রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় যোগ দিতে নিউ ইয়র্কে পৌঁছেই সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে ফের সংঘাতে জড়ালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাষ্ট্রসংঘের সদর দপ্তরে CNN-এর সাংবাদিক কাইটলান কলিন্সকে সামনে পেয়ে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। কলিন্স মার্কিন প্রেসিডেন্টকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে প্রশ্ন করেন। সেই প্রশ্নের জবাব দেওয়ার পরই CNN-এর সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে ট্রাম্প বলেন, তাঁর সেখানে থাকার কথা নয়। একই সঙ্গে CNN তাঁর প্রশাসনের খবর সংগ্রহ করছে দেখে বিস্ময়ও প্রকাশ করেন তিনি। ঘটনাটি সামনে আসতেই মার্কিন প্রশাসন ও সংবাদমাধ্যমের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
ঘটনাটি এমন সময়ে ঘটল, যখন ট্রাম্প প্রশাসন সম্প্রতি CNN, MS NOW এবং Politico-কে হোয়াইট হাউস থেকে নিষিদ্ধ করেছে। ওই সংবাদমাধ্যমগুলির সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউসে প্রবেশের অনুমতি বাতিল করা হয়েছে। প্রশাসনের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলি সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেছে। যদিও সংবাদমাধ্যমগুলির দাবি, এই নিষেধাজ্ঞা আসলে তাঁদের সাংবাদিকতার কাজের প্রতিশোধ এবং স্বাধীন সংবাদ সংগ্রহের অধিকারের উপর আঘাত। তিনটি সংবাদমাধ্যমই ইতিমধ্যে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করেছে।
এই পটভূমিতেই মঙ্গলবার রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় ট্রাম্পের মুখোমুখি হন কাইটলান কলিন্স। আন্তর্জাতিক মঞ্চে মার্কিন প্রেসিডেন্টের আগমন ঘিরে সাংবাদিকদের ভিড় ছিল। সেই সময় CNN-এর সাংবাদিক তাঁকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং পুতিনের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রশ্ন করেন। ট্রাম্প সংক্ষিপ্তভাবে যুদ্ধের নিষ্পত্তির কথা বলেন। কিন্তু এরপরই CNN-এর উপস্থিতি নিয়ে আপত্তি তোলেন তিনি।
প্রকাশিত ভিডিও ও রিপোর্ট অনুযায়ী, ট্রাম্প জানান যে তিনি অবাক হয়েছেন CNN সেখানে তাঁর খবর সংগ্রহ করতে এসেছে দেখে। তাঁর বক্তব্যের মূল বক্তব্য ছিল, CNN-এর সাংবাদিকদের সেখানে থাকার কথা নয়। কারণ, তাঁর দাবি অনুযায়ী, CNN আগে জানিয়েছিল যে তারা তাঁকে কভার করবে না। এরপর কাইটলান কলিন্সকে সরাসরি সরে যেতে বলেন তিনি। ঘটনাটি খুব অল্প সময়ের হলেও মুহূর্তেই তা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ট্রাম্প এবং কাইটলান কলিন্সের মধ্যে এর আগেও একাধিকবার প্রকাশ্য মতবিরোধ দেখা গিয়েছে। কলিন্স দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন রাজনীতির অন্যতম পরিচিত হোয়াইট হাউস সাংবাদিক। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদেও তাঁর সঙ্গে প্রশাসনের একাধিকবার সংঘাত হয়েছিল। ২০২৩ সালে CNN-এর টাউন হল অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের সঙ্গে কলিন্সের সরাসরি প্রশ্নোত্তরও হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানেও দুজনের মধ্যে উত্তপ্ত কথোপকথন নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল।
এবারের ঘটনাটি অবশ্য শুধু ট্রাম্প বনাম কাইটলান কলিন্সের ব্যক্তিগত সংঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে না। এর পিছনে রয়েছে মার্কিন প্রশাসন ও সংবাদমাধ্যমের মধ্যে চলমান বড় রাজনৈতিক এবং আইনি দ্বন্দ্ব। হোয়াইট হাউস থেকে CNN-সহ তিনটি সংবাদমাধ্যমকে নিষিদ্ধ করার পর মার্কিন সাংবাদিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলি দাবি করেছে, কোনও সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টিং পছন্দ না হওয়ার কারণে সরকার তার সাংবাদিকদের প্রেস অ্যাক্সেস বন্ধ করতে পারে না। তাঁদের মতে, এমন সিদ্ধান্ত মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর সঙ্গে সম্পর্কিত প্রশ্ন তৈরি করে।
