Friday, August 28, 2026

Creating liberating content

‘আবর্জনা সাফ করার শপথ...

রাখিবন্ধন উৎসবের মঞ্চ থেকেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার ভবানীপুর...

‘নেতানিয়াহুকে নরকে পাঠাব’, হুঁশিয়ারি...

ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা ফের চরমে পৌঁছেছে। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে সরাসরি...

‘প্রমাণ ছাড়া অভিযোগ করবেন...

বিধানসভার গ্রন্থাগার থেকে নেওয়া ১৯টি বই সময়মতো ফেরত না দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে...

বিশ্বকাপজয়ী স্পেনকে সংবর্ধনা দিল...

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। সেই দলের হয়ে বিশ্বকাপ জেতা...
Homeবাংলা₹২২ হাজার কোটির...

₹২২ হাজার কোটির দেনা, মেটাতে মাত্র ₹৬.৫ কোটি! সুভাষ চন্দ্রের NCLT রায় নিয়ে মল্ল্যার তীব্র কটাক্ষ

ব্যাঙ্কের হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ, আর তা মেটাতে মাত্র কয়েক কোটি টাকা—এই হিসাবেই এখন তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে ব্যবসায়ী সুভাষ চন্দ্রের ব্যক্তিগত insolvency resolution plan ঘিরে। **National Company Law Tribunal (NCLT)** সুভাষ চন্দ্রের ₹৬.৫ কোটি টাকার repayment plan অনুমোদন করেছে। অথচ তাঁর বিরুদ্ধে স্বীকৃত creditor claims-এর পরিমাণ প্রায় **₹২২,০০৬.৫৭ কোটি**। এই সিদ্ধান্ত সামনে আসতেই নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তীব্র কটাক্ষ করেছেন বিজয় মাল্য। 

## ₹২২ হাজার কোটির দাবির বিপরীতে মাত্র ₹৬.৫ কোটি

NCLT-এর অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, সুভাষ চন্দ্রের ব্যক্তিগত insolvency resolution process-এ creditors-দের দেওয়া হবে প্রায় **₹৬.৫ কোটি**। অন্যদিকে admitted claims-এর মোট পরিমাণ প্রায় **₹২২,০০৬.৫৭ কোটি**।

অর্থাৎ হিসাব অনুযায়ী creditors-রা তাঁদের দাবির মাত্র প্রায় **০.০৩ শতাংশ** ফিরে পাবেন। এর ফলে প্রায় **৯৯.৯৭ শতাংশের haircut** তৈরি হচ্ছে। 

এই বিপুল ব্যবধানই মূলত বিতর্কের কেন্দ্রে।

## সুভাষ চন্দ্র কে?

সুভাষ চন্দ্র ভারতের পরিচিত মিডিয়া ও ব্যবসায়ী মহলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নাম। তিনি **Essel Group**-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং Zee-এর সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়িক সাম্রাজ্যের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

তাঁর ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর বিভিন্ন সংস্থার নেওয়া ঋণের ক্ষেত্রে সুভাষ চন্দ্র ব্যক্তিগত গ্যারান্টি দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে সেই personal guarantee-র ভিত্তিতেই তাঁর বিরুদ্ধে insolvency proceedings শুরু হয়। 

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল—**₹২২,০০৬.৫৭ কোটি পুরোপুরি তাঁর নিজের ব্যক্তিগত ঋণ নয়।** এই অঙ্কটি মূলত বিভিন্ন সংস্থার ঋণের ক্ষেত্রে তাঁর personal guarantee-র সঙ্গে সম্পর্কিত admitted claims। 

## কেন এত কম টাকা দিতে হচ্ছে?

NCLT-এর সিদ্ধান্তের পিছনে মূল যুক্তি ছিল সুভাষ চন্দ্রের বর্তমান ব্যক্তিগত সম্পদ ও বাস্তবে তাঁর কাছ থেকে কতটা অর্থ উদ্ধার করা সম্ভব—এই বিষয়গুলি।

