Monday, November 2, 2026

Creating liberating content

यूईएम जयपुर ने मानवता...

जयपुर में आयोजित मानवता के लिए दौड़ के दसवें संस्करण में यूनिवर्सिटी ऑफ...

अक्टूबर 2026 में पड़ेंगी...

सनातन हिंदू धर्म में एकादशी तिथि का विशेष धार्मिक महत्व माना जाता है।...

इंफोसिस और विप्रो में...

देश की प्रमुख सूचना प्रौद्योगिकी सेवा कंपनियों में शामिल इंफोसिस और विप्रो के...

स्वर्ग में कर्ण को...

महाभारत के महान योद्धाओं में कर्ण का नाम केवल उनकी वीरता और संघर्ष...
Homeবাংলারাখির বিজ্ঞাপন নিয়ে...

রাখির বিজ্ঞাপন নিয়ে কঙ্গনার কটাক্ষ, কৃতির পাশে রাহুল

রক্ষা বন্ধন উপলক্ষে একটি গয়না সংস্থার বিজ্ঞাপনকে কেন্দ্র করে অভিনেত্রী কৃতি শ্যাননের পোশাক নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক। সোশ্যাল মিডিয়ায় একাংশের সমালোচনার মুখে পড়েছেন অভিনেত্রী। সেই বিতর্কে এবার কৃতির পাশে দাঁড়ালেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। মঙ্গলবার নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে কৃতির বক্তব্য শেয়ার করে তিনি বলেন, একজন মহিলা কী পোশাক পরবেন, কী করবেন কিংবা কোথায় যাবেন, তা তাঁর নিজের পছন্দ। মহিলাদের নিজেদের স্বাধীনতা প্রয়োগ করার জন্য ট্রোল না করারও বার্তা দিয়েছেন তিনি। 

ঘটনার সূত্রপাত একটি রক্ষা বন্ধনের বিজ্ঞাপনকে ঘিরে। বিজ্ঞাপনে কৃতিকে একটি আধুনিক Indo-Western পোশাকে দেখা যায়। তাঁর পোশাক নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা শুরু হয়। অভিনেত্রী বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাওয়াতও এই বিজ্ঞাপনের পোশাক এবং উপস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপর কৃতি নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় দীর্ঘ বক্তব্য দিয়ে সমালোচনার জবাব দেন। তাঁর বক্তব্য, কোনও মহিলার পোশাক দিয়ে তাঁর সংস্কৃতি বা ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান বিচার করা উচিত নয়। 

## রক্ষা বন্ধনের বিজ্ঞাপন ঘিরেই বিতর্কের সূত্রপাত

রক্ষা বন্ধন ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পারিবারিক উৎসব। ভাই-বোনের সম্পর্ক, ভালোবাসা, দায়িত্ব এবং পারস্পরিক সুরক্ষার প্রতীক হিসেবেই এই উৎসবকে দেখা হয়। সেই উৎসবকে কেন্দ্র করে তৈরি একটি বিজ্ঞাপনে কৃতির পোশাক নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

বিজ্ঞাপনে কৃতিকে আইভরি রঙের একটি ব্রালেট-স্টাইল ব্লাউজ, স্কার্ট এবং কেপের মতো পোশাকে দেখা যায়। বিজ্ঞাপনের একটি অংশে তিনি তাঁর ভাইয়ের হাতে রাখি বাঁধছেন। পাশাপাশি তাঁদের পোষ্য কুকুরকেও পরিবারের অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এই উপস্থাপনাই সোশ্যাল মিডিয়ার একাংশের কাছে আপত্তিকর বলে মনে হয়েছে। 

কেউ কেউ প্রশ্ন তোলেন, রক্ষা বন্ধনের মতো ঐতিহ্যবাহী উৎসবের বিজ্ঞাপনে এই ধরনের পোশাক কতটা উপযুক্ত। আবার অন্য একটি অংশের বক্তব্য, উৎসবের সঙ্গে পোশাকের সরাসরি কোনও সম্পর্ক থাকা উচিত নয়।

