Monday, August 17, 2026

Creating liberating content

সন্ত্রাস দমনে বড় সাফল্য,...

# সন্ত্রাস দমনে বড় সাফল্য, শাহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্ক ধ্বংস স্বাধীনতা দিবসের আগে দেশে বড়সড়...

রেলস্টেশনের জলে E. coli,...

ভারতীয় রেলের যাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খবর। দেশের একাধিক রেলস্টেশনের পানীয় জলের নমুনায় **E....

ডাক্তারি সামলে বিজেপির কেন্দ্রীয়...

পেশায় বিশিষ্ট চিকিৎসক, বিশেষজ্ঞ অনকোলজিস্ট। চিকিৎসাক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের কাজের পাশাপাশি রাজনীতিতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন...

মমতার ফোনে ‘আরশোলা’ কর্মী,...

বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরে রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগে এক ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ফের উত্তপ্ত রাজ্য...
Homeবাংলাআশিসের মৃত্যুতে তদন্তের...

আশিসের মৃত্যুতে তদন্তের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি ঋতব্রতর

পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন কৃষিমন্ত্রী তথা বিধানসভার প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার **আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের রহস্যমৃত্যু** ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার তাঁর কার্যালয় থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হওয়ার পর থেকেই মৃত্যুর কারণ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী **শুভেন্দু অধিকারীকে চিঠি লিখেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়**। তাঁর চিঠিতে বিশেষভাবে উঠে এসেছে তারাপীঠ-রামপুরহাট উন্নয়ন নিগম বা TRDA-র টেন্ডার এবং দুর্নীতির অভিযোগের প্রসঙ্গ। 

আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর আগে লেখা একটি হাতে লেখা চিঠিও উদ্ধার হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সেই চিঠিতে তিনি নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি দুর্নীতির সঙ্গে কোনওদিন যুক্ত না থাকার দাবি করেছিলেন। পাশাপাশি তারাপীঠ-রামপুরহাট উন্নয়ন নিগমের প্রসঙ্গও তাঁর লেখায় ছিল। সেই কারণেই তাঁর মৃত্যুর নেপথ্যে TRDA-র কোনও বিষয় রয়েছে কি না, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠি সেই জল্পনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে TRDA-র টেন্ডার নিয়ে কোনও ধরনের হুমকি দেওয়া হয়েছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হোক। একইসঙ্গে বিভিন্ন উন্নয়ন পর্ষদে দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি। 

## কী ঘটেছিল আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে?

রবিবার সকাল থেকেই আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর খবর সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শোকের আবহ তৈরি হয়। দীর্ঘদিনের রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্বও সামলেছেন। পাশাপাশি তিনি বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার পদেও ছিলেন। তাঁর মতো বর্ষীয়ান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের এভাবে মৃত্যু ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই একাধিক প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাঁর কার্যালয় থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতে লেখা চিঠিও পাওয়া যায়। সেই চিঠির বক্তব্যই বর্তমানে তদন্তের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

চিঠিতে নিজের রাজনৈতিক জীবন সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ করে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় দুর্নীতির সঙ্গে কোনওদিন যুক্ত ছিলেন না বলে দাবি করেছিলেন। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা তিনি সেখানে লিখেছিলেন। এমনকী বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক থাকার সময়ও কোনও দুর্নীতিতে জড়াননি বলে দাবি করেন। 

## হাতে লেখা চিঠিতে কী ছিল?

আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্ধার হওয়া চিঠিকে ঘিরেই এখন তদন্তের বিভিন্ন দিক সামনে আসছে। সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেখানে তিনি লিখেছিলেন যে ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে যুক্ত থাকলেও কোনও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত হননি।

তিনি আরও দাবি করেছিলেন, রাজনৈতিক জীবনে মতবিরোধ বা বাগবিতণ্ডা হলেও তা কখনও শত্রুতার পর্যায়ে পৌঁছয়নি। দলীয় অন্যায়ের সঙ্গে সবসময় একমত না হলেও অনেক সময় প্রতিবাদ করতে পারেননি বলেও তাঁর চিঠিতে উল্লেখ ছিল।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ওই চিঠিতে **তারাপীঠ-রামপুরহাট উন্নয়ন নিগমের উল্লেখ** রয়েছে। ফলে তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে এই সংস্থার কোনও বিষয় জড়িত ছিল কি না, তা নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে।

