Thursday, August 20, 2026

Creating liberating content

রাতবিরেতে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, পরীক্ষা...

পশ্চিমবঙ্গের সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবার মান খতিয়ে দেখতে এবার আচমকা রাতের অন্ধকারেই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হাজির...

বন্যা রুখতে আরামবাগে মাস্টার...

বর্ষার শুরু থেকেই বারবার বন্যার আশঙ্কায় ভুগতে হয় হুগলির আরামবাগ মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকার...

ট্রেনে মদ নিয়ে যাওয়া...

ভারতীয় রেলে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ যাতায়াত করেন। দূরপাল্লার ট্রেনে এক রাজ্য থেকে...

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সংকট চরমে,...

বাংলাদেশে ফের ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে বিদ্যুৎ সংকট। গ্যাস ও LNG সরবরাহে ঘাটতি,...
Homeবাংলাবিদেশের মাটিতেও ছুটবে...

বিদেশের মাটিতেও ছুটবে বন্দে ভারত, রেলের বড় পরিকল্পনা

ভারতীয় রেলের অন্যতম পরিচিত এবং জনপ্রিয় ট্রেন **বন্দে ভারত এক্সপ্রেস** এবার দেশের সীমানা পেরিয়ে বিদেশের রেলপথেও ছুটতে পারে। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই সেমি-হাই-স্পিড ট্রেনকে আন্তর্জাতিক বাজারে রফতানির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে ভারতীয় রেল। ইতিমধ্যেই বিদেশি বাজারের জন্য বন্দে ভারতকে নতুনভাবে তৈরি করার পরিকল্পনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে যেসব দেশে **standard gauge** রেললাইন ব্যবহার করা হয়, সেই বাজারগুলিকে লক্ষ্য করেই নতুন সংস্করণ তৈরির কাজ এগোচ্ছে। 

ভারতে বর্তমানে বন্দে ভারত ট্রেনগুলি মূলত **broad gauge**-এ তৈরি হয়। কিন্তু বিশ্বের অধিকাংশ দেশের রেল নেটওয়ার্কে standard gauge ব্যবহৃত হয়। ফলে বিদেশে সরাসরি বর্তমান ভারতীয় সংস্করণের বন্দে ভারত চালানো সম্ভব নয়। এই সমস্যার সমাধান করতেই standard-gauge platform-এর উপর নতুন export-ready Vande Bharat তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

## বিদেশের বাজারে এবার বন্দে ভারতের প্রবেশ

বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ভারতীয় রেলের আধুনিকীকরণের অন্যতম প্রতীক হয়ে উঠেছে। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই ট্রেন অল্প সময়ের মধ্যেই যাত্রীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এবার সেই সাফল্যকে আন্তর্জাতিক বাজারে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

রেল মন্ত্রকের অধীন রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা **RITES Ltd** ভারতীয় রেলের সঙ্গে সমন্বয় করে standard-gauge বন্দে ভারত তৈরির design নিয়ে কাজ করছে। RITES-এর চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর রাহুল মিত্তাল জানিয়েছেন, সংস্থা ইতিমধ্যেই নির্দিষ্ট কিছু আন্তর্জাতিক বাজারে standard-gauge বন্দে ভারত রফতানির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে। 

অর্থাৎ এখনও কোনও নির্দিষ্ট দেশে বন্দে ভারত নিয়মিত পরিষেবা শুরু করেনি। বরং বর্তমানে চলছে সম্ভাব্য বাজার চিহ্নিতকরণ, design development এবং export feasibility নিয়ে কাজ।

## কেন গেজ পরিবর্তনের প্রয়োজন?

বিদেশে বন্দে ভারত চালানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় প্রযুক্তিগত বিষয় হল **rail gauge**।

রেললাইনের দুইটি রেলের মধ্যবর্তী দূরত্বকে gauge বলা হয়। ভারতে অধিকাংশ প্রধান রেলপথ broad gauge-এ তৈরি। এর প্রস্থ ১.৬৭ মিটার। অন্যদিকে বিশ্বের বহু দেশে standard gauge ব্যবহৃত হয়, যার প্রস্থ ১.৪৩ মিটার।