## কঙ্গনার নিশানায় কৃতির পোশাক

এই বিতর্কে সরাসরি নাম না করেও কঙ্গনা রানাওয়াত কৃতির বিজ্ঞাপনের পোশাক নিয়ে কড়া মন্তব্য করেন। বিজেপি সাংসদ ও অভিনেত্রী তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে প্রশ্ন তোলেন, আধুনিক সময়ে মহিলাদের সামনে এত ধরনের পোশাকের বিকল্প থাকা সত্ত্বেও রক্ষা বন্ধনের মতো অনুষ্ঠানে এমন পোশাক কেন বেছে নেওয়া হল। বিজ্ঞাপনটিকে তিনি ‘ইচ্ছাকৃতভাবে অস্বস্তিকর’ বলেও মন্তব্য করেন। 

কঙ্গনার এই মন্তব্যের পর বিতর্ক আরও ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি শুধু একটি বিজ্ঞাপনের পোশাকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি। মহিলাদের পোশাক, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, সংস্কৃতি এবং আধুনিকতার প্রশ্নও আলোচনায় চলে আসে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় কঙ্গনার বক্তব্যের পক্ষে যেমন অনেকে সওয়াল করেছেন, তেমনই অনেকে তাঁর সমালোচনাও করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, একজন মহিলার পোশাককে তাঁর সংস্কৃতি বা চরিত্রের মাপকাঠি হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।

## কৃতির পাল্টা জবাব

সমালোচনার মুখে চুপ থাকেননি কৃতি শ্যানন। নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে তিনি প্রশ্ন তোলেন, **কবে মহিলাদের কী পোশাক পরতে হবে তা বলা বন্ধ করা হবে?** তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল—উৎসবের আসল গুরুত্ব পোশাকে নয়, বরং তার সঙ্গে যুক্ত আবেগ ও মূল্যবোধে। 

কৃতি আরও বলেন, সময়ের সঙ্গে ethnic fashion বদলেছে। কিন্তু এখনও কোনও কোনও ক্ষেত্রে মহিলার পোশাক দেখেই তাঁর সংস্কৃতির প্রতি সম্মান বিচার করা হয়। তাঁর মতে, সংস্কৃতি বা ঐতিহ্য মানুষের মনে থাকে, পোশাকের গলার অংশে নয়।

এই বক্তব্যের মাধ্যমে অভিনেত্রী স্পষ্ট করে দেন যে, বিজ্ঞাপনে তাঁর পোশাককে কেন্দ্র করে যে সমালোচনা হচ্ছে, তা তিনি ব্যক্তিগত স্বাধীনতার প্রশ্ন হিসেবেই দেখছেন।

## রক্ষা বন্ধনের অর্থ কী, ব্যাখ্যা কৃতির

নিজের বক্তব্যে কৃতি রক্ষা বন্ধনের অর্থও ব্যাখ্যা করেন। তাঁর মতে, এই উৎসবের মূল বিষয় হল সুরক্ষা, ভালোবাসা এবং ভাই-বোনের পারস্পরিক সম্পর্ক।

তিনি জানান, তাঁর এবং তাঁর বোনের মধ্যেও রাখি বাঁধার সম্পর্ক রয়েছে। তাঁদের কাছে একে অপরকে রক্ষা করার দায়িত্ব কোনওভাবেই শুধু ভাইয়ের উপর নির্ভর করে না। দুই বোনই একে অপরের সুস্থতা, সুখ এবং দীর্ঘায়ুর জন্য প্রার্থনা করেন। 

এমনকী তাঁদের পোষ্য কুকুরও পরিবারের সদস্য বলেই কৃতি মনে করেন। তাই বিজ্ঞাপনে পোষ্যকে রাখি পরানোর বিষয়টিকেও তিনি পারিবারিক ভালোবাসার অংশ হিসেবে দেখেছেন।

অর্থাৎ কৃতির বক্তব্য অনুযায়ী, বিজ্ঞাপনের উদ্দেশ্য ছিল রক্ষা বন্ধনের ধারণাকে শুধু ভাই-বোনের প্রচলিত কাঠামোর মধ্যে না রেখে পারস্পরিক সুরক্ষা ও পারিবারিক ভালোবাসার বিস্তৃত অর্থে দেখানো।

## এবার কৃতির পাশে রাহুল গান্ধী

কৃতির বক্তব্য সামনে আসার পরই রাজনৈতিক মহল থেকেও প্রতিক্রিয়া আসে। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী মঙ্গলবার তাঁর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে কৃতির বক্তব্য শেয়ার করেন।

