Sunday, August 9, 2026

Creating liberating content

अरावली पर्वतमाला में कथित...

चंडीगढ़: अरावली पर्वतमाला में कथित अवैध खनन से पर्यावरण को हुए नुकसान के...

नियमित शारीरिक गतिविधि, वजन...

नई दिल्ली: फैटी लिवर की समस्या आज तेजी से आम होती जा रही...

England get big Emilio...

England's Emilio Gay leaves the field after being dismissed on day two...

तुर्की, पाकिस्तान और सऊदी...

अंकारा: तुर्की, पाकिस्तान और सऊदी अरब के बीच हुए नए रक्षा समझौते ने...
Homeবাংলাবিজয়ের ডিলিমিটেশন বিল...

বিজয়ের ডিলিমিটেশন বিল ঘিরে বৈঠকে অনুপস্থিত ডিএমকে সাংসদরা

তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক পরিসরে ডিলিমিটেশন বা লোকসভা আসনের সীমানা পুনর্বিন্যাস নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই নতুন করে চর্চায় এলেন তামিল অভিনেতা তথা তামিলগা ভেত্রি কাজাগম (TVK) প্রধান কে বিজয়। ডিলিমিটেশন ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে দক্ষিণের রাজ্যগুলির মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে বিজয়ের উদ্যোগে আয়োজিত বৈঠকে ডিএমকে সাংসদদের অনুপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন তৈরি করেছে।

ডিলিমিটেশন মূলত নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনর্নির্ধারণের প্রক্রিয়া। ভারতের সংবিধান অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় অন্তর জনসংখ্যার ভিত্তিতে লোকসভা ও বিধানসভা কেন্দ্রগুলির সীমানা পুনর্বিন্যাসের ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে তুলনামূলকভাবে সফল দক্ষিণের রাজ্যগুলির আশঙ্কা, ভবিষ্যতে জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস হলে তাঁদের সংসদীয় প্রতিনিধিত্বের অনুপাত কমতে পারে।

এই বিষয়টিই বর্তমানে তামিলনাড়ু-সহ দক্ষিণ ভারতের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে।

### বিজয়ের বৈঠকে ডিএমকে সাংসদদের অনুপস্থিতিডিলিমিটেশন ইস্যুতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে এবং এই বিষয়ে আলোচনা করতে বৈঠকের উদ্যোগ নেন TVK প্রধান কে বিজয়। তাঁর দলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল।কিন্তু বৈঠকে ডিএমকে-র সাংসদদের উপস্থিতি না থাকা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। তামিলনাড়ুর ক্ষমতাসীন দল ডিএমকে দীর্ঘদিন ধরেই ডিলিমিটেশন নিয়ে কেন্দ্রের সম্ভাব্য পদক্ষেপের বিরোধিতা করে আসছে। ফলে বিজয়ের উদ্যোগে তাঁদের অনুপস্থিতি অনেকের কাছেই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে হয়েছে।তবে কোনও রাজনৈতিক দলের কোনও বৈঠকে অনুপস্থিত থাকার কারণ নিয়ে অনুমান না করে সংশ্লিষ্ট দলের আনুষ্ঠানিক অবস্থানকেই গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

### ডিলিমিটেশন নিয়ে দক্ষিণের রাজ্যগুলির উদ্বেগডিলিমিটেশন নিয়ে দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলির মূল উদ্বেগ জনসংখ্যার সঙ্গে যুক্ত। স্বাধীনতার পর থেকে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার একরকম ছিল না। দক্ষিণ ভারতের একাধিক রাজ্য পরিবার পরিকল্পনা এবং জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে তুলনামূলকভাবে ভালো ফল করেছে।অন্যদিকে দেশের কিছু রাজ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার তুলনামূলক বেশি ছিল। ফলে যদি ভবিষ্যতে লোকসভা আসনের সংখ্যা প্রধানত বর্তমান জনসংখ্যার ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়, তাহলে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সফল রাজ্যগুলি তুলনামূলকভাবে কম আসন পেতে পারে—এই আশঙ্কা রয়েছে।দক্ষিণের রাজ্যগুলির রাজনৈতিক দলগুলির বক্তব্য, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের নীতিকে সফলভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য কোনও রাজ্যকে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে ক্ষতির মুখে পড়া উচিত নয়।

