Monday, November 2, 2026

Creating liberating content

यूईएम जयपुर ने मानवता...

जयपुर में आयोजित मानवता के लिए दौड़ के दसवें संस्करण में यूनिवर्सिटी ऑफ...

अक्टूबर 2026 में पड़ेंगी...

सनातन हिंदू धर्म में एकादशी तिथि का विशेष धार्मिक महत्व माना जाता है।...

इंफोसिस और विप्रो में...

देश की प्रमुख सूचना प्रौद्योगिकी सेवा कंपनियों में शामिल इंफोसिस और विप्रो के...

स्वर्ग में कर्ण को...

महाभारत के महान योद्धाओं में कर्ण का नाम केवल उनकी वीरता और संघर्ष...
Homeবাংলাখেলাধুলাআফগানিস্তানের অনুরোধে বদলাতে...

আফগানিস্তানের অনুরোধে বদলাতে পারে ভারত ম্যাচের সূচি

ভারত ও আফগানিস্তানের আসন্ন তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজের সূচি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আগামী সেপ্টেম্বর মাসে দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে তিনটি টি-২০ ম্যাচ খেলার কথা ভারত ও আফগানিস্তানের। প্রথম ম্যাচ ১৩ সেপ্টেম্বর, দ্বিতীয় ম্যাচ ১৫ সেপ্টেম্বর এবং তৃতীয় ম্যাচ ১৭ সেপ্টেম্বর হওয়ার কথা। কিন্তু এবার এই সূচিতে সামান্য পরিবর্তনের জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড বা ACB। 

প্রস্তাব অনুযায়ী, সিরিজের একটি ম্যাচ ১৪ সেপ্টেম্বর আয়োজন করা হতে পারে। অর্থাৎ ১৩ অথবা ১৫ সেপ্টেম্বরের ম্যাচের একটি ১৪ সেপ্টেম্বর নিয়ে আসার বিষয়ে আলোচনা চলছে। এখনও পর্যন্ত অবশ্য কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। BCCI সম্মতি না দেওয়া পর্যন্ত আগের ঘোষিত সূচিই বহাল থাকবে। 

১৪ সেপ্টেম্বর ভারতে গণেশ চতুর্থী পালিত হবে। সেই উৎসবের দিন দিল্লিতে ভারত-আফগানিস্তান ম্যাচ আয়োজন করা গেলে দর্শক সমাগম এবং টেলিভিশন দর্শকসংখ্যা বাড়তে পারে বলে মনে করছে ACB। এই বিষয়টিকে সামনে রেখেই তারা BCCI-এর সঙ্গে আলোচনা করছে বলে একাধিক প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে। 

## বর্তমানে কী সূচি ঘোষণা করা হয়েছে?

BCCI এবং ACB-এর ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ভারত-আফগানিস্তান তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজটি ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়ার কথা। দ্বিতীয় ম্যাচ হবে ১৫ সেপ্টেম্বর এবং শেষ ম্যাচ ১৭ সেপ্টেম্বর। তিনটি ম্যাচই হবে দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে। 

বর্তমান সূচিটি হল—

* **প্রথম টি-২০:** ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

* **দ্বিতীয় টি-২০:** ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

* **তৃতীয় টি-২০:** ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তবে ACB-এর নতুন প্রস্তাব কার্যকর হলে এই তালিকায় পরিবর্তন আসতে পারে। ১৩ অথবা ১৫ সেপ্টেম্বরের একটি ম্যাচ ১৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে পারে। 

## কেন ১৪ সেপ্টেম্বর ম্যাচ চাইছে আফগানিস্তান?

সূত্রের খবর, ১৪ সেপ্টেম্বর গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে ছুটির দিন হওয়ায় ওই দিনে ম্যাচ আয়োজন করলে স্টেডিয়ামে দর্শক সমাগম বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে দিল্লির মতো বড় শহরে উৎসবের দিন একটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ হলে সাধারণ দর্শকদের মাঠে আসার সুযোগও বাড়তে পারে।

ACB-এর পক্ষ থেকে এই বিষয়টিকে একটি বিশেষ উদ্যোগ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। উৎসবের আবহে ভারত ও আফগানিস্তানের ম্যাচ হলে দুই দেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্ক আরও সুন্দরভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে বলেও মনে করা হচ্ছে। 

অর্থাৎ শুধুমাত্র ক্রিকেটীয় সূচির সুবিধার জন্য নয়, দর্শকদের আগ্রহ এবং ম্যাচের পরিবেশ—দুই দিক বিবেচনা করেই ১৪ সেপ্টেম্বরের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে খবর।

