Thursday, August 20, 2026

Creating liberating content

Will sports become a...

Supreme Court examines whether sports should become a fundamental right for children....

Football fan groups call...

FIFA President Gianni Infantino (AP Photo/Tony Gutierrez, File) Fan groups from across...

His father earned just...

Representational image (AI-generated) What begins as a struggle to afford education can...

Lausanne Diamond League: When...

Neeraj Chopra and Sri Lanka's Rumesh Pathirage will renew their rivalry...
Homeবাংলাযাদবপুরের সংঘর্ষ নিয়ে...

যাদবপুরের সংঘর্ষ নিয়ে জরুরি শুনানি নয়, নতুন মামলা করতে বলল হাই কোর্ট

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংগঠনগুলির সংঘর্ষের ঘটনায় উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। বুধবার রাতে ফেটসু-র সাধারণ সভাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে তৈরি হয় তীব্র উত্তেজনা। সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এসএফআই-সহ বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এবং এবিভিপি। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, বৃহস্পতিবার আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন আবেদনকারী। তবে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সাম্প্রতিক সংঘর্ষের ঘটনায় জরুরি ভিত্তিতে শুনানির আবেদন গ্রহণ করল না হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। বরং নতুন করে মামলা দায়ের করে আদালতে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

কলকাতা হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চে এদিন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি নিয়ে দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয়। আবেদনকারীর তরফে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তপ্ত এবং এই অবস্থায় আদালতের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। কিন্তু আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেনি। বিচারপতিরা জানিয়েছেন, বুধবার রাতের সংঘর্ষের ঘটনাকে আগে থেকে বিচারাধীন থাকা মামলার সঙ্গে যুক্ত করে জরুরি শুনানি চাওয়া যাবে না। এই ঘটনার জন্য নতুন করে মামলা দায়ের করতে হবে। 

## ফেটসু-র সাধারণ সভাকে কেন্দ্র করে অশান্তি

বুধবার রাতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেটসু-র সাধারণ সভাকে কেন্দ্র করেই মূলত অশান্তির সূত্রপাত বলে জানা গিয়েছে। সভা ঘিরে এবিভিপি এবং বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলির মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। পরে সেই বিরোধ সংঘর্ষের আকার নেয়।

এবিভিপি-র পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনও ছাত্র ইউনিয়ন কার্যকর নেই। তাহলে সাধারণ সভা বা জিবি মিটিং আয়োজন করা হল কীভাবে, সেই প্রশ্ন তুলেছিল তারা। সংগঠনের দাবি, এই বিষয়ে আপত্তি জানাতেই তাঁদের সদস্যদের উপর হামলা করা হয়।

এবিভিপি-র অভিযোগ অনুযায়ী, প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন তাঁদের উপর চড়াও হন। যদিও এই অভিযোগের পালটা বক্তব্য রয়েছে বাম ছাত্র সংগঠনগুলির। দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং রাতের দিকে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। 

## সংঘর্ষে আহত দুই পক্ষের পড়ুয়ারাই

বুধবার রাতের ঘটনায় দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন পড়ুয়া আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন সংঘর্ষ ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ঘটনার পর বৃহস্পতিবার দুই পক্ষই নিজেদের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। ফলে নতুন করে অশান্তির আশঙ্কাও তৈরি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর এবং সংলগ্ন এলাকাগুলিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

বিশেষ করে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, ৮বি এবং গোলপার্ক এলাকায় পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় ব্যারিকেড বসানো হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। 

## আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার চেষ্টা

এই পরিস্থিতিতেই বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্টে বিষয়টি তোলা হয়। আবেদনকারীর তরফে দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে আদালতের হস্তক্ষেপ নিশ্চিত করা।

কিন্তু আদালত জানিয়ে দেয়, এই নতুন ঘটনাকে সরাসরি আগে থেকে বিচারাধীন একটি মামলার সঙ্গে যুক্ত করে জরুরি শুনানি করা যাবে না। এই কারণে বর্তমান আবেদন গ্রহণ করা হয়নি।

আদালতের পক্ষ থেকে নতুন করে মামলা দায়ের করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ যাদবপুরে বুধবার রাতের সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে পৃথক আইনি প্রক্রিয়া শুরু করার পথ খোলা থাকছে। 

## বিচারাধীন মামলার সঙ্গে নতুন ঘটনা জুড়তে চাওয়া হয়েছিল

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত একটি মামলা আগে থেকেই কলকাতা হাই কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। সেই মামলার সঙ্গে বুধবারের সংঘর্ষের ঘটনাটিকেও যুক্ত করে দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয়েছিল।

তবে আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, নতুন ঘটনাটি নিয়ে পৃথকভাবে মামলা দায়ের করা প্রয়োজন। ফলে পুরনো মামলায় সরাসরি এই নতুন ঘটনার শুনানি করানো সম্ভব হয়নি।