### বিজয়ের রাজনৈতিক অবস্থানকে বিজয় ইতিমধ্যেই তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নিজের জায়গা তৈরি করার চেষ্টা করছেন। তাঁর দল TVK আগামী দিনের নির্বাচনে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে উঠে আসার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে।ডিলিমিটেশন ইস্যুতে বিজয়ের সক্রিয়তা সেই রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। কারণ তামিলনাড়ুতে এই বিষয়টি সাধারণ মানুষের মধ্যেও যথেষ্ট আলোচিত। কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে দক্ষিণ ভারতের প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নকে সামনে এনে নিজের রাজনৈতিক অবস্থান আরও স্পষ্ট করতে চাইছেন তিনি।তবে তাঁর উদ্যোগ কতটা রাজনৈতিক সমর্থন পায়, তা আগামী দিনে আরও স্পষ্ট হবে।

### ডিএমকের অবস্থান কী?

ডিএমকে দীর্ঘদিন ধরে ডিলিমিটেশন নিয়ে কেন্দ্রের সম্ভাব্য পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছে। দলের নেতারা বারবার দাবি করেছেন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সাফল্য পাওয়া রাজ্যগুলির সংসদীয় প্রতিনিধিত্ব কমানো উচিত নয়।তামিলনাড়ু সরকারও এই বিষয়ে অন্যান্য দক্ষিণী রাজ্যের সঙ্গে সমন্বয় করে অবস্থান তুলে ধরেছে। কেন্দ্রের কাছে রাজ্যগুলির প্রতিনিধিত্ব এবং ফেডারেল কাঠামোর ভারসাম্য বজায় রাখার দাবি জানানো হয়েছে।এই প্রেক্ষাপটে বিজয়ের বৈঠকে ডিএমকে সাংসদদের অনুপস্থিতিকে রাজনৈতিক অবস্থানের ধারাবাহিকতা হিসেবেও দেখা হতে পারে। যদিও তাঁদের অনুপস্থিতির নির্দিষ্ট কারণ নিয়ে চূড়ান্ত মন্তব্য করার আগে সংশ্লিষ্ট দলের বক্তব্য জানা প্রয়োজন।

### ফেডারেল কাঠামোর প্রশ্ন

ডিলিমিটেশন বিতর্ক শুধু লোকসভা আসনের সংখ্যা নিয়ে নয়। এর সঙ্গে ভারতের ফেডারেল কাঠামোও জড়িয়ে রয়েছে।ভারত একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর দেশ, যেখানে কেন্দ্র এবং রাজ্যের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংসদে কোনও রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব কমে গেলে কেন্দ্রীয় নীতি নির্ধারণে সেই রাজ্যের প্রভাবও তুলনামূলকভাবে কমতে পারে।

দক্ষিণের রাজ্যগুলির রাজনৈতিক দলগুলি তাই ডিলিমিটেশনকে শুধুমাত্র নির্বাচনী সীমানা পুনর্বিন্যাস হিসেবে দেখছে না। তাঁরা এটিকে রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব, অর্থনৈতিক অবদান এবং কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্কের বৃহত্তর প্রশ্ন হিসেবে দেখছেন।

### জনসংখ্যা ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব

ডিলিমিটেশনের ক্ষেত্রে জনসংখ্যা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে শুধুমাত্র জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস করা হলে তার রাজনৈতিক প্রভাব কী হতে পারে, সেটিই মূল বিতর্ক।

দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলির যুক্তি হল, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে নীতি অনুসরণ করেছে। যদি সেই সাফল্যের ফলে তাঁদের লোকসভা আসনের অনুপাত কমে যায়, তাহলে তা ন্যায্য হবে না।

অন্যদিকে জনসংখ্যার ভিত্তিতে সমান প্রতিনিধিত্বের যুক্তিও রয়েছে। ভারতের সংসদে নাগরিকদের প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে জনসংখ্যাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড হিসেবে দেখা হয়।

এই দুই যুক্তির মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করাই ভবিষ্যতের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ।

### কেন রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে ঐক্য প্রয়োজন?

ডিলিমিটেশন এমন একটি বিষয়, যার প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে। তাই রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য অবস্থান তৈরি করা প্রয়োজন।

