স্বাধীনতা দিবসের দিন ব্যাট হাতে ইতিহাস গড়লেন ভারতীয় ক্রিকেটার দেবদত্ত পাডিকল। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে গল টেস্টের প্রথম দিনেই কেরিয়ারের প্রথম টেস্ট শতরান তুলে নিলেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। ১৫ আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবসে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শতরান করা ভারতীয় ক্রিকেটারদের বিশেষ তালিকায় জায়গা করে নিলেন তিনি। গল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাডিকলের দুরন্ত ইনিংসের সুবাদে প্রথম দিনেই শক্তিশালী জায়গায় পৌঁছে যায় ভারত। তাঁর এই অসাধারণ পারফরম্যান্সের পর অধিনায়ক শুভমন গিলও তরুণ ব্যাটারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন।
শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ভারতের ৬০০তম টেস্টের প্রথম দিনটি তাই পাডিকলের জন্য হয়ে রইল স্মরণীয়। গুরুত্বপূর্ণ তিন নম্বর পজিশনে নেমে তিনি যে আত্মবিশ্বাস এবং পরিণত ব্যাটিংয়ের পরিচয় দিয়েছেন, তাতে ভারতীয় টেস্ট দলে নিজের জায়গা আরও শক্ত করার দাবি জানিয়ে দিলেন তিনি। দিনের শেষে ১৩১ রানে অপরাজিত ছিলেন পাডিকল। তাঁর ব্যাটে ছিল ১২টি চার এবং একটি ছক্কা।
### স্বাধীনতা দিবসে শতরান, তৈরি হল নতুন ইতিহাস
১৫ আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবস। এই বিশেষ দিনে দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শতরান করা নিঃসন্দেহে যেকোনও ক্রিকেটারের কাছে বিরাট গর্বের মুহূর্ত। পাডিকলের শতরানকে আরও বিশেষ করে তুলেছে তাঁর ব্যতিক্রমী রেকর্ড। তিনি স্বাধীনতা দিবসে ভারতের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শতরান করা দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন; এই তালিকায় এর আগে ছিলেন বিরাট কোহলি।
তবে এই শতরানের মাহাত্ম্য শুধুমাত্র রেকর্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দীর্ঘ সময় পর জাতীয় দলে ফিরে এসে গুরুত্বপূর্ণ তিন নম্বর জায়গায় ব্যাট করতে নেমে এমন ইনিংস খেলা পাডিকলের আত্মবিশ্বাসের জন্যও বড় ব্যাপার। তাঁর ইনিংসে ছিল ধৈর্য, নিয়ন্ত্রণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের দুর্দান্ত মিশেল।
### ১৩৪ বলে প্রথম টেস্ট শতরান
পাডিকল মাত্র ১৩৪ বলেই তাঁর প্রথম টেস্ট শতরান পূর্ণ করেন। শতরান করার পথে তিনি শ্রীলঙ্কার বোলারদের বিরুদ্ধে অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিং করেন। বিশেষ করে স্পিনারদের সামলে যেভাবে রান তুলেছেন, তা ছিল নজরকাড়া।
শতরান পূর্ণ করার পরেও থামেননি পাডিকল। দিনের শেষ পর্যন্ত ক্রিজে থেকে ভারতের স্কোরকে আরও এগিয়ে নিয়ে যান তিনি। শেষ পর্যন্ত ১৩১ রানে অপরাজিত থেকে প্রথম দিনের খেলা শেষ করেন। তাঁর ইনিংস শুধু ব্যক্তিগত মাইলস্টোন নয়, ভারতের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