Tribunal-এর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, তাঁর ব্যক্তিগত সম্পদের মূল্য এবং bankruptcy পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য recovery বিবেচনা করে প্রস্তাবিত plan-টি অনুমোদনযোগ্য বলে মনে হয়েছে। 

অর্থাৎ এটি সরাসরি এমন কোনও সিদ্ধান্ত নয় যে ₹২২ হাজার কোটি টাকার সম্পূর্ণ ঋণ ‘মাফ’ করে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি মূলত **personal guarantee-র অধীনে creditors কতটা বাস্তবসম্মতভাবে উদ্ধার করতে পারবেন**, সেই প্রশ্নের সঙ্গে সম্পর্কিত। 

## NCLT-তে মতবিরোধও হয়েছিল

এই সিদ্ধান্ত সহজে আসেনি। NCLT-এর দুই সদস্যের মধ্যে প্রথমে **split verdict** হয়েছিল। মতপার্থক্য মেটাতে তৃতীয় সদস্যকে নিয়োগ করা হয়।

শেষ পর্যন্ত তৃতীয় সদস্য Nilesh Sharma ₹৬.৫ কোটি repayment plan অনুমোদন করেন এবং dissenting creditors-এর আপত্তি খারিজ করেন। 

LIC Housing Finance-সহ কয়েকজন creditor যুক্তি দিয়েছিলেন, এত কম recovery-র প্রস্তাব **অবাস্তব ও আইনসঙ্গত নয়**। কিন্তু tribunal সেই আপত্তি গ্রহণ করেনি। 

## বিজয় মাল্য কেন কটাক্ষ করলেন?

NCLT-এর সিদ্ধান্ত সামনে আসতেই বিজয় মাল্য সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি কার্যত সুভাষ চন্দ্রকে অভিনন্দন জানিয়ে ভারতের debt recovery ব্যবস্থাকে কটাক্ষ করেন।

মাল্য লিখেছেন, যদি খবরটি সত্যি হয়, তাহলে তাঁর বন্ধু সুভাষকে অভিনন্দন। এরপর নিজের ঋণ সংক্রান্ত বিষয় টেনে তিনি দাবি করেন যে **ব্যাঙ্ক ও সরকার তাঁর কাছ থেকে ₹১৪,১০০ কোটি উদ্ধার করার কথা স্বীকার করেছে, যেখানে judgement debt ছিল ₹৬,২০৩ কোটি**। পাশাপাশি তিনি প্রশ্ন তোলেন, যখন অন্য ঋণগ্রহীতারাও দাবির তুলনায় অনেক কম টাকায় settlement করছেন, তখন এটিকে ভারতের debt-resolution justice বলা যায় কি না। 

অর্থাৎ মাল্যর বক্তব্যের মূল উদ্দেশ্য ছিল—**ভারতের ঋণ পুনরুদ্ধার ব্যবস্থায় তাঁর ক্ষেত্রে যে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে বলে তিনি মনে করেন, সুভাষ চন্দ্রের ক্ষেত্রে এত বড় haircut কীভাবে অনুমোদিত হল?**

## ‘Haircut’ আসলে কী?

Financial terminology-তে **haircut** বলতে বোঝায়, কোনও creditor যে পরিমাণ টাকা পাওয়ার দাবি রাখেন, তার তুলনায় শেষ পর্যন্ত যদি অনেক কম টাকা উদ্ধার হয়, তাহলে যে অংশটি recover করা যায় না সেটিই haircut হিসেবে ধরা হয়।

এই মামলায় ₹২২,০০৬.৫৭ কোটি admitted claims-এর বিপরীতে ₹৬.৫ কোটি recovery হওয়ায় headline-level হিসাব অনুযায়ী haircut প্রায় **৯৯.৯৭ শতাংশ**।

তবে এই শতাংশ দেখে মনে হতে পারে ₹২২ হাজার কোটি টাকার সম্পূর্ণ ঋণ হঠাৎ মুছে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি এতটা সরল নয়।