এক্ষেত্রে আদালতের সিদ্ধান্তের অর্থ হল, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক সংঘর্ষ নিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ বন্ধ হয়নি। বরং সঠিক প্রক্রিয়ায় নতুন মামলা দায়ের করার কথা বলা হয়েছে।

## বৃহস্পতিবারও উত্তেজনার আশঙ্কা

বুধবার রাতের সংঘর্ষের পর বৃহস্পতিবারও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। দুই পক্ষই প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় এবং আশপাশের এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।

এবিভিপি-র পক্ষ থেকে যাদবপুর থানার সামনে জমায়েতের কর্মসূচি নেওয়া হয়। অন্যদিকে গোলপার্ক থেকে মিছিল করার প্রস্তুতিও ছিল তাদের। বাম ছাত্র সংগঠন এসএফআই-ও ৮বি এলাকায় জমায়েতের ডাক দিয়েছে। 

দুই পক্ষের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকেও সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে।

## পুলিশি নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে এলাকা

পরিস্থিতি যাতে আরও উত্তপ্ত না হয়, তার জন্য যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় এবং সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

৮বি, গোলপার্ক এবং যাদবপুর থানা সংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন রাস্তার অংশে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

প্রশাসনের মূল লক্ষ্য, দুই পক্ষের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে যাতে নতুন করে সংঘর্ষ না বাধে। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ যাতে দ্রুত ফিরিয়ে আনা যায়, সেই দিকেও নজর রয়েছে।

## রাজনৈতিক সংঘাতের ছায়া বিশ্ববিদ্যালয়ে?

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতি নতুন কোনও বিষয় নয়। দীর্ঘদিন ধরেই বামপন্থী ছাত্র সংগঠন এবং দক্ষিণপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলির মধ্যে রাজনৈতিক মতপার্থক্য রয়েছে।

সাম্প্রতিক ঘটনাতেও সেই রাজনৈতিক বিভাজনের ছাপ দেখা যাচ্ছে। একদিকে রয়েছে এসএফআই ও অন্যান্য বামপন্থী ছাত্র সংগঠন, অন্যদিকে এবিভিপি। সাধারণ সভাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিরোধ শেষ পর্যন্ত সংঘর্ষে পরিণত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।

এখন প্রশ্ন, এই উত্তেজনা শুধু ছাত্র সংগঠনগুলির কর্মসূচির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি বৃহত্তর রাজনৈতিক বিতর্কের রূপ নেবে।

## এবিভিপি-র অভিযোগ কী?

এবিভিপি-র বক্তব্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে কোনও ছাত্র ইউনিয়ন নেই। সেই অবস্থায় জিবি মিটিং আয়োজন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল তারা।

তাদের দাবি, এই বিষয়টির প্রতিবাদ করতেই তাঁদের সদস্যদের উপর আক্রমণ করা হয়। সংগঠনটি অভিযোগ করেছে, বিপুল সংখ্যক সদস্য তাঁদের উপর চড়াও হয়েছিলেন।

তবে এই অভিযোগের বিষয়ে আদালত কোনও সিদ্ধান্ত দেয়নি। কারণ বৃহস্পতিবারের শুনানিতে মূলত জরুরি ভিত্তিতে এই নতুন ঘটনাকে পুরনো মামলার সঙ্গে যুক্ত করা যায় কি না, সেই প্রশ্নই সামনে এসেছিল।

তাই সংঘর্ষের অভিযোগগুলির সত্যতা নির্ধারণের বিষয়টি এখনও আলাদা তদন্ত বা আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় রয়েছে।

## এসএফআইয়ের পালটা অবস্থান

অন্যদিকে বাম ছাত্র সংগঠনগুলিও নিজেদের অবস্থান থেকে সরেনি। বৃহস্পতিবার তাদের তরফেও কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

এসএফআইয়ের পক্ষ থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনও সংগঠন একতরফাভাবে আধিপত্য বিস্তার করতে পারবে না। তাদের বক্তব্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতি নিয়ে কোনও ধরনের ‘মাতব্বরি’ মেনে নেওয়া হবে না। 

এই পালটা অবস্থানের কারণেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

## হাই কোর্টের সিদ্ধান্তের তাৎপর্য

এই মুহূর্তে হাই কোর্টের সিদ্ধান্তের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, আদালত জরুরি শুনানির আবেদন প্রত্যাখ্যান করলেও বিষয়টি নিয়ে আইনি পথ বন্ধ করেনি।

বরং নতুন মামলা দায়ের করে বিষয়টি আদালতের সামনে আনার সুযোগ রয়েছে। অর্থাৎ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বুধবার রাতের সংঘর্ষ নিয়ে পৃথক আইনি লড়াই শুরু হতে পারে।

