Tuesday, August 11, 2026

Creating liberating content

TS ICET 2026 round...

he Telangana Council of Higher Education has announced the TS ICET 2026...

IPL cricketer Abishek Porel...

Abishek Porel (ANI Photo) Bengal and Delhi Capitals wicketkeeper-batter Abishek Porel was...

Badminton World Championships 2026...

Star Indians will be in action in this BWF World Championships The...

Jharkhand PECE round 1...

JCECEB has declared the Jharkhand PECE 2026 Round 1 seat allotment result...
Homeবাংলাঋতব্রত শিবিরে ভাঙনের...

ঋতব্রত শিবিরে ভাঙনের ইঙ্গিত, তৃণমূলে ফিরছেন একাধিক বিধায়ক?

বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণও তত দ্রুত বদলাচ্ছে। শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিরোধী শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেই এবার ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকে ঘিরে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে দাবি উঠেছে, ওই শিবিরের সঙ্গে থাকা কয়েকজন বিধায়ক ফের তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসার পথে রয়েছেন। যদিও দলবদলের বিষয়ে এখনও প্রত্যেক বিধায়কের তরফে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা সামনে আসেনি, তবু এই জল্পনা রাজ্য রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে দলবদল নতুন কোনও ঘটনা নয়। গত কয়েক বছরে বিধায়ক, সাংসদ থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরের বহু নেতা দল পরিবর্তন করেছেন। কখনও তৃণমূল থেকে বিজেপিতে, আবার কখনও বিজেপি বা অন্য দল থেকে তৃণমূলে ফেরার ঘটনা ঘটেছে। ফলে নির্বাচনের আগে কোনও নির্দিষ্ট শিবিরে ভাঙনের সম্ভাবনা তৈরি হলে তার রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়াই স্বাভাবিক।

### ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে জল্পনা

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরেই বাংলার রাজনীতিতে পরিচিত নাম। বাম রাজনীতির সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ সম্পর্ক ছিল এবং একসময় তিনি রাজ্যসভার সাংসদও ছিলেন। পরবর্তীতে রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তনের পর তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গেও যুক্ত হন।

বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তাঁর শিবিরে থাকা কয়েকজন বিধায়ককে ঘিরে দলবদলের জল্পনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, তাঁদের মধ্যে কয়েকজন ফের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিতে পারেন।

তবে কে বা কারা দল পরিবর্তন করতে চলেছেন, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্তভাবে কোনও তালিকা প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে আপাতত বিষয়টি রাজনৈতিক জল্পনার পর্যায়েই রয়েছে।

### কেন তৃণমূলে ফেরার জল্পনা?

নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক নেতাদের দলবদলের পিছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। কোনও নেতা নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বিবেচনা করে দল পরিবর্তন করতে পারেন, আবার স্থানীয় রাজনৈতিক সমীকরণ, নির্বাচনী সম্ভাবনা বা সংগঠনের শক্তির বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

তৃণমূল কংগ্রেস বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাসীন দল। ফলে আসন্ন নির্বাচনের আগে তৃণমূলের সাংগঠনিক শক্তি এবং নির্বাচনী সম্ভাবনা অনেক নেতার সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ মনে করেন।

অন্যদিকে কোনও শিবিরে সাংগঠনিক দুর্বলতা তৈরি হলে সেখানে থাকা বিধায়কদের মধ্যে ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিতে পারে। সেই পরিস্থিতিতেই দলবদলের জল্পনা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

### মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ফেরার সম্ভাবনা

যদি সত্যিই একাধিক বিধায়ক তৃণমূলে ফিরে আসেন, তাহলে তা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শাসকদলের জন্য রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হতে পারে।

তৃণমূল ইতিমধ্যেই নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে। সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা এবং বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক প্রভাব ধরে রাখাই দলের অন্যতম লক্ষ্য। সেই পরিস্থিতিতে বিরোধী বা অন্য কোনও শিবির থেকে বিধায়করা তৃণমূলে ফিরে এলে তা দলীয় সংগঠনের জন্য মনোবল বাড়ানোর বার্তা দিতে পারে।

তবে শুধু বিধায়ক সংখ্যা বাড়লেই নির্বাচনী ফলাফল নিশ্চিত হয় না। স্থানীয় সংগঠন, প্রার্থী নির্বাচন, ভোটব্যাঙ্ক এবং মানুষের মনোভাব—সবকিছুই নির্বাচনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

### নির্বাচনের আগে দলবদলের রাজনীতি

পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন ঘনিয়ে এলেই দলবদলের ঘটনা রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে। এর আগে বিভিন্ন নির্বাচনের সময়ও একাধিক নেতা দল পরিবর্তন করেছেন।

দলবদল কখনও শাসকদলের শক্তি বাড়িয়েছে, আবার কখনও বিরোধীদের সংগঠনেও প্রভাব ফেলেছে। অনেক ক্ষেত্রে দলবদলকারী নেতাদের নিয়ে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। আবার কোথাও নতুন দলে যোগ দেওয়ার পর স্থানীয় সংগঠনে তাঁদের গুরুত্ব বেড়েছে।

তাই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির থেকে একাধিক বিধায়ক তৃণমূলে ফিরলে তাঁদের রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং স্থানীয় সংগঠনের উপর প্রভাব কী হবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

