Saturday, August 15, 2026

Creating liberating content

Devdutt Padikkal or Sai...

India's Devdutt Padikkal celebrates his century during the day one of the...

‘I now know I...

Grandmaster Hikaru Nakamura has explained what happened during his chaotic third-place...

চাকরির খোঁজে বেঙ্গালুরু, TTP...

উচ্চশিক্ষা শেষ করে চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সরকারি চাকরি পাওয়ার আশায় একাধিক পরীক্ষা...

Flashback: What happened when...

Seventeen years after Hyderabad hosted the BWF World Championships, badminton's biggest...
Homeবাংলানাবালক বলে ছাড়...

নাবালক বলে ছাড় নয়, অপহরণে ২৫ বছরের কারাদণ্ড

# নাবালক বলে ছাড় নয়, অপহরণে ২৫ বছরের কারাদণ্ড

নাবালক বলেই যে গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে শাস্তি থেকে সম্পূর্ণ অব্যাহতি মিলবে না, উত্তরপ্রদেশের বালিয়ার একটি POCSO আদালতের সাম্প্রতিক রায় সেই বিষয়টিই নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। ২০২৩ সালে ১৩ বছরের এক নাবালিকাকে অপহরণের মামলায় ১৬ বছর বয়সি এক কিশোরকে দোষী সাব্যস্ত করে ২৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি ৩০ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। তবে সাজা কার্যকর করার ক্ষেত্রে কিশোরের বয়স এবং পুনর্বাসনের বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। ২১ বছর বয়স পর্যন্ত তার শিক্ষা এবং মানসিক ও শারীরিক বিকাশ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এরপর তাকে সংশোধনাগার থেকে জেলে পাঠিয়ে বাকি সাজা ভোগ করানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই রায়কে ঘিরে ইতিমধ্যেই আইন, কিশোর অপরাধ এবং POCSO আইনের প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ সাধারণভাবে শিশু বা কিশোরদের ক্ষেত্রে সংশোধন ও পুনর্বাসনকে গুরুত্ব দেওয়া হলেও, গুরুতর অপরাধে ১৬ থেকে ১৮ বছর বয়সি অভিযুক্তদের ক্ষেত্রে ভারতীয় আইনে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে প্রাপ্তবয়স্কের মতো বিচার করার ব্যবস্থাও রয়েছে। বালিয়ার এই মামলায় সেই আইনি কাঠামোরই প্রয়োগ হয়েছে।

### ২০২৩ সালে ঘটেছিল অপহরণের ঘটনা

মামলার সূত্রপাত ২০২৩ সালের জুলাই মাসে। অভিযোগ অনুযায়ী, উত্তরপ্রদেশের বালিয়ার পাখরি থানা এলাকার একটি গ্রামে ১৩ বছরের এক নাবালিকা বাড়ির বাইরে বেরিয়েছিল। সেই সময় তাকে প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় অভিযুক্ত ছিল দেওরিয়া জেলার সালেমপুর থানা এলাকার বাসিন্দা এক কিশোর। সেই সময় তার বয়স ছিল ১৬ বছর।

নাবালিকার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ভারতীয় দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারার পাশাপাশি POCSO আইনের অধীনে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে। তদন্ত শেষ হওয়ার পর পুলিশ আদালতে চার্জশিট জমা দেয়।

এরপর মামলাটি বালিয়ার POCSO আদালতে বিচারাধীন ছিল। প্রায় তিন বছর ধরে আইনি প্রক্রিয়া চলার পর অবশেষে আদালত অভিযুক্ত কিশোরকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা ঘোষণা করেছে।

### ১৬ বছর বয়সি অভিযুক্তকে ২৫ বছরের সাজা

এই মামলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হল অভিযুক্তের বয়স। অপরাধের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর। কিন্তু আদালত তাকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে।

সংবাদ সংস্থা PTI-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, বালিয়ার ADJ (POCSO) প্রথম কান্ত অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে ২৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ৩০ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের এই সিদ্ধান্ত কিশোর অপরাধের ক্ষেত্রে শাস্তি এবং পুনর্বাসনের মধ্যে আইনি ভারসাম্যের বিষয়টি সামনে এনেছে।

তবে ২৫ বছরের সাজা ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে তাকে সরাসরি সাধারণ জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়নি। আদালত স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, অভিযুক্তের বয়স এবং ভবিষ্যৎ বিকাশের বিষয়টিও বিবেচনা করতে হবে।

