Monday, October 19, 2026

Creating liberating content

यूईएम जयपुर ने मानवता...

जयपुर में आयोजित मानवता के लिए दौड़ के दसवें संस्करण में यूनिवर्सिटी ऑफ...

अक्टूबर 2026 में पड़ेंगी...

सनातन हिंदू धर्म में एकादशी तिथि का विशेष धार्मिक महत्व माना जाता है।...

इंफोसिस और विप्रो में...

देश की प्रमुख सूचना प्रौद्योगिकी सेवा कंपनियों में शामिल इंफोसिस और विप्रो के...

स्वर्ग में कर्ण को...

महाभारत के महान योद्धाओं में कर्ण का नाम केवल उनकी वीरता और संघर्ष...
Homeবাংলা‘যারা প্রজন্মের পর...

‘যারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম বাংলায় বসবাস করছেন, তাঁরা সবাই বাঙালি’, পরিচয় নিয়ে বড় বার্তা

‘বাঙালি’ বলতে কাদের বোঝায়? শুধু বাংলা ভাষায় কথা বললেই কি কেউ বাঙালি, নাকি বাংলার মাটি, সমাজ ও সংস্কৃতির সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্কও একটি বৃহত্তর পরিচয়ের ভিত্তি হতে পারে? এই প্রশ্নকে সামনে রেখেই বাংলায় বসবাসকারী বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের পরিচয় নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য মন্তব্য করেছেন, রাজস্থানি, ভোজপুরি এবং হিন্দিভাষী যে পরিবারগুলি প্রজন্মের পর প্রজন্ম বাংলায় বসবাস করছে, তারাও ‘বাঙালি’। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও এই মতকে সমর্থন করেছেন। এই বক্তব্যকে ঘিরে শুধু রাজনৈতিক বিতর্ক নয়, বাংলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিচয় নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে এসেছে। 

## ‘বাঙালি’ পরিচয় কি শুধু ভাষার?

বাংলা ভাষা নিঃসন্দেহে বাঙালি পরিচয়ের অন্যতম প্রধান ভিত্তি। ভাষা, সাহিত্য, গান, সংস্কৃতি এবং ইতিহাস মিলেই বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয় গড়ে উঠেছে। কিন্তু বাংলার সামাজিক বাস্তবতা তার থেকেও অনেক বেশি বৈচিত্রপূর্ণ।

কলকাতা এবং পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে রাজস্থানি, ভোজপুরি, মৈথিলি, হিন্দি, পাঞ্জাবি, গুজরাতি, ওড়িয়া-সহ বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের বসবাস বহুদিনের। তাঁদের অনেক পরিবারই কয়েক প্রজন্ম ধরে বাংলাতেই বেড়ে উঠেছে। ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প, শিক্ষা, সাংবাদিকতা, সাহিত্য, সিনেমা, কর্মসংস্থান এবং নাগরিক জীবনে তাঁদের অবদানও বাংলার ইতিহাসের অংশ হয়ে উঠেছে। 

তাই প্রশ্ন উঠছে, কোনও ব্যক্তি যদি বাড়িতে অন্য ভাষায় কথা বলেন, কিন্তু তাঁর জন্ম, বেড়ে ওঠা, কর্মজীবন এবং সামাজিক সম্পর্ক বাংলার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত থাকে, তাহলে তাঁকে কি শুধুমাত্র ভাষার কারণে ‘অবাঙালি’ বলা যায়?

## বহু পরিচয়ের সহাবস্থান

একজন মানুষের একাধিক পরিচয় থাকতে পারে। কেউ একই সঙ্গে বাংলার বাসিন্দা, হিন্দিভাষী, নির্দিষ্ট পারিবারিক সংস্কৃতির উত্তরাধিকারী এবং ভারতীয় নাগরিক হতে পারেন।

এই পরিচয়গুলির মধ্যে কোনও বিরোধ থাকা জরুরি নয়। বরং বিভিন্ন পরিচয়ের সহাবস্থানই ভারতের বহুত্ববাদী সমাজের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