তিনি জানান, একজন মহিলা কী পরবেন, কী করবেন এবং কোথায় যাবেন—তা সম্পূর্ণ তাঁর নিজের সিদ্ধান্ত। মহিলারা নিজেদের স্বাধীনতা প্রয়োগ করলে তাঁদের ট্রোল না করার কথাও বলেন তিনি। 

রাহুল গান্ধীর এই বক্তব্যের ফলে বিনোদন জগতের একটি পোশাক বিতর্ক রাজনৈতিক আলোচনারও অংশ হয়ে উঠেছে।

তিনি নিজের পোস্টে ‘Smash the Patriarchy’ হ্যাশট্যাগও ব্যবহার করেন। এর মাধ্যমে মহিলাদের পোশাক ও ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের উপর সামাজিক নিয়ন্ত্রণের বিরোধিতা করার বার্তাই দিয়েছেন তিনি। 

## কৃতির পোশাক নিয়ে প্রশ্ন কেন?

বিজ্ঞাপনটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় দুটি মত তৈরি হয়েছে। একদল মনে করছেন, রক্ষা বন্ধনের মতো ঐতিহ্যবাহী উৎসবকে কেন্দ্র করে তৈরি বিজ্ঞাপনে পোশাকের ক্ষেত্রে আরও সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতা থাকা উচিত ছিল।

অন্যদিকে, আরেকদল মনে করছেন, কোনও উৎসবের সঙ্গে আধুনিক পোশাকের বিরোধ থাকা বাধ্যতামূলক নয়। তাঁদের মতে, একজন মহিলা আধুনিক পোশাক পরেও নিজের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান দেখাতে পারেন।

এই দুই মতের সংঘাত থেকেই মূলত বিতর্কটি আরও বড় হয়েছে।

## পোশাক বনাম সংস্কৃতি—বিতর্ক নতুন নয়

কৃতিকে ঘিরে এই বিতর্ক আসলে একটি পুরনো সামাজিক প্রশ্নকেই সামনে নিয়ে এসেছে—একজন মহিলার পোশাক কি তাঁর সংস্কৃতি বা মূল্যবোধের পরিচয় বহন করে?

কৃতির বক্তব্য, কোনও মহিলার পোশাকের উপর ভিত্তি করে তাঁর সংস্কৃতির প্রতি সম্মান বিচার করা উচিত নয়। উৎসবের সঙ্গে মানুষের আবেগ এবং ঐতিহ্যের সম্পর্ক পোশাকের চেয়ে অনেক গভীর।

অন্যদিকে সমালোচকদের বক্তব্য, বিজ্ঞাপন যেহেতু নির্দিষ্ট একটি উৎসবকে কেন্দ্র করে তৈরি, তাই সেখানে উপস্থাপনার ক্ষেত্রে সেই উৎসবের সাংস্কৃতিক আবহকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

এই বিতর্কের কোনও একক উত্তর নেই। তবে কৃতির বক্তব্য বিষয়টিকে ব্যক্তিগত স্বাধীনতার দিক থেকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে।

## সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনা

বিজ্ঞাপনটি প্রকাশের পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ কৃতির পোশাককে আধুনিক ও ফ্যাশনেবল বলে প্রশংসা করেছেন। আবার কেউ রক্ষা বন্ধনের মতো অনুষ্ঠানের সঙ্গে এই পোশাককে মানানসই নয় বলে সমালোচনা করেছেন। 

এমনকী বিজ্ঞাপনে পোষ্য কুকুরকে রাখি বাঁধার বিষয়টিও আলোচনায় আসে। ফলে বিতর্কের কেন্দ্র শুধু কৃতির পোশাক নয়, বিজ্ঞাপনের সামগ্রিক ভাবনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

কৃতি অবশ্য জানিয়েছেন, তাঁর কাছে পোষ্যও পরিবারের সদস্য। তাই পরিবারের সদস্য হিসেবে কুকুরের সঙ্গে রক্ষা বন্ধনের আবেগ ভাগ করে নেওয়ার মধ্যে তিনি কোনও সমস্যা দেখেন না।

## রাজনৈতিক মাত্রা পেল বিনোদনের বিতর্ক

কঙ্গনা রানাওয়াত একজন অভিনেত্রী হওয়ার পাশাপাশি বিজেপির সাংসদ। অন্যদিকে রাহুল গান্ধী কংগ্রেসের অন্যতম শীর্ষ নেতা এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা। ফলে দু’জনের বক্তব্যের কারণে একটি বিনোদন সংক্রান্ত বিতর্ক স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মাত্রা পেয়েছে।