### তিন নম্বরে বড় দায়িত্ব সামলালেন
ভারতীয় টেস্ট দলে তিন নম্বর ব্যাটিং পজিশন বরাবরই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই জায়গায় ব্যাটারকে একদিকে নতুন বলের চ্যালেঞ্জ সামলাতে হয়, অন্যদিকে ওপেনাররা দ্রুত ফিরে গেলে ইনিংসের ভারও কাঁধে নিতে হয়।
গলে সেই দায়িত্বই পেয়েছিলেন পাডিকল। যশস্বী জয়সওয়াল আউট হওয়ার পর তিন নম্বরে ক্রিজে আসেন তিনি। শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী দেখিয়েছে তাঁকে। বলের গতি ও বাউন্স বুঝে শট খেলেছেন, আবার প্রয়োজন হলে রক্ষণাত্মক ব্যাটিং করতেও পিছপা হননি।
তাঁর এই ইনিংস ভারতীয় দলের দীর্ঘদিনের তিন নম্বর ব্যাটিং সমস্যার সমাধানের সম্ভাবনাও তৈরি করেছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে চাপের মধ্যে এমন পারফরম্যান্স তাঁকে ভবিষ্যতের জন্য আরও বড় সুযোগ এনে দিতে পারে।
### কেএল রাহুলের সঙ্গে বড় জুটি
পাডিকলের শতরানের পিছনে কেএল রাহুলের অবদানও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দু’জনে মিলে তৃতীয় উইকেটে প্রায় ১৫০ রানের দুর্দান্ত পার্টনারশিপ গড়েন। এই জুটিই ভারতকে প্রথম দিনের বড় স্কোরের দিকে এগিয়ে দেয়।
রাহুল ৭৭ রান করে ক্র্যাম্পের কারণে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন। তাঁর চোট নিয়ে ভারতীয় শিবিরে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হলেও পাডিকল ক্রিজে থেকে দলকে সামলে নেন। রাহুলের সঙ্গে তাঁর জুটিতে শ্রীলঙ্কার বোলারদের উপর ক্রমশ চাপ বাড়তে থাকে।
এই পার্টনারশিপের সময় পাডিকলের ব্যাটিংয়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল তাঁর ধৈর্য। কোনওভাবেই অযথা ঝুঁকি না নিয়ে খারাপ বলকে বাউন্ডারিতে পাঠিয়েছেন তিনি। ফলে সময় যত গড়িয়েছে, তাঁর আত্মবিশ্বাসও তত বেড়েছে।
### শুভমন গিলের প্রশংসা
পাডিকলের দুরন্ত পারফরম্যান্সে মুগ্ধ ভারতীয় দলের অধিনায়ক শুভমন গিলও। ম্যাচের আগে থেকেই গিল তরুণ ব্যাটারের উপর আস্থা প্রকাশ করেছিলেন। তাঁর মতে, পাডিকলের মধ্যে টেস্ট ক্রিকেটে সফল হওয়ার সমস্ত দক্ষতা ও সম্ভাবনা রয়েছে।
ভারতীয় অধিনায়কের এই সমর্থন পাডিকলের জন্য নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ জাতীয় দলের হয়ে নিয়মিত জায়গা করে নিতে হলে শুধু প্রতিভা নয়, ধারাবাহিক পারফরম্যান্সও প্রয়োজন। গিলের বক্তব্যে স্পষ্ট ছিল, দলের তরুণ ক্রিকেটারের উপর তিনি আস্থা রাখছেন এবং তাঁকে সময় দেওয়ার পক্ষপাতী।
গিলের সমর্থনের পরই মাঠে পাডিকলের এমন অসাধারণ ইনিংস সেই আস্থাকে আরও জোরালো করে তুলেছে। প্রথম টেস্টের প্রথম দিনেই শতরান করে পাডিকল কার্যত নিজের দাবিটা আরও স্পষ্ট করে দিলেন।
### দীর্ঘ অপেক্ষার পর এল শতরান
পাডিকলের আন্তর্জাতিক কেরিয়ার শুরু হয়েছিল বেশ কিছুটা আগে। কিন্তু জাতীয় দলের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে নিজের জায়গা পাকা করতে পারেননি তিনি। বিভিন্ন সময়ে সুযোগ এলেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখার সুযোগ পাননি।
এই পরিস্থিতিতে গলে পাওয়া সুযোগটি তাঁর কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আর সেই সুযোগকে তিনি যেভাবে কাজে লাগালেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। ব্যাটিং কোচ সীতাংশু কোটাকও তাঁর প্রস্তুতি এবং ব্যাকফুটের টেকনিকের উন্নতির প্রশংসা করেছেন।
