Thursday, October 1, 2026

Creating liberating content

यूईएम जयपुर ने मानवता...

जयपुर में आयोजित मानवता के लिए दौड़ के दसवें संस्करण में यूनिवर्सिटी ऑफ...

अक्टूबर 2026 में पड़ेंगी...

सनातन हिंदू धर्म में एकादशी तिथि का विशेष धार्मिक महत्व माना जाता है।...

इंफोसिस और विप्रो में...

देश की प्रमुख सूचना प्रौद्योगिकी सेवा कंपनियों में शामिल इंफोसिस और विप्रो के...

स्वर्ग में कर्ण को...

महाभारत के महान योद्धाओं में कर्ण का नाम केवल उनकी वीरता और संघर्ष...
Homeবাংলামধ্যপ্রদেশে অভিন্ন দেওয়ানি...

মধ্যপ্রদেশে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, বড় ঘোষণা মোহন যাদবের

স্বাধীনতা দিবসের মঞ্চ থেকে বড় ঘোষণা করলেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব। রাজ্যে দ্রুত কার্যকর করা হবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বা Uniform Civil Code (UCC)। শনিবার স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর ভাষণ দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, মধ্যপ্রদেশ সরকার সংবিধানের মূল ভাবনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করতে চলেছে। তাঁর দাবি, এই আইনের মাধ্যমে বৈষম্যমূলক প্রথার অবসান ঘটবে, সামাজিক সম্প্রীতি আরও শক্তিশালী হবে এবং মহিলারা অন্যায় ও অত্যাচার থেকে সুরক্ষা পাবেন। 

মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায় ইতিমধ্যেই ২০২৬ সালের UCC বিল পাশ হয়ে গিয়েছে। গত ২১ জুলাই বিরোধী কংগ্রেসের প্রবল আপত্তি এবং প্রতিবাদের মধ্যেই ধ্বনি ভোটে বিলটি পাস হয়। এবার স্বাধীনতা দিবসে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় স্পষ্ট হল, সেই আইন কার্যকর করার দিকেই এগোচ্ছে রাজ্য সরকার। 

### স্বাধীনতা দিবসে মুখ্যমন্ত্রীর বড় ঘোষণা

ভোপালের লাল প্যারেড গ্রাউন্ডে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন মোহন যাদব। সেখানেই UCC কার্যকর করার কথা ঘোষণা করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, সংবিধানের মূল চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তাঁর বক্তব্যে ‘এক দেশ, এক সংবিধান, এক প্রধান এবং এক পতাকা’-র ধারণার প্রসঙ্গও উঠে আসে। সেই ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে সবার জন্য একই ধরনের দেওয়ানি আইন কার্যকর করার কথা বলেন তিনি। 

মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু হলে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ব্যক্তিগত আইন ব্যবস্থার মধ্যে থাকা বৈষম্য কমবে। একইসঙ্গে মহিলাদের অধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তাঁর বক্তব্য।

### ইতিমধ্যেই বিধানসভায় পাস হয়েছে UCC বিল

মধ্যপ্রদেশে UCC কার্যকরের প্রক্রিয়া একেবারে নতুন নয়। গত ২১ জুলাই রাজ্য বিধানসভায় ‘Madhya Pradesh Uniform Civil Code Bill, 2026’ পাস হয়েছে। বিরোধী কংগ্রেসের প্রতিবাদ এবং আপত্তির মধ্যেই বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠতার জেরে বিলটি ধ্বনি ভোটে পাস হয়। 

বিল পেশের সময়ও মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব UCC-কে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, কংগ্রেস রাজনৈতিক কারণে বিলটির বিরোধিতা করছে এবং এটিকে আদিবাসী-বিরোধী বলে দাবি করছে। 

এখন স্বাধীনতা দিবসে ফের সেই আইন কার্যকরের ঘোষণা করায় বোঝা যাচ্ছে, রাজ্য সরকার এই বিষয়ে দ্রুত এগোতে চাইছে।

### কী থাকবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধিতে?

UCC মূলত ব্যক্তিগত বা দেওয়ানি বিষয়গুলির ক্ষেত্রে ধর্মভিত্তিক আলাদা নিয়মের পরিবর্তে অভিন্ন আইনি কাঠামো তৈরির ধারণার উপর নির্ভর করে। মধ্যপ্রদেশের পাশ হওয়া বিলে বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ এবং লিভ-ইন সম্পর্কের মতো বিষয় নিয়ে নির্দিষ্ট বিধান রাখা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই আইনে বহুবিবাহ নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি ‘তিন তালাক’-এর বিরুদ্ধেও বিধান রয়েছে। বিভিন্ন ধর্মের মানুষের বিবাহ ও বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে অভিন্ন নিয়ম কার্যকর করার পরিকল

