Monday, August 24, 2026

Creating liberating content

ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন...

ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও অর্থনীতিতে ফের বড়সড় চাপ তৈরি হল।...

পুতিনের সঙ্গে জয়শঙ্করের বৈঠক,...

মস্কোয় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।...

২০২৭-এ সেনার হাতে দেশীয়...

ভারতের প্রতিরক্ষা উৎপাদনে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক তৈরি হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের আমেঠিতে তৈরি হয়েছে...

ক্রীড়া দিবসে তরুণদের সঙ্গে...

জাতীয় ক্রীড়া দিবসকে সামনে রেখে দেশের তরুণ প্রজন্ম এবং উঠতি ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে সরাসরি...
Homeবাংলাপ্রতিশ্রুতি পূরণ না...

প্রতিশ্রুতি পূরণ না হলে ফের আন্দোলন, হুঁশিয়ারি CJP-র

কেন্দ্রের দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ না হলে ফের বড়সড় আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিল ককরোচ জনতা পার্টি বা CJP। গত কয়েক মাস ধরে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, পরীক্ষায় অনিয়ম এবং NEET-সহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাকে ঘিরে সরব হওয়া এই সংগঠন জানিয়েছে, আন্দোলন আপাতত প্রত্যাহার করা হলেও তাদের দাবি পূরণ না হলে ফের রাস্তায় নামবেন পড়ুয়া ও তরুণরা। রবিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এমনই বার্তা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। 

সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, কেন্দ্রের একাধিক প্রতিশ্রুতির পরেই যন্তর মন্তরের আন্দোলন প্রত্যাহার করা হয়েছিল। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতিগুলি বাস্তবে কতটা কার্যকর হয়েছে, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন তুলেছে CJP। বিশেষ করে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া FIR প্রত্যাহার এবং NEET সংক্রান্ত অনিয়মে ক্ষতিগ্রস্ত বা আত্মঘাতী পরীক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণের বিষয়টি সামনে এনেছে সংগঠনটি। 

## ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি CJP-র

ককরোচ জনতা পার্টির দাবি, শান্তিপূর্ণ আন্দোলন শেষ করার আগে সরকার তরুণ সমাজের সামনে বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি রেখেছিল। সেই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতেই যন্তর মন্তরের প্রতিবাদ কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। কিন্তু এখন তাদের অভিযোগ, আন্দোলন শেষ হওয়ার পরও প্রতিশ্রুতিগুলির পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়নি।

রবিবারের বিবৃতিতে সংগঠনটি জানিয়েছে, সরকার যদি প্রতিশ্রুতি পূরণ না করে, তাহলে তারা ফের আন্দোলনে নামবে। পরবর্তী কর্মসূচি কী হবে, তা সোমবার ঘোষণা করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

এর পাশাপাশি সারা দেশের পড়ুয়া, তরুণ নাগরিক, সমর্থক এবং সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকদের ২৪ আগস্টের পরবর্তী পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

## কী নিয়ে প্রথম আন্দোলন?

ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের অন্যতম বড় বিষয় ছিল পরীক্ষাব্যবস্থায় অনিয়মের অভিযোগ। NEET-সহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংগঠনটি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলন শুরু করেছিল।

জুনে যন্তর মন্তরে CJP-র বড় জমায়েতে ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক এবং তরুণ পেশাজীবীদেরও দেখা গিয়েছিল। আন্দোলনকারীদের একাংশ ককরোচের মুখোশ পরে এবং হাতে ফুল, বই ও অন্যান্য প্রতীকী সামগ্রী নিয়ে বিক্ষোভে অংশ নেন। 

এই অভিনব প্রতিবাদ দ্রুত জাতীয় স্তরে আলোচনায় আসে। অনলাইন মাধ্যমে শুরু হওয়া একটি ব্যঙ্গাত্মক আন্দোলন কীভাবে বাস্তব রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিবাদে পরিণত হল, তা নিয়েও বিস্তর আলোচনা হয়।

## আন্দোলনে উঠেছিল শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি

যন্তর মন্তরের আন্দোলনের সময় ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। পরীক্ষায় অনিয়ম এবং পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই দাবি করা হয়েছিল। 

প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছিল। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দেখা করেছিলেন শিক্ষাবিদ ও পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুকও। তাঁর উপস্থিতি আন্দোলনের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দেয়।

