ভারতীয় নৌবাহিনীর সামুদ্রিক নজরদারি ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করতে আমেরিকার কাছ থেকে **দুটি MQ-9B Sea Guardian drone lease-এ নেওয়ার চুক্তি** করেছে ভারত। সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক মার্কিন সংস্থা General Atomics Aeronautical Systems Inc. (GA-ASI)-এর সঙ্গে প্রায় **₹১,৯৪৩ কোটি টাকার** একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই দুই অত্যাধুনিক High-Altitude Long-Endurance বা HALE Remotely Piloted Aircraft System আগামী ৩০ মাস ভারতীয় নৌবাহিনীর কাজে ব্যবহার করা হবে।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এটি সরাসরি aircraft কেনার চুক্তি নয়। ভারত আপাতত দুটি MQ-9B Sea Guardian **lease বা ভাড়ায়** নিচ্ছে। এর মূল উদ্দেশ্য হল ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে দীর্ঘ সময় ধরে নজরদারি চালানোর ক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো। বিশেষ করে বিশাল সমুদ্রসীমায় intelligence, surveillance and reconnaissance বা ISR capability শক্তিশালী করতেই এই পদক্ষেপ বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে।
## ₹১,৯৪৩ কোটির চুক্তিতে কী পেল ভারত?
প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সঙ্গে General Atomics-এর এই চুক্তির আর্থিক মূল্য প্রায় **₹১,৯৪৩ কোটি**, যা মার্কিন মুদ্রায় প্রায় ২০৩ মিলিয়ন ডলারের সমান। চুক্তিটির মেয়াদ ৩০ মাস। এই সময়ের মধ্যে দুটি MQ-9B Sea Guardian ভারতীয় নৌবাহিনী ব্যবহার করবে।
নৌবাহিনীর জন্য এই aircraft-এর মূল গুরুত্ব হল দীর্ঘক্ষণ আকাশে থেকে বিস্তীর্ণ সমুদ্রাঞ্চল পর্যবেক্ষণ করা। সাধারণ manned aircraft-এর ক্ষেত্রে pilot, crew এবং অন্যান্য operational limitations থাকে। কিন্তু MQ-9B-এর মতো remotely piloted system দীর্ঘ সময় ধরে surveillance mission পরিচালনা করতে পারে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বক্তব্য অনুযায়ী, এই drone-গুলিতে advanced systems, sophisticated sensors এবং বিভিন্ন ধরনের payload থাকবে। ফলে ভারত মহাসাগরের বিস্তীর্ণ এলাকায় দীর্ঘসময় ধরে নজরদারি চালানো সম্ভব হবে।
## MQ-9B Sea Guardian আসলে কী?
**MQ-9B Sea Guardian** হল General Atomics-এর তৈরি একটি High-Altitude Long-Endurance বা HALE remotely piloted aircraft system। সহজ ভাষায় এটি এমন একটি অত্যাধুনিক drone, যা অনেক উঁচুতে উঠে দীর্ঘ সময় ধরে আকাশে থাকতে পারে এবং নিচের বিস্তীর্ণ এলাকা পর্যবেক্ষণ করতে পারে।
এর সবচেয়ে বড় শক্তি হল endurance এবং surveillance capability। দীর্ঘসময় airborne থেকে এটি সমুদ্রের উপর জাহাজ, চলাচল এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ activity সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহে সাহায্য করতে পারে।
ভারতীয় নৌবাহিনীর মতো একটি force-এর জন্য এই ধরনের platform অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিশাল অংশকে নিয়মিত নজরদারির মধ্যে রাখতে হলে শুধু যুদ্ধজাহাজ বা manned aircraft-এর উপর নির্ভর করা যথেষ্ট নয়।
MQ-9B-এর মতো unmanned platform সেই surveillance network-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠতে পারে।