দক্ষিণ ভারতের একাধিক রাজনৈতিক দল ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে একসঙ্গে কথা বলেছে। তামিলনাড়ুতেও বিভিন্ন দলের মধ্যে সমন্বয়ের চেষ্টা হয়েছে।

বিজয়ের বৈঠক সেই বৃহত্তর রাজনৈতিক আলোচনার আরেকটি পর্ব হিসেবে সামনে এসেছে। তবে বড় রাজনৈতিক দলগুলির অংশগ্রহণ ছাড়া কোনও উদ্যোগ কতটা কার্যকর হবে, সেটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

### বিজয়ের সামনে রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ

TVK প্রধান হিসেবে বিজয়ের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ হল, তাঁর দলকে শুধু জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে নয়, সংগঠন এবং নীতিগত অবস্থানের দিক থেকেও শক্তিশালী করে তোলা। ডিলিমিটেশনের মতো জটিল সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক বিষয়ে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া তাঁর দলের রাজনৈতিক পরিণতিও তুলে ধরতে পারে।

তবে একইসঙ্গে অন্যান্য দলের সঙ্গে সম্পর্ক এবং সমন্বয়ও গুরুত্বপূর্ণ। ডিএমকের মতো প্রভাবশালী দলের সাংসদরা যদি তাঁর উদ্যোগে অংশ না নেন, তাহলে সেই উদ্যোগের রাজনৈতিক প্রভাব সীমিত হতে পারে।

### সামনে কী?

ডিলিমিটেশন নিয়ে জাতীয় স্তরে আলোচনা যত বাড়বে, দক্ষিণ ভারতের রাজনৈতিক দলগুলির চাপও তত বাড়তে পারে। তামিলনাড়ু এই বিতর্কের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।

কে বিজয়ের উদ্যোগ এবং ডিএমকে সাংসদদের অনুপস্থিতি সেই বিতর্ককে নতুন মাত্রা দিয়েছে। ভবিষ্যতে আরও রাজনৈতিক বৈঠক, আলোচনা এবং যৌথ অবস্থান সামনে আসতে পারে।

সব মিলিয়ে, ডিলিমিটেশন ইস্যুতে কে বিজয়ের বৈঠকে ডিএমকে সাংসদদের অনুপস্থিতি তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। যদিও বিষয়টি শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক বৈঠকে কারা উপস্থিত ছিলেন বা ছিলেন না, তার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে দক্ষিণ ভারতের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক এবং ভারতের ফেডারেল কাঠামোর মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

আগামী দিনে ডিলিমিটেশন নিয়ে কেন্দ্রীয় স্তরে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং দক্ষিণের রাজ্যগুলি কীভাবে তার মোকাবিলা করে, সেদিকেই নজর থাকবে। একইসঙ্গে TVK প্রধান বিজয়ের এই ইস্যুতে সক্রিয়তা তাঁর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশলের ক্ষেত্রেও কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, সেটিও দেখার বিষয়।

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের বকেয়া DA হিসাব হবে WBIFMS-এই

পশ্চিমবঙ্গের অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা Dearness Allowance (DA)-র হিসাব তৈরির ক্ষেত্রে এবার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হল। রাজ্যের WBiFMS HRMS পোর্টালে নতুন একটি মডিউল যুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের চাকরিজীবনের বেতন সংক্রান্ত পুরনো তথ্য...

ফুকেট-দিল্লি বিমানে তীব্র ঝাঁকুনি, পাইলট নিয়ে নতুন রিপোর্ট

ফুকেট থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান মাঝ আকাশে তীব্র টার্বুলেন্সের মুখে পড়ার ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। বিমানে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলেও পরিস্থিতি সামলে বিমানটি শেষ পর্যন্ত দিল্লিতে নিরাপদে পৌঁছয়। ঘটনার পর বিমান পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত...

ভারতীয়দের শত্রু নন সব পাকিস্তানি, বললেন মোহন ভাগবত

ভারত-পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত। তাঁর বক্তব্য, পাকিস্তানের সাধারণ মানুষকে সম্পূর্ণভাবে ভারতের শত্রু হিসেবে দেখা ঠিক নয়। দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক এবং সামরিক স্তরে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.