এছাড়াও লিভ-ইন সম্পর্ককে আইনি কাঠামোর মধ্যে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে এই ধরনের সম্পর্কের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার বিধান রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

### লিভ-ইন সম্পর্কেও নতুন নিয়ম

মধ্যপ্রদেশের UCC বিলের অন্যতম আলোচিত বিষয় লিভ-ইন সম্পর্ক। নতুন আইনি ব্যবস্থায় লিভ-ইন সম্পর্কে থাকা ব্যক্তিদের জন্য নিবন্ধনের নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক মাসের মধ্যে লিভ-ইন সম্পর্কের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার বিধান রয়েছে। এর ফলে এই ধরনের সম্পর্ককে সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয় হিসেবে না দেখে একটি নির্দিষ্ট আইনি কাঠামোর আওতায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। 

এই বিধানকে ঘিরে অবশ্য ভবিষ্যতে নানা ধরনের আইনি ও সামাজিক প্রশ্ন উঠতে পারে। বিশেষ করে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা, গোপনীয়তা এবং রাষ্ট্রের নজরদারির সীমা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

### বহুবিবাহ নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব

মধ্যপ্রদেশের UCC-এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল বহুবিবাহ নিষিদ্ধ করার বিধান। এর ফলে বিবাহের ক্ষেত্রে এক ধরনের অভিন্ন নিয়ম চালু করার লক্ষ্য নিয়েছে রাজ্য সরকার।

সরকারের যুক্তি, বিবাহের ক্ষেত্রে ধর্মের ভিত্তিতে আলাদা আইনি কাঠামো থাকলে বিভিন্ন ধরনের বৈষম্য তৈরি হতে পারে। UCC-এর মাধ্যমে সেই ব্যবধান দূর করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

মোহন যাদবের বক্তব্য অনুযায়ী, এই অভিন্ন আইন সামাজিক সম্প্রীতি আরও বাড়াতে পারে এবং মহিলাদের অধিকার সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। 

### আদিবাসীদের ক্ষেত্রে কী হবে?

মধ্যপ্রদেশের UCC নিয়ে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হল আদিবাসী সম্প্রদায়। এই বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে স্বীকৃত আদিবাসী বা Tribal communities-কে এই আইনের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। 

এই বিষয়টি রাজনৈতিকভাবেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মধ্যপ্রদেশে বড় সংখ্যক আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে এবং তাঁদের নিজস্ব সামাজিক রীতি ও প্রথা রয়েছে।

ফলে UCC কার্যকর করার সময় আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রথাগত অধিকার এবং সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

### কংগ্রেসের প্রবল বিরোধিতা

বিধানসভায় UCC বিল পেশ হওয়ার পর থেকেই কংগ্রেস তার বিরোধিতা করে আসছে। বিরোধী দলের দাবি, এত গুরুত্বপূর্ণ আইন তৈরির আগে বৃহত্তর জনপরামর্শ এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সঙ্গে আলোচনা প্রয়োজন।

কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিলটির বিভিন্ন বিধান নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিশেষ করে আদিবাসী সমাজ, ব্যক্তিগত স্বাধীনতা এবং ধর্মীয় রীতিনীতি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধীদের আপত্তি রয়েছে। 

অন্যদিকে বিজেপি সরকারের বক্তব্য, অভিন্ন আইন চালু করার মাধ্যমে নাগরিকদের মধ্যে আইনি বৈষম্য কমানো সম্ভব হবে।

### বিজেপি শাসিত রাজ্যে UCC-এর বিস্তার

মধ্যপ্রদেশের সিদ্ধান্ত জাতীয় রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ। উত্তরাখণ্ড ইতিমধ্যেই UCC কার্যকর করেছে। এরপর বিজেপি শাসিত আরও কয়েকটি রাজ্য একই পথে এগিয়েছে। মধ্যপ্রদেশ এবার সেই তালিকায় গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। 

সাম্প্রতিক সময়ে রাজস্থানেও UCC আনার উদ্যোগ ঘোষণা হয়েছে। রাজস্থান সরকার বিধানসভায় UCC বিল আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ফলে বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি একটি বড় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ইস্যুতে পরিণত হচ্ছে। 

এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রদেশের UCC কার্যকরের ঘোষণা আগামী দিনে অন্যান্য রাজ্যের ক্ষেত্রেও রাজনৈতিক প্রভাব ফেলতে পারে।

### মহিলাদের অধিকারকে গুরুত্ব দেওয়ার দাবি

মোহন যাদব UCC-এর অন্যতম বড় সুবিধা হিসেবে মহিলাদের অধিকার সুরক্ষার বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তাঁর বক্তব্য, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি মহিলাদের উপর চলা অন্যায় ও বৈষম্যমূলক প্রথার অবসান ঘটাতে সাহায্য করবে।

বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ এবং পারিবারিক অধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে একই ধরনের আইনি কাঠামো তৈরি হলে মহিলাদের অধিকার আরও সুস্পষ্ট হতে পারে বলে সরকারের দাবি।

তবে এর বাস্তব প্রভাব কতটা হবে, তা নির্ভর করবে আইনের নির্দিষ্ট বিধান এবং তার প্রয়োগের উপর।

### সংবিধানের ৪৪ নম্বর অনুচ্ছেদের প্রসঙ্গ

ভারতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধির ধারণা সংবিধানের ৪৪ নম্বর অনুচ্ছেদের সঙ্গে যুক্ত। এই অনুচ্ছেদে সারা দেশে নাগরিকদের জন্য অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিশ্চিত করার বিষয়ে রাষ্ট্রকে উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

মধ্যপ্রদেশ সরকারও UCC-কে সংবিধানের মূল চেতনার সঙ্গে যুক্ত করছে। স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে মোহন যাদব এই সাংবিধানিক ভাবনার কথাই সামনে আনেন। তাঁর দাবি, সবার জন্য একই আইন কার্যকর করা সামাজিক সমতার ধারণাকে শক্তিশালী করবে। 

### ‘এক দেশ, এক আইন’-এর দিকে এগোনোর দাবি

মোহন যাদবের ঘোষণায় ‘এক দেশ, এক সংবিধান’ ধারণার সঙ্গে UCC-কে যুক্ত করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, নাগরিকদের ব্যক্তিগত দেওয়ানি বিষয়ে আলাদা আলাদা নিয়মের পরিবর্তে অভিন্ন আইন চালু করলে দেশের আইনি কাঠামোয় আরও একরূপতা তৈরি হবে। 

তবে UCC নিয়ে জাতীয় স্তরে দীর্ঘদিন ধরেই মতভেদ রয়েছে। সমর্থকদের দাবি, এটি সমতার দিকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বিরোধীদের বক্তব্য, ভারতের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের মধ্যে ব্যক্তিগত আইনগুলিকে এক আইনে নিয়ে আসার আগে আরও বিস্তৃত আলোচনা প্রয়োজন।

মধ্যপ্রদেশেও এই দুই অবস্থানের সংঘাত আগামী দিনে আরও স্পষ্ট হতে পারে।

### UCC-এর পাশাপাশি নিরাপত্তা ও উন্নয়নের বার্তাও

স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে শুধু UCC নয়, রাজ্যের নিরাপত্তা ও উন্নয়ন নিয়েও একাধিক দাবি করেন মোহন যাদব। তিনি জানান, মধ্যপ্রদেশ নকশালমুক্ত হয়েছে এবং এই সাফল্যের জন্য পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের শ্রদ্ধা জানান।

এছাড়াও স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, কৃষি, কর্মসংস্থান এবং মহিলাদের আর্থিক ক্ষমতায়নের মতো বিষয় নিয়েও বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে রাজ্যের বাজেটের আকার ৪.৩৮ লক্ষ কোটি টাকা হয়েছে বলেও তিনি জানান। 

রাজ্যে চিকিৎসক নিয়োগের প্রসঙ্গও উঠে আসে। গত তিন মাসে ১,০০০ জন চিকিৎসক নিয়োগ হয়েছে এবং পরবর্তী ছয় মাসে আরও ১,০০০ চিকিৎসক নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে বলে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন। 