সম্পাদকীয়টির বক্তব্যেও উঠে এসেছে, ভারতের সংবিধান বৈচিত্র্যের মধ্যে সমান নাগরিকত্বের ধারণাকে স্বীকৃতি দেয়। তাই একটি নির্দিষ্ট ভাষা বা সাংস্কৃতিক পরিচয়কে মানুষের সম্পূর্ণ নাগরিক পরিচয়ের একমাত্র মাপকাঠি হিসেবে দেখা সমস্যাজনক হতে পারে। 

## বাংলার মাটির সঙ্গে সম্পর্কও গুরুত্বপূর্ণ

কোনও মানুষের মাতৃভাষা তাঁর ব্যক্তিগত পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু তার পাশাপাশি তিনি যে সমাজে বসবাস করেন, সেই সমাজের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কও গুরুত্বপূর্ণ।

ধরা যাক, কোনও পরিবার তিন বা চার প্রজন্ম ধরে কলকাতায় বসবাস করছে। তাঁদের সন্তানরা কলকাতার স্কুলে পড়েছে, বাংলার উৎসব-অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, এই শহরেই কর্মজীবন গড়েছে এবং বাংলার সামাজিক জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে। তাঁদের পারিবারিক ভাষা হয়তো হিন্দি, মারওয়ারি বা ভোজপুরি।

এই পরিস্থিতিতে তাঁদের ‘বাংলার মানুষ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার মধ্যে কোনও অসঙ্গতি নেই। বরং এটি বাংলার বহুত্ববাদী চরিত্রকেই তুলে ধরে।

## বাংলা ভাষার গুরুত্ব অবশ্যই থাকবে

তবে বাংলায় বসবাসকারী বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষকে বাঙালি পরিচয়ের বৃহত্তর পরিসরে অন্তর্ভুক্ত করার অর্থ বাংলা ভাষার গুরুত্ব কমিয়ে দেওয়া নয়।

বাংলা ভাষার নিজস্ব ইতিহাস, সাহিত্যিক ঐতিহ্য এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্ব রয়েছে। ভাষার অধিকার ও সংরক্ষণের বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কিন্তু বাংলা ভাষাকে ভালোবাসা এবং অন্য ভাষাভাষী মানুষের সাংস্কৃতিক পরিচয়কে সম্মান করা—এই দুই বিষয় পরস্পরবিরোধী নয়।

বরং একটি বহুভাষিক সমাজে প্রত্যেক ভাষার প্রতি সম্মান বজায় রেখেই বৃহত্তর সামাজিক ঐক্য গড়ে তোলা সম্ভব।

## কলকাতার বৈচিত্রই তার প্রমাণ

কলকাতা দীর্ঘদিন ধরেই একটি বহুসাংস্কৃতিক শহর। শহরের বিভিন্ন বাজার, ব্যবসাকেন্দ্র, পাড়া, খাবারের সংস্কৃতি, ধর্মীয় অনুষ্ঠান এবং কর্মক্ষেত্রে বহু ভাষা ও সম্প্রদায়ের মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়।

রাজস্থানি ব্যবসায়ী থেকে ভোজপুরিভাষী শ্রমজীবী মানুষ, পাঞ্জাবি পরিবার থেকে গুজরাতি ব্যবসায়ী—বিভিন্ন সম্প্রদায় কলকাতার অর্থনীতি ও সামাজিক জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

ফলে কলকাতার পরিচয়কে শুধু একটি ভাষার মধ্যে সীমাবদ্ধ করা বাস্তবতার সম্পূর্ণ ছবি তুলে ধরে না। 

## বাংলার সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে আদান-প্রদানে

কোনও সংস্কৃতি কখনও সম্পূর্ণ স্থির থাকে না। সময়ের সঙ্গে বিভিন্ন জনগোষ্ঠী, ভাষা ও ঐতিহ্যের সংস্পর্শে একটি অঞ্চলের সংস্কৃতি বদলায় এবং সমৃদ্ধ হয়।

বাংলার ক্ষেত্রেও এই প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন ধরে চলে এসেছে। সাহিত্য, সংগীত, খাদ্যাভ্যাস, পোশাক, ব্যবসা এবং নগরজীবনে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রভাব রয়েছে।