ফলে ভারতের জন্য তৈরি বর্তমান বন্দে ভারত ট্রেন বিদেশের standard-gauge railway network-এ সরাসরি চালানো যাবে না।

এই কারণেই বিদেশের জন্য আলাদা platform তৈরি করার প্রয়োজন হচ্ছে।

## তৈরি হচ্ছে Standard-Gauge Vande Bharat

ভারতীয় রেলের বর্তমান বন্দে ভারত trainset-গুলি broad gauge-ভিত্তিক। এবার আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য standard-gauge version তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এই নতুন সংস্করণ তৈরি হলে ইউরোপ, এশিয়া, আফ্রিকা এবং লাতিন আমেরিকার মতো অঞ্চলের বিভিন্ন railway network-এ বন্দে ভারত ব্যবহারের সম্ভাবনা বাড়বে।

Mint-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, standard-gauge Vande Bharat-এর design development এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। Design অনুমোদন এবং standardisation-এর পর export order-এর ভিত্তিতে production শুরু করা হতে পারে। 

## কোন কোন দেশ আগ্রহ দেখিয়েছে?

বিদেশি বাজার নিয়ে ভারতের পরিকল্পনা ইতিমধ্যেই কিছুটা এগিয়েছে। প্রতিবেশী দেশ **বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা এবং নেপাল** বন্দে ভারত নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও লাতিন আমেরিকা এবং আফ্রিকার কয়েকটি দেশের বাজার নিয়েও সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

এর মধ্যে আফ্রিকার বাজারে RITES-এর আগে থেকেই rolling stock এবং railway consultancy সংক্রান্ত কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। ফলে ওই অঞ্চলে ভারতীয় রেলের তৈরি ট্রেনের জন্য সম্ভাব্য বাজার তৈরি হতে পারে।

তবে এই দেশগুলির সঙ্গে আগ্রহ বা আলোচনা থাকা মানেই যে বন্দে ভারত কেনার চূড়ান্ত চুক্তি হয়ে গিয়েছে, এমনটা নয়। বর্তমানে বিষয়টি মূলত export opportunity এবং market exploration-এর পর্যায়ে রয়েছে।

## বাংলাদেশে কি চলবে বন্দে ভারত?

বাংলাদেশের নাম সম্ভাব্য বাজার হিসেবে সামনে এসেছে। প্রতিবেশী দেশ হওয়ায় ভারতীয় রেলের আধুনিক train technology-এর জন্য বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাব্য বাজার হতে পারে।

তবে বাংলাদেশে বন্দে ভারত চালাতে গেলে সংশ্লিষ্ট railway infrastructure, gauge compatibility, signalling system, safety standards এবং operational requirements-এর সঙ্গে ট্রেনের সামঞ্জস্য নিশ্চিত করতে হবে।

তাই কোনও নির্দিষ্ট route বা commercial launch-এর ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে বন্দে ভারত চলবে—এমন নিশ্চয়তা দেওয়া যাচ্ছে না।

## শ্রীলঙ্কা ও নেপালেও সম্ভাবনা

বাংলাদেশের পাশাপাশি শ্রীলঙ্কা এবং নেপালও সম্ভাব্য বাজারের তালিকায় রয়েছে। এই দেশগুলির প্রতিনিধিরা ভারতীয় বন্দে ভারত ট্রেনের আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিষেবা সম্পর্কে আগ্রহ দেখিয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। 

বিদেশি রেল বাজারে ভারত যদি বন্দে ভারত রফতানি করতে পারে, তাহলে শুধু একটি ট্রেন বিক্রি হবে না। এর সঙ্গে coach manufacturing, signalling, maintenance, spare parts এবং railway engineering-এর মতো একাধিক ক্ষেত্রেও ভারতের ব্যবসার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

