Wednesday, August 12, 2026

Creating liberating content

NEET MDS 2026 information...

The Medical Counselling Committee (MCC) has released the information bulletin and...

Jammu & Kashmir set...

Jammu and Kashmir's team celebrates (PTI Photo) Mumbai: In what would be...

NEET PG 2026 city...

The National Board of Examinations in Medical Sciences (NBEMS) has issued...

‘I don’t know who...

India's Jasprit Bumrah (Reuters) India's growing injury list has put the Centre...
Homeবাংলাদাড়িভিটের নিহত ছাত্রদের...

দাড়িভিটের নিহত ছাত্রদের স্মরণে ২০ সেপ্টেম্বর ভাষা দিবসের ডাক

উত্তর দিনাজপুরের দাড়িভিটের সেই পুরনো ঘটনাকে ফের সামনে এনে নতুন রাজনৈতিক কর্মসূচির ডাক দিল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ বা এবিভিপি। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে দাড়িভিট হাইস্কুলে শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে যে অশান্তি তৈরি হয়েছিল, সেই ঘটনায় নিহত দুই ছাত্র রাজেশ সরকার এবং তাপস বর্মণের স্মৃতিকে সম্মান জানাতে ২০ সেপ্টেম্বরকে ‘পশ্চিমবঙ্গ বাংলা ভাষা দিবস’ হিসেবে পালনের দাবি তুলেছে ছাত্র সংগঠনটি। এবিভিপির দাবি, বাংলা ভাষার শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে আন্দোলনের সময় প্রাণ হারানো দুই ছাত্রের আত্মত্যাগকে স্মরণ করার জন্য তাঁদের মৃত্যুর দিনটিকে আলাদা করে মর্যাদা দেওয়া উচিত।

সম্প্রতি হলদিয়ায় এবিভিপির দক্ষিণবঙ্গ প্রদেশের দুই দিনের কার্যকারিণী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের বিভিন্ন সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করার পাশাপাশি শিক্ষাব্যবস্থা, নারী সুরক্ষা এবং ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ডিজিটাল নির্ভরতা কমানোর মতো বিষয়ও বৈঠকে গুরুত্ব পায়। সেখানেই দাড়িভিটের দুই ছাত্রের স্মৃতিতে ২০ সেপ্টেম্বরকে বাংলা ভাষা দিবস হিসেবে পালন করার প্রস্তাব সামনে আসে। সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতৃত্বের উপস্থিতিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

### দাড়িভিটের ঘটনা ফের আলোচনায়

২০১৮ সালের ২০ সেপ্টেম্বর উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের দাড়িভিট হাইস্কুলে শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। স্কুলে নতুন শিক্ষক যোগদানকে কেন্দ্র করে ছাত্রছাত্রী ও স্থানীয়দের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ঘটনাকে ঘিরে পরে রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়।

সেই অশান্তির মধ্যে রাজেশ সরকার এবং তাপস বর্মণ নামে দুই ছাত্রের মৃত্যু হয়। তাঁদের মৃত্যু ঘিরে পুলিশের গুলি চালানো নিয়ে গুরুতর অভিযোগ ওঠে। বিজেপি এবং সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলি দাবি করেছিল, পুলিশের গুলিতেই দুই ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে পুলিশ সেই সময় গুলি চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছিল। ফলে ঘটনাটি নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বিতর্ক দীর্ঘদিন ধরে চলেছে।

দাড়িভিটের ঘটনার মূল সূত্র ছিল শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে ছাত্রদের আপত্তি। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, স্কুলে উর্দু ও সংস্কৃত শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি সামনে আসার পর ছাত্রদের একাংশ প্রতিবাদে নামে। তাঁদের দাবি ছিল, স্কুলে ইংরেজি এবং বিজ্ঞানের মতো বিষয়ে শিক্ষক প্রয়োজন। শিক্ষক নিয়োগের সেই বিরোধ থেকেই পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

### বাংলা ভাষাকে কেন্দ্র করে নতুন দাবি

এবিভিপির সাম্প্রতিক প্রস্তাবের কেন্দ্রবিন্দু হল বাংলা ভাষা। সংগঠনটির বক্তব্য, দাড়িভিটের দুই ছাত্রের মৃত্যু বাংলা ভাষার শিক্ষক নিয়োগ এবং ভাষা সংক্রান্ত আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ঘটেছিল। তাই তাঁদের স্মৃতিকে শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক ঘটনার সঙ্গে না দেখে বাংলা ভাষার সঙ্গে যুক্ত ঐতিহাসিক স্মৃতি হিসেবেও তুলে ধরতে চাইছে এবিভিপি।