অর্থাৎ শুধু প্রতিভার উপর নির্ভর না করে পাডিকল গত কয়েক বছরে নিজের টেকনিক নিয়েও কাজ করেছেন। গলের ইনিংসে সেই প্রস্তুতির প্রতিফলন স্পষ্ট দেখা গিয়েছে।
### ভারতের ৬০০তম টেস্টে বিশেষ মুহূর্ত
শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে এই ম্যাচটি ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসে বিশেষ। এটি ভারতের ৬০০তম টেস্ট ম্যাচ। এমন ঐতিহাসিক ম্যাচের প্রথম দিনেই পাডিকলের শতরান ম্যাচটিকে আরও স্মরণীয় করে তুলেছে।
ভারতীয় দলের জন্য ম্যাচটির আগে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনও ছিল বিশেষ আবেগের। গলে ভারতীয় দলের সদস্যরা জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। অধিনায়ক শুভমন গিল এবং কোচ গৌতম গম্ভীরের উপস্থিতিতে সেই মুহূর্ত আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।
এর পরেই মাঠে পাডিকলের ব্যাটে শতরান—ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য যেন স্বাধীনতা দিবসের আরও একটি বিশেষ উপহার।
### প্রথম দিনেই ভারত শক্ত অবস্থানে
পাডিকলের শতরানের পাশাপাশি ভারতের দলগত পারফরম্যান্সও ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী। প্রথম দিনের খেলা শেষ হওয়ার সময় ভারতের স্কোর ছিল ২৮৮/২। পাডিকল ১৩১ রানে এবং ঋষভ পন্থ ২৭ রানে অপরাজিত ছিলেন। বৃষ্টির কারণে দিনের খেলা কিছুটা ব্যাহত হলেও ভারতীয় ব্যাটাররা শ্রীলঙ্কার বোলারদের উপর যথেষ্ট চাপ তৈরি করেন।
যশস্বী জয়সওয়াল শুরুতে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে দ্রুত রান তোলেন। পরে তাঁর রানআউটের পর পাডিকল ক্রিজে আসেন। শুভমন গিলও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। কিন্তু পাডিকল ও রাহুলের জুটি পরিস্থিতি সামলে নেয়।
দিনের শেষদিকে রাহুল মাঠ ছাড়ার পর ঋষভ পন্থ ক্রিজে আসেন। পাডিকলের সঙ্গে তাঁর জুটি দ্বিতীয় দিনে ভারতের স্কোরকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যেতে পারে।
### স্পিনের বিরুদ্ধে আত্মবিশ্বাসী পাডিকল
গলের উইকেটে স্পিনাররা ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হতে পারেন। কিন্তু প্রথম দিনেই পাডিকল দেখিয়ে দিয়েছেন, স্পিনের বিরুদ্ধে তিনি যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। সামনে এগিয়ে এসে শট খেলা থেকে শুরু করে সুইপ এবং পাঞ্চ—বিভিন্ন ধরনের শট খেলেছেন তিনি।
শ্রীলঙ্কার স্পিনারদের বিরুদ্ধে তাঁর ফুটওয়ার্কও ছিল নজরকাড়া। বলের লাইনে পৌঁছে গিয়ে শট খেলার পাশাপাশি প্রয়োজনে ক্রিজ ব্যবহার করেছেন। ফলে বোলারদের জন্য নির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়ে।
এই টেকনিক্যাল পরিণতিই তাঁর শতরানকে আরও মূল্যবান করেছে। কারণ শুধু রান করা নয়, দীর্ঘ সময় ক্রিজে টিকে থেকে দলের প্রয়োজন অনুযায়ী ইনিংস তৈরি করাই টেস্ট ক্রিকেটে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