## কেন ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ?
ভারতের maritime security-এর ক্ষেত্রে ভারত মহাসাগর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের বাণিজ্যের একটি বড় অংশ সমুদ্রপথে নির্ভরশীল। পাশাপাশি Indian Ocean Region বা IOR-এ বিভিন্ন দেশের যুদ্ধজাহাজ, submarine এবং commercial vessels-এর উপস্থিতিও রয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে সমুদ্রের উপর কী ঘটছে, তা দ্রুত জানতে পারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনও সন্দেহজনক vessel কোথায় যাচ্ছে, কোনও naval formation কীভাবে চলাচল করছে কিংবা কোনও গুরুত্বপূর্ণ maritime route-এ কী ধরনের activity হচ্ছে—এসব সম্পর্কে real-time বা near-real-time information পাওয়া strategic decision-making-এর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
MQ-9B Sea Guardian-এর মতো aircraft সেই **Maritime Domain Awareness** বাড়াতে সাহায্য করবে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকও জানিয়েছে, এই systems-এর মাধ্যমে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বিস্তীর্ণ maritime domain-এর উপর persistent ISR coverage তৈরি করা সম্ভব হবে।
## একটানা নজরদারি চালানোর ক্ষমতা
এই চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল **persistent surveillance**। অর্থাৎ কোনও নির্দিষ্ট এলাকার উপর দীর্ঘ সময় ধরে নজরদারি চালানোর ক্ষমতা।
একটি যুদ্ধজাহাজকে নির্দিষ্ট জায়গায় পাঠালে সেটি fuel, crew fatigue এবং অন্যান্য operational limitation-এর মুখোমুখি হয়। একইভাবে manned surveillance aircraft-ও নির্দিষ্ট সময় পর base-এ ফিরে আসতে বাধ্য হয়।
কিন্তু HALE drone-এর endurance বেশি হওয়ায় দীর্ঘ সময় ধরে একটি নির্দিষ্ট maritime zone পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়। ফলে Navy কোনও অঞ্চলের উপর আরও continuous picture তৈরি করতে পারে।
এই capability বিশেষ করে ভারত মহাসাগরের মতো বিশাল maritime theatre-এর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
## Intelligence, Surveillance এবং Reconnaissance-এ বড় boost
MQ-9B Sea Guardian মূলত ISR mission-এর জন্য অত্যন্ত কার্যকর। ISR-এর অর্থ হল **Intelligence, Surveillance and Reconnaissance**।
Intelligence-এর মাধ্যমে সংগৃহীত তথ্য বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য threat সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। Surveillance-এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট area বা target-এর উপর নজর রাখা হয়। আর reconnaissance-এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট কোনও জায়গা বা activity সম্পর্কে detailed information সংগ্রহ করা হয়।
এই তিনটি capability একসঙ্গে থাকলে Navy-এর situational awareness অনেকটাই বাড়তে পারে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রকও জানিয়েছে, নতুন MQ-9B systems বিশাল maritime area জুড়ে sustained ISR coverage দিতে পারবে। ফলে কোনও গুরুত্বপূর্ণ development হলে সেটি দ্রুত detect এবং analyse করার সুযোগ বাড়বে।
## শুধু নজরদারি নয়, আরও অনেক কাজ
MQ-9B platform-এর গুরুত্ব শুধু camera বা surveillance sensor-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এই ধরনের aircraft বিভিন্ন advanced sensor এবং payload বহন করতে পারে।
ফলে একটি নির্দিষ্ট maritime area সম্পর্কে বিভিন্ন ধরনের তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়। Intelligence gathering-এর ক্ষেত্রে sensor fusion এবং দীর্ঘসময় surveillance চালানোর ক্ষমতা একটি বড় advantage।
তবে এই নতুন lease-এর ক্ষেত্রে ঠিক কী ধরনের sensor configuration বা payload ব্যবহার করা হবে, তার সম্পূর্ণ বিবরণ সরকার প্রকাশ করেনি। একইভাবে এই leased aircraft-গুলি armed configuration-এ থাকবে কি না, সে বিষয়েও সরকারি চুক্তির ঘোষণায় বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
