Saturday, August 29, 2026

Creating liberating content

‘মমতার অধঃপতন হয়েছে’, দল...

তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে এনসিপিআইয়ে যোগ দেওয়ার পর প্রথম প্রকাশ্য কর্মসূচিতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা...

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম...

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার বীরভূম সফরে যাচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার তাঁর...

প্রেসিডেন্সি জেলে আফতাব আনসারির...

কলকাতার প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে ফের বন্দির সেল থেকে মোবাইল উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এবার...

দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১৮ রানে...

ক্রিকেটবিশ্বে বড়সড় চমক দেখাল নামিবিয়া। ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১৮ রানে হারিয়ে টি-২০...
Homeবাংলা‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড়...

‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তেল চুক্তি’, ভেনেজুয়েলার ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেলে নিয়ন্ত্রণ আমেরিকার! বড় ঘোষণা ট্রাম্পের

বিশ্বের জ্বালানি বাজারে বড়সড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভেনেজুয়েলার সঙ্গে একটি নতুন তেল চুক্তির কথা ঘোষণা করে তিনি একে ‘বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় তেল চুক্তি’ বলে দাবি করেছেন। ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, এই চুক্তির মাধ্যমে ভেনেজুয়েলার ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেলেরও বেশি প্রমাণিত তেল মজুদের উপর সংখ্যাগরিষ্ঠ নিয়ন্ত্রণ পাবে আমেরিকা।

শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চুক্তির কথা ঘোষণা করেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের সঙ্গে সমন্বয় করে এই চুক্তি সম্পন্ন করেছেন। এর সঙ্গে বেসরকারি সংস্থাগুলিকেও যুক্ত করা হয়েছে।

## ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেলের উপর মার্কিন নিয়ন্ত্রণ

ট্রাম্পের ঘোষণার মূল বিষয় হল ভেনেজুয়েলার ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেলের বেশি প্রমাণিত তেল মজুদ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, এই বিশাল তেলসম্পদের উপর আমেরিকা সংখ্যাগরিষ্ঠ নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করেছে।

তবে ‘নিয়ন্ত্রণ’ বলতে সরাসরি সমস্ত তেলের মালিকানা আমেরিকার হাতে চলে যাচ্ছে—এমনটা নয়। চুক্তির কাঠামো অনুযায়ী নতুন একটি বেসরকারি যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে তেলক্ষেত্রগুলির উন্নয়ন ও উৎপাদন পরিচালিত হবে। হোয়াইট হাউসের এক আধিকারিকের বক্তব্য অনুযায়ী, নতুন সংস্থাটির উৎপাদনের প্রায় ৫৫ শতাংশের কার্যকর অংশীদারিত্ব থাকবে আমেরিকার। 

## ‘বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় তেল চুক্তি’

চুক্তির গুরুত্ব বোঝাতে ট্রাম্প নিজেই একে ‘বিগেস্ট অয়েল ডিল ইন ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রি’ বলে উল্লেখ করেছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, এই চুক্তি আমেরিকার জ্বালানি সরবরাহ আরও শক্তিশালী করবে এবং দেশের তেলের মজুদ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে। একইসঙ্গে এর ফলে ভবিষ্যতে আমেরিকায় পেট্রোলের দাম কমানোর সুযোগ তৈরি হবে বলেও তিনি দাবি করেছেন। 

তবে এই দাবির বাস্তব প্রভাব কতটা হবে, তা নির্ভর করবে ভেনেজুয়েলার উৎপাদন পরিকাঠামো কত দ্রুত পুনর্গঠন করা যায় এবং বাস্তবে কত পরিমাণ তেল বাজারে আনা সম্ভব হয় তার উপর।

## ভেনেজুয়েলার কাছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল ভাণ্ডার

ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদের পরিমাণ দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বের নজরে। দেশটির প্রমাণিত অপরিশোধিত তেলের মজুদ প্রায় ৩০৩ বিলিয়ন ব্যারেল বলে বিভিন্ন সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ বিশ্বের মোট তেল মজুদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ভেনেজুয়েলার হাতে রয়েছে। 

কিন্তু বিপুল মজুদ থাকা সত্ত্বেও ভেনেজুয়েলা সেই তেলকে পর্যাপ্ত পরিমাণে উৎপাদনে রূপান্তর করতে পারেনি। দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সংকট, নিষেধাজ্ঞা এবং দুর্বল হয়ে পড়া তেল পরিকাঠামো উৎপাদন ক্ষমতার উপর বড় প্রভাব ফেলেছে।

ফলে বিপুল মজুদ থাকা সত্ত্বেও দেশটি বর্তমানে বিশ্বের মোট তেল উৎপাদনের তুলনায় খুবই কম অংশ উৎপাদন করে। 

## ১৭টি তেলক্ষেত্র উন্নয়নের পরিকল্পনা

ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ চুক্তিটিকে দেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে স্বাগত জানিয়েছেন।

তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এই চুক্তির মাধ্যমে ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ তেলক্ষেত্রের উন্নয়ন করা হবে। সেই প্রকল্পগুলিতে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ আসতে পারে। ভেনেজুয়েলার তেল উৎপাদন বাড়ানো এবং পুরনো পরিকাঠামো আধুনিক করার লক্ষ্যেই এই বিনিয়োগ ব্যবহার করা হবে। 

দেশটির সরকারের আশা, তেল উৎপাদন বাড়লে রাজস্ব বৃদ্ধি পাবে এবং অর্থনৈতিক পুনর্গঠন আরও দ্রুত করা সম্ভব হবে।

## ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগের সম্ভাবনা

চুক্তিকে ঘিরে ভেনেজুয়েলার পক্ষ থেকে বড় অঙ্কের বিনিয়োগের প্রত্যাশা করা হচ্ছে। বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, তেলক্ষেত্রগুলির উন্নয়ন ও পরিকাঠামো পুনর্গঠনে ১০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ আসতে পারে। 

তেলের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি পাইপলাইন, শোধনাগার, পরিবহণ ব্যবস্থা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামোর উন্নয়নও এই বিনিয়োগের অংশ হতে পারে।

এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে সমস্যায় থাকা ভেনেজুয়েলার তেল শিল্প নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পেতে পারে।

## আমেরিকা কেন এত আগ্রহী?

ভেনেজুয়েলার তেলের প্রতি আমেরিকার আগ্রহের পিছনে রয়েছে একাধিক কারণ।

প্রথমত, বিশ্বের অন্যতম বড় তেল ভাণ্ডার আমেরিকার ভূরাজনৈতিক ও জ্বালানি কৌশলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয়ত, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে অতিরিক্ত তেল সরবরাহের উৎস হিসেবে ভেনেজুয়েলা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

এছাড়া আমেরিকায় জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখাও ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বিষয়। তাই ভেনেজুয়েলার উৎপাদন বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে অতিরিক্ত তেল আনার পরিকল্পনা মার্কিন অর্থনীতির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। 

## আমেরিকার জন্য ৫৫ শতাংশ উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ?

চুক্তির কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল নতুন যৌথ উদ্যোগে আমেরিকার কার্যকর অংশীদারিত্ব।

হোয়াইট হাউসের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, নতুন সংস্থাটি উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রায় ৫৫ শতাংশের মার্কিন নিয়ন্ত্রণের আওতায় থাকবে। মার্কিন সরকার নতুন সংস্থার মূল্যের অর্ধেকেরও বেশি অংশের উপর মালিকানা এবং তেলের নির্দিষ্ট ক্রয়ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রভাব নিশ্চিত করেছে বলে জানানো হয়েছে।

তবে চুক্তির সম্পূর্ণ আইনি ও আর্থিক শর্তাবলি এখনও বিস্তারিতভাবে প্রকাশ্যে আসেনি।

## ভেনেজুয়েলার জন্যও বড় সুযোগ

চুক্তিটি শুধু আমেরিকার জন্য নয়, ভেনেজুয়েলার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

দেশটির তেল উৎপাদন পরিকাঠামো দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এবং দুর্বল হয়ে পড়েছে। নতুন বিনিয়োগের মাধ্যমে সেই পরিকাঠামো পুনর্গঠন করা গেলে উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।

উৎপাদন বাড়লে সরকারের রাজস্ব বাড়বে, নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে এবং দেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের গতি বাড়তে পারে বলে আশা করছে ভেনেজুয়েলার প্রশাসন। 

## জ্বালানি বাজারে কী প্রভাব পড়তে পারে?

ভেনেজুয়েলার তেল উৎপাদন যদি দ্রুত বাড়ানো সম্ভব হয়, তাহলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ বাড়তে পারে।

বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধি সাধারণত তেলের দামের উপর নিম্নমুখী চাপ তৈরি করতে পারে। তবে ভেনেজুয়েলার বর্তমান উৎপাদন ক্ষমতা এবং পরিকাঠামোগত সমস্যার কারণে এই প্রভাব তাৎক্ষণিকভাবে দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

তেল উৎপাদন বাড়াতে সময় এবং বিপুল বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে।

## আমেরিকার তেল মজুদ দ্বিগুণেরও বেশি হওয়ার দাবি

ট্রাম্প দাবি করেছেন, এই চুক্তির ফলে আমেরিকার তেল মজুদ ‘দ্বিগুণেরও বেশি’ হতে পারে। তবে এই বক্তব্যকে ভেনেজুয়েলার তেল মজুদের উপর চুক্তিভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব প্রমাণিত মজুদের মধ্যে পার্থক্য রেখে দেখা প্রয়োজন। 

অর্থাৎ, ভেনেজুয়েলার তেলের উপর বাণিজ্যিক বা কার্যকর নিয়ন্ত্রণ পাওয়া মানেই সেই সমস্ত তেল সরাসরি মার্কিন ভূখণ্ডের তেল মজুদের অংশ হয়ে যাচ্ছে—এমন নয়।

## তেলের সঙ্গে জড়িয়ে ভূরাজনীতিও

ভেনেজুয়েলার তেল শুধু অর্থনীতির বিষয় নয়, দীর্ঘদিন ধরেই তা আন্তর্জাতিক রাজনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্ক বহু বছর ধরেই উত্তেজনাপূর্ণ ছিল। ফলে নতুন তেল চুক্তি দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