### এখন কী অপেক্ষা?

বিধানসভায় বিল পাস হওয়ার পর এখন মূল নজর তার কার্যকর হওয়ার প্রক্রিয়ার দিকে। মুখ্যমন্ত্রী স্বাধীনতা দিবসে দ্রুত UCC বাস্তবায়নের কথা জানিয়েছেন। ফলে প্রশাসনিক স্তরে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি এবং পরবর্তী আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া দ্রুত এগোনোর সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে আইন কার্যকর হওয়ার পরই তার বাস্তব প্রভাব স্পষ্ট হবে। বিবাহ, বিচ্ছেদ, লিভ-ইন সম্পর্ক এবং অন্যান্য দেওয়ানি বিষয়ে নতুন নিয়ম কীভাবে প্রয়োগ করা হবে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই নানা প্রশ্ন রয়েছে।

একইসঙ্গে আদালতে এই আইনের বিভিন্ন বিধান চ্যালেঞ্জ করা হলে তার আইনি পরিণতিও নজরে থাকবে।

### জাতীয় রাজনীতিতে বাড়বে UCC বিতর্ক?

মধ্যপ্রদেশে UCC কার্যকর করার ঘোষণা নিঃসন্দেহে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে এই ইস্যুকে সামনে নিয়ে এসেছে। ইতিমধ্যেই উত্তরাখণ্ডে UCC কার্যকর হওয়ার পর অন্যান্য বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিও একই পথে হাঁটছে। রাজস্থানের সাম্প্রতিক উদ্যোগ সেই প্রবণতাকে আরও স্পষ্ট করেছে। 

ফলে UCC আগামী দিনে শুধু একটি রাজ্যের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে থাকবে না; এটি জাতীয় রাজনৈতিক বিতর্কের অন্যতম বড় বিষয় হয়ে উঠতে পারে।

সব মিলিয়ে, স্বাধীনতা দিবসে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের UCC কার্যকরের ঘোষণা রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ মোড়। বিধানসভায় ইতিমধ্যেই বিল পাস হয়ে যাওয়ায় এবার বাস্তবায়নের দিকেই নজর। বহুবিবাহ নিষিদ্ধ করা, বিবাহ ও বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রে অভিন্ন নিয়ম এবং লিভ-ইন সম্পর্কের বাধ্যতামূলক নিবন্ধনের মতো বিধান এই আইনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক। একইসঙ্গে আদিবাসী সম্প্রদায়কে আইনের আওতার বাইরে রাখার সিদ্ধান্তও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। 

মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন, UCC বৈষম্য কমাবে, সামাজিক সম্প্রীতি বাড়াবে এবং মহিলাদের অন্যায় থেকে সুরক্ষা দেবে। অন্যদিকে কংগ্রেসসহ বিরোধীদের আপত্তি এখনও বহাল। ফলে আইন কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এর সামাজিক, রাজনৈতিক এবং আইনি প্রভাব নিয়ে বিতর্ক আরও বাড়ার সম্ভাবনাই বেশি।

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

ঔরঙ্গজেবের আমলের ৩৩৪ বছরের বনেদি পুজোর অমলিন ঐতিহ্য

পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজোর ইতিহাসে বনেদি পুজোর আলাদা মর্যাদা রয়েছে। সেই ঐতিহ্যের অন্যতম উজ্জ্বল অধ্যায় পূর্ব বর্ধমানের পানাগড়ের সোঁয়াই গ্রামের মুখোপাধ্যায় পরিবারের দুর্গাপুজো। এ বছর এই পুজো ৩৩৪ বছরে পা দিয়েছে। শুধু প্রাচীনত্ব নয়, এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে স্বপ্নাদেশ, বর্ধমানের...

বাংলায় পথচলা শুরু বিজয় থলপতির টিভিকের নতুন অধ্যায়

তামিলনাড়ুতে রাজনৈতিক সাফল্যের পর এবার পশ্চিমবঙ্গে সাংগঠনিক বিস্তার শুরু করল বিজয় থলপতি-র দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগম (TVK)। পূর্ব বর্ধমান জেলার ফাগুপুরে দলের প্রথম কার্যালয় খোলার মাধ্যমে বাংলায় আনুষ্ঠানিকভাবে পথচলা শুরু হয়েছে। এই পদক্ষেপের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—তাহলে...

সন্ত্রাসে শীর্ষে পাকিস্তান, হাক্কানির বিস্ফোরক আত্মসমালোচনা ভাইরাল

সন্ত্রাসবাদে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় পাকিস্তানের শীর্ষে উঠে আসার দাবি ঘিরে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (IEP)-এর প্রকাশিত Global Terrorism Index 2026-এর তথ্য সামনে আসার পর পাকিস্তানের প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত হুসেন হাক্কানি ইসলামাবাদের দীর্ঘদিনের...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.