## কী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কেন্দ্র?

CJP-র সাম্প্রতিক বিবৃতি অনুযায়ী, আন্দোলন প্রত্যাহারের আগে কেন্দ্রের তরফে কয়েকটি বিষয়ে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে অন্যতম ছিল আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া FIR প্রত্যাহার এবং পরীক্ষায় অনিয়মের কারণে আত্মঘাতী পরীক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ।

সংগঠনের অভিযোগ, এখনও পর্যন্ত সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়নি। বিশেষ করে FIR প্রত্যাহারের প্রক্রিয়ায় আদালতের পক্ষ থেকে আন্দোলনকারীদের তালিকা চাওয়া হলেও সেই তালিকা এখনও দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেছে CJP। 

এই বিষয়টিকেই এখন নতুন করে সামনে আনছে সংগঠনটি।

## আত্মঘাতী পরীক্ষার্থীদের পরিবারের ক্ষতিপূরণ নিয়ে প্রশ্ন

পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগের পাশাপাশি আত্মঘাতী পরীক্ষার্থীদের পরিবারের আর্থিক পরিস্থিতিও আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছিল।

CJP-র বক্তব্য, NEET-সহ বিভিন্ন পরীক্ষাকে ঘিরে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা এবং অভিযোগের প্রভাব বহু পড়ুয়ার জীবনে পড়েছে। তাঁদের মধ্যে যাঁরা চরম পদক্ষেপ করেছেন, তাঁদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও সেই প্রতিশ্রুতি এখনও সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হয়নি বলে অভিযোগ সংগঠনের। 

তাই সরকারকে প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে তারা।

## FIR প্রত্যাহার নিয়েও ক্ষোভ

আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া FIR প্রত্যাহার নিয়েও CJP প্রশ্ন তুলেছে। সংগঠনের বক্তব্য অনুযায়ী, এই সংক্রান্ত প্রক্রিয়ার জন্য আদালত কেন্দ্রের কাছে আন্দোলনকারীদের তালিকা চেয়েছিল। কিন্তু সেই তালিকা দেওয়া হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে।

ফলে আন্দোলনের সময় যাঁদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল, তাঁদের আইনি পরিস্থিতি এখনও পুরোপুরি পরিষ্কার নয় বলে CJP-র অভিযোগ।

এই বিষয়টির দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

## ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের প্রসঙ্গ

CJP তাদের বিবৃতিতে দাবি করেছে, তাদের প্রতিবাদের ফলে ধর্মেন্দ্র প্রধান শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে কোনও সিদ্ধান্ত বা রাজনৈতিক পরিবর্তনকে শুধুমাত্র একটি সংগঠনের আন্দোলনের ফল হিসেবে দেখার ক্ষেত্রে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট সরকারি অবস্থান বিবেচনা করা প্রয়োজন।

CJP অবশ্য নিজেদের আন্দোলনের সাফল্যের অন্যতম দৃষ্টান্ত হিসেবে বিষয়টি তুলে ধরেছে। 

এখন তাদের বক্তব্য, একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি পূরণ হলেও বাকি প্রতিশ্রুতিগুলি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা আন্দোলনের পথ থেকে সরে দাঁড়াবেন না।

## ২৪ আগস্টের দিকে নজর

ককরোচ জনতা পার্টি জানিয়েছে, ২৪ আগস্টের পরবর্তী পরিস্থিতির জন্য যুবসমাজকে প্রস্তুত থাকতে হবে। সোমবার নতুন কর্মসূচির ঘোষণা হতে পারে বলে সংগঠনটি জানিয়েছে। 

এর ফলে নতুন করে দিল্লিতে বা দেশের অন্যত্র আন্দোলন শুরু হয় কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

তবে আন্দোলনের ধরন, স্থান এবং সময় সম্পর্কে সংগঠনের পরবর্তী ঘোষণার দিকেই এখন নজর থাকবে।

## সরকারি স্কুল নিয়েও সরব CJP

শুধু প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা নয়, দেশের সরকারি স্কুলগুলির পরিকাঠামো ও শিক্ষাব্যবস্থা নিয়েও ককরোচ জনতা পার্টি মাঠে নেমেছে।

প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন রাজ্যের সরকারি স্কুল পরিদর্শন করছেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং আশুতোষ রাঙ্কারা। তাঁদের দাবি, দেশের সরকারি স্কুলগুলির বাস্তব পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে সমস্যাগুলি সামনে আনা প্রয়োজন। 

এই স্কুল পরিদর্শন নিয়েও অবশ্য বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