তেল শিল্পে আমেরিকার বড় ভূমিকা তৈরি হলে লাতিন আমেরিকায় ওয়াশিংটনের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত প্রভাবও বাড়তে পারে।

## কেন এখন এই চুক্তি?

চুক্তির সময়টিও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। আমেরিকায় জ্বালানির দাম নিয়ে চাপ রয়েছে এবং একইসঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভেনেজুয়েলার বিশাল তেল মজুদকে কাজে লাগানোর উদ্যোগ আমেরিকার জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। 

অন্যদিকে ভেনেজুয়েলার জন্য প্রয়োজন বিদেশি বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি। ফলে দুই দেশের স্বার্থের একটি জায়গায় মিল তৈরি হয়েছে।

## সামনে বড় পরীক্ষা বাস্তবায়ন

চুক্তি ঘোষণা যতটা বড়, সেটিকে বাস্তবে কার্যকর করা ততটাই কঠিন হতে পারে।

ভেনেজুয়েলার তেল শিল্পের পুরনো পরিকাঠামো পুনর্গঠন, উৎপাদন বাড়ানো, বিনিয়োগ নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেল সরবরাহের ব্যবস্থা তৈরি করতে সময় লাগবে।

তাই আগামী কয়েক বছর এই চুক্তির বাস্তবায়ন এবং উৎপাদন বৃদ্ধির দিকে নজর থাকবে।

## বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ?

ভেনেজুয়েলার তেলের উপর আমেরিকার বড় ধরনের নিয়ন্ত্রণ তৈরি হলে বিশ্ব জ্বালানি রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে।

বিশেষ করে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল মজুদের দেশ ভেনেজুয়েলার উৎপাদন যদি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়, তাহলে আন্তর্জাতিক তেল বাজারে সরবরাহের ভারসাম্য বদলাতে পারে।

একইসঙ্গে আমেরিকার লাতিন আমেরিকা নীতিতেও এই চুক্তির দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে।

## শেষ কথা

ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার সঙ্গে নতুন তেল চুক্তিকে ‘বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় তেল চুক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। তাঁর দাবি, এর মাধ্যমে আমেরিকা ভেনেজুয়েলার ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেলেরও বেশি প্রমাণিত তেল মজুদের উপর সংখ্যাগরিষ্ঠ নিয়ন্ত্রণ পাবে। 

চুক্তির মাধ্যমে ১৭টি তেলক্ষেত্র উন্নয়ন, বিপুল বিনিয়োগ এবং উৎপাদন বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে। আমেরিকার জন্য এটি জ্বালানি সরবরাহ ও ভূরাজনৈতিক প্রভাব বাড়ানোর সুযোগ, আর ভেনেজুয়েলার জন্য দীর্ঘদিনের দুর্বল তেল শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করার সম্ভাবনা।

তবে চুক্তির প্রকৃত প্রভাব নির্ভর করবে এটি কত দ্রুত বাস্তবায়িত হয় এবং ভেনেজুয়েলা তার বিশাল তেল মজুদকে কতটা কার্যকরভাবে উৎপাদনে ফিরিয়ে আনতে পারে তার উপর।

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

‘মমতার অধঃপতন হয়েছে’, দল ছাড়ার পর প্রথম কর্মসূচিতেই বিস্ফোরক কাকলি ঘোষ দস্তিদার

তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে এনসিপিআইয়ে যোগ দেওয়ার পর প্রথম প্রকাশ্য কর্মসূচিতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেন বারাসতের সাংসদ ডা. কাকলি ঘোষ দস্তিদার। শুক্রবার রাখিবন্ধন উপলক্ষে বারাসত জেলা পরিষদের প্রেক্ষাগৃহে নিজের কোচিং সেন্টারের কৃতী পড়ুয়াদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। সেখান থেকেই...

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম বীরভূম সফর শুভেন্দুর, তারাপীঠে পুজো থেকে প্রশাসনিক বৈঠক—কী বার্তা দেন নজর সবার

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার বীরভূম সফরে যাচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার তাঁর সফর ঘিরে ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে। সফরসূচিতে রয়েছে তারাপীঠ মন্দিরে পুজো, রামপুরহাটে প্রয়াত প্রাক্তন মন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে গিয়ে স্বজনহারা পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং প্রশাসনিক বৈঠক।...

প্রেসিডেন্সি জেলে আফতাব আনসারির সেলে আইফোন! উদ্ধার ৩ মোবাইল, রাউটার ও ৩১ হাজার টাকা, কার সঙ্গে যোগাযোগ?

কলকাতার প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে ফের বন্দির সেল থেকে মোবাইল উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এবার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আফতাব আহমেদ আনসারির সেলে তল্লাশি চালিয়ে তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে বলে অভিযোগ। শুধু মোবাইল নয়, তাঁর সেল থেকে মিলেছে দুটি রাউটার, ওয়াইফাই সংক্রান্ত...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.