তাই এই মুহূর্তে মূল focus হচ্ছে surveillance এবং maritime domain awareness-এর উপর।
## ভারত আগে থেকেই MQ-9B ব্যবহার করেছে
এটি ভারতের জন্য MQ-9B platform-এর সঙ্গে প্রথম পরিচয় নয়। ভারতীয় নৌবাহিনী এর আগেও General Atomics-এর কাছ থেকে দুটি MQ-9B Sea Guardian lease-এ নিয়েছিল।
২০২০ সালে ভারতীয় নৌবাহিনী Indian Ocean surveillance-এর জন্য দুটি MQ-9B Sea Guardian lease-এ নেয়। পরে সেই lease period বাড়ানো হয়েছিল।
অর্থাৎ নতুন দুটি aircraft-এর ক্ষেত্রে ভারত এমন একটি platform ব্যবহার করছে, যার operational experience ইতিমধ্যেই Navy-এর রয়েছে।
এই prior experience নতুন systems দ্রুত operationalise করার ক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারে।
## ২০২৪ সালের বড় MQ-9B Deal-এর সঙ্গে সম্পর্ক
ভারত ইতিমধ্যেই আমেরিকার কাছ থেকে আরও বড় সংখ্যায় MQ-9B সংগ্রহের জন্য চুক্তি করেছে। ২০২৪ সালে ভারত ও আমেরিকা **৩১টি MQ-9B aircraft** সংগ্রহের জন্য একটি বড় deal স্বাক্ষর করে।
এই ৩১টির মধ্যে **১৫টি Sea Guardian ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য**, আর ১৬টি Sky Guardian ভারতীয় Army ও Air Force-এর জন্য নির্ধারিত।
অর্থাৎ নতুন ৩০ মাসের lease deal-টি সেই বৃহত্তর MQ-9B acquisition programme থেকে আলাদা। বর্তমান lease-এর মাধ্যমে Navy দ্রুত surveillance capability পাবে, যখন বৃহত্তর procurement programme-এর aircraft-গুলির delivery এবং induction প্রক্রিয়া এগিয়ে চলবে।
এটি ভারতের জন্য একটি practical approach হিসেবেও দেখা যেতে পারে।
## কেন কিনে না নিয়ে Lease?
এই প্রশ্নটিই স্বাভাবিকভাবে উঠছে। যদি ভারত ইতিমধ্যেই MQ-9B কিনছে, তাহলে আবার দুটি aircraft lease নেওয়ার প্রয়োজন কী?
এর একটি বড় কারণ হল **সময়**। নতুন military platform কেনার ক্ষেত্রে contract, production, testing, delivery এবং induction—সব মিলিয়ে বেশ কয়েক বছর সময় লাগতে পারে।
কিন্তু lease arrangement-এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় capability তুলনামূলক দ্রুত operationalise করা সম্ভব।
অর্থাৎ Navy এখনই additional surveillance assets ব্যবহার করতে পারবে, যখন দীর্ঘমেয়াদি procurement-এর aircraft delivery-এর জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
বর্তমান চুক্তিটির মেয়াদ ৩০ মাস হওয়ায় এটিকে একটি interim capability enhancement হিসেবেও দেখা যায়।
## China Factor কতটা গুরুত্বপূর্ণ?
ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে China-এর naval presence গত কয়েক বছরে ভারতের strategic calculations-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। Indian Ocean-এ Chinese naval vessels এবং submarine activity নিয়ে ভারত নিয়মিত নজর রাখে।
তাই maritime surveillance capability বাড়ানো শুধু piracy বা illegal activity monitoring-এর জন্য নয়, broader strategic security-এর জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
তবে বর্তমান চুক্তির সরকারি ঘোষণায় কোনও নির্দিষ্ট দেশকে target হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক মূলত Indian Ocean Region জুড়ে **maritime domain awareness এবং persistent ISR coverage** বাড়ানোর কথাই জানিয়েছে।
অর্থাৎ China-related strategic considerations থাকতে পারে, কিন্তু চুক্তিটির সরকারি উদ্দেশ্যকে শুধুমাত্র China monitoring হিসেবে ব্যাখ্যা করা ঠিক হবে না।
## ভারত-মার্কিন Defence Partnership আরও শক্তিশালী
এই চুক্তি ভারত এবং আমেরিকার ক্রমবর্ধমান defence cooperation-এর আরেকটি উদাহরণ।
গত কয়েক বছরে ভারত মার্কিন defence technology এবং military platforms-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্রেতা হয়ে উঠেছে। MQ-9B programme তার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
২০২৩ সালে ভারতের Defence Acquisition Council ৩১টি MQ-9B acquisition-এর জন্য Acceptance of Necessity বা AoN অনুমোদন করেছিল। তখন ১৬টি Sky Guardian এবং ১৫টি Sea Guardian-এর পরিকল্পনা ছিল।