এই কারণেই ২০ সেপ্টেম্বরকে ‘পশ্চিমবঙ্গ বাংলা ভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষণার দাবি জানানো হয়েছে। এবিভিপির এই প্রস্তাব কার্যকর হলে পশ্চিমবঙ্গে প্রচলিত ভাষা দিবস পালনের পরিসরে একটি নতুন দিন যুক্ত হবে।

তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২১ ফেব্রুয়ারি ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়। পশ্চিমবঙ্গেও এই দিন ভাষার মর্যাদা ও মাতৃভাষার গুরুত্বকে সামনে রেখে বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সেই পরিস্থিতিতে ২০ সেপ্টেম্বরকে পৃথকভাবে ‘পশ্চিমবঙ্গ বাংলা ভাষা দিবস’ হিসেবে পালনের এবিভিপির দাবি নতুন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিতর্ক তৈরি করতে পারে।

### কেন ২০ সেপ্টেম্বর?

এবিভিপির প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০ সেপ্টেম্বর বেছে নেওয়ার প্রধান কারণ হল দাড়িভিটের ঘটনার দিন। ২০১৮ সালের ওই দিনেই স্কুলে শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এবং দুই ছাত্রের মৃত্যু হয়। ফলে তাঁদের মৃত্যুদিনকে স্মরণীয় করে রাখার উদ্দেশ্যেই দিনটিকে বাংলা ভাষার সঙ্গে যুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে।

সংগঠনের বক্তব্যের রাজনৈতিক তাৎপর্যও রয়েছে। আট বছর আগে দাড়িভিটের ঘটনা নিয়ে বিজেপি তৎকালীন তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেছিল। বাংলা ভাষা এবং শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি সেই রাজনৈতিক বিতর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছিল। এখন নতুন করে সেই ঘটনাকে সামনে এনে ভাষা দিবসের দাবি তোলায় পুরনো রাজনৈতিক বিতর্কও ফের আলোচনায় আসতে পারে।

### বৈঠকে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

শুধু দাড়িভিট বা ভাষা দিবস নয়, এবিভিপির দক্ষিণবঙ্গ প্রদেশের কার্যকারিণী বৈঠকে শিক্ষার্থীদের নিয়ে আরও কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

রাজ্য সরকারের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘বন্দেমাতরম’ গাওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে এবিভিপি। সংগঠনের মতে, এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে জাতীয় চেতনা এবং দেশপ্রেমের ভাবনা আরও শক্তিশালী হতে পারে।

এছাড়াও ছাত্রছাত্রীদের অতিরিক্ত ডিজিটাল নির্ভরতা কমানোর জন্য ‘Screen Time To Activity Time’ কর্মসূচিকে আরও বিস্তৃত করার দাবি জানানো হয়েছে। বর্তমান সময়ে পড়াশোনা, বিনোদন এবং যোগাযোগের ক্ষেত্রে মোবাইল ফোন ও অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও সামাজিক কার্যকলাপ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও সংগঠনটি তুলে ধরেছে।

### ছাত্রীদের আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণের দাবি

বৈঠকে নারী সুরক্ষার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। কলেজগুলিতে ছাত্রীদের জন্য আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণ বা self-defence camp আয়োজনের দাবি তুলেছে এবিভিপি।

সংগঠনের মতে, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাঁদের আত্মবিশ্বাস বাড়ানোও প্রয়োজন। আত্মরক্ষার প্রাথমিক প্রশিক্ষণ থাকলে বিপদের পরিস্থিতিতে নিজেদের সুরক্ষার ক্ষেত্রে ছাত্রীরা কিছুটা প্রস্তুত থাকতে পারেন।

এই কর্মসূচিকে শিক্ষাক্ষেত্রে নারী সুরক্ষার বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেখছে সংগঠনটি।

### দাড়িভিটের দুই ছাত্রের পরিচয়

দাড়িভিটের ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুই মৃত ছাত্র হলেন রাজেশ সরকার এবং তাপস বর্মণ। বিভিন্ন সমকালীন প্রতিবেদনে তাঁদের বয়স ও শিক্ষাগত পরিচয় নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত হয়েছিল। তাঁরা দাড়িভিট হাইস্কুলের প্রাক্তন ছাত্র ছিলেন এবং শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে তৈরি হওয়া পরিস্থিতির সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

ঘটনার পর তাঁদের মৃত্যু উত্তর দিনাজপুরের পাশাপাশি গোটা রাজ্যের রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলেছিল। বিজেপি, এবিভিপি এবং অন্যান্য সংগঠনগুলি ঘটনার প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু করে।