নতুন মামলা হলে আদালত পরিস্থিতি, অভিযোগ এবং প্রাসঙ্গিক নথি দেখে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিতে পারে। তবে এই মুহূর্তে কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেওয়া হয়নি।

## এখন কী হতে পারে?

আদালতের পরামর্শ অনুযায়ী নতুন মামলা দায়ের করা হলে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক সংঘর্ষ নিয়ে বিষয়টি ফের কলকাতা হাই কোর্টে উঠতে পারে।

এর পাশাপাশি ক্যাম্পাসে পুলিশি নজরদারি এবং নিরাপত্তা বজায় রাখার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দুই পক্ষেরই কর্মসূচি রয়েছে এবং পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি শান্ত হয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছেও এখন বড় চ্যালেঞ্জ হল শিক্ষার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখা এবং ছাত্র সংগঠনগুলির মধ্যে নতুন সংঘাত এড়ানো।

## ক্যাম্পাসে স্বাভাবিক পরিবেশ ফেরানোই চ্যালেঞ্জ

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় দেশের অন্যতম পরিচিত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সেখানে বারবার সংঘর্ষ বা রাজনৈতিক উত্তেজনার ঘটনা ঘটলে তার প্রভাব পড়ে সাধারণ পড়ুয়াদের উপরও।

শিক্ষা, গবেষণা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের দৈনন্দিন কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয়, সেটাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ছাত্র সংগঠনগুলির রাজনৈতিক কর্মসূচি থাকলেও তা যাতে সংঘর্ষে না গড়ায়, সেদিকে সব পক্ষকেই সতর্ক থাকতে হবে।

বিশেষ করে বুধবার রাতের ঘটনার পর বৃহস্পতিবারও উত্তেজনা থাকায় প্রশাসনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

## শেষ কথা

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেটসু-র সাধারণ সভাকে কেন্দ্র করে বুধবার রাতে তৈরি হওয়া সংঘর্ষের পরিস্থিতি এবার কলকাতা হাই কোর্ট পর্যন্ত গড়াল। বৃহস্পতিবার আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই ঘটনার দ্রুত শুনানির আবেদন করা হলেও ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ সেই আবেদন গ্রহণ করেনি। আদালত স্পষ্টভাবে নতুন মামলা দায়ের করে আসার পরামর্শ দিয়েছে। 

ঘটনার সূত্রপাত জিবি মিটিংকে কেন্দ্র করে। এবিভিপি অভিযোগ করেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনও ছাত্র ইউনিয়ন না থাকা সত্ত্বেও সাধারণ সভা ডাকার প্রতিবাদ করায় তাদের সদস্যদের উপর হামলা করা হয়। তাদের দাবি, ৭০ থেকে ৮০ জনের একটি দল তাঁদের উপর চড়াও হয়েছিল। সংঘর্ষে দুই পক্ষেরই কয়েকজন পড়ুয়া আহত হন বলে জানা গিয়েছে। 

ঘটনার পর বৃহস্পতিবারও দুই পক্ষ প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা করায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, ৮বি, গোলপার্ক এবং যাদবপুর থানা এলাকায় পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। একাধিক জায়গায় ব্যারিকেডও করা হয়েছে।

এখন নজর থাকবে নতুন মামলা দায়ের হয় কি না এবং সেই মামলায় আদালত পরবর্তী সময়ে কী নির্দেশ দেয় তার দিকে। একইসঙ্গে ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি কত দ্রুত স্বাভাবিক হয়, সেটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপাতত হাই কোর্ট জরুরি শুনানির আবেদন গ্রহণ করেনি, তবে নতুন মামলা দায়েরের মাধ্যমে বিষয়টি আদালতের সামনে বিস্তারিতভাবে তোলার পথ খোলা রয়েছে।

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

১৯৮৪ শিখবিরোধী দাঙ্গার সাজাপ্রাপ্ত প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ সাজ্জন কুমারের মৃত্যু, বয়স ৮০

১৯৮৪ সালের শিখবিরোধী দাঙ্গা মামলায় দোষী সাব্যস্ত প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ সাজ্জন কুমারের মৃত্যু হল। বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬, ৮০ বছর বয়সে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি তিহাড় জেলে যাবজ্জীবন সাজা কাটছিলেন। জেল থেকে অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে...

ভাগবতের সফরের আগেই RSS-কে নিষেধাজ্ঞার দাবি আমেরিকায়

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ বা RSS-কে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সংঘের সরসংঘচালক মোহন ভাগবতের প্রস্তাবিত আমেরিকা সফরের আগেই RSS-এর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি তুলেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক সংস্থা **United States Commission on International Religious...

সবংয়ের বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা শুভেন্দুর

পশ্চিম মেদিনীপুরের সবংয়ে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। টানা বৃষ্টি এবং নদীর জলস্তর বৃদ্ধির জেরে ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট বন্যা পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে সবংয়ে পৌঁছন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এলাকায়...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.