Saturday, August 15, 2026

Creating liberating content

Devdutt Padikkal or Sai...

India's Devdutt Padikkal celebrates his century during the day one of the...

‘I now know I...

Grandmaster Hikaru Nakamura has explained what happened during his chaotic third-place...

Flashback: What happened when...

Seventeen years after Hyderabad hosted the BWF World Championships, badminton's biggest...

দলীয় পতাকার নিচে জাতীয়...

স্বাধীনতা দিবসের দিন জাতীয় পতাকা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে বিতর্কে জড়াল সিপিএম। উত্তর ২৪...
Homeবাংলাচাকরির খোঁজে বেঙ্গালুরু,...

চাকরির খোঁজে বেঙ্গালুরু, TTP যোগে ধৃত যুবক

উচ্চশিক্ষা শেষ করে চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সরকারি চাকরি পাওয়ার আশায় একাধিক পরীক্ষা দিয়েছিলেন। কিন্তু সাফল্য না আসায় শেষ পর্যন্ত বাড়ি ছেড়ে বেঙ্গালুরুতে গিয়ে নিরাপত্তারক্ষীর কাজ শুরু করেন উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়ার ২৫ বছরের যুবক আশাফুল মালিক। আর সেখানেই জঙ্গি সংগঠন তেহেরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান বা TTP-এর সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগে তাঁর গ্রেপ্তারের খবর পৌঁছল গ্রামের বাড়িতে। ছেলের বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ মানতেই পারছেন না পরিবারের সদস্যরা। মায়ের দাবি, তাঁর ছেলে বরাবরই পড়াশোনায় মনোযোগী ছিলেন এবং চাকরি পাওয়ার জন্য চেষ্টা করছিলেন। 

বেঙ্গালুরুতে নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করার সময় গোপনে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের সন্দেহ। পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পরই বিষয়টি পরিবারের কাছে পৌঁছয়। তবে ঠিক কী অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সেই বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও তথ্য পরিবারের হাতে নেই। ফলে একদিকে পুলিশের তদন্ত, অন্যদিকে পরিবারের অসহায়তা—এই দুইয়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে রয়েছে বাদুড়িয়ার এই পরিবার।

### বিএ পাশের পর চাকরির প্রস্তুতি

পরিবারের বক্তব্য অনুযায়ী, আশাফুল মালিক পড়াশোনায় যথেষ্ট মনোযোগী ছিলেন। গোবরডাঙা কলেজ থেকে বিএ পাশ করার পর তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল চাকরি পাওয়া। সরকারি চাকরির বিভিন্ন পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতিও নিচ্ছিলেন তিনি।

শুধু লিখিত পরীক্ষা নয়, কয়েকটি চাকরির জন্য শারীরিক পরীক্ষাতেও অংশ নিয়েছিলেন বলে পরিবারের দাবি। সেই পরীক্ষাগুলিতে অংশ নিতে তাঁকে একাধিকবার বসিরহাটের বাইরে যেতে হয়েছিল। দিনের বড় একটা সময় বইপত্র নিয়ে পড়াশোনা করেই কাটত তাঁর। পরিবারের কাছে তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও ছিল স্পষ্ট—পড়াশোনা শেষ করে একটি চাকরি পাওয়া।

কিন্তু একাধিক পরীক্ষায় চেষ্টা করেও চাকরি না পাওয়ায় পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। পরিবারের বক্তব্য, আর্থিক পরিস্থিতির কারণেও দীর্ঘদিন বেকার থাকা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত কাজের সন্ধানে বেঙ্গালুরু চলে যান আশাফুল।

### দেড় বছর ধরে বেঙ্গালুরুতে কাজ

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় দেড় বছর আগে আশাফুল বেঙ্গালুরুতে যান। সেখানে একটি সংস্থার হয়ে নিরাপত্তারক্ষীর কাজ শুরু করেছিলেন তিনি। বাড়ির লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ থাকলেও দীর্ঘদিন বাড়িতে ফেরেননি।

পরিবারের কাছে তাঁর বেঙ্গালুরু যাওয়া ছিল মূলত কর্মসংস্থানের জন্য। উচ্চশিক্ষা শেষ করেও চাকরি না পাওয়ার পর অন্য রাজ্যে গিয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ধরনের সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের কথা পরিবার জানতে পারেনি।

তাই হঠাৎ করে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগে গ্রেপ্তারের খবর আসায় স্বাভাবিকভাবেই হতবাক তাঁর মা-বাবা এবং প্রতিবেশীরা।