## ইউরোপের বাজারেও নজর

ইউরোপের অধিকাংশ রেলপথ standard gauge হওয়ায় ভারতীয় রেলের কাছে এই বাজারটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাহান্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, RITES বিশেষ করে ইউরোপীয় দেশগুলিতে standard-gauge বন্দে ভারত রফতানির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে। 

তবে ইউরোপীয় বাজারে প্রবেশ করতে গেলে কঠোর safety certification, technical standards, interoperability requirements এবং অন্যান্য regulatory approval-এর মতো বিষয়ও পূরণ করতে হবে।

অর্থাৎ শুধু gauge পরিবর্তন করলেই ইউরোপের বাজারে ট্রেন বিক্রি করা সম্ভব হবে না।

## আফ্রিকার বাজার কেন গুরুত্বপূর্ণ?

আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে railway infrastructure উন্নয়নের কাজ চলছে। অনেক দেশ নতুন railway network তৈরি করছে বা পুরনো network আধুনিক করছে।

এই পরিস্থিতিতে cost-effective এবং আধুনিক trainset-এর চাহিদা তৈরি হতে পারে। RITES-এর আফ্রিকায় railway consultancy এবং rolling stock ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা থাকায় ভারতীয় বন্দে ভারতের জন্য সেখানে বাজার তৈরির সুযোগ রয়েছে। 

ভারতের জন্য এটি শুধু ট্রেন রফতানি নয়, railway technology এবং engineering services export-এরও বড় সুযোগ হতে পারে।

## লাতিন আমেরিকাতেও আগ্রহ

লাতিন আমেরিকার কয়েকটি দেশও ভারতীয় বন্দে ভারত নিয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে বলে বিভিন্ন রিপোর্টে উঠে এসেছে। 

এই অঞ্চলের বাজারে প্রবেশ করতে পারলে ভারতীয় railway manufacturing industry-এর আন্তর্জাতিক footprint আরও বড় হতে পারে।

বিশেষ করে আধুনিক কিন্তু তুলনামূলকভাবে cost-effective trainset-এর চাহিদা থাকলে বন্দে ভারত একটি প্রতিযোগিতামূলক পণ্য হিসেবে নিজেদের জায়গা তৈরি করার চেষ্টা করতে পারে।

## প্রথমে Prototype, তারপর Export

বিদেশে বন্দে ভারত রফতানির ক্ষেত্রে সরাসরি commercial order-এর দিকে না গিয়ে প্রথমে prototype এবং testing-এর দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে।

RITES সম্ভাব্য export markets-এ অন্তত একটি করে trainset testing-এর জন্য পাঠানোর পরামর্শ দিয়েছে। এই testing-এর মাধ্যমে স্থানীয় railway infrastructure-এর সঙ্গে ট্রেনের compatibility যাচাই করা যাবে।

Testing সফল হলে ভবিষ্যতে সেই দেশগুলির কাছ থেকে দীর্ঘমেয়াদি commercial order পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

## Domestic Demand-ও গুরুত্বপূর্ণ

বিদেশে রফতানির পরিকল্পনা থাকলেও ভারতীয় রেলের domestic demand এখনও অত্যন্ত বড়।

Indian Railways 2030 সালের মধ্যে ৮০০টি trainset এবং 2047 সালের মধ্যে ৪,৫০০টি Vande Bharat train-এর দিকে এগোতে চাইছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। Chaircar-এর পাশাপাশি sleeper version-ও এই expansion-এর অংশ। 

তাই প্রথমে দেশের প্রয়োজন মেটানো এবং তারপর আন্তর্জাতিক বাজারে বড় আকারে রফতানি—এমন একটি কৌশল নেওয়া হতে পারে।

## প্রথমে Broad Gauge-ও রফতানি হতে পারে

বিদেশের জন্য নতুন standard-gauge version তৈরির কাজ চললেও সম্ভাব্য কিছু দেশে প্রাথমিকভাবে broad-gauge বন্দে ভারত রফতানির কথাও বিবেচনা করা হচ্ছে। ভারতীয় রেলের এক আধিকারিকের বক্তব্য অনুযায়ী, domestic demand যুক্তিসঙ্গত পর্যায়ে পৌঁছনোর পর export আরও গুরুত্ব পেতে পারে।