### ২১ বছর পর্যন্ত বিশেষ হোমে থাকার নির্দেশ

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, অভিযুক্ত কিশোরকে আপাতত গাজিপুরের একটি Special Home-এর সুপারের তত্ত্বাবধানে রাখা হবে। সেখানে তার শিক্ষা এবং মানসিক ও শারীরিক বিকাশের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

অর্থাৎ আদালতের রায়ে শাস্তির পাশাপাশি সংশোধনের সুযোগও রাখা হয়েছে। অভিযুক্তের বয়স যখন ২১ বছর হবে, তখন তাকে মৌ জেলার জেলে পাঠানো হবে। সেখানে তাকে ২৫ বছরের সাজা থেকে অবশিষ্ট সময় কাটাতে হবে। 

এই ব্যবস্থার মাধ্যমে আদালত একদিকে গুরুতর অপরাধের জন্য কঠোর সাজা বজায় রেখেছে, অন্যদিকে অভিযুক্ত যখন কিশোর, তখন তার শিক্ষা ও বিকাশের প্রয়োজনীয়তাকেও গুরুত্ব দিয়েছে।

### POCSO আইনে কেন গুরুত্বপূর্ণ এই রায়?

POCSO বা Protection of Children from Sexual Offences Act মূলত শিশুদের যৌন অপরাধ থেকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য তৈরি আইন। কোনও নাবালক বা নাবালিকার বিরুদ্ধে যৌন অপরাধ, যৌন নির্যাতন কিংবা সংশ্লিষ্ট অপরাধের অভিযোগ উঠলে এই আইনের অধীনে মামলা হতে পারে।

এই মামলাটি অপহরণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে হলেও POCSO আইনের ধারাও প্রয়োগ করা হয়েছিল। ফলে শিশুর সুরক্ষা এবং অভিযুক্তের বয়স—দুই বিষয়ই বিচারপ্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

POCSO আইনের ক্ষেত্রে শিশুর বয়স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ১৮ বছরের কম বয়সি ব্যক্তিকে আইনের চোখে শিশু হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে অভিযুক্ত নিজেই যদি ১৬ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে হয় এবং অভিযোগটি ‘heinous offence’ বা গুরুতর অপরাধের পর্যায়ে পড়ে, তাহলে Juvenile Justice আইনের নির্দিষ্ট বিধান অনুযায়ী তাকে প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে বিচার করার সম্ভাবনা তৈরি হয়।

এই মামলায় আদালতের দেওয়া সাজা সেই আইনি ব্যবস্থার প্রয়োগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।

### নির্ভয়া মামলার প্রসঙ্গ কেন উঠছে?

বালিয়ার এই রায়ের পর সংবাদ প্রতিবেদনে ২০১২ সালের নির্ভয়া মামলার কথাও উঠে এসেছে। সেই ঘটনার অন্যতম অভিযুক্তের বয়স ১৮ বছরের নিচে হওয়ায় তাকে কিশোর বিচার ব্যবস্থার অধীনে বিচার করা হয়েছিল। গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে বয়সের কারণে তুলনামূলক কম শাস্তি পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে সেই সময় দেশজুড়ে প্রবল বিতর্ক ও জনরোষ তৈরি হয়েছিল।

এর পরেই কিশোর অপরাধ সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়। ২০১৫ সালের Juvenile Justice Act-এ ১৬ থেকে ১৮ বছর বয়সি কিশোরদের দ্বারা সংঘটিত গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়।

এই আইনি পরিবর্তনের পর নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ১৬ থেকে ১৮ বছর বয়সি অভিযুক্তকে প্রাপ্তবয়স্কের মতো বিচার করার পথ তৈরি হয়। বালিয়ার বর্তমান মামলায় সেই বিধান কীভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে, তা নিয়েই বিশেষ আগ্রহ তৈরি হয়েছে। 

### শাস্তির পাশাপাশি সংশোধনের উপর জোর

এই মামলার রায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল, আদালত শুধুমাত্র শাস্তির দিকে নজর দেয়নি। ২১ বছর বয়স পর্যন্ত অভিযুক্তের শিক্ষা এবং মানসিক-শারীরিক বিকাশ নিশ্চিত করার নির্দেশ তারই প্রমাণ।