### পুলিশের ফোনে জানতে পারে পরিবার

বৃহস্পতিবার বেঙ্গালুরু পুলিশের তরফে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় বলে সংবাদ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ফোনে জানানো হয়, আশাফুল থানায় রয়েছেন এবং পরিবারের সদস্যদের সেখানে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। এই খবর পাওয়ার পরই তাঁর বাবা বেঙ্গালুরুর উদ্দেশে রওনা দেন। 

কিন্তু পরিবারের কাছে এখনও পরিষ্কার নয়, ঠিক কী কারণে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর মা জানিয়েছেন, আশাফুলের বাবার সঙ্গে পুলিশের কথা হলেও মামলার বিস্তারিত তথ্য তাঁরা এখনও জানতে পারেননি।

পরিবারের এই অনিশ্চয়তার মধ্যেই TTP-এর সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ সামনে আসায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

### ‘আমার ছেলে এমন হতে পারে না’

ছেলের বিরুদ্ধে জঙ্গিযোগের অভিযোগ শুনে তা সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন আশাফুলের মা। তাঁর বক্তব্য, ছেলে বরাবরই শান্ত স্বভাবের এবং পড়াশোনার প্রতি আগ্রহী। চাকরি করার ইচ্ছা থেকেই সে বেঙ্গালুরুতে গিয়েছিল।

পরিবারের দাবি, গত কয়েক বছর ধরে আশাফুলের জীবনযাত্রায় এমন কোনও পরিবর্তন তাঁরা লক্ষ্য করেননি, যা থেকে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগের সন্দেহ তৈরি হতে পারে। বরং চাকরির পরীক্ষা দেওয়াই ছিল তাঁর প্রধান লক্ষ্য।

মায়ের কথায়, বহুবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েও চাকরি না পাওয়ার হতাশা থেকেই শেষ পর্যন্ত বাইরে গিয়ে যে কাজ পাওয়া যায়, সেটিই গ্রহণ করেছিলেন ছেলে। বেঙ্গালুরু যাওয়ার পর কী ঘটেছে, সে বিষয়ে পরিবারের কোনও ধারণা নেই।

### প্রতিবেশীরাও মানতে নারাজ

আশাফুলের গ্রামে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন প্রতিবেশীরাও। স্থানীয়দের বক্তব্য, তাঁকে তাঁরা শান্ত, ভদ্র এবং অমায়িক যুবক হিসেবেই চেনেন।

প্রতিবেশীদের একাংশের দাবি, আশাফুলের সঙ্গে গ্রামের কারও কোনও বড় ধরনের বিবাদ ছিল না। তাঁর স্বভাবও ছিল অত্যন্ত সাধারণ। ফলে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ থাকতে পারে—এই অভিযোগ তাঁরা সহজে বিশ্বাস করতে পারছেন না।

কেউ কেউ এমনও মনে করছেন, তদন্তে হয়তো পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হবে এবং গ্রেপ্তারের প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তবে পুলিশের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো সম্ভব নয়।

### TTP কী?

TTP-এর পূর্ণ নাম Tehrik-i-Taliban Pakistan। এটি পাকিস্তানভিত্তিক একটি জঙ্গি সংগঠন, যা পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একাধিক হামলার সঙ্গে যুক্ত বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও সরকারি সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই সংগঠনের সঙ্গে কোনও ব্যক্তির যোগাযোগের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। তবে আশাফুলের ক্ষেত্রে পুলিশের অভিযোগের সুনির্দিষ্ট প্রকৃতি, তাঁর বিরুদ্ধে কী কী প্রমাণ রয়েছে এবং তিনি আদৌ সংগঠনটির সদস্য ছিলেন কি না—এসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়ার কথা।

তাই পরিবারের দাবি এবং পুলিশের সন্দেহ—দুই দিককেই আলাদা করে দেখা জরুরি।

### বেঙ্গালুরুতে নিরাপত্তারক্ষীর কাজের মধ্যেই সন্দেহ

প্রাথমিকভাবে যে তথ্য সামনে এসেছে, তাতে আশাফুল বেঙ্গালুরুতে নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করছিলেন। সেই সময়ই তাঁর বিরুদ্ধে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ ওঠে।