এই কারণেই বাংলার সাংস্কৃতিক পরিচয়কে একটি বন্ধ কাঠামোর বদলে একটি চলমান ও পরিবর্তনশীল সামাজিক প্রবাহ হিসেবে দেখা যায়।

## হিন্দি ও বাংলার সম্পর্কও দীর্ঘদিনের

বাংলা ও হিন্দি ভাষাভাষী সমাজের মধ্যে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের ইতিহাসও দীর্ঘ।

উনিশ শতকের বাংলা নবজাগরণের সময় শিক্ষা, মুদ্রণ, সাংবাদিকতা ও সাহিত্যচর্চায় বাংলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। একইসঙ্গে বাংলার বহু মনীষী ভারতীয় অন্যান্য ভাষা ও সাহিত্যচর্চার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শান্তিনিকেতনে হিন্দি ভবন প্রতিষ্ঠার ঘটনাও বাংলা ও হিন্দি সাংস্কৃতিক সম্পর্কের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে উঠে আসে। 

অর্থাৎ ভারতীয় ভাষাগুলির ইতিহাসকে শুধু প্রতিযোগিতার ইতিহাস হিসেবে দেখলে বিষয়টি অসম্পূর্ণ থেকে যায়। এক ভাষা অন্য ভাষা থেকে শব্দ, ভাবনা, সাহিত্যিক রীতি এবং সাংস্কৃতিক প্রভাব গ্রহণ করেছে।

## ‘বাঙালি বনাম অবাঙালি’ বিতর্ক কতটা যুক্তিযুক্ত?

বাংলার পরিচয় নিয়ে আলোচনায় প্রায়ই ‘বাঙালি’ এবং ‘অবাঙালি’—এই দ্বৈত বিভাজন সামনে আসে। কিন্তু বাস্তব সমাজ তার থেকে অনেক বেশি জটিল।

একজন মানুষের পারিবারিক শিকড় হয়তো রাজস্থানে, ভাষা হিন্দি, কিন্তু জন্ম কলকাতায়। আবার তাঁর সন্তান বাংলায় পড়াশোনা করেছে এবং বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গেও গভীরভাবে যুক্ত।

এই ধরনের মানুষের পরিচয়কে একটি মাত্র শব্দে বেঁধে ফেলা সহজ নয়।

তাই মূল প্রশ্ন হতে পারে—কে বাংলাকে নিজের ঘর মনে করেন এবং বাংলার ভবিষ্যতের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত মনে করেন?

## শুধু বসবাস নয়, সামাজিক দায়িত্বও জরুরি

বাংলায় দীর্ঘদিন বসবাস করা কোনও ব্যক্তিকে বৃহত্তর বাঙালি পরিচয়ের অংশ হিসেবে দেখার সঙ্গে একটি সামাজিক দায়িত্বও যুক্ত রয়েছে।

যে মানুষ বাংলাকে নিজের ঘর বলে মনে করেন, তাঁরও এই রাজ্যের ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি সম্মান থাকা প্রয়োজন। স্থানীয় ভাষা শেখা, স্থানীয় সংস্কৃতিকে বোঝা এবং সামাজিক জীবনে অংশ নেওয়া কোনও ব্যক্তির মাতৃভাষা বা পারিবারিক পরিচয় মুছে দেয় না।

বরং নিজের শিকড়কে অক্ষুণ্ণ রেখেই নতুন সমাজের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করা যায়।

## পরিচয় হোক অন্তর্ভুক্তিমূলক

‘বাঙালি’ পরিচয়কে যদি শুধু মাতৃভাষার পরিচয় হিসেবে দেখা হয়, তাহলে বাংলার সামাজিক বাস্তবতার একটি বড় অংশ বাদ পড়ে যেতে পারে।

আবার অন্যদিকে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির স্বাতন্ত্র্য সম্পূর্ণ অস্বীকার করাও সঠিক নয়।