### তিন নম্বর জায়গায় কি স্থায়ী সমাধান?
পাডিকলের এই শতরানের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—তাহলে কি ভারতের তিন নম্বর জায়গার দীর্ঘদিনের সমস্যা মিটে গেল? অবশ্যই একটি ইনিংসের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। তবে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চাপের মধ্যে শতরান করার পর তাঁর দাবিকে উপেক্ষা করাও কঠিন।
ব্যাটিং কোচ সীতাংশু কোটাকের প্রশংসাও সেই সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়েছে। পাডিকলের প্রস্তুতি, টেকনিক এবং মানসিক দৃঢ়তা নিয়ে ভারতীয় দলের অন্দরে যে ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে, এই শতরান সেটিকে আরও শক্তিশালী করেছে।
আগামী ম্যাচগুলিতে ধারাবাহিকভাবে ভালো করতে পারলে পাডিকল ভারতের টেস্ট দলের নিয়মিত তিন নম্বর ব্যাটার হয়ে উঠতে পারেন।
### বিরাট কোহলির পাশে পাডিকল
স্বাধীনতা দিবসে আন্তর্জাতিক শতরানের বিশেষ তালিকায় বিরাট কোহলির পাশে নাম লিখিয়েছেন পাডিকল। এই রেকর্ড তরুণ ব্যাটারের কেরিয়ারে নিঃসন্দেহে বিশেষ জায়গা করে নেবে।
ভারতীয় ক্রিকেটে স্বাধীনতা দিবসের সঙ্গে এমনিতেই আবেগের সম্পর্ক রয়েছে। সেই দিনে দেশের জার্সিতে শতরান করা যেকোনও ক্রিকেটারের কাছে স্বপ্নের মতো। পাডিকল সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজের নাম ইতিহাসের পাতায় তুলে ফেলেছেন।
### ভবিষ্যতের জন্য বড় বার্তা
পাডিকলের এই শতরান শুধু একটি ব্যক্তিগত মাইলস্টোন নয়। এটি ভারতীয় টেস্ট ক্রিকেটের ভবিষ্যতের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে। জাতীয় দলের ব্যাটিং লাইনআপে নতুন প্রজন্মের ক্রিকেটাররা নিজেদের জায়গা তৈরি করছেন। পাডিকলের মতো তরুণ প্রতিভা যদি ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করতে পারেন, তাহলে ভারতের ব্যাটিংয়ের ভবিষ্যৎ আরও শক্তিশালী হবে।
বিশেষ করে টেস্ট ক্রিকেটে তিন নম্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় একজন বাঁহাতি ব্যাটারের উপস্থিতি দলের ব্যাটিং কম্বিনেশনেও বৈচিত্র্য আনতে পারে। তাঁর পাশাপাশি শুভমন গিল, যশস্বী জয়সওয়াল, ঋষভ পন্থ এবং অন্যান্য তরুণ ব্যাটাররা ভারতীয় টেস্ট দলের নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।
সব মিলিয়ে, স্বাধীনতা দিবসে দেবদত্ত পাডিকলের ব্যাটে পাওয়া এই শতরান ভারতীয় ক্রিকেটে এক স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে রইল। গলে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ভারতের ৬০০তম টেস্টের প্রথম দিনেই তিনি কেরিয়ারের প্রথম টেস্ট শতরান করে শুধু দলকে শক্ত অবস্থানে পৌঁছে দেননি, নিজের নামও বিশেষ রেকর্ডের তালিকায় তুলে দিয়েছেন। ১৩১ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করা পাডিকল প্রমাণ করেছেন, বড় মঞ্চে সুযোগ পেলে তিনি কতটা কার্যকর হতে পারেন।
আর তাঁর এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর অধিনায়ক শুভমন গিলের আগের আস্থার কথাও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। গিল পাডিকলের প্রতিভা ও সম্ভাবনার উপর বিশ্বাস রেখেছিলেন, আর মাঠে সেই বিশ্বাসেরই জবাব দিয়েছেন বাঁহাতি ব্যাটার। এখন দ্বিতীয় দিনে তাঁর ইনিংস কতদূর এগোয় এবং এই টেস্টের পর ভারতীয় টেস্ট দলে তিন নম্বর জায়গায় তাঁর অবস্থান কতটা শক্ত হয়, সেদিকেই নজর থাকবে ক্রিকেটপ্রেমীদের।