## মহারাষ্ট্রে CJP প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে FIR

সরকারি স্কুল পরিদর্শনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে মহারাষ্ট্রের আউসা থানায় CJP-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের বিরুদ্ধে FIR দায়ের হয়েছে বলে সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ, অনুমতি না নিয়েই তিনি স্কুল চত্বরে প্রবেশ করেছিলেন। 

এই ঘটনায় CJP-র আন্দোলনের সঙ্গে প্রশাসনের সংঘাত আরও একটি নতুন মাত্রা পেয়েছে।

সংগঠনের পক্ষ থেকে অবশ্য সরকারি স্কুলগুলির বাস্তব পরিস্থিতি মানুষের সামনে তুলে ধরার প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হচ্ছে।

## অনলাইন আন্দোলন থেকে রাস্তায়

ককরোচ জনতা পার্টির বিশেষত্ব হল, এর উত্থান মূলত সোশ্যাল মিডিয়াকে কেন্দ্র করে। একটি ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন প্রচার ধীরে ধীরে পড়ুয়া এবং তরুণদের মধ্যে সংগঠিত আন্দোলনের রূপ নেয়।

জুনে যন্তর মন্তরের বিক্ষোভে বহু ছাত্র, অভিভাবক ও তরুণ পেশাজীবী অংশ নিয়েছিলেন। India Today-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এটি CJP-র প্রথম বড় মাপের রাস্তায় নামা আন্দোলনগুলির মধ্যে অন্যতম ছিল। 

এই আন্দোলনের অভিনব প্রতীকী ভাষাও মানুষের নজর কেড়েছিল।

## ‘ককরোচ’ নামের পিছনে কী?

সংগঠনের নাম এবং আন্দোলনের প্রতীক হিসেবে ককরোচ বা আরশোলা ব্যবহারের বিষয়টি প্রথম থেকেই আলোচনায় এসেছে। প্রতিবাদকারীদের একাংশ ককরোচের মুখোশ পরে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন।

এই প্রতীক ব্যবহার করে আন্দোলনকারীরা নিজেদের প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও টিকে থাকার শক্তির সঙ্গে তুলনা করেছেন। ফলে সংগঠনটি খুব দ্রুত সামাজিক মাধ্যমে আলাদা পরিচিতি তৈরি করে।

## আন্দোলনে সোনম ওয়াংচুকের উপস্থিতি

যন্তর মন্তরের আন্দোলনে শিক্ষাবিদ ও পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুকের উপস্থিতি বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছিল। তাঁর উপস্থিতির পর আন্দোলনস্থলে জমায়েত হওয়া মানুষের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছিল বলে India Today-এর মাঠ-রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। 

এতে CJP-র আন্দোলন আরও বেশি জনদৃষ্টি আকর্ষণ করে।

## আন্দোলনের রাজনৈতিক প্রভাব

CJP-র আন্দোলন শুধু শিক্ষা বা পরীক্ষার প্রশ্নে সীমাবদ্ধ থাকেনি। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে যুবসমাজের প্রত্যাশা, চাকরি ও পরীক্ষাব্যবস্থার স্বচ্ছতা এবং প্রশাসনিক জবাবদিহির মতো বিষয়ও সামনে এসেছে।

গত কয়েক মাসে পরীক্ষায় অনিয়ম নিয়ে দেশজুড়ে যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে, CJP সেই অসন্তোষকে সংগঠিত প্রতিবাদের রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছে।

এই কারণেই সংগঠনটির পরবর্তী কর্মসূচি রাজনৈতিক মহলেও নজর কাড়তে পারে।

## বিরোধীদের সমর্থন ও বিতর্ক

আন্দোলনের সময় বিভিন্ন মহল থেকে CJP-কে সমর্থন জানানো হলেও সংগঠনটির রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু সম্প্রতি CJP-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে নিয়ে রাজনৈতিক মন্তব্য করেছিলেন এবং তাঁকে আম আদমি পার্টির কর্মী বলে অভিযোগ করেছিলেন। 

তবে এই অভিযোগ রাজনৈতিক বক্তব্যের অংশ এবং তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির নিজস্ব অবস্থান রয়েছে।

অন্যদিকে, অভিনেতা সুরেশ ওবেরয়ও CJP-র আন্দোলনে সেলিব্রিটিদের সমর্থন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। 

ফলে আন্দোলনের পাশাপাশি সংগঠনটির রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

## শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের বার্তা

CJP-র আগের আন্দোলনে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল। যন্তর মন্তরে আন্দোলনের আগে সংগঠনের পক্ষ থেকে সমর্থকদের শৃঙ্খলা বজায় রাখার আবেদন করা হয়েছিল। 