## BCCI কি এই প্রস্তাবে রাজি হয়েছে?

এই মুহূর্তে উত্তর হল—না, এখনও চূড়ান্ত সম্মতি মেলেনি।

ACB ইতিমধ্যেই BCCI-এর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে। কিন্তু দুই বোর্ডের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন সূচি ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত ১৩, ১৫ এবং ১৭ সেপ্টেম্বরের পুরনো সূচিই কার্যকর থাকবে। 

ফলে ক্রিকেটপ্রেমীদের এখনই ১৪ সেপ্টেম্বরের ম্যাচ নিশ্চিত ধরে নেওয়া উচিত নয়।

## আরও বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব কি রয়েছে?

সাম্প্রতিক রিপোর্টে আরও একটি সম্ভাব্য পরিবর্তনের কথা উঠে এসেছে।  হয়েছে, ACB কয়েক দিনের মধ্যে সিরিজটি এগিয়ে এনে ১১, ১৩ এবং ১৪ সেপ্টেম্বর ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তাবও দিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

তবে এই প্রস্তাব এখনও আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে। BCCI এবং ACB-এর আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ছাড়া কোনও নতুন সূচিকে চূড়ান্ত বলা যাবে না।

অর্থাৎ বর্তমানে দুটি বিষয় আলাদা করে দেখা প্রয়োজন—একটি হল ১৪ সেপ্টেম্বর ম্যাচ করার প্রস্তাব, অন্যটি আরও আগে সিরিজ শুরু করার সম্ভাবনা। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত ১৩, ১৫ ও ১৭ সেপ্টেম্বরের ঘোষিত সূচিই নির্ভরযোগ্য। 

## দিল্লিতেই হবে তিনটি ম্যাচ

এই সিরিজের তিনটি ম্যাচই দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে আয়োজন করার কথা। অর্থাৎ ভেন্যু পরিবর্তনের কোনও প্রশ্ন নেই। পরিবর্তনের আলোচনা মূলত ম্যাচের তারিখ ঘিরেই। 

এতে ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য একটি সুবিধা অবশ্যই রয়েছে। তিনটি ম্যাচ একই শহরে হওয়ায় যাঁরা পুরো সিরিজ দেখতে চান, তাঁদের ভ্রমণ পরিকল্পনা তুলনামূলকভাবে সহজ হবে।

অন্যদিকে আয়োজকদের পক্ষ থেকেও একই ভেন্যুতে ধারাবাহিকভাবে ম্যাচ আয়োজন করা ব্যবস্থাপনার দিক থেকে সুবিধাজনক।

## আফগানিস্তানের ‘হোম’ সিরিজ, কিন্তু ম্যাচ ভারতে

এই সিরিজের একটি বিশেষ দিক রয়েছে। কাগজে-কলমে আফগানিস্তানই এই সিরিজের আয়োজক বা হোম টিম। কিন্তু তিনটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে ভারতে।

আফগানিস্তান সাম্প্রতিক বছরগুলিতে নিজেদের হোম ম্যাচের কিছু অংশ ভারতের মাটিতে আয়োজন করেছে। রাজনৈতিক ও পরিকাঠামোগত বিভিন্ন বাস্তবতার কারণে বিদেশের মাটিতে হোম সিরিজ আয়োজন তাদের কাছে নতুন বিষয় নয়।

তবে ভারতের বিরুদ্ধেই প্রথমবারের মতো আফগানিস্তান একটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজে আনুষ্ঠানিকভাবে হোম টিম হিসেবে ভারতীয় মাটিতে খেলতে নামবে। এই কারণেই সিরিজটিকে দুই দেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। 

## ভারতের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ

ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যে ক্রিকেটীয় সম্পর্ক গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে দুই দল তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজ খেলেছিল। এরপর ২০২৬ সালের জুনে আফগানিস্তান ভারত সফরে এসে একটি টেস্ট এবং তিনটি ওয়ানডে খেলেছে। 

আগামী টি-২০ সিরিজের মাধ্যমে দুই দল তিন ফরম্যাটেই একে অপরের বিরুদ্ধে খেলার পর্ব সম্পূর্ণ করবে।

BCCI-এর তরফে আফগান ক্রিকেটের উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথাও জানানো হয়েছে। দুই দেশের ক্রিকেটারদের নিয়মিত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সুযোগ দেওয়া এবং দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেটীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। 

## উৎসবের দিনে ম্যাচ হলে কী লাভ?

গণেশ চতুর্থীর মতো বড় উৎসবের দিনে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের বেশ কিছু সম্ভাব্য সুবিধা রয়েছে।

প্রথমত, ছুটির দিন হওয়ায় অনেক দর্শক সহজেই মাঠে যেতে পারেন। দ্বিতীয়ত, টেলিভিশন এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ম্যাচ দেখার সময়ও বেশি পাওয়া যেতে পারে। তৃতীয়ত, উৎসবের আবহে আন্তর্জাতিক ম্যাচ হলে সোশ্যাল মিডিয়া এবং অন্যান্য প্ল্যাটফর্মেও ম্যাচটি নিয়ে আগ্রহ বাড়তে পারে।