## তাহলে ₹২২ হাজার কোটি কি পুরোপুরি মাফ?

**না, বিষয়টি সেভাবে বলা ঠিক হবে না।**

₹২২,০০৬.৫৭ কোটি হল creditors-এর admitted claims-এর মোট অঙ্ক। কিন্তু এই insolvency process-এ সুভাষ চন্দ্রের ভূমিকা ছিল মূলত **guarantor** হিসেবে। মূল ঋণগ্রহীতা সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে থাকা দায় এবং সুভাষ চন্দ্রের ব্যক্তিগত guarantee-র দায়—এই দুটিকে আলাদা করে দেখা জরুরি। 

এই কারণেই NCLT-এর সিদ্ধান্তকে সরাসরি ‘₹২২ হাজার কোটি ঋণ মাফ’ বলা বিভ্রান্তিকর হতে পারে।

## কেন creditor-দের মধ্যে ক্ষোভ?

ঋণদাতাদের প্রধান আপত্তি হল recovery-র পরিমাণ অত্যন্ত কম।

যে creditor-রা ₹২২ হাজার কোটির বেশি admitted claims-এর অংশীদার, তাঁদের হাতে শেষ পর্যন্ত কয়েক কোটি টাকা পৌঁছনোর অর্থ হল বাস্তব recovery অত্যন্ত সামান্য।

**HDFC Bank**-সহ কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের কথা ভাবছে। HDFC Bank NCLT-এর সিদ্ধান্তকে challenge করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে বলে রিপোর্টে জানা গিয়েছে। 

## কংগ্রেসও নিশানা করেছে

NCLT-এর সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও এসেছে। কংগ্রেস নেতা **জয়রাম রমেশ** এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন।

তিনি ৯৯.৯৭ শতাংশ haircut-এর প্রসঙ্গ তুলে বলেন, এটি সাধারণ haircut নয়, বরং কার্যত **‘mundan’** এবং Insolvency and Bankruptcy Code, 2016-কে উপহাস করার মতো পরিস্থিতি। 

ফলে বিষয়টি এখন শুধু ব্যবসা বা insolvency law-এর আলোচনায় সীমাবদ্ধ নেই; রাজনৈতিক বিতর্কেও ঢুকে পড়েছে।

## সুভাষ চন্দ্রের পক্ষে কী যুক্তি?

সুভাষ চন্দ্রের মামলার মূল যুক্তি হল, তিনি সংশ্লিষ্ট ঋণের মূল borrower নন; তিনি ছিলেন **personal guarantor**।

ফলে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পদ, guarantee-র আইনি সীমা এবং বাস্তবে তাঁর কাছ থেকে কতটা অর্থ উদ্ধার করা সম্ভব—এই বিষয়গুলিই insolvency process-এ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। 

NCLT-ও recovery potential এবং তাঁর আর্থিক অবস্থাকে বিবেচনা করেই plan অনুমোদন করেছে।

## কেন এই রায় গুরুত্বপূর্ণ?

এই মামলাটি ভারতের insolvency framework-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এনেছে:

**একজন বড় ব্যবসায়ী যদি কোনও কোম্পানির ঋণের personal guarantor হন, কিন্তু তাঁর নিজের সম্পদ সেই বিশাল ঋণের তুলনায় অনেক কম হয়, তাহলে creditors বাস্তবে কতটা recovery করতে পারবেন?**

এই প্রশ্নের উত্তর শুধু সুভাষ চন্দ্রের মামলার জন্য নয়, ভবিষ্যতে একই ধরনের বহু corporate insolvency case-এর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

## মাল্যর মন্তব্যে পুরনো বিতর্কও ফিরল

বিজয় মাল্য নিজেই দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় ব্যাঙ্কের ঋণ ও recovery-র সঙ্গে সম্পর্কিত বিতর্কের অন্যতম আলোচিত নাম।

তাই সুভাষ চন্দ্রের ক্ষেত্রে এত বড় haircut অনুমোদনের পর মাল্যর মন্তব্য স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি গুরুত্ব পেয়েছে। তাঁর বক্তব্য মূলত নিজের মামলার সঙ্গে ভারতের বর্তমান debt-resolution framework-এর তুলনা টেনে প্রশ্ন তোলা। 