পরবর্তী আন্দোলন হলে সেই একই ধরনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকে কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে।

কারণ বড় জমায়েতের ক্ষেত্রে প্রশাসনের অনুমতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়গুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

## কেন্দ্রের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ?

CJP-র নতুন হুঁশিয়ারির ফলে কেন্দ্রের সামনে ফের একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক চাপ তৈরি হতে পারে। যদিও সংগঠনটি ঠিক কী কর্মসূচি ঘোষণা করবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

যদি ফের বড় জমায়েত বা দেশজুড়ে আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়, তাহলে শিক্ষা ব্যবস্থা ও পরীক্ষার অনিয়ম নিয়ে চলতে থাকা বিতর্ক আরও তীব্র হতে পারে।

## পড়ুয়াদের দাবির গুরুত্ব

ভারতে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ পড়ুয়া বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নেন। পরীক্ষার ফল, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা এবং মূল্যায়ন পদ্ধতিতে সামান্য অনিয়মও তাঁদের ভবিষ্যতের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

তাই পরীক্ষাব্যবস্থার প্রতি আস্থা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। CJP-র আন্দোলন সেই আস্থার প্রশ্নকেই সামনে এনেছে।

## আন্দোলনের পরবর্তী ধাপ কী?

এখন মূল প্রশ্ন, সোমবার CJP কী ঘোষণা করে। সংগঠনের বিবৃতি অনুযায়ী, পরবর্তী কর্মসূচির ঘোষণা সোমবার হওয়ার কথা। 

আন্দোলন দিল্লিকেন্দ্রিক হবে, নাকি দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে দেওয়া হবে, তা এখনও জানা যায়নি।

তবে সংগঠনটি ইতিমধ্যেই যুবসমাজকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে দিয়েছে।

## শেষ কথা

ককরোচ জনতা পার্টি ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়ে স্পষ্ট করেছে যে কেন্দ্রের দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলি বাস্তবায়িত না হলে তারা ফের রাস্তায় নামতে প্রস্তুত। বিশেষ করে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে FIR প্রত্যাহার এবং পরীক্ষায় অনিয়মের কারণে আত্মঘাতী পরীক্ষার্থীদের পরিবারের ক্ষতিপূরণের বিষয়টি তারা সামনে এনেছে। 

জুনে যন্তর মন্তরে CJP-র আন্দোলন জাতীয় স্তরে নজর কেড়েছিল। পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি এবং তরুণ সমাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ—সব মিলিয়ে আন্দোলনটি বড় আকার নিয়েছিল। 

পরবর্তীতে কেন্দ্রের একাধিক আশ্বাসের ভিত্তিতে আন্দোলন প্রত্যাহার করা হলেও, সংগঠনের দাবি অনুযায়ী সব প্রতিশ্রুতি এখনও পূরণ হয়নি। সেই কারণেই ফের আন্দোলনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

এখন নজর সোমবারের ঘোষণায়। CJP কী ধরনের কর্মসূচি নেয় এবং কেন্দ্রের তরফে সেই বিষয়ে কী প্রতিক্রিয়া আসে, সেটাই আগামী দিনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করুন, বিশ্বকে কড়া বার্তা আমেরিকার

ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও অর্থনীতিতে ফের বড়সড় চাপ তৈরি হল। তেহরানের বিরুদ্ধে এবার আরও কঠোর অর্থনৈতিক পদক্ষেপের পথে হাঁটছে আমেরিকা। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও সংস্থাকে কার্যত সতর্ক করে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে...

পুতিনের সঙ্গে জয়শঙ্করের বৈঠক, মোদির বার্তা পৌঁছল মস্কোয়

মস্কোয় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সোমবার, ২৪ আগস্ট রাশিয়ার রাজধানী মস্কোয় পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। এই বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি ব্যক্তিগত বার্তাও রুশ প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দেন জয়শঙ্কর।...

২০২৭-এ সেনার হাতে দেশীয় ‘শের’, বদলাবে অস্ত্রভাণ্ডার

ভারতের প্রতিরক্ষা উৎপাদনে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক তৈরি হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের আমেঠিতে তৈরি হয়েছে দেশের প্রথম সম্পূর্ণ দেশীয় **AK-203 ‘Sher’ assault rifle**। এই রাইফেলের প্রথম সম্পূর্ণ ভারতীয় উপাদানে তৈরি প্রোটোটাইপ সফলভাবে তৈরি ও পরীক্ষা করা হয়েছে। ফলে ছোট অস্ত্র উৎপাদনে...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.