ACB-এর প্রস্তাবের পেছনে দর্শকসংখ্যা ও ভিউয়ারশিপ বাড়ানোর সম্ভাবনাও অন্যতম কারণ বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। 

## ভারত-বাংলাদেশ সিরিজ নিয়েও প্রশ্ন

ভারতের সেপ্টেম্বরের ক্রিকেট সূচি নিয়ে ইতিমধ্যেই জটিলতা রয়েছে। এর মধ্যে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে এই টি-২০ সিরিজের সূচি ঘোষণা হওয়ায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতের প্রস্তাবিত সাদা বলের সফর নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

ভারতের বাংলাদেশ সফরে তিনটি ওয়ানডে এবং তিনটি টি-২০ ম্যাচ খেলার কথা ছিল। কিন্তু দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে তৈরি হওয়া পরিস্থিতির কারণে সেই সফর এখনও অনিশ্চিত। আফগানিস্তান সিরিজের ঘোষিত তারিখও বাংলাদেশের প্রস্তাবিত সূচির সঙ্গে সংঘর্ষ তৈরি করছে। 

তবে ACB-এর ১৪ সেপ্টেম্বর ম্যাচ আয়োজনের অনুরোধকে সরাসরি বাংলাদেশ সফরের সঙ্গে যুক্ত করা ঠিক হবে না। আফগান বোর্ডের প্রস্তাবের মূল কারণ হিসেবে গণেশ চতুর্থীর দিন ম্যাচ আয়োজন এবং দর্শক সমাগমের সম্ভাবনার কথাই উঠে এসেছে। 

## ভারতীয় দলের ব্যস্ত সূচি

ভারতীয় ক্রিকেট দলের ২০২৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধের সূচি বেশ ব্যস্ত। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের পর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজ রয়েছে। এরপর এশিয়ান গেমসের সূচিও রয়েছে। 

এই কারণে সূচিতে সামান্য পরিবর্তন আনলেও দুই বোর্ডকে খেলোয়াড়দের বিশ্রাম, যাতায়াত, সম্প্রচার এবং অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করতে হবে।

একটি আন্তর্জাতিক সিরিজের তারিখ পরিবর্তন শুধুমাত্র দুই দলের সম্মতির বিষয় নয়। সম্প্রচারকারী সংস্থা, স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গেও সমন্বয় প্রয়োজন।

## সম্প্রচার নিয়েও প্রস্তুতি শুরু

সিরিজের মিডিয়া ও সম্প্রচার ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, মিডিয়া রাইটস সংক্রান্ত সংস্থাগুলি সম্প্রচারকারীদের সঙ্গে আলোচনা করছে।

তিনটি ম্যাচের তারিখ বদলালে সম্প্রচারের পরিকল্পনাতেও পরিবর্তন আনতে হবে। তাই BCCI এবং ACB-এর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত যত দ্রুত হবে, আয়োজকদের জন্য ততই সুবিধা হবে।

বিশেষ করে আন্তর্জাতিক ম্যাচের ক্ষেত্রে টেলিভিশন সম্প্রচার, ডিজিটাল স্ট্রিমিং, বিজ্ঞাপন এবং প্রোমোশন—সবকিছুই নির্দিষ্ট সময়সূচির সঙ্গে যুক্ত থাকে।

## দর্শকদের জন্য কী গুরুত্বপূর্ণ?

যাঁরা ইতিমধ্যেই ১৩, ১৫ বা ১৭ সেপ্টেম্বরের ম্যাচের টিকিট কেনার পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের আপাতত ঘোষিত সূচির দিকেই নজর রাখা উচিত।

১৪ সেপ্টেম্বরের প্রস্তাব এখনও চূড়ান্ত নয়। ফলে শুধুমাত্র সংবাদে সম্ভাব্য পরিবর্তনের কথা শুনে পরিকল্পনা বদলানোর প্রয়োজন নেই।

BCCI এবং ACB আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন তারিখ ঘোষণা করলেই সংশোধিত সূচি নিশ্চিত হবে। তার আগে ১৩, ১৫ ও ১৭ সেপ্টেম্বরই সরকারি সূচি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

## ক্রিকেটীয় দিক থেকেও আকর্ষণীয় সিরিজ

ভারত ও আফগানিস্তানের টি-২০ ক্রিকেটের লড়াই সাম্প্রতিক সময়ে যথেষ্ট আকর্ষণীয় হয়েছে। আফগানিস্তানের দলে রশিদ খানসহ একাধিক বিশ্বমানের টি-২০ ক্রিকেটার রয়েছেন। অন্যদিকে ভারতীয় দলে তরুণ এবং অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের মিশ্রণ রয়েছে।