পরিবারের কাছে বিষয়টি আরও বিস্ময়কর কারণ তাঁদের বক্তব্য অনুযায়ী, বেঙ্গালুরু যাওয়ার আগে আশাফুলের জীবন ছিল মূলত পড়াশোনা ও চাকরির পরীক্ষাকে ঘিরে। ফলে অন্য রাজ্যে গিয়ে তাঁর সঙ্গে কী ধরনের যোগাযোগ তৈরি হয়েছিল, তা এখন তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে।

পুলিশ কীভাবে তাঁর উপর নজর রাখল, কী ধরনের তথ্যের ভিত্তিতে তাঁকে আটক করা হল এবং তাঁর কাছ থেকে কোনও সন্দেহজনক সামগ্রী বা যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সামনে আসতে পারে।

### পরিবারে দুশ্চিন্তা, অপেক্ষা তদন্তের ফলের

আশাফুলের গ্রাম্য বাড়িতে এখন উদ্বেগের পরিবেশ। পরিবারের সদস্যরা জানেন না, তাঁর বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ আনা হয়েছে। বাবা বেঙ্গালুরু গিয়ে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছেন।

মায়ের বক্তব্য, তিনি ছেলের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারছেন না। পুলিশের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য না পাওয়ায় পরিবারের উদ্বেগ আরও বেড়েছে। তাঁর একটাই দাবি—তদন্ত হোক এবং সত্যিটা সামনে আসুক।

একইসঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, তাঁর ছেলে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে না। পরিবারের এই অবস্থান অবশ্য তদন্তের ফলাফলের বিকল্প নয়; অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ করবে তদন্ত ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া।

### চাকরি না পাওয়ার হতাশা থেকেই কি বাইরে যাওয়া?

এই ঘটনার একটি মানবিক দিকও সামনে এসেছে। উচ্চশিক্ষা শেষ করার পরেও চাকরি না পাওয়ার সমস্যা বহু তরুণের মতো আশাফুলের জীবনেও প্রভাব ফেলেছিল বলে পরিবারের দাবি।

বিএ পাশ করার পর তিনি বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় অংশ নেন। শারীরিক পরীক্ষার জন্যও একাধিক জায়গায় গিয়েছিলেন। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত চাকরি না মেলায় শেষ পর্যন্ত রাজ্যের বাইরে গিয়ে নিরাপত্তারক্ষীর কাজ নেন।

পরিবারের বক্তব্য, এই সময় পর্যন্ত তাঁর জীবনযাত্রায় কোনও সন্দেহজনক বিষয় ছিল না। তবে বেঙ্গালুরু যাওয়ার পর কীভাবে পরিস্থিতি বদলেছে, সেটিই এখন তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

### তদন্তে কী কী খতিয়ে দেখা হতে পারে?

এই ধরনের গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে তদন্তকারীরা সাধারণত অভিযুক্তের যোগাযোগ, ফোন ও ডিজিটাল যোগাযোগ, আর্থিক লেনদেন, যাতায়াত এবং পরিচিত ব্যক্তিদের সম্পর্কে তথ্য খতিয়ে দেখতে পারেন। তবে আশাফুলের ক্ষেত্রে ঠিক কোন কোন তথ্য পুলিশের হাতে রয়েছে, তা এখনও প্রকাশ্যে বিস্তারিতভাবে জানা যায়নি।

তাঁর বিরুদ্ধে TTP-এর সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ সত্যি কি না, নাকি সন্দেহের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে—তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ প্রমাণ করতে কেবল কারও পরিচিতি বা অনলাইন যোগাযোগ যথেষ্ট নয়; অভিযোগের প্রকৃতি এবং প্রমাণের শক্তি আইনি প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

### পরিবারের দাবি বনাম পুলিশের অভিযোগ

এই মুহূর্তে ঘটনাটির দুটি আলাদা দিক রয়েছে। একদিকে পুলিশের অভিযোগ—আশাফুলের বিরুদ্ধে TTP-এর সঙ্গে যোগাযোগের সন্দেহ রয়েছে এবং সেই কারণেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদিকে পরিবার এবং প্রতিবেশীদের বক্তব্য—তাঁরা তাঁকে সাধারণ, শান্ত এবং চাকরিপ্রত্যাশী যুবক হিসেবেই জানেন।

এই দুই বক্তব্যের মধ্যে সত্যিটা কোথায়, তা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

পরিবারের আবেগ বা প্রতিবেশীদের অভিজ্ঞতা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই পুলিশের তদন্তে পাওয়া তথ্যও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই আদালতে প্রমাণিত হওয়ার আগে আশাফুলকে জঙ্গি হিসেবে চিহ্নিত করা আইনগতভাবে সমীচীন নয়।