তবে মাল্যর ব্যক্তিগত ঋণ-সংক্রান্ত মামলা এবং সুভাষ চন্দ্রের insolvency proceedings **আইনগতভাবে একই বিষয় নয়**। তাই দু’টির সরাসরি তুলনা করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

## সামনে কী?

NCLT-এর সিদ্ধান্তের পরও বিষয়টি এখানেই শেষ হচ্ছে না। HDFC Bank ও অন্যান্য creditor এই সিদ্ধান্তকে challenge করার কথা ভাবছে। ফলে পরবর্তী সময়ে উচ্চতর tribunal বা আদালতে বিষয়টি গেলে repayment plan নিয়ে নতুন করে আইনি লড়াই হতে পারে। 

এই কারণে ₹৬.৫ কোটি repayment plan শেষ পর্যন্ত চূড়ান্তভাবে কার্যকর হয় কি না, সেটিও নজরে থাকবে।

## শেষ কথা

**₹২২,০০৬.৫৭ কোটি admitted claims-এর বিপরীতে মাত্র ₹৬.৫ কোটি repayment**—NCLT-এর এই সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই ভারতীয় ব্যবসা ও insolvency জগতে তীব্র বিতর্ক তৈরি করেছে। 

এই সিদ্ধান্তের পর বিজয় মাল্য সোশ্যাল মিডিয়ায় সুভাষ চন্দ্রকে অভিনন্দন জানিয়ে ভারতের debt-resolution ব্যবস্থাকেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছেন। অন্যদিকে creditor-দের একাংশও এত কম recovery নিয়ে আপত্তি তুলেছে এবং আইনি পদক্ষেপের কথা ভাবছে। 

তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল—এটি সরাসরি ₹২২ হাজার কোটি টাকার ব্যক্তিগত ঋণ ‘মাফ’ হওয়ার ঘটনা নয়। **সুভাষ চন্দ্র মূলত বিভিন্ন Essel Group সংস্থার ঋণের personal guarantor ছিলেন**, এবং NCLT তাঁর ব্যক্তিগত আর্থিক অবস্থার ভিত্তিতে recovery plan অনুমোদন করেছে। 

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

‘আবর্জনা সাফ করার শপথ নিতে হবে’, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বিস্ফোরক শুভেন্দু অধিকারী

রাখিবন্ধন উৎসবের মঞ্চ থেকেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার ভবানীপুর বিধানসভায় রাখিবন্ধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে ‘রেড স্যালুট কিষানজি’ লেখার প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। পাশাপাশি কলকাতার রাস্তায় ‘আজাদি’ স্লোগান ওঠা নিয়েও তীব্র আপত্তি জানান...

‘নেতানিয়াহুকে নরকে পাঠাব’, হুঁশিয়ারি ইরানের নিরাপত্তাপ্রধানের! আমেরিকাকেও কড়া বার্তা তেহরানের

ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা ফের চরমে পৌঁছেছে। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিলেন ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মেজর জেনারেল মোহসেন রেজাই। লেবাননের আল-মায়াদিন/আল-মানার সম্প্রচারে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রেজাই বলেন, **“আমরা বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে নরকে পাঠাব।”** একইসঙ্গে...

‘প্রমাণ ছাড়া অভিযোগ করবেন না’, বিধানসভার বই ‘চুরি’ বিতর্কে ফুঁসে উঠলেন মমতা

বিধানসভার গ্রন্থাগার থেকে নেওয়া ১৯টি বই সময়মতো ফেরত না দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে সরগরম বঙ্গ রাজনীতি। রাজ্যের গ্রন্থাগার বিষয়ক মন্ত্রী গৌরীশংকর ঘোষ দাবি করেছেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৯টি বই—যার মধ্যে রয়েছে **রবীন্দ্র রচনাবলীর ১৮টি খণ্ড এবং ‘সঞ্চয়িতা’**—প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.