তবে কোনও অভিযোগ বা আশঙ্কাকে এখনও চূড়ান্ত সত্য হিসেবে দেখা হয়নি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং কোনও অপরাধমূলক যোগসূত্র ছিল কি না, তা তদন্তের মাধ্যমেই স্পষ্ট হওয়ার কথা।

## ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠিতে কী দাবি?

আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর সোমবার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি দেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, এই মৃত্যু একাধিক অপ্রিয় প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে। বিশেষ করে **TRDA-র টেন্ডার নিয়ে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও হুমকির মুখে পড়েছিলেন কি না**, তা খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। 

ঋতব্রত তাঁর চিঠিতে বিভিন্ন উন্নয়ন পর্ষদের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, এই বিষয়গুলিও তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন।

অর্থাৎ ঋতব্রতের চিঠির মূল বক্তব্য হল, ঘটনাটিকে শুধুমাত্র একটি ব্যক্তিগত বা বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে না দেখে এর পিছনে কোনও প্রশাসনিক, রাজনৈতিক বা আর্থিক চাপ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা।

## TRDA-র টেন্ডার নিয়ে কেন প্রশ্ন?

তারাপীঠ-রামপুরহাট উন্নয়ন নিগম বা TRDA বীরভূমের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সংস্থাগুলির মধ্যে অন্যতম। তারাপীঠ ও রামপুরহাট অঞ্চলের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের সঙ্গে এই সংস্থা যুক্ত।

এই ধরনের উন্নয়নমূলক প্রকল্পের ক্ষেত্রে টেন্ডার প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাজের বরাত, ঠিকাদার নির্বাচন এবং প্রকল্পের আর্থিক ব্যবস্থাপনা—সবকিছুই টেন্ডার ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত।

তাই আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে লেখা চিঠিতে TRDA-র উল্লেখ থাকার পর স্বাভাবিকভাবেই টেন্ডার সংক্রান্ত কোনও চাপ বা বিরোধ ছিল কি না, সেই প্রশ্ন সামনে এসেছে।

ঋতব্রতও তাঁর চিঠিতে ঠিক এই বিষয়টিই তদন্তের দাবি করেছেন। 

## প্রকাশ্যে হেনস্তার অভিযোগও উঠল

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠিতে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের **প্রকাশ্যে হেনস্তার** প্রসঙ্গও উঠে এসেছে। অর্থাৎ তাঁর দাবি, মৃত্যুর আগে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও ধরনের রাজনৈতিক বা সামাজিক চাপের মধ্যে ছিলেন কি না, সেটিও তদন্ত করা প্রয়োজন।

যদি সত্যিই কোনও হুমকি বা চাপের ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে সেটির সঙ্গে মৃত্যুর কোনও যোগসূত্র ছিল কি না, তদন্তকারীদের কাছে তা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হতে পারে।

তবে বর্তমানে এগুলি তদন্তের দাবি এবং আশঙ্কা—প্রমাণিত তথ্য নয়। এই পার্থক্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

## রাজনৈতিক মহলে বাড়ছে চাপ

আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু এমন সময়ে ঘটেছে, যখন পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন করে রাজনৈতিক মেরুকরণ তৈরি হয়েছে। ফলে তাঁর মৃত্যু ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক আলোচনা তীব্র হয়েছে।

একদিকে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের সহকর্মী ও পরিচিতরা শোক প্রকাশ করছেন, অন্যদিকে বিরোধী রাজনৈতিক মহল এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষ ঘটনার তদন্তের দাবি তুলছে।

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠি এই রাজনৈতিক চাপকে আরও বাড়িয়েছে। কারণ তিনি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তদন্তের আবেদন করেছেন। 

## মৃত্যুর তদন্তে কোন কোন বিষয় গুরুত্বপূর্ণ?

আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্তকারীদের একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখতে হবে। তার মধ্যে রয়েছে ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি, উদ্ধার হওয়া হাতে লেখা চিঠি, তাঁর সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড এবং পরিচিতদের বক্তব্য।

এর পাশাপাশি মৃত্যুর আগে তিনি কার কার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন, কোনও হুমকি বা চাপ পেয়েছিলেন কি না এবং কোনও প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক বিষয়ে উদ্বেগে ছিলেন কি না—এসব প্রশ্নের উত্তরও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

