসেন্স তিন মাসের জন্য সাসপেন্ড করার ব্যবস্থা থাকতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে নিয়ম না মানলে লাইসেন্স স্থায়ীভাবে বাতিল হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। 

এই সম্ভাব্য শাস্তির কারণেই চালকদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। তাঁদের কাছে লাইসেন্স শুধু একটি প্রশাসনিক নথি নয়, সেটিই তাঁদের উপার্জনের প্রধান মাধ্যম।

ফলে ভাষার নিয়মকে কেন্দ্র করে কোনও সিদ্ধান্ত তাঁদের পরিবারের আর্থিক অবস্থার উপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

## প্রশিক্ষণের দাবি

এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন মহল থেকে চালকদের জন্য ভাষা শেখার প্রশিক্ষণ চালুর দাবি উঠেছে। ইতিমধ্যেই অ্যাপ-ভিত্তিক পরিবহণ পরিষেবা সংস্থা র‌্যাপিডো মহারাষ্ট্রের চালকদের জন্য মারাঠি শেখার বিশেষ রিসোর্স চালু করেছে বলে জানা গিয়েছে। ইউটিউব, অ্যাপ এবং হোয়াটসঅ্যাপের মতো প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এই ভাষা শেখার সুযোগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

এতে বোঝা যায়, ভাষার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও চালকদের ব্যবহারিকভাবে ভাষা শেখানোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিভিন্ন পক্ষই ভাবছে।

## যাত্রীদের উপরও প্রভাব

অটো ও ট্যাক্সি চালকদের ধর্মঘট হলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন সাধারণ যাত্রীরা। মুম্বইয়ের মতো ব্যস্ত শহরে অটো এবং ট্যাক্সি দৈনন্দিন যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

যদি বড় সংখ্যক চালক ধর্মঘটে যান অথবা নোটিসের কারণে পরিষেবা কমে যায়, তাহলে অফিসযাত্রী, পড়ুয়া, রোগী এবং অন্যান্য সাধারণ মানুষের যাতায়াতে সমস্যা তৈরি হতে পারে।

ফলে সরকার এবং চালকদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধান বের করা প্রয়োজন বলেই মনে করছেন অনেকেই।

## সোনমের ব্যক্তিগত জীবনেও নতুন অধ্যায়

এই বিতর্কের সময় সোনম কাপুর নিজেও ব্যক্তিগত জীবনে নতুন অধ্যায়ের মধ্যে রয়েছেন। অভিনেত্রী এবং তাঁর স্বামী আনন্দ আহুজার প্রথম সন্তান বায়ুর জন্ম ২০২২ সালে। ২০২৬ সালের মার্চে তাঁদের দ্বিতীয় সন্তানও জন্মেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। 

বড় পর্দায় সোনমকে শেষ দেখা গিয়েছিল ২০২৩ সালের **‘Blind’** ছবিতে। এরপর থেকে তিনি মূলত ব্যক্তিগত জীবন এবং পরিবারকে বেশি সময় দিয়েছেন। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি এখনও সক্রিয় এবং বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়। 

## বড় পর্দা থেকে দূরে, সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয়

অভিনয় থেকে সাময়িক দূরত্ব থাকলেও সোনমের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উপস্থিতি যথেষ্ট সক্রিয়। কখনও সন্তানদের ছবি, কখনও ব্যক্তিগত জীবনের মুহূর্ত, আবার কখনও সামাজিক বিষয় নিয়ে তাঁর বক্তব্য সামনে আসে।

এই কারণেই তাঁর একটি ছোট মন্তব্যও দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। এবারও মাত্র একটি শব্দের মন্তব্য মহারাষ্ট্রের ভাষা-নিয়ম নিয়ে চলা বিতর্কে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

## আসল প্রশ্ন এখনও অন্য জায়গায়

সোনমের “Huh” মন্তব্য নিয়ে যতই আলোচনা হোক, আসল বিতর্ক কিন্তু মারাঠি ভাষা শেখার বাধ্যবাধকতা এবং তার প্রয়োগ নিয়ে। সরকার একদিকে ভাষাগত দক্ষতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছে, অন্যদিকে চালকদের একটি অংশ বাস্তব সমস্যার কথা জানাচ্ছেন।

এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন হল—ভাষার নিয়ম কার্যকর করার পাশাপাশি চালকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হচ্ছে কি না। কারণ কোনও নিয়মকে কার্যকর করতে গেলে সংশ্লিষ্ট মানুষের বাস্তব পরিস্থিতিও বিবেচনা করা জরুরি।