অর্থাৎ export strategy একেবারে একধাপে নয়, পরিস্থিতি অনুযায়ী ধীরে ধীরে এগোতে পারে।

## ২০১৮ সালে তৈরি হয়েছিল বন্দে ভারত

বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের যাত্রা শুরু হয় ২০১৮ সালে। চেন্নাইয়ের Integral Coach Factory বা ICF-এ প্রথম trainset তৈরি হয়েছিল। তখন এর নাম ছিল **Train 18**।

২০১৯ সালে নয়াদিল্লি থেকে বারাণসী রুটে প্রথম বাণিজ্যিক পরিষেবা শুরু হয়। এরপর ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বন্দে ভারত পরিষেবা বিস্তৃত হয়েছে। 

মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে ট্রেনটি ভারতীয় রেলের আধুনিক পরিষেবার অন্যতম পরিচিত নাম হয়ে উঠেছে।

## বন্দে ভারতের গতি কত?

বন্দে ভারতকে semi-high-speed train হিসেবে design করা হয়েছে। এর design speed ঘণ্টায় **১৮০ কিলোমিটার** পর্যন্ত। রেল মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, trainsetটি প্রায় ৫২ সেকেন্ডে শূন্য থেকে ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটার গতি অর্জন করতে পারে।

তবে বাস্তবে কোনও route-এ ট্রেনের সর্বোচ্চ গতি নির্ভর করে track condition, signalling, curves, railway infrastructure এবং safety restrictions-এর উপর।

বিদেশি বাজারে নতুন সংস্করণ তৈরির সময়ও এই বিষয়গুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।

## বিদেশে রফতানি হলে ভারতের লাভ কী?

বন্দে ভারত বিদেশে রফতানি করতে পারলে ভারতের জন্য একাধিক সুবিধা তৈরি হতে পারে।

প্রথমত, ভারত একটি railway manufacturing nation হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিচিতি পাবে।

দ্বিতীয়ত, Indian engineering companies এবং manufacturing firms-এর জন্য নতুন export market তৈরি হবে।

তৃতীয়ত, railway technology, maintenance এবং consultancy services-এর ক্ষেত্রেও ভারতের সুযোগ বাড়বে।

চতুর্থত, ভবিষ্যতে ভারতীয় railway products-এর brand value আন্তর্জাতিক বাজারে আরও শক্তিশালী হতে পারে।

## ‘Make in India’-র বড় সাফল্য হতে পারে

বন্দে ভারত ভারতের দেশীয় railway engineering capability-এর একটি বড় উদাহরণ। এই ট্রেন যদি বিদেশি railway market-এ commercial success পায়, তাহলে **Make in India** initiative-এর জন্যও তা বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হবে।

কারণ তখন ভারত শুধু নিজের দেশের জন্য আধুনিক ট্রেন তৈরি করবে না, অন্য দেশগুলির প্রয়োজন অনুযায়ী railway products-ও তৈরি ও রফতানি করতে পারবে।

## ভারতীয় Rail Industry-র জন্য নতুন বাজার

একটি trainset export করার সঙ্গে অনেকগুলি industry যুক্ত থাকে।

Coach manufacturing থেকে শুরু করে electrical systems, propulsion equipment, braking systems, air-conditioning, interiors, software, signalling এবং maintenance—সব ক্ষেত্রেই ব্যবসার সুযোগ তৈরি হয়।

ফলে বন্দে ভারত export programme সফল হলে এর প্রভাব শুধু Indian Railways-এর উপর পড়বে না। পুরো railway manufacturing ecosystem উপকৃত হতে পারে।

## আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা কঠিন

তবে বিদেশি বাজারে বন্দে ভারতকে একাধিক প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক railway manufacturer-এর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হবে।

ইউরোপ, জাপান, চীন এবং অন্যান্য দেশের সংস্থাগুলি দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক railway market-এ কাজ করছে।