বিশেষ করে TRDA-র টেন্ডার সংক্রান্ত কোনও নথি, যোগাযোগ বা বিরোধ থাকলে সেটিও তদন্তের অংশ হতে পারে।

## হাতে লেখা চিঠির গুরুত্ব কতটা?

কোনও মৃত্যুর ঘটনায় মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া চিঠি তদন্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হতে পারে। তবে চিঠির বক্তব্যের পাশাপাশি তার সত্যতা, লেখার সময় এবং প্রেক্ষাপটও যাচাই করা প্রয়োজন।

আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে ওই চিঠিতে তাঁর রাজনৈতিক জীবন এবং দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত না থাকার দাবি রয়েছে। একইসঙ্গে TRDA-র উল্লেখ থাকায় তদন্তের একটি নির্দিষ্ট দিক সামনে এসেছে। 

তবে শুধুমাত্র চিঠির ভিত্তিতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব নয়।

## মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ঋতব্রতর আবেদন

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কার্যত নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আবেদন জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু একাধিক প্রশ্ন তৈরি করেছে এবং সেগুলির উত্তর খুঁজে বের করা প্রয়োজন।

বিশেষ করে TRDA-র টেন্ডার নিয়ে কোনও হুমকি বা চাপ ছিল কি না, তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি। 

এছাড়া অন্যান্য উন্নয়ন পর্ষদের বিরুদ্ধে থাকা দুর্নীতির অভিযোগও খতিয়ে দেখার কথা বলেছেন ঋতব্রত।

## রাজনৈতিক জীবনে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিচয়

আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে পরিচিত একটি নাম। তিনি রাজ্যের কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বিধানসভার ডেপুটি স্পিকারও ছিলেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে প্রশাসনিক এবং সাংগঠনিক—দুই ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা ছিল।

তাই তাঁর আকস্মিক মৃত্যু রাজনৈতিক মহলে স্বাভাবিকভাবেই গভীর প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।

বিশেষ করে তাঁর হাতে লেখা চিঠিতে দুর্নীতি নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করার বিষয়টি এখন আলোচনার কেন্দ্রে।

## দুর্নীতির অভিযোগের প্রসঙ্গ

ঋতব্রতের চিঠিতে শুধু TRDA নয়, অন্যান্য উন্নয়ন পর্ষদে দুর্নীতির অভিযোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এই অভিযোগগুলির সত্যতা এখনও প্রমাণিত নয়।

এই ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নথি, টেন্ডার প্রক্রিয়া, আর্থিক লেনদেন এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত খতিয়ে দেখা জরুরি।

তদন্তের মাধ্যমে যদি কোনও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তার ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব। কিন্তু তার আগে কোনও ব্যক্তি বা সংস্থাকে দায়ী করা ঠিক হবে না।

## তদন্তের দাবি আরও জোরালো

আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর ইতিমধ্যেই তদন্তের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠির পর সেই দাবি আরও জোরালো হয়েছে।

বর্তমানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, তদন্ত কতটা নিরপেক্ষ এবং তথ্যভিত্তিকভাবে এগোয়।

ঘটনার আগে তাঁর সঙ্গে কী হয়েছিল, তিনি কোনও চাপের মধ্যে ছিলেন কি না এবং TRDA-র কোনও বিষয় তাঁর মানসিক বা রাজনৈতিক অবস্থাকে প্রভাবিত করেছিল কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া প্রয়োজন।

## তারাপীঠ-রামপুরহাটে নজর

এই ঘটনার পর স্বাভাবিকভাবেই তদন্তকারীদের নজরে আসতে পারে তারাপীঠ-রামপুরহাট উন্নয়ন নিগমের বিভিন্ন কাজ এবং সাম্প্রতিক টেন্ডার প্রক্রিয়া।

কোন প্রকল্পের টেন্ডার নিয়ে কোনও বিরোধ তৈরি হয়েছিল কি না, কোনও অভিযোগ জমা পড়েছিল কি না এবং আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তার কোনও প্রত্যক্ষ যোগাযোগ ছিল কি না—এসব খতিয়ে দেখা যেতে পারে।

তবে তদন্তের আগে কোনও নির্দিষ্ট টেন্ডার বা ব্যক্তিকে মৃত্যুর সঙ্গে যুক্ত করা সম্পূর্ণ অনুমাননির্ভর হবে।