CNN, MS NOW এবং Politico ইতিমধ্যেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সরকার প্রেস অ্যাক্সেস সীমিত করতে পারে না। মামলায় এই সিদ্ধান্তকে মতাদর্শ বা দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তিতে বৈষম্য হিসেবেও তুলে ধরা হয়েছে। মামলাটি মার্কিন জেলা বিচারক টিমোথি কেলির আদালতে গিয়েছে এবং হোয়াইট হাউসের প্রেস অ্যাক্সেস নিয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
এদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের প্রবেশ একটি প্রশাসনিক সুবিধা, কোনও সংবাদমাধ্যমের অবাধ অধিকার নয়। প্রশাসনের যুক্তি, যেসব সংবাদমাধ্যম নিয়মিতভাবে সরকারের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে বলে তারা মনে করে, তাদের প্রেস অ্যাক্সেস নিয়ে নতুন নিয়ম করা প্রশাসনের অধিকার। তবে সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকতার অধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন এই যুক্তি মানতে নারাজ।
এই বিতর্কের মধ্যে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে। CNN-কে হোয়াইট হাউসের প্রেস পুল থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য বড় টেলিভিশন নেটওয়ার্কও ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। Fox News Media, ABC News, CBS News এবং NBC News যৌথভাবে জানিয়েছে, তারা আর পালা করে প্রেসিডেন্টের অনুষ্ঠান কভার করার প্রচলিত রোটেটিং পুলে অংশ নেবে না। এই ব্যবস্থায় আমেরিকার প্রধান টেলিভিশন নেটওয়ার্কগুলি পালা করে প্রেসিডেন্টের বিভিন্ন কর্মসূচিতে ক্যামেরা টিম পাঠায় এবং পরে সেই ফুটেজ অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে ভাগ করে নেয়।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলির যৌথ অবস্থানকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ সাধারণত একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় থাকা টেলিভিশন নেটওয়ার্কগুলি কোনও নির্দিষ্ট প্রেস অ্যাক্সেস ইস্যুতে একসঙ্গে অবস্থান নেওয়া বিরল। তাদের বক্তব্য, মার্কিন নাগরিকদের সরকারের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সঠিক এবং স্বাধীন তথ্য জানার অধিকার রয়েছে। কোনও প্রশাসনের সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু সেই কারণে সংবাদ সংগ্রহের সুযোগ বন্ধ করে দেওয়া উচিত নয়।
CNN-কে ঘিরে এই বিরোধের মধ্যেই ট্রাম্পের রাষ্ট্রসংঘ সফর হওয়ায় ঘটনাটি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভা আন্তর্জাতিক রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান এবং সরকারপ্রধানরা এখানে নিজেদের দেশের অবস্থান তুলে ধরেন। এমন একটি আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেশের অন্যতম বড় সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকের প্রকাশ্য সংঘাত আন্তর্জাতিক মহলেও নজর কেড়েছে।
রাষ্ট্রসংঘে যাওয়ার আগে ট্রাম্প প্রশাসনের সংবাদমাধ্যম নীতিই ছিল মার্কিন রাজনীতির আলোচনার অন্যতম বিষয়। হোয়াইট হাউস থেকে CNN, MS NOW এবং Politico-কে বাদ দেওয়ার পর সাংবাদিকদের একটি অংশ প্রশ্ন তুলেছে, প্রেসিডেন্টের প্রকাশ্য কার্যক্রম কভার করার সুযোগ সীমিত হলে সাধারণ মানুষ কীভাবে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে স্বাধীন তথ্য পাবেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবশ্য এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে নিজেদের সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি দেওয়া হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রসংঘে কাইটলান কলিন্সের উপস্থিতিও তাৎপর্যপূর্ণ। CNN হোয়াইট হাউসের প্রেস পুলে না থাকলেও রাষ্ট্রসংঘের নিজস্ব মিডিয়া অ্যাক্রেডিটেশনের মাধ্যমে সাংবাদিকরা সাধারণ সভার অনুষ্ঠান কভার করতে পারেন। ফলে হোয়াইট হাউসের নিষেধাজ্ঞা সরাসরি রাষ্ট্রসংঘের সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে একইভাবে কার্যকর নয়। Reuters-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিষিদ্ধ সংবাদমাধ্যমগুলিও রাষ্ট্রসংঘের দেওয়া মিডিয়া পাস ব্যবহার করে ট্রাম্পের নিউ ইয়র্ক সফর কভার করেছে।