তাই ভারতকে শুধু কম দাম নয়, safety, reliability, comfort, energy efficiency, maintenance এবং after-sales support-এর ক্ষেত্রেও প্রতিযোগিতামূলক হতে হবে।

## দাম হতে পারে বড় সুবিধা

ভারতীয় railway manufacturing-এর অন্যতম শক্তি হতে পারে cost competitiveness।

যদি আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেও তুলনামূলকভাবে কম খরচে বন্দে ভারত তৈরি করা যায়, তাহলে উন্নয়নশীল দেশগুলির কাছে এটি আকর্ষণীয় option হতে পারে।

বিশেষ করে যেসব দেশ আধুনিক rail connectivity বাড়াতে চায় কিন্তু অত্যন্ত ব্যয়বহুল high-speed railway system তৈরি করতে পারে না, তাদের জন্য semi-high-speed train একটি কার্যকর বিকল্প হতে পারে।

## Maintenance ও Spare Parts গুরুত্বপূর্ণ

বিদেশে একটি ট্রেন বিক্রি করলেই কাজ শেষ হবে না।

বহু বছর ধরে trainset-এর maintenance, repair, spare parts এবং technical support দিতে হবে।

তাই ভারতকে export market-এর জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি after-sales service network তৈরি করতে হতে পারে।

এক্ষেত্রে RITES-এর মতো railway engineering প্রতিষ্ঠানগুলির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

## Safety Certification বড় বিষয়

বিদেশি রেলপথে চালানোর জন্য প্রতিটি দেশ বা অঞ্চলের নিজস্ব safety standards থাকতে পারে।

Standard gauge-এর সঙ্গে ট্রেনের physical compatibility ছাড়াও signalling, braking, fire safety, emergency systems এবং passenger safety-এর মতো বিষয়েও certification প্রয়োজন হবে।

তাই export-ready Vande Bharat তৈরির ক্ষেত্রে technical standards-এর আন্তর্জাতিক সামঞ্জস্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

## Railway Diplomacy-তেও নতুন সুযোগ

বন্দে ভারত শুধু বাণিজ্যিক পণ্য নয়, ভারতের railway diplomacy-এরও অংশ হয়ে উঠতে পারে।

প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে railway connectivity এবং infrastructure cooperation বাড়ানোর ক্ষেত্রে ভারতীয় ট্রেন প্রযুক্তি নতুন ভূমিকা পালন করতে পারে।

বাংলাদেশ, নেপাল এবং শ্রীলঙ্কার মতো দেশের সঙ্গে railway cooperation-এর নতুন ক্ষেত্র তৈরি হলে আঞ্চলিক connectivity-ও আরও শক্তিশালী হতে পারে।

## ভারতের Engineering Capability-এর প্রদর্শন

একটি আধুনিক trainset তৈরি করতে mechanical engineering, electrical engineering, software, materials science এবং manufacturing-এর সমন্বয় প্রয়োজন।

বন্দে ভারতকে বিদেশে রফতানি করা গেলে ভারতের এই engineering capability আন্তর্জাতিক স্তরে আরও দৃশ্যমান হবে।

এটি ভবিষ্যতে অন্যান্য railway technology export-এর পথও খুলে দিতে পারে।

## শুধু ট্রেন নয়, সম্পূর্ণ Railway Solution

ভবিষ্যতে ভারত চাইলে শুধু বন্দে ভারত trainset নয়, সম্পূর্ণ railway solution রফতানি করতে পারে।

এর মধ্যে থাকতে পারে train operation consultancy, signalling, station modernisation, maintenance এবং railway project management।

RITES-এর মতো সংস্থাগুলির আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা এই ধরনের প্রকল্পে ভারতের সুবিধা তৈরি করতে পারে।

## আগামী দিনে কী হতে পারে?

বর্তমানে standard-gauge Vande Bharat-এর design development প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। Design চূড়ান্ত হওয়ার পর production এবং export order-এর উপর ভিত্তি করে manufacturing বাড়ানো হতে পারে।

সম্ভাব্য বাজারগুলিতে prototype testing এবং demonstration সফল হলে commercial order পাওয়ার পথ খুলতে পারে।