কঙ্গনা যেখানে বিজ্ঞাপনের পোশাক এবং উপস্থাপনার সমালোচনা করেছেন, সেখানে রাহুল গান্ধী মহিলাদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

দুই ভিন্ন রাজনৈতিক অবস্থানের এই প্রতিক্রিয়া বিতর্কটিকে আরও বেশি আলোচনায় এনেছে।

## রাহুলের বক্তব্যে কী বার্তা?

রাহুল গান্ধীর বক্তব্যের মূল বিষয় হল personal choice বা ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। তাঁর মতে, মহিলাদের পোশাক, জীবনযাপন কিংবা ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে অনলাইনে ট্রোল করা উচিত নয়। 

এই বক্তব্য শুধুমাত্র কৃতি শ্যাননের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় বলেই তাঁর পোস্ট থেকে বোঝা যায়। বরং মহিলাদের পোশাক নিয়ে অনলাইন ট্রোলিং এবং সামাজিক বিচারব্যবস্থার বিরুদ্ধেই তিনি অবস্থান নিয়েছেন।

এর ফলে কৃতির বিজ্ঞাপন নিয়ে তৈরি বিতর্ক এখন বৃহত্তর gender freedom-এর আলোচনার সঙ্গেও যুক্ত হয়েছে।

## কৃতির বক্তব্যে নারীর স্বাধীনতার প্রশ্ন

কৃতির বক্তব্যও মূলত একই জায়গায় গিয়ে পৌঁছেছে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কেন এখনও মহিলাদের পোশাক দিয়ে তাঁদের সংস্কৃতি, মূল্যবোধ কিংবা ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান বিচার করা হয়?

তাঁর মতে, fashion সময়ের সঙ্গে বদলায়। ভারতীয় পোশাকের ক্ষেত্রেও Indo-Western style এখন বহুল ব্যবহৃত। তাই আধুনিক পোশাক পরলেই কেউ নিজের সংস্কৃতি থেকে দূরে সরে যান—এমন ধারণা তিনি মানতে নারাজ।

এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই তাঁর সমর্থনে বহু মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন।

## কঙ্গনার সমালোচনার প্রভাব

কঙ্গনা রানাওয়াতের মন্তব্য বিতর্কটিকে আরও তীব্র করে। তিনি মূলত প্রশ্ন তুলেছেন, রক্ষা বন্ধনের মতো পারিবারিক অনুষ্ঠানে এমন পোশাক কেন ব্যবহার করা হয়েছে।

তাঁর বক্তব্যের সমর্থকেরা মনে করছেন, বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে উৎসবের সাংস্কৃতিক আবহকে সম্মান করা উচিত। অন্যদিকে কৃতির সমর্থকেরা মনে করছেন, উৎসবের আবেগকে পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা ঠিক নয়।

এই দুই দৃষ্টিভঙ্গিই বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া বিতর্কের মূল বিষয়।

## বিজ্ঞাপনের উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনা

বিজ্ঞাপন শিল্পে উৎসবকে কেন্দ্র করে নতুন ধরনের উপস্থাপনা এখন খুবই সাধারণ। সংস্থাগুলি অনেক সময় ঐতিহ্যবাহী উৎসবকে আধুনিক প্রজন্মের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করে।

এই বিজ্ঞাপনেও সম্ভবত সেই ধরনের একটি আধুনিক উপস্থাপনা দেখা গিয়েছে। তবে সেই আধুনিকতার সীমা কোথায় হওয়া উচিত, সেটিই বিতর্কের জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছে এই ঘটনা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও তুলে ধরেছে—ঐতিহ্য এবং আধুনিকতার মধ্যে ভারসাম্য কীভাবে বজায় রাখা যায়?