পরবর্তীতে procurement process এগিয়ে গিয়ে ২০২৪ সালে ৩১টি aircraft-এর deal স্বাক্ষরিত হয়।
এখন আবার দুটি Sea Guardian lease নেওয়া দেখাচ্ছে যে ভারতীয় Navy এই technology-র operational value-কে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে।
## ভারতের Maritime Surveillance আরও শক্তিশালী হবে
ভারতের maritime security strategy-তে aircraft carrier, destroyer, frigate, submarine এবং maritime patrol aircraft-এর পাশাপাশি unmanned systems-এর গুরুত্ব দ্রুত বাড়ছে।
একটি unmanned platform-এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, এটি human crew-কে সরাসরি ঝুঁকির মধ্যে না রেখেও দীর্ঘসময় surveillance mission পরিচালনা করতে পারে।
যে কোনও potential threat detect করার পর information Navy-এর command structure-এ পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী manned aircraft, warship বা অন্য কোনও platform ব্যবহার করে further action নেওয়া যেতে পারে।
এইভাবে MQ-9B মূলত একটি **force multiplier** হিসেবে কাজ করতে পারে।
## তবে চ্যালেঞ্জও রয়েছে
MQ-9B অত্যাধুনিক হলেও এটি কোনও magic solution নয়। বিস্তীর্ণ maritime area monitor করার জন্য aircraft-এর পাশাপাশি reliable communication links, satellite connectivity, trained operators এবং strong data-analysis infrastructure প্রয়োজন।
একইসঙ্গে aircraft maintenance এবং availability-ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ভারত এর আগেও leased MQ-9B-এর একটি technical incident-এর মুখোমুখি হয়েছিল। ২০২৪ সালে INS Rajali থেকে পরিচালিত একটি leased MQ-9B routine surveillance mission-এর সময় technical failure-এর পরে সমুদ্রে controlled ditching করেছিল বলে Indian Navy জানিয়েছিল।
এই ধরনের ঘটনা দেখায় যে sophisticated unmanned platform পরিচালনার ক্ষেত্রেও maintenance, training এবং technical support অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
## আগামী ৩০ মাসে কী হবে?
নতুন চুক্তির অধীনে দুটি MQ-9B Sea Guardian **৩০ মাস** ভারতীয় নৌবাহিনীর ব্যবহারে থাকবে। এই সময়ে Navy ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে surveillance coverage আরও শক্তিশালী করতে পারবে।
এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ কারণ বৃহত্তর ৩১-aircraft MQ-9B procurement programme-এর aircraft-গুলি ধাপে ধাপে পরিষেবায় যুক্ত হবে।
ফলে বর্তমান lease arrangement একটি bridge capability তৈরি করতে পারে—অর্থাৎ দীর্ঘমেয়াদি procurement-এর আগে এবং তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে Navy-এর immediate surveillance requirement পূরণ করা।
## ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য বড় Strategic Boost
সব মিলিয়ে, দুটি MQ-9B Sea Guardian lease করার ₹১,৯৪৩ কোটি টাকার চুক্তি ভারতীয় নৌবাহিনীর maritime surveillance capability বৃদ্ধির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
এর মাধ্যমে Navy আরও দীর্ঘ সময় ধরে বিস্তীর্ণ সমুদ্রাঞ্চলের উপর নজর রাখতে পারবে। Advanced sensors এবং sophisticated payload-এর সাহায্যে intelligence gathering, surveillance এবং reconnaissance capability বাড়বে।
বিশেষ করে Indian Ocean Region-এর strategic importance ক্রমশ বাড়তে থাকায় এই ধরনের long-endurance unmanned systems ভবিষ্যতের naval operations-এ আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
তবে মনে রাখতে হবে, **ভারত এই দুই MQ-9B Sea Guardian কিনছে না, ৩০ মাসের জন্য lease-এ নিচ্ছে**। পাশাপাশি ৩১টি MQ-9B-এর বৃহত্তর procurement programme আলাদাভাবে চলছে। ফলে বর্তমান চুক্তিকে Navy-এর immediate surveillance requirement পূরণের একটি দ্রুত পদক্ষেপ হিসেবে দেখা যেতে পারে।
ভারত মহাসাগরে নিজের maritime domain awareness বাড়াতে এবং সমুদ্রপথে যে কোনও গুরুত্বপূর্ণ activity সম্পর্কে দ্রুত তথ্য পেতে এই দুই Sea Guardian আগামী দিনগুলিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।


