Wednesday, November 4, 2026

Creating liberating content

यूईएम जयपुर ने मानवता...

जयपुर में आयोजित मानवता के लिए दौड़ के दसवें संस्करण में यूनिवर्सिटी ऑफ...

अक्टूबर 2026 में पड़ेंगी...

सनातन हिंदू धर्म में एकादशी तिथि का विशेष धार्मिक महत्व माना जाता है।...

इंफोसिस और विप्रो में...

देश की प्रमुख सूचना प्रौद्योगिकी सेवा कंपनियों में शामिल इंफोसिस और विप्रो के...

स्वर्ग में कर्ण को...

महाभारत के महान योद्धाओं में कर्ण का नाम केवल उनकी वीरता और संघर्ष...
Homeবাংলাবৃহস্পতিবারই আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বদলি...

বৃহস্পতিবারই আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বদলি বিল, বড় সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর

রাজ্যের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত। শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বদলির সুযোগ তৈরি করতে এবার বিধানসভায় বিল আনতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, আগামী **১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার** বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনে এই বিল পেশ করা হবে। ইতিমধ্যেই রাজ্য মন্ত্রিসভা প্রস্তাবটিতে অনুমোদন দিয়েছে।

প্রস্তাবিত আইনের আনুষ্ঠানিক নাম **West Bengal Universities and Colleges Administration and Regulation (Amendment) Bill, 2026**। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, নতুন ও অপেক্ষাকৃত নবীন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে অভিজ্ঞ শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের কাজে লাগানোই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।

## ১০ সেপ্টেম্বর বিশেষ অধিবেশন

মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ১০ সেপ্টেম্বর সকাল **১১টা থেকে দুপুর ১টা** পর্যন্ত বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন বসবে। সেই অধিবেশনেই আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বদলি সংক্রান্ত বিলটি পেশ করার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ অধিবেশনের প্রস্তাব ইতিমধ্যেই বিধানসভার স্পিকারের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সরকারের তরফে বলা হয়েছে, নিয়ম মেনে বিধানসভায় বিল পেশের আগে রাজ্যপালের অনুমোদনের প্রক্রিয়াও রয়েছে। অর্থাৎ, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর এবার বিষয়টি আইনসভায় যাওয়ার পথে।

## কী সুবিধা হবে এই বিলের?

সরকারের যুক্তি, রাজ্যের বেশ কিছু নতুন বিশ্ববিদ্যালয়কে দ্রুত পরিকাঠামোগত ও শিক্ষাগতভাবে শক্তিশালী করতে অভিজ্ঞ অধ্যাপকদের প্রয়োজন। বহু পুরনো বিশ্ববিদ্যালয়ে বছরের পর বছর কাজ করা অধ্যাপকরা নতুন প্রতিষ্ঠানগুলিতে গিয়ে তাঁদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারবেন।

শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য অনুযায়ী, অভিজ্ঞ অধ্যাপকরা নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলির পরিকাঠামো তৈরি, কীভাবে ক্লাস পরিচালনা হবে এবং কীভাবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ‘সেন্টার অফ এক্সেলেন্স’-এ পরিণত করা যায়, সেই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন। ঝাড়গ্রাম ও কোচবিহারের মতো জায়গায় তৈরি হওয়া নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে এই মানবসম্পদ কাজে লাগানোর পরিকল্পনার কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন।

অর্থাৎ, সরকারের চোখে এটি শুধুমাত্র বদলির ব্যবস্থা নয়; নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে অভিজ্ঞ মানবসম্পদ পৌঁছে দেওয়ার একটি প্রশাসনিক কাঠামো।

## শুধু শিক্ষক নয়, অশিক্ষকরাও থাকছেন

প্রস্তাবিত আইনের গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, এর আওতায় শুধু অধ্যাপক বা শিক্ষকরা নন, বিশ্ববিদ্যালয়ের **অশিক্ষক কর্মীরাও** থাকবেন। অর্থাৎ প্রশাসনিক ও অন্যান্য non-teaching staff-কেও এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বদলি করার বিধিবদ্ধ কাঠামো তৈরি হতে পারে।

বর্তমানে সরকারি কলেজের শিক্ষক ও কর্মীদের ক্ষেত্রে বদলির ব্যবস্থা থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মীদের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আলাদা। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন, বিধি ও চাকরির শর্ত অনুযায়ী নিয়োগ ও পরিষেবার কাঠামো তৈরি হয়। নতুন বিল সেই ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে।

## কেন আপত্তি শিক্ষক মহলে?

বিলটি সামনে আসতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মহলের একাংশে প্রশ্ন উঠেছে। তাঁদের মূল আপত্তি বদলি ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা নয়, বরং **বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বশাসন ও চাকরির শর্ত** নিয়ে।

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি বা CUTA-র সভাপতি সনাতন চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বিধানসভায় বিল পেশের আগে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করা প্রয়োজন। তাঁর মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে চাকরির নিয়ম ও পরিষেবার শর্ত আলাদা। ফলে নতুন বদলি ব্যবস্থার সঙ্গে সেগুলির সমন্বয় কীভাবে হবে, তা স্পষ্ট হওয়া দরকার।

## বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন নিয়েও প্রশ্ন

জাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি বা JUTA-ও প্রস্তাবিত বিল নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে। সংগঠনের বক্তব্য, প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন ও পরিচালন পদ্ধতি রয়েছে। সেই ব্যবস্থার মধ্যে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বদলির ব্যবস্থা কীভাবে কার্যকর হবে, তা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে।

শিক্ষক সংগঠনের একাংশের আশঙ্কা, এই আইন কার্যকর হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরির নিরাপত্তার উপর প্রভাব পড়তে পারে।