## কৃতির পাশে পরিবারও

এই বিতর্কে কৃতির বক্তব্যের পাশাপাশি তাঁর বোন নূপুর শ্যাননের প্রতিক্রিয়াও সামনে এসেছে। নূপুরও তাঁর বোনের সমর্থনে কথা বলেছেন এবং বিজ্ঞাপনে রাখি বাঁধার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলার জবাব দিয়েছেন।

ফলে বিষয়টি শুধুমাত্র কৃতি বনাম কঙ্গনা হয়ে থাকেনি। কৃতির পরিবারও তাঁর অবস্থানকে সমর্থন করেছে।

এতে বিতর্ক আরও ব্যক্তিগত ও আবেগপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

## বিতর্ক কোথায় গিয়ে থামবে?

এই মুহূর্তে বিতর্ক থামার কোনও লক্ষণ নেই। কৃতির বক্তব্যের পর রাহুল গান্ধীর সমর্থন এবং কঙ্গনা রানাওয়াতের সমালোচনা—দুই দিক থেকেই আলোচনা চলছে।

একদিকে রয়েছে নারীর পোশাকের স্বাধীনতা, অন্যদিকে রয়েছে উৎসব ও সংস্কৃতির উপস্থাপনা নিয়ে সামাজিক প্রত্যাশা। দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য কীভাবে তৈরি হবে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

তবে কৃতি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, তাঁর কাছে রক্ষা বন্ধনের মূল বিষয় পোশাক নয়—ভালোবাসা, সুরক্ষা এবং পারিবারিক বন্ধন।

## শেষ কথা

রক্ষা বন্ধনের একটি বিজ্ঞাপনকে কেন্দ্র করে কৃতি শ্যাননের পোশাক নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক এখন বলিউডের গণ্ডি ছাড়িয়ে রাজনৈতিক এবং সামাজিক আলোচনায় পৌঁছেছে। কঙ্গনা রানাওয়াত বিজ্ঞাপনের পোশাকের সমালোচনা করার পর কৃতি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন মহিলাদের এখনও পোশাকের ভিত্তিতে তাঁদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি সম্মান বিচার করতে হবে। 

এরপর লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী কৃতির বক্তব্য শেয়ার করে তাঁর পাশে দাঁড়ান। তিনি বলেন, মহিলারা কী পরবেন, কী করবেন এবং কোথায় যাবেন—তা তাঁদের নিজেদের পছন্দ এবং এই স্বাধীনতার জন্য তাঁদের ট্রোল করা উচিত নয়। 

ফলে একটি বিজ্ঞাপনের পোশাক নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক এখন নারীর স্বাধীনতা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, আধুনিকতা এবং বিজ্ঞাপনে উৎসবের উপস্থাপনা—এই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এনেছে। আগামী দিনে এই বিতর্ক আরও কতটা বাড়ে, সেটাই এখন দেখার।

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

ঔরঙ্গজেবের আমলের ৩৩৪ বছরের বনেদি পুজোর অমলিন ঐতিহ্য

পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজোর ইতিহাসে বনেদি পুজোর আলাদা মর্যাদা রয়েছে। সেই ঐতিহ্যের অন্যতম উজ্জ্বল অধ্যায় পূর্ব বর্ধমানের পানাগড়ের সোঁয়াই গ্রামের মুখোপাধ্যায় পরিবারের দুর্গাপুজো। এ বছর এই পুজো ৩৩৪ বছরে পা দিয়েছে। শুধু প্রাচীনত্ব নয়, এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে স্বপ্নাদেশ, বর্ধমানের...

বাংলায় পথচলা শুরু বিজয় থলপতির টিভিকের নতুন অধ্যায়

তামিলনাড়ুতে রাজনৈতিক সাফল্যের পর এবার পশ্চিমবঙ্গে সাংগঠনিক বিস্তার শুরু করল বিজয় থলপতি-র দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগম (TVK)। পূর্ব বর্ধমান জেলার ফাগুপুরে দলের প্রথম কার্যালয় খোলার মাধ্যমে বাংলায় আনুষ্ঠানিকভাবে পথচলা শুরু হয়েছে। এই পদক্ষেপের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—তাহলে...

সন্ত্রাসে শীর্ষে পাকিস্তান, হাক্কানির বিস্ফোরক আত্মসমালোচনা ভাইরাল

সন্ত্রাসবাদে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় পাকিস্তানের শীর্ষে উঠে আসার দাবি ঘিরে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (IEP)-এর প্রকাশিত Global Terrorism Index 2026-এর তথ্য সামনে আসার পর পাকিস্তানের প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত হুসেন হাক্কানি ইসলামাবাদের দীর্ঘদিনের...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.