## রাজনৈতিক চাপ বনাম তদন্তের নিরপেক্ষতা

এ ধরনের ঘটনায় রাজনৈতিক চাপ অনেক সময় তদন্তের গতিপথ নিয়ে বিতর্ক তৈরি করে। আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রেও ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে।

তাই তদন্তকারীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে এগোনো।

মৃতের পরিবারের বক্তব্য, উদ্ধার হওয়া চিঠি, ঘটনাস্থলের forensic evidence এবং প্রশাসনিক নথি—সবকিছুকে একসঙ্গে বিবেচনা করেই প্রকৃত সত্য সামনে আনা সম্ভব।

## এখন কী জানতে চাইছে রাজনৈতিক মহল?

আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুকে ঘিরে মূলত কয়েকটি প্রশ্ন সামনে এসেছে—

* মৃত্যুর আগে তিনি কি কোনও মানসিক বা রাজনৈতিক চাপে ছিলেন?

* TRDA-র কোনও টেন্ডার নিয়ে কি তাঁর সঙ্গে বিরোধ হয়েছিল?

* তাঁকে কি কখনও হুমকি দেওয়া হয়েছিল?

* হাতে লেখা চিঠিতে TRDA-র উল্লেখের কারণ কী?

* কোনও দুর্নীতি বা অনিয়মের বিষয়ে তিনি কি চাপের মুখে ছিলেন?

* তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে এই বিষয়গুলির আদৌ কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না?

এই প্রশ্নগুলির উত্তর তদন্তের মাধ্যমেই পাওয়া সম্ভব।

## তদন্তেই পরিষ্কার হবে আসল সত্য

এই মুহূর্তে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর নেপথ্যে ঠিক কী কারণ ছিল, তা নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়। হাতে লেখা চিঠি এবং TRDA-র উল্লেখ গুরুত্বপূর্ণ হলেও সেগুলির প্রেক্ষাপট তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠি অবশ্য বিষয়টিকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। তিনি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তদন্তের আবেদন জানিয়ে TRDA-র টেন্ডার, সম্ভাব্য হুমকি এবং উন্নয়ন পর্ষদগুলিতে দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখার দাবি করেছেন। 

এখন নজর থাকবে প্রশাসন ও তদন্তকারী সংস্থার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। তদন্তে যদি কোনও নতুন তথ্য উঠে আসে, তাহলে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর রহস্যের আরও অনেকটাই উন্মোচিত হতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, **কোনও রাজনৈতিক জল্পনা নয়, নির্ভরযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতেই এই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সামনে আসুক**—এটাই এখন প্রত্যাশা।

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

সন্ত্রাস দমনে বড় সাফল্য, শাহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্ক ধ্বংস

# সন্ত্রাস দমনে বড় সাফল্য, শাহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্ক ধ্বংস স্বাধীনতা দিবসের আগে দেশে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল করার দাবি করল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন, পাকিস্তানভিত্তিক এবং পাক গুপ্তচর সংস্থা ISI-সমর্থিত **শাহজাদ ভাট্টি নেটওয়ার্ক (Shahzad Bhatti Network)**-এর বিরুদ্ধে বড়সড়...

রেলস্টেশনের জলে E. coli, ২০ হাজার পয়েন্টে বড় বদল

ভারতীয় রেলের যাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খবর। দেশের একাধিক রেলস্টেশনের পানীয় জলের নমুনায় **E. coli ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি** ধরা পড়েছে। কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল বা CAG-এর সাম্প্রতিক রিপোর্টে এই তথ্য সামনে আসার পরই নড়েচড়ে বসেছে রেল মন্ত্রক। যাত্রীদের জন্য নিরাপদ পানীয়...

ডাক্তারি সামলে বিজেপির কেন্দ্রীয় দলে মধুছন্দা

পেশায় বিশিষ্ট চিকিৎসক, বিশেষজ্ঞ অনকোলজিস্ট। চিকিৎসাক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের কাজের পাশাপাশি রাজনীতিতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে এবার জাতীয় স্তরে বড় দায়িত্ব পেলেন বাংলার মধুছন্দা কর। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীনের নতুন কেন্দ্রীয় টিমে **সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি** হিসেবে জায়গা পেয়েছেন তিনি। সোমবার বিজেপির...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.