## ভবিষ্যতে বিতর্ক কোন দিকে যাবে?

আগামী দিনে মহারাষ্ট্রের পরিবহণ দফতর এই নিয়ম আরও কঠোরভাবে প্রয়োগ করবে কি না, সেটিই এখন দেখার। চালকদের আন্দোলন কতটা দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং সরকার তাঁদের দাবির বিষয়ে কোনও নমনীয়তা দেখায় কি না, তার উপরও পরিস্থিতি নির্ভর করছে।

অন্যদিকে সোনম কাপুর এই বিষয়ে ভবিষ্যতে আরও বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন কি না, সেদিকেও নজর থাকবে। কারণ তাঁর বর্তমান মন্তব্যটি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত এবং এর প্রকৃত অর্থ স্পষ্ট নয়।

## শেষ কথা

মহারাষ্ট্রে বাণিজ্যিক গাড়িচালকদের মারাঠি ভাষাজ্ঞান যাচাইকে কেন্দ্র করে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সেখানে নতুন মাত্রা যোগ করেছে সোনম কাপুরের প্রতিক্রিয়া। সাংবাদিক ফায়ে ডি’সুজার পোস্টে অভিনেত্রী শুধু **“Huh”** লিখেছেন। সেই ছোট্ট মন্তব্য নিয়েই শুরু হয়েছে আলোচনা। 

পরিবহণ দফতরের পরীক্ষায় বহু চালক প্রয়োজনীয় মারাঠি ভাষাজ্ঞান দেখাতে পারেননি। তাঁদের নোটিস দেওয়া হয়েছে। চালকদের একাংশ নিয়মের প্রতিবাদে ধর্মঘটও শুরু করেছেন এবং তাঁদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত সময় ও প্রশিক্ষণ ছাড়া এই নিয়ম বাস্তবায়ন করা কঠিন। 

অন্যদিকে সরকারের অবস্থান হল, যাত্রীদের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগের জন্য বাণিজ্যিক গাড়ির চালকদের মারাঠি ভাষার ব্যবহারিক জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। ফলে আগামী দিনে এই নিয়ম কীভাবে বাস্তবায়িত হয় এবং চালকদের উদ্বেগের কতটা সমাধান করা যায়, সেটিই হবে মূল বিষয়।

আর সোনম কাপুরের ক্ষেত্রে আপাতত একটি বিষয়ই নিশ্চিত—তিনি ঘটনাটিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, কিন্তু তাঁর **“Huh”** মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি ঠিক কী অবস্থান বোঝাতে চেয়েছেন, তা এখনও স্পষ্ট করেননি। তাই অভিনেত্রীর মন্তব্যকে চূড়ান্ত সমর্থন বা বিরোধিতা হিসেবে ব্যাখ্যা না করে তাঁর পরবর্তী বক্তব্যের অপেক্ষা করাই যুক্তিযুক্ত। 

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

ঔরঙ্গজেবের আমলের ৩৩৪ বছরের বনেদি পুজোর অমলিন ঐতিহ্য

পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজোর ইতিহাসে বনেদি পুজোর আলাদা মর্যাদা রয়েছে। সেই ঐতিহ্যের অন্যতম উজ্জ্বল অধ্যায় পূর্ব বর্ধমানের পানাগড়ের সোঁয়াই গ্রামের মুখোপাধ্যায় পরিবারের দুর্গাপুজো। এ বছর এই পুজো ৩৩৪ বছরে পা দিয়েছে। শুধু প্রাচীনত্ব নয়, এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে স্বপ্নাদেশ, বর্ধমানের...

বাংলায় পথচলা শুরু বিজয় থলপতির টিভিকের নতুন অধ্যায়

তামিলনাড়ুতে রাজনৈতিক সাফল্যের পর এবার পশ্চিমবঙ্গে সাংগঠনিক বিস্তার শুরু করল বিজয় থলপতি-র দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগম (TVK)। পূর্ব বর্ধমান জেলার ফাগুপুরে দলের প্রথম কার্যালয় খোলার মাধ্যমে বাংলায় আনুষ্ঠানিকভাবে পথচলা শুরু হয়েছে। এই পদক্ষেপের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—তাহলে...

সন্ত্রাসে শীর্ষে পাকিস্তান, হাক্কানির বিস্ফোরক আত্মসমালোচনা ভাইরাল

সন্ত্রাসবাদে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় পাকিস্তানের শীর্ষে উঠে আসার দাবি ঘিরে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (IEP)-এর প্রকাশিত Global Terrorism Index 2026-এর তথ্য সামনে আসার পর পাকিস্তানের প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত হুসেন হাক্কানি ইসলামাবাদের দীর্ঘদিনের...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.