তাই একটি ভারসাম্যপূর্ণ ধারণা প্রয়োজন—যেখানে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির মর্যাদা থাকবে, আবার বাংলায় দীর্ঘদিন ধরে বসবাসকারী অন্য ভাষাভাষী মানুষদেরও বাংলার সামাজিক জীবনের অংশ হিসেবে সম্মান দেওয়া হবে।

## বাংলার ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে সহাবস্থানের উপর

বাংলার সমাজে বহু ভাষা, ধর্ম, সম্প্রদায় এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মানুষ একসঙ্গে বসবাস করেন। এই বৈচিত্রকে সংঘাতের কারণ না বানিয়ে সামাজিক শক্তিতে পরিণত করাই ভবিষ্যতের বড় চ্যালেঞ্জ।

যাঁরা প্রজন্মের পর প্রজন্ম বাংলায় বসবাস করছেন, তাঁরা বাংলার অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং জনজীবনের অংশ। তাঁদের অবদান অস্বীকার করলে বাংলার নিজের ইতিহাসই অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।

একইসঙ্গে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি সম্মান বজায় রাখাও জরুরি।

## শেষ কথা

‘কে বাঙালি?’—এই প্রশ্নের সহজ উত্তর হয়তো নেই। ভাষা বাঙালি পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হলেও বাংলার সামাজিক বাস্তবতা তার চেয়ে অনেক বিস্তৃত।

প্রজন্মের পর প্রজন্ম বাংলায় বসবাসকারী রাজস্থানি, ভোজপুরি, মৈথিলি, হিন্দি, পাঞ্জাবি, গুজরাতি, ওড়িয়া-সহ বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের জীবন ও অবদান বাংলার ইতিহাসের সঙ্গে মিশে রয়েছে। 

তাই ‘বাঙালি’ পরিচয়কে যদি শুধু ভাষাগত পরিচয়ের বাইরে একটি বৃহত্তর সামাজিক ও নাগরিক পরিচয় হিসেবে দেখা হয়, তাহলে বাংলার বহুত্ববাদী চরিত্র আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

**বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষা এবং বাংলার সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেক মানুষের সাংস্কৃতিক পরিচয়কে সম্মান—দুই-ই পাশাপাশি চলতে পারে।** বাংলার শক্তি হয়তো সেখানেই, যেখানে ভিন্ন শিকড়ের মানুষ একই মাটিকে নিজের ঘর বলে মনে করেন।

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

ঔরঙ্গজেবের আমলের ৩৩৪ বছরের বনেদি পুজোর অমলিন ঐতিহ্য

পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজোর ইতিহাসে বনেদি পুজোর আলাদা মর্যাদা রয়েছে। সেই ঐতিহ্যের অন্যতম উজ্জ্বল অধ্যায় পূর্ব বর্ধমানের পানাগড়ের সোঁয়াই গ্রামের মুখোপাধ্যায় পরিবারের দুর্গাপুজো। এ বছর এই পুজো ৩৩৪ বছরে পা দিয়েছে। শুধু প্রাচীনত্ব নয়, এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে স্বপ্নাদেশ, বর্ধমানের...

বাংলায় পথচলা শুরু বিজয় থলপতির টিভিকের নতুন অধ্যায়

তামিলনাড়ুতে রাজনৈতিক সাফল্যের পর এবার পশ্চিমবঙ্গে সাংগঠনিক বিস্তার শুরু করল বিজয় থলপতি-র দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগম (TVK)। পূর্ব বর্ধমান জেলার ফাগুপুরে দলের প্রথম কার্যালয় খোলার মাধ্যমে বাংলায় আনুষ্ঠানিকভাবে পথচলা শুরু হয়েছে। এই পদক্ষেপের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—তাহলে...

সন্ত্রাসে শীর্ষে পাকিস্তান, হাক্কানির বিস্ফোরক আত্মসমালোচনা ভাইরাল

সন্ত্রাসবাদে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় পাকিস্তানের শীর্ষে উঠে আসার দাবি ঘিরে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (IEP)-এর প্রকাশিত Global Terrorism Index 2026-এর তথ্য সামনে আসার পর পাকিস্তানের প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত হুসেন হাক্কানি ইসলামাবাদের দীর্ঘদিনের...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.