## গবেষণার কী হবে?

বিল নিয়ে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে গবেষণা সংক্রান্ত বিষয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক অধ্যাপক নির্দিষ্ট গবেষণাগার, পরিকাঠামো এবং গবেষণা প্রকল্পের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত থাকেন। কোনও শিক্ষককে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বদলি করা হলে তাঁর চলমান গবেষণা প্রকল্প, গবেষণার অর্থ, ল্যাবরেটরি এবং গবেষক ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ কী হবে—তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কয়েকজন শিক্ষাবিদ।

একজন শিক্ষক যে বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্দিষ্ট গবেষণা পরিকাঠামো পেয়েছেন, অন্য প্রতিষ্ঠানে বদলি হওয়ার পর একই সুবিধা নাও পেতে পারেন। ফলে বদলির পাশাপাশি গবেষণা প্রকল্পের ধারাবাহিকতা কীভাবে বজায় রাখা হবে, সেই বিষয়ে স্পষ্ট নীতির প্রয়োজন রয়েছে।

## রাজনৈতিক প্রতিহিংসার আশঙ্কাও তুলছেন কেউ কেউ

শিক্ষক মহলের একাংশের আরও বড় আশঙ্কা, বদলির ক্ষমতা ভবিষ্যতে প্রশাসনিক বা রাজনৈতিক চাপ তৈরির হাতিয়ার হয়ে উঠতে পারে। অতীতে রাজনৈতিক সরকারের আমলে বিরোধী মনোভাবাপন্ন শিক্ষকদের বদলি নিয়ে অভিযোগ উঠেছিল—সেই ইতিহাসের কথাও সামনে আনছেন কেউ কেউ।

তবে এটি শিক্ষক সংগঠন ও শিক্ষাবিদদের আশঙ্কা; প্রস্তাবিত বিল বাস্তবে কীভাবে প্রয়োগ হবে, তা আইনের চূড়ান্ত রূপ এবং পরবর্তী বিধির উপর নির্ভর করবে।

## নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলির জন্য কি সত্যিই লাভ?

অন্যদিকে, রাজ্যে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অভিজ্ঞ শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মীদের প্রয়োজনীয়তাও বেড়েছে। নতুন প্রতিষ্ঠানকে একেবারে শূন্য থেকে তৈরি করার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ অধ্যাপকদের জ্ঞান ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগতে পারে।

সরকারের বক্তব্য, কোনও প্রতিষ্ঠানে বছরের পর বছর ধরে তৈরি হওয়া দক্ষতা অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ভাগ করে নিলে গোটা উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাই উপকৃত হতে পারে। বিশেষত জেলার নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে অভিজ্ঞ শিক্ষক গেলে সেখানকার শিক্ষার মান ও পরিকাঠামো দ্রুত উন্নত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

## এখন নজর বিধানসভার দিকে

মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর এখন মূল নজর ১০ সেপ্টেম্বরের বিশেষ অধিবেশনে। সেখানে বিলের ধারা ও শর্তগুলি কতটা স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা হয়, বদলির ক্ষমতা কার হাতে থাকবে, শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের পরিষেবার শর্ত কীভাবে সুরক্ষিত থাকবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইনগুলির সঙ্গে নতুন ব্যবস্থার সমন্বয় কীভাবে করা হবে—সবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

একদিকে সরকারের দাবি, নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে শক্তিশালী করতে অভিজ্ঞ মানবসম্পদ দ্রুত পৌঁছে দেওয়াই উদ্দেশ্য। অন্যদিকে শিক্ষক সংগঠনগুলির প্রশ্ন, সেই লক্ষ্য পূরণ করতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বশাসন ও কর্মীদের চাকরির নিরাপত্তা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

তাই বৃহস্পতিবারের বিশেষ অধিবেশন শুধু একটি নতুন বিল পেশের দিন নয়—রাজ্যের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় **বদলির নতুন অধ্যায় শুরু হওয়ার সম্ভাব্য দিনও**।

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

ঔরঙ্গজেবের আমলের ৩৩৪ বছরের বনেদি পুজোর অমলিন ঐতিহ্য

পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজোর ইতিহাসে বনেদি পুজোর আলাদা মর্যাদা রয়েছে। সেই ঐতিহ্যের অন্যতম উজ্জ্বল অধ্যায় পূর্ব বর্ধমানের পানাগড়ের সোঁয়াই গ্রামের মুখোপাধ্যায় পরিবারের দুর্গাপুজো। এ বছর এই পুজো ৩৩৪ বছরে পা দিয়েছে। শুধু প্রাচীনত্ব নয়, এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে স্বপ্নাদেশ, বর্ধমানের...

বাংলায় পথচলা শুরু বিজয় থলপতির টিভিকের নতুন অধ্যায়

তামিলনাড়ুতে রাজনৈতিক সাফল্যের পর এবার পশ্চিমবঙ্গে সাংগঠনিক বিস্তার শুরু করল বিজয় থলপতি-র দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগম (TVK)। পূর্ব বর্ধমান জেলার ফাগুপুরে দলের প্রথম কার্যালয় খোলার মাধ্যমে বাংলায় আনুষ্ঠানিকভাবে পথচলা শুরু হয়েছে। এই পদক্ষেপের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—তাহলে...

সন্ত্রাসে শীর্ষে পাকিস্তান, হাক্কানির বিস্ফোরক আত্মসমালোচনা ভাইরাল

সন্ত্রাসবাদে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় পাকিস্তানের শীর্ষে উঠে আসার দাবি ঘিরে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (IEP)-এর প্রকাশিত Global Terrorism Index 2026-এর তথ্য সামনে আসার পর পাকিস্তানের প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত হুসেন হাক্কানি ইসলামাবাদের দীর্ঘদিনের...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.