অর্থাৎ এখনই বিদেশের নির্দিষ্ট কোনও route-এ নিয়মিত বন্দে ভারত চালুর ঘোষণা হয়নি। বরং ভারত আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

## বন্দে ভারতের Global Journey

ভারতে যে ট্রেনটি কয়েক বছর আগে নতুন প্রযুক্তির প্রতীক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল, সেটিই এবার আন্তর্জাতিক railway market-এর দিকে এগোচ্ছে।

বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, আফ্রিকা এবং লাতিন আমেরিকার মতো সম্ভাব্য বাজারের পাশাপাশি ইউরোপের দিকেও নজর রয়েছে। 

যদি standard-gauge version সফলভাবে তৈরি এবং আন্তর্জাতিক safety standards পূরণ করতে পারে, তাহলে ভারতীয় রেলের জন্য এটি একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে।

## শেষ কথা

**Vande Bharat Express** এবার শুধু ভারতের রেলপথে সীমাবদ্ধ থাকবে না—এমন সম্ভাবনাই এখন জোরালো হচ্ছে। Indian Railways এবং RITES বিদেশি বাজারের জন্য standard-gauge Vande Bharat-এর design নিয়ে কাজ করছে। বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল এবং লাতিন আমেরিকা ও আফ্রিকার কিছু দেশ থেকে আগ্রহের কথাও সামনে এসেছে। 

তবে মনে রাখতে হবে, এটি এখনও মূলত **export planning এবং design-development stage**-এ রয়েছে। নির্দিষ্ট বিদেশি দেশে বন্দে ভারত চালুর চূড়ান্ত চুক্তি বা commercial service-এর ঘোষণা এখনও হয়নি। প্রথমে prototype তৈরি, testing এবং সংশ্লিষ্ট দেশের railway standards-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য পরীক্ষা করা হবে। 

যদি এই পরিকল্পনা সফল হয়, তাহলে ভারতের জন্য এর গুরুত্ব শুধু একটি ট্রেন রফতানির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ভারতের indigenous railway engineering, manufacturing, maintenance এবং consultancy sector আন্তর্জাতিক বাজারে আরও বড় জায়গা করে নিতে পারবে।

দেশের রেলপথে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা বন্দে ভারত যদি একদিন বিদেশের railway network-এও নিয়মিত যাত্রী বহন করে, তাহলে সেটি নিঃসন্দেহে **‘Make in India’ থেকে ‘Made for the World’** হয়ে ওঠার একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হবে।

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

রাতবিরেতে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, পরীক্ষা ওষুধের স্টক

পশ্চিমবঙ্গের সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবার মান খতিয়ে দেখতে এবার আচমকা রাতের অন্ধকারেই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হাজির হলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ৯টা নাগাদ পূর্ব বর্ধমানের বড়শুল ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তাঁর এই আকস্মিক পরিদর্শন ঘিরে রীতিমতো চাঞ্চল্য তৈরি হয়।...

বন্যা রুখতে আরামবাগে মাস্টার প্ল্যান, বরাদ্দ ১২০০ কোটি

বর্ষার শুরু থেকেই বারবার বন্যার আশঙ্কায় ভুগতে হয় হুগলির আরামবাগ মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষকে। প্রবল বৃষ্টি, নদীর জলস্তর বৃদ্ধি এবং জলাধার থেকে জল ছাড়ার ফলে প্রতি বছরই আরামবাগ ও সংলগ্ন অঞ্চলে তৈরি হয় জলমগ্ন পরিস্থিতি। চলতি বছরেও পরিস্থিতির ব্যতিক্রম...

ট্রেনে মদ নিয়ে যাওয়া কি বৈধ? জানুন রেলের নিয়ম

ভারতীয় রেলে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ যাতায়াত করেন। দূরপাল্লার ট্রেনে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে যাওয়ার সময় অনেকেরই সঙ্গে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র থাকে। এর মধ্যে পোশাক, খাবার, প্রসাধনী থেকে শুরু করে কখনও কখনও অ্যালকোহল বা মদও...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.