এই বিষয়টিই সম্ভবত ট্রাম্পের আপত্তির অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে। তাঁর প্রশাসনের সঙ্গে CNN-এর সংঘাত মূলত হোয়াইট হাউসকে কেন্দ্র করে হলেও আন্তর্জাতিক মঞ্চে CNN-এর সাংবাদিকদের উপস্থিতি অব্যাহত রয়েছে। ফলে ট্রাম্পের বক্তব্যে সেই ক্ষোভেরই প্রতিফলন দেখা যায় বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে ঘটনাটি শুধু সংবাদমাধ্যমের প্রবেশাধিকার নিয়ে নয়; এটি মার্কিন গণতন্ত্রে প্রেসের ভূমিকা নিয়েও বৃহত্তর প্রশ্ন তুলেছে। প্রেসিডেন্টের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্ন করা এবং প্রশাসনের বক্তব্য যাচাই করা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একই সঙ্গে প্রশাসনেরও সংবাদমাধ্যমের সমালোচনার জবাব দেওয়ার অধিকার রয়েছে। কিন্তু এই দুই অধিকারের সীমা কোথায় এবং সরকারি ক্ষমতা ব্যবহার করে সংবাদমাধ্যমের উপর কতটা নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা যায়—সেই প্রশ্নই এখন সামনে।
ট্রাম্পের সমালোচকরা মনে করছেন, CNN-এর প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত ক্ষোভ এবং প্রশাসনের সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞা মিলিয়ে এই ঘটনাকে দেখা দরকার। তাঁদের বক্তব্য, সাংবাদিক কোনও প্রশ্ন করলেই তাঁকে অনুষ্ঠানস্থল থেকে চলে যেতে বলা হলে প্রেসিডেন্ট ও সংবাদমাধ্যমের মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্ক আরও দুর্বল হতে পারে। অন্যদিকে ট্রাম্পের সমর্থকদের যুক্তি, দীর্ঘদিন ধরে CNN-সহ কিছু সংবাদমাধ্যম তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে এবং প্রেসিডেন্টেরও সেই সমালোচনার জবাব দেওয়ার অধিকার রয়েছে।
ঘটনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, ট্রাম্পের সঙ্গে কলিন্সের প্রশ্নোত্তরের বিষয়বস্তু। তিনি শুধু সংবাদমাধ্যম নিয়ে প্রশ্ন করেননি; বরং প্রথমে রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধ সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছিলেন। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও যুদ্ধনীতি নিয়ে প্রেসিডেন্টের অবস্থান জানতে চেয়েছিলেন তিনি। ট্রাম্পের সংক্ষিপ্ত জবাবের পরই সংবাদমাধ্যম প্রসঙ্গ সামনে আসে। ফলে রাজনৈতিক প্রশ্ন থেকে মুহূর্তের মধ্যে বিতর্ক চলে যায় প্রেস অ্যাক্সেস ও CNN-এর নিষেধাজ্ঞার দিকে।
এর আগে হোয়াইট হাউস CNN-সহ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার পর মার্কিন সংবাদমাধ্যমের বড় অংশের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। এবার Fox News-সহ অন্যান্য নেটওয়ার্কও CNN-এর পাশে দাঁড়ানোয় বিষয়টি আরও বিস্তৃত রূপ নিয়েছে। সংবাদমাধ্যমগুলির যৌথ অবস্থান থেকে স্পষ্ট যে, এটি শুধু একটি নির্দিষ্ট চ্যানেলের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের সংঘাত হিসেবে সীমাবদ্ধ নেই; বরং প্রেসিডেন্টের সঙ্গে গোটা সংবাদমাধ্যমের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
আইনি লড়াইয়ের ফলাফলও তাই গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। আদালত যদি সংবাদমাধ্যমগুলির পক্ষে রায় দেয়, তাহলে হোয়াইট হাউসের প্রেস অ্যাক্সেস নীতি নিয়ে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। অন্যদিকে প্রশাসনের অবস্থান বহাল থাকলে ভবিষ্যতে প্রেসিডেন্ট ও সংবাদমাধ্যমের মধ্যে অ্যাক্সেস নিয়ে আরও সংঘাতের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। বুধবারের আদালত শুনানির দিকে তাই মার্কিন সংবাদমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলের নজর রয়েছে।
সব মিলিয়ে, রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং CNN-এর সাংবাদিক কাইটলান কলিন্সের মুখোমুখি সংঘাত মার্কিন রাজনীতিতে চলতে থাকা বৃহত্তর প্রেস-প্রেসিডেন্ট দ্বন্দ্বকে আরও একবার সামনে নিয়ে এল। CNN-সহ তিনটি সংবাদমাধ্যমকে হোয়াইট হাউস থেকে নিষিদ্ধ করার পর ট্রাম্পের সঙ্গে কলিন্সের এই প্রকাশ্য বাক্যালাপ নতুন করে আলোড়ন তৈরি করেছে। একই সঙ্গে Fox News, ABC, CBS এবং NBC-এর মতো বড় নেটওয়ার্কগুলির যৌথভাবে প্রেস পুল বয়কট করার সিদ্ধান্ত ঘটনাটির গুরুত্ব আরও বাড়িয়েছে। এখন আদালতের শুনানি এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপই নির্ধারণ করবে, হোয়াইট হাউস ও মার্কিন সংবাদমাধ্যমের এই সংঘাত কোন দিকে গড়ায়।