কিশোর বিচার ব্যবস্থার অন্যতম মূল উদ্দেশ্য হল অভিযুক্ত শিশুকে শুধুমাত্র শাস্তি দেওয়া নয়, তাকে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া এবং ভবিষ্যতে সমাজের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা। সেই কারণেই Special Home-এর মতো প্রতিষ্ঠানে কিশোরদের রাখার ব্যবস্থা রয়েছে।

বালিয়ার আদালতের নির্দেশে সেই পুনর্বাসনমূলক দৃষ্টিভঙ্গি এবং কঠোর শাস্তি—দুই দিকই একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে।

### আদালতের সামনে কী ছিল মূল প্রশ্ন?

এই ধরনের মামলায় আদালতের সামনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন থাকে। প্রথমত, অভিযুক্ত অপরাধের সময় কত বছর বয়সি ছিল। দ্বিতীয়ত, তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রকৃতি কতটা গুরুতর। তৃতীয়ত, মামলায় প্রমাণ কতটা নির্ভরযোগ্য এবং অভিযোগের সঙ্গে অভিযুক্তের প্রত্যক্ষ সম্পর্ক কতটা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

এই মামলায় দীর্ঘ তদন্ত এবং বিচারপ্রক্রিয়ার পর আদালত অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। অর্থাৎ শুধু বয়সের ভিত্তিতে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়নি। বরং অপরাধের গুরুত্ব এবং প্রযোজ্য আইনি বিধান বিবেচনা করে সাজা ঘোষণা করা হয়েছে।

### পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে শুরু তদন্ত

মামলাটি শুরু হয়েছিল নাবালিকার মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে। তদন্ত শেষে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করা হয়।

এ ধরনের মামলায় তদন্তের সময় নাবালিকার নিরাপত্তা, পরিচয় গোপন রাখা এবং সাক্ষ্যগ্রহণের মতো বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। POCSO আইনের কাঠামোতেই শিশুদের জন্য বিশেষ সুরক্ষা এবং সংবেদনশীল বিচারপ্রক্রিয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।

বালিয়ার মামলাতেও তদন্তের পর বিষয়টি বিশেষ POCSO আদালতে পৌঁছয় এবং সেখানেই বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

### তিন বছর পর এল রায়

২০২৩ সালে ঘটনা ঘটার পর প্রায় তিন বছর ধরে মামলাটি বিচারাধীন ছিল। অবশেষে ২০২৬ সালের আগস্টে আদালত রায় ঘোষণা করে। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়ার পর দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ঘটনা দেখিয়ে দেয়, গুরুতর অপরাধের মামলায় তদন্ত এবং বিচার সম্পন্ন করতে সময় লাগতে পারে।

বর্তমান রায়ে আদালত অভিযুক্তকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। একইসঙ্গে ৩০ হাজার টাকা জরিমানাও ধার্য করা হয়েছে। তবে ২১ বছর বয়স পর্যন্ত তাকে Special Home-এ রাখার নির্দেশ থাকায় সাজা কার্যকর করার প্রক্রিয়াটি বয়সভিত্তিক ধাপে সম্পন্ন হবে। 

### কিশোর অপরাধ নিয়ে নতুন করে আলোচনা

বালিয়ার এই রায়ের পর স্বাভাবিকভাবেই কিশোর অপরাধের ক্ষেত্রে আইন কতটা কঠোর হওয়া উচিত, সেই প্রশ্নও সামনে আসছে। একদিকে গুরুতর অপরাধের শিকার শিশুদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অন্যদিকে অভিযুক্ত যদি কিশোর হয়, তাহলে তার বয়স, মানসিক পরিপক্বতা এবং সংশোধনের সম্ভাবনাও বিবেচনা করতে হয়।

ভারতের কিশোর বিচার ব্যবস্থায় এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। ১৬ থেকে ১৮ বছর বয়সি অভিযুক্তদের ক্ষেত্রে গুরুতর অপরাধের জন্য বিশেষ বিচারব্যবস্থা সেই ভারসাম্যেরই অংশ।

### ভবিষ্যতে কী হবে অভিযুক্তের?

আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, অভিযুক্ত কিশোর আপাতত গাজিপুরের Special Home-এ থাকবে। সেখানে তার শিক্ষা এবং মানসিক ও শারীরিক বিকাশের উপর নজর রাখা হবে। ২১ বছর বয়সে পৌঁছনোর পর তাকে মৌ জেলা জেলে পাঠানো হবে এবং সেখানেই বাকি সাজা ভোগ করতে হবে। 