### বাদুড়িয়ায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য

উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়ার প্রত্যন্ত এলাকায় আশাফুলের গ্রেপ্তারের খবর পৌঁছতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাটি নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলছেন।

একজন উচ্চশিক্ষিত যুবক কীভাবে অন্য রাজ্যে গিয়ে এমন গুরুতর অভিযোগে জড়িয়ে পড়লেন, সেটিই এখন আলোচনার বিষয়। একইসঙ্গে তাঁর পরিবারের আর্থিক পরিস্থিতি এবং চাকরির জন্য দীর্ঘদিনের চেষ্টা নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা চলছে।

তবে তদন্তাধীন একটি ঘটনায় গুজব ছড়ানো বা প্রমাণ ছাড়াই কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে। তাই পুলিশের তদন্তের ফলাফলের দিকেই নজর রাখা জরুরি।

### সামনে কী?

আশাফুলের বাবা বেঙ্গালুরু পৌঁছে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছেন। তাঁর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এবং মামলার ধারাগুলি কী, তা জানার পরই পরিবারের পক্ষে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।

তদন্তকারীরা যদি TTP-এর সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ পান, তাহলে সেই অনুযায়ী আইনি প্রক্রিয়া এগোবে। আবার অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণ না মিললে বিষয়টির অন্য দিকও সামনে আসতে পারে।

এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল তদন্তের স্বচ্ছতা এবং নিরপেক্ষতা।

### ঘটনার সারাংশ

বাদুড়িয়ার নোয়াপাড়ার ২৫ বছরের আশাফুল মালিক গোবরডাঙা কলেজ থেকে বিএ পাশ করার পর চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। পরিবারের দাবি, একাধিক পরীক্ষায় অংশ নিয়েও চাকরি না পাওয়ায় প্রায় দেড় বছর আগে তিনি বেঙ্গালুরু চলে যান এবং সেখানে নিরাপত্তারক্ষীর কাজ শুরু করেন। 

এরপর বেঙ্গালুরুতে তাঁর বিরুদ্ধে TTP-এর সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগ ওঠে এবং পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। বৃহস্পতিবার পরিবারের কাছে পুলিশ ফোন করে বিষয়টি জানায়। আশাফুলের বাবা বেঙ্গালুরু রওনা দিয়েছেন। কিন্তু তাঁর মা এখনও অভিযোগটি বিশ্বাস করতে পারছেন না। প্রতিবেশীরাও আশাফুলকে শান্ত ও ভদ্র যুবক হিসেবেই বর্ণনা করেছেন। 

এখন তদন্তেই পরিষ্কার হবে, চাকরির সন্ধানে বেঙ্গালুরু যাওয়া এই যুবকের বিরুদ্ধে ওঠা জঙ্গিযোগের অভিযোগের পিছনে প্রকৃত ঘটনা কী। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে দোষী হিসেবে চিহ্নিত করা যাবে না—আইনি প্রক্রিয়ার ফলের দিকেই এখন নজর।

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

দলীয় পতাকার নিচে জাতীয় পতাকা, বিতর্কে সিপিএম

স্বাধীনতা দিবসের দিন জাতীয় পতাকা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে বিতর্কে জড়াল সিপিএম। উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহ ও উত্তর দমদমের নিমতা এলাকায় দলের কার্যালয়ের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময় নিয়মভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, সিপিএমের লাল দলীয় পতাকা জাতীয় পতাকার তুলনায় বেশি...

মধ্যপ্রদেশে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, বড় ঘোষণা মোহন যাদবের

স্বাধীনতা দিবসের মঞ্চ থেকে বড় ঘোষণা করলেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব। রাজ্যে দ্রুত কার্যকর করা হবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বা Uniform Civil Code (UCC)। শনিবার স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর ভাষণ দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, মধ্যপ্রদেশ সরকার...

নাবালক বলে ছাড় নয়, অপহরণে ২৫ বছরের কারাদণ্ড

# নাবালক বলে ছাড় নয়, অপহরণে ২৫ বছরের কারাদণ্ড নাবালক বলেই যে গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে শাস্তি থেকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি মিলবে না, উত্তরপ্রদেশের বালিয়ার একটি POCSO আদালতের সাম্প্রতিক রায় সেই বিষয়টিই নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। ২০২৩ সালে ১৩ বছরের এক...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.