### বিধায়কদের সিদ্ধান্তে স্থানীয় সমীকরণ গুরুত্বপূর্ণ

কোনও বিধায়ক দল পরিবর্তন করলে শুধু রাজ্যস্তরের রাজনীতিই বদলায় না। তাঁর নিজের বিধানসভা এলাকাতেও তার প্রভাব পড়তে পারে।

একজন বিধায়কের সঙ্গে থাকা স্থানীয় নেতা-কর্মীরা নতুন দলের সঙ্গে কতটা মানিয়ে নিতে পারেন, সেটি বড় প্রশ্ন। একইভাবে পুরনো দলের কর্মীদের প্রতিক্রিয়াও গুরুত্বপূর্ণ।

যদি একাধিক বিধায়ক একই সময়ে দল পরিবর্তন করেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে নতুন করে রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হতে পারে। নির্বাচনের আগে প্রার্থী বাছাই এবং সংগঠন সাজানোর ক্ষেত্রেও এর প্রভাব পড়তে পারে।

### তৃণমূলের জন্য কী বার্তা?

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, কোনও শিবির থেকে একাধিক নির্বাচিত প্রতিনিধি তৃণমূলে ফিরে এলে তা শাসকদলের জন্য একটি রাজনৈতিক বার্তা তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে নির্বাচনকে সামনে রেখে দলটি যে এখনও নেতাদের আকর্ষণ করতে সক্ষম, সেই প্রচার তৈরি করা সম্ভব।

তবে তৃণমূলের জন্য চ্যালেঞ্জও থাকবে। নতুন করে দলে যোগ দেওয়া নেতাদের সঙ্গে পুরনো কর্মীদের সমন্বয় করা সবসময় সহজ নয়। একই এলাকায় পুরনো ও নতুন নেতাদের মধ্যে নেতৃত্বের প্রশ্নে মতবিরোধ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

তাই দলবদল শুধু রাজনৈতিক শক্তি বাড়ানোর বিষয় নয়, সংগঠন পরিচালনার ক্ষেত্রেও একটি বড় পরীক্ষা।

### বিরোধী শিবিরে বাড়তে পারে চাপ

অন্যদিকে সত্যিই যদি কয়েকজন বিধায়ক কোনও নির্দিষ্ট শিবির ছেড়ে তৃণমূলে ফিরে যান, তাহলে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক শিবিরের উপর চাপ বাড়তে পারে।

বিধায়কদের দলবদলের ফলে তাঁদের সঙ্গে যুক্ত স্থানীয় নেতা-কর্মীদের একটি অংশও নতুন রাজনৈতিক অবস্থান নিতে পারেন। এতে সংগঠনের উপর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা থাকে।

বিশেষ করে নির্বাচনের আগে সংগঠনের কোনও স্তরে ভাঙন তৈরি হলে তা প্রচারেও বড় বিষয় হয়ে উঠতে পারে।

### এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা

যদিও রাজনৈতিক মহলে একাধিক বিধায়কের তৃণমূলে ফেরার জল্পনা চলছে, তবে তাঁদের প্রত্যেকের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত বিষয়টি নিশ্চিত বলে ধরে নেওয়া যাচ্ছে না।

রাজনীতিতে দলবদলের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা এবং বাস্তবে দল পরিবর্তন—দুটি আলাদা বিষয়। অনেক সময় শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনও হতে পারে।

তাই এখন নজর থাকবে সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের বক্তব্য এবং তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে কি না, তার দিকে।

সব মিলিয়ে, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী রাজনীতিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকে ঘিরে তৈরি হওয়া দলবদলের জল্পনা নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। কয়েকজন বিধায়ক সত্যিই যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসেন, তাহলে তা শাসকদলের সংগঠন ও প্রচারে বাড়তি গুরুত্ব পেতে পারে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিবিরের সাংগঠনিক শক্তি নিয়েও প্রশ্ন উঠবে। তবে এখনও পর্যন্ত বিষয়টি মূলত রাজনৈতিক দাবি ও জল্পনার পর্যায়ে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত এবং তৃণমূলের পক্ষ থেকে নিশ্চিত ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত দলবদলের বিষয়টি নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। নির্বাচনের আগে বাংলার রাজনীতিতে এমন আরও পরিবর্তন ঘটে কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

সাত মার্কিন রাজ্যে সাইবার হামলা, ইরানের দিকে সন্দেহ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক রাজ্যের জল ও বর্জ্যজল পরিকাঠামোয় ধারাবাহিক সাইবার হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অন্তত সাতটি মার্কিন রাজ্যে জল সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত কম্পিউটার এবং অপারেশনাল প্রযুক্তি ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা সামনে এসেছে।...

মেসি ইভেন্ট মামলায় অরূপের স্বস্তি বাড়ল, হাই কোর্টের বড় নির্দেশ

লিওনেল মেসির কলকাতা সফর ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের মামলায় আরও কিছুটা স্বস্তি পেলেন তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে মেসির অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে আপাতত কোনও...

কেশপুর থেকে পুলিশকে কড়া বার্তা শুভেন্দুর, কী নির্দেশ SP-কে?

কেশপুরে গিয়ে পুলিশ প্রশাসনকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক সংঘর্ষ, হিংসা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কারণে সংবাদ শিরোনামে থেকেছে কেশপুর। সেই কেশপুর থেকেই এবার পুলিশ প্রশাসনের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিলেন শুভেন্দু। বিশেষ করে...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.