ফলে তিন ম্যাচের এই সিরিজে প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখার জন্য ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে আগ্রহ থাকবেই।

আফগানিস্তানের জন্য এটি আরও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ভারতের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে নিয়মিত দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট তাদের আন্তর্জাতিক মান উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

## সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার সুযোগ

BCCI-এর বক্তব্য অনুযায়ী, দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট দুই দেশের খেলোয়াড়দের নিয়মিত উচ্চমানের প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে খেলার সুযোগ দেয়। আফগান ক্রিকেটের উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টিও ভারতীয় বোর্ড গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। 

এই পরিস্থিতিতে গণেশ চতুর্থীর মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ভারতীয় উৎসবের দিনে ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তাবকে ACB-এর পক্ষ থেকে দুই দেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্কের প্রতি একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ বার্তা হিসেবেও দেখা হচ্ছে। 

## চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এখনও পর্যন্ত কোনও নতুন সূচি সরকারি ভাবে ঘোষণা হয়নি।

ACB পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে এবং BCCI-এর সঙ্গে আলোচনা চলছে। কিন্তু BCCI অনুমোদন না করা পর্যন্ত ১৩, ১৫ এবং ১৭ সেপ্টেম্বরের সূচি বহাল থাকবে। 

তাই ক্রিকেটপ্রেমীদের এখন অপেক্ষা করতে হবে দুই বোর্ডের চূড়ান্ত ঘোষণার জন্য।

## শেষ কথা

ভারত-আফগানিস্তান টি-২০ সিরিজের সূচি বদলের সম্ভাবনা নিয়ে ক্রিকেটমহলে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। ACB-এর পক্ষ থেকে BCCI-এর কাছে একটি বা একাধিক ম্যাচ এগিয়ে আনার বিষয়ে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ১৪ সেপ্টেম্বর গণেশ চতুর্থীর দিনে একটি ম্যাচ আয়োজনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। 

বর্তমান সরকারি সূচি অনুযায়ী তিনটি ম্যাচ হবে ১৩, ১৫ এবং ১৭ সেপ্টেম্বর। তিনটি ম্যাচের ভেন্যুই দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়াম। 

ACB-এর যুক্তি, উৎসবের দিনে ম্যাচ হলে দর্শকদের মাঠে উপস্থিতি এবং ম্যাচের সামগ্রিক জনপ্রিয়তা বাড়তে পারে। তবে এই প্রস্তাব এখনও BCCI-এর অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। তাই এখনই ১৪ সেপ্টেম্বরের ম্যাচ নিশ্চিত বলা যাবে না। 

যদি শেষ পর্যন্ত সূচি পরিবর্তন করা হয়, তাহলে ভারত-আফগানিস্তান সিরিজ আরও এক বিশেষ মাত্রা পেতে পারে। আর যদি পরিবর্তন না হয়, তাহলেও ১৩, ১৫ ও ১৭ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে তিন ম্যাচের আকর্ষণীয় টি-২০ লড়াই দেখার সুযোগ পাবেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

ঔরঙ্গজেবের আমলের ৩৩৪ বছরের বনেদি পুজোর অমলিন ঐতিহ্য

পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজোর ইতিহাসে বনেদি পুজোর আলাদা মর্যাদা রয়েছে। সেই ঐতিহ্যের অন্যতম উজ্জ্বল অধ্যায় পূর্ব বর্ধমানের পানাগড়ের সোঁয়াই গ্রামের মুখোপাধ্যায় পরিবারের দুর্গাপুজো। এ বছর এই পুজো ৩৩৪ বছরে পা দিয়েছে। শুধু প্রাচীনত্ব নয়, এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে স্বপ্নাদেশ, বর্ধমানের...

বাংলায় পথচলা শুরু বিজয় থলপতির টিভিকের নতুন অধ্যায়

তামিলনাড়ুতে রাজনৈতিক সাফল্যের পর এবার পশ্চিমবঙ্গে সাংগঠনিক বিস্তার শুরু করল বিজয় থলপতি-র দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগম (TVK)। পূর্ব বর্ধমান জেলার ফাগুপুরে দলের প্রথম কার্যালয় খোলার মাধ্যমে বাংলায় আনুষ্ঠানিকভাবে পথচলা শুরু হয়েছে। এই পদক্ষেপের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—তাহলে...

সন্ত্রাসে শীর্ষে পাকিস্তান, হাক্কানির বিস্ফোরক আত্মসমালোচনা ভাইরাল

সন্ত্রাসবাদে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় পাকিস্তানের শীর্ষে উঠে আসার দাবি ঘিরে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (IEP)-এর প্রকাশিত Global Terrorism Index 2026-এর তথ্য সামনে আসার পর পাকিস্তানের প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত হুসেন হাক্কানি ইসলামাবাদের দীর্ঘদিনের...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.