### পুলিশের গুলি নিয়ে বিতর্ক

দাড়িভিটের ঘটনার সবচেয়ে বিতর্কিত দিকগুলির একটি ছিল পুলিশের গুলি চালানোর অভিযোগ। বিজেপি ও আন্দোলনকারীদের একাংশের দাবি ছিল, পুলিশের গুলিতে দুই ছাত্র নিহত হয়েছেন। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে সেই সময় দাবি করা হয়েছিল যে তারা গুলি চালায়নি।

এই বিরোধী দাবির কারণে ঘটনাটি নিয়ে তদন্তের দাবি জোরালো হয়েছিল। নিহতদের পরিবার এবং স্থানীয়দের একাংশও পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রীয় তদন্তের দাবি তুলেছিল। দাড়িভিট স্কুল পুনরায় খোলার সময়ও নিহত ছাত্রদের পরিবার এবং স্থানীয় মহলের প্রতিবাদ সামনে এসেছিল।

ফলে এবিভিপির নতুন ভাষা দিবসের দাবি শুধু সাংস্কৃতিক বিষয় নয়, দাড়িভিটের সেই পুরনো বিতর্ককেও আবার জনপরিসরে নিয়ে আসছে।

### ২১ ফেব্রুয়ারির পাশাপাশি নতুন দিন?

বর্তমানে ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে বিশ্বজুড়ে পালিত হয়। ভাষার অধিকার এবং মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার ইতিহাসের সঙ্গে দিনটি গভীরভাবে যুক্ত।

এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গে ২০ সেপ্টেম্বরকে পৃথকভাবে বাংলা ভাষা দিবস হিসেবে পালনের দাবি বাস্তবায়িত হলে তার উদ্দেশ্য হবে সম্পূর্ণ আলাদা—দাড়িভিটের দুই ছাত্রের স্মৃতিকে কেন্দ্র করে বাংলা ভাষার মর্যাদার বিষয়টি তুলে ধরা।

অর্থাৎ, এবিভিপির প্রস্তাবিত ২০ সেপ্টেম্বরের কর্মসূচি ২১ ফেব্রুয়ারির বিকল্প হিসেবে নয়, বরং দাড়িভিটের ঘটনার স্মৃতিকে কেন্দ্র করে পৃথক একটি স্মরণদিবস হিসেবে দেখা হচ্ছে |

### রাজনৈতিক তাৎপর্য কতটা?

দাড়িভিটের ঘটনা পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি অধ্যায়। ২০১৮ সালে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপি তৎকালীন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিল। শিক্ষক নিয়োগ, বাংলা ভাষার মর্যাদা এবং পুলিশের ভূমিকা—তিনটি বিষয়ই তখন রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে ছিল।

আট বছর পর সেই ঘটনাকে স্মরণ করে নতুন করে ভাষা দিবসের দাবি তোলা নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বাংলা ভাষা, বাঙালি পরিচয় এবং সাংস্কৃতিক বিষয়গুলি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে প্রতিযোগিতা আরও বাড়তে পারে।

এবিভিপির দাবি বাস্তবায়নের জন্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কি না, তা এখনও জানা যায়নি। আপাতত এটি সংগঠনটির পক্ষ থেকে তোলা একটি দাবি।

### ভাষা ও শিক্ষার প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ

দাড়িভিটের ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল মূলত শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে ছাত্রদের আপত্তি থেকে। সেই কারণে এবিভিপির বর্তমান দাবি ভাষা এবং শিক্ষাব্যবস্থার প্রশ্নকেও সামনে আনছে।

কোন স্কুলে কোন বিষয়ের শিক্ষক প্রয়োজন, শিক্ষার্থীদের ভাষাগত প্রয়োজন কী এবং স্থানীয় শিক্ষাব্যবস্থায় ছাত্রদের মতামতের গুরুত্ব কতটা—এই প্রশ্নগুলিও ঘটনাটির সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়।

বর্তমানে এবিভিপি ২০ সেপ্টেম্বরকে ভাষা দিবস করার দাবি জানালেও, দাড়িভিটের মূল ঘটনার সঙ্গে জড়িত শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টিও রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসের অংশ হয়ে রয়েছে।

### রাজ্য সরকারের অবস্থান কী হবে?

এখন নজর থাকবে রাজ্য সরকারের প্রতিক্রিয়ার দিকে। ২০ সেপ্টেম্বরকে ‘পশ্চিমবঙ্গ বাংলা ভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করার দাবি কার্যকর করতে হলে সরকারি স্তরে সিদ্ধান্ত প্রয়োজন।