অর্থাৎ আদালত একেবারে শুরু থেকেই তাকে সাধারণ কারাগারে পাঠানোর পরিবর্তে বয়স অনুযায়ী পৃথক ব্যবস্থা করেছে। তবে শেষ পর্যন্ত ২৫ বছরের সাজা বহাল থাকায় অপরাধের গুরুত্বের ক্ষেত্রেও আদালত কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

### নজিরবিহীন রায় ঘিরে আলোচনা

১৬ বছর বয়সি অভিযুক্তের ক্ষেত্রে ২৫ বছরের কারাদণ্ডের এই রায় নিঃসন্দেহে ব্যতিক্রমী। বিশেষ করে কিশোর অপরাধীদের ক্ষেত্রে যেখানে সংশোধন এবং পুনর্বাসনকে সাধারণত বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়, সেখানে গুরুতর অপরাধের অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন কতটা কঠোর হতে পারে, এই মামলা তার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।

তবে এই রায়কে শুধুমাত্র ‘নাবালকের জন্য কঠোর শাস্তি’ হিসেবে দেখলে পুরো বিষয়টি বোঝা যাবে না। আদালত একইসঙ্গে অভিযুক্তের শিক্ষা এবং বিকাশ নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে। অর্থাৎ শাস্তি ও সংশোধন—দুই ব্যবস্থাকেই পাশাপাশি রাখা হয়েছে।

সব মিলিয়ে, উত্তরপ্রদেশের বালিয়ার POCSO আদালতের এই রায় কিশোর অপরাধ, শিশু সুরক্ষা এবং বিচারব্যবস্থার মধ্যে ভারসাম্য নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। ২০২৩ সালে ১৩ বছরের এক নাবালিকাকে অপহরণের মামলায় ১৬ বছর বয়সি অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত ২৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। একইসঙ্গে ২১ বছর বয়স পর্যন্ত তার শিক্ষা ও মানসিক-শারীরিক বিকাশ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপর তাকে জেলে পাঠিয়ে অবশিষ্ট সাজা ভোগ করানোর কথা বলা হয়েছে। 

এই রায়ের মাধ্যমে একটি বিষয় স্পষ্ট—অভিযুক্তের বয়স কম হলেও গুরুতর অপরাধের অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। একইসঙ্গে কিশোর অভিযুক্তের পুনর্বাসন ও বিকাশের বিষয়টিও বিচারব্যবস্থা সম্পূর্ণ উপেক্ষা করছে না। বালিয়ার এই মামলা তাই আগামী দিনে কিশোর বিচার এবং POCSO সংক্রান্ত আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে থাকতে পারে।

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

চাকরির খোঁজে বেঙ্গালুরু, TTP যোগে ধৃত যুবক

উচ্চশিক্ষা শেষ করে চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। সরকারি চাকরি পাওয়ার আশায় একাধিক পরীক্ষা দিয়েছিলেন। কিন্তু সাফল্য না আসায় শেষ পর্যন্ত বাড়ি ছেড়ে বেঙ্গালুরুতে গিয়ে নিরাপত্তারক্ষীর কাজ শুরু করেন উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়ার ২৫ বছরের যুবক আশাফুল মালিক। আর সেখানেই...

দলীয় পতাকার নিচে জাতীয় পতাকা, বিতর্কে সিপিএম

স্বাধীনতা দিবসের দিন জাতীয় পতাকা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে বিতর্কে জড়াল সিপিএম। উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহ ও উত্তর দমদমের নিমতা এলাকায় দলের কার্যালয়ের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময় নিয়মভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, সিপিএমের লাল দলীয় পতাকা জাতীয় পতাকার তুলনায় বেশি...

মধ্যপ্রদেশে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, বড় ঘোষণা মোহন যাদবের

স্বাধীনতা দিবসের মঞ্চ থেকে বড় ঘোষণা করলেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব। রাজ্যে দ্রুত কার্যকর করা হবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বা Uniform Civil Code (UCC)। শনিবার স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর ভাষণ দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, মধ্যপ্রদেশ সরকার...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.