রাজ্য সরকার এই দাবিকে সমর্থন করবে, নাকি ২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকেই ভাষা উদযাপনের প্রধান দিন হিসেবে গুরুত্ব দেবে—তা ভবিষ্যতেই স্পষ্ট হবে।

একইসঙ্গে দাড়িভিটের দুই ছাত্রের স্মৃতিতে কোনও সরকারি কর্মসূচি নেওয়া হয় কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

### নতুন করে স্মরণে রাজেশ ও তাপস

এবিভিপির এই উদ্যোগের ফলে দীর্ঘদিন পর রাজেশ সরকার ও তাপস বর্মণের নাম আবার রাজ্যের রাজনৈতিক আলোচনায় এসেছে। তাঁদের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ২০১৮ সালে যে আন্দোলন হয়েছিল, তার স্মৃতিও নতুন করে সামনে এসেছে।

সংগঠনটি চাইছে, তাঁদের মৃত্যুদিন শুধু একটি পুরনো ঘটনার তারিখ হয়ে না থেকে বাংলা ভাষার সঙ্গে যুক্ত একটি স্মরণীয় দিন হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাক। সেই উদ্দেশ্যেই ২০ সেপ্টেম্বরকে ‘পশ্চিমবঙ্গ বাংলা ভাষা দিবস’ হিসেবে পালনের দাবি জানানো হয়েছে।

সব মিলিয়ে, দাড়িভিটের দুই নিহত ছাত্রকে স্মরণ করে এবিভিপির এই নতুন উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গের ভাষা ও রাজনীতির ক্ষেত্রে একটি তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। ২০১৮ সালের ঘটনার আট বছর পর ফের রাজেশ সরকার ও তাপস বর্মণের স্মৃতি সামনে এনে ২০ সেপ্টেম্বরকে বাংলা ভাষা দিবস হিসেবে পালনের দাবি জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে শিক্ষাক্ষেত্রে ‘বন্দেমাতরম’ গাওয়ার সিদ্ধান্তকে সমর্থন, ছাত্রছাত্রীদের ডিজিটাল নির্ভরতা কমাতে ‘Screen Time To Activity Time’ কর্মসূচি এবং কলেজে ছাত্রীদের আত্মরক্ষার প্রশিক্ষণের মতো দাবিও তুলেছে এবিভিপি।

তবে ২০ সেপ্টেম্বরকে সরকারি ভাবে ‘পশ্চিমবঙ্গ বাংলা ভাষা দিবস’ ঘোষণা করা হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত এখনও সরকারের হাতে। বর্তমানে এবিভিপির পক্ষ থেকেই এই দাবি উঠেছে। ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের পাশাপাশি ২০ সেপ্টেম্বরকে পৃথক রাজ্যভিত্তিক ভাষা দিবস হিসেবে প্রতিষ্ঠার এই উদ্যোগ আগামী দিনে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মহলে নতুন আলোচনা তৈরি করতে পারে।

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

বাংলায় জমি কেনাবেচায় নতুন আইন, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর

পশ্চিমবঙ্গে জমি কেনাবেচা নিয়ে বড়সড় আইনি পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বাঁকুড়ার প্রশাসনিক সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্য সরকার **ধর্ম পরিবর্তন এবং জমি কেনাবেচা—এই দুই ক্ষেত্রেই নতুন আইন আনার কাজ করছে**। তাঁর বক্তব্যে ‘ল্যান্ড জেহাদ’ প্রসঙ্গও উঠে এসেছে।...

FCRA সংশোধনী বিল নিয়ে বড় সিদ্ধান্তের পথে কেন্দ্র

বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত আইনে বড় পরিবর্তনের লক্ষ্যে আনা **Foreign Contribution (Regulation) Amendment Bill, 2026** বা FCRA Amendment Bill নিয়ে এবার নতুন মোড়। বিরোধীদের প্রবল আপত্তির মধ্যেই বিলটি আরও বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনার জন্য সংসদের দুই কক্ষের সদস্যদের নিয়ে গঠিত **Joint...

২৬ হাজার নিয়োগে ফের জট, ৩১ আগস্টের সময়সীমা নিয়ে সংশয়

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে ফের বড় জটিলতা তৈরি হয়েছে। প্রায় **২৬ হাজার শূন্যপদে নিয়োগ প্রক্রিয়া ৩১ আগস্টের মধ্যে সম্পূর্ণ করা সম্ভব হবে না** বলে জানিয়ে দিল স্কুল সার্ভিস কমিশন বা SSC। মূলত OBC সংরক্ষণ নিয়ে তৈরি হওয়া...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.