হায়দ্রাবাদ, তেলেঙ্গনা: ভারতের প্রথম বেসরকারি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা হিসাবে ‘বিক্রম ১’ লঞ্চ করে ইতিহাস তৈরি করেছে স্কাইরুট এরোস্পেস। স্কাইরুটের তৈরি অরবিটাল ক্লাস রকেট তার প্রথম উৎক্ষেপণেই বাজিমাত করেছে। বেসরকারি সংস্থার হাত ধরে এই পর্যায়ের সাফল্যের ক্ষেত্রে আবার ভারত তৃতীয় দেশ। কিন্তু এই সাফল্যের ঠিক পরই কী করছিলেন স্কাইরুটের প্রতিষ্ঠাতা পবন কুমার চন্দনা?
আরও পড়ুন: ৯ ঘণ্টা পর ইডি হাজিরা দিয়ে বেরলেন মদন মিত্রর ছেলে, ডাকা হয়েছে মদনের স্ত্রী অর্চনা মিত্রকেও
তিনি তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে একটি ছবি পোস্ট করে কিছু কথা লিখেছেন। তিনি লিখেছেন কীভাবে একজন ক্লাস এইটে ফেল করা ছেলে আজ তার ‘স্বপ্নের’ রকেটকে বাস্তবের কক্ষপথে পাঠাতে পেরেছে। পবন কুমার চন্দনা বলছেন, “বিক্রম-১ সফলভাবে কক্ষপথে পৌঁছানোর পর আমি প্রথম ফোন করেছিলাম আমার বাবাকে।
পবন আরও বলেন, “তিনি সেই মানুষ যিনি আমার এই এগিয়ে চলাকে সম্ভব করেছেন। তিনি কখনওই আমার উপর থেকে আশা হারাননি। ক্লাস এইট পর্যন্ত আমি লেখাপড়ায় মোটেই ভাল ছিলাম না। অংকে মাত্র ৫১ পেয়েছিলাম। একটি বিষয়ে ফেলও করেছিলাম। আমি তখনও ভাবিনি যে আমি আইআইটিতে পড়ার সুযোগ পাব।”
আরও পড়ুন: এবার থেকে প্রতি মাসে ইলেকট্রিকের বিল, বাধ্যতামূলক নয় স্মার্ট মিটারও; ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী
রকেট উৎক্ষেপণের পর যখন তাঁর বাবাকে ফোন করেছিলেন পবন, তখন পবনের বাবা কাঁদছিলেন, জানিয়েছেন তিনি। পবন বলেন, “তখন তাঁর মুখে কোনও কথা ফুটছিল না। তিনি কিছু বলতে পারেননি, কিন্তু তাও তাঁর কথা আমি বুঝতে পেরেছিলাম।” তারপর তাঁর বাবা কে ধন্যবাদ দিয়ে এই পোস্ট শেষ করেছেন চন্দনা।
সব শেষে পবন লেখেন, “আর সেইসব বাবার প্রতি জানাই অশেষ ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা, যাঁরা তাঁদের সন্তানদের নিয়ে বড় বড় স্বপ্ন দেখেন—এবং কখনোই তাঁদের ওপর থেকে বিশ্বাস হারান না।”
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে ইসরোর দুই প্রাক্তন বিজ্ঞানী পবন কুমার চন্দনা ও নাগা ভারত ডাকা স্কাইরুট প্রতিষ্ঠা করেন। পবনের জন্ম ১৯৯১ সালে বিশাখাপত্তনমে। পরবর্তীতে আইআইটি খড়গপুরে পড়াশোনা করেন পবন। সেখান থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বি টেক ও এম টেক ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। ২০১২ সালে তিনি ইসরোতে যোগ দেন। সেখানে GSLV Mk-III heavy-lift launch vehicle project-এ কাজ করতেন তিনি। তারপর ২০১৮ সালে তিনি ইসরোর চাকরি ছেড়ে স্কাইরুট প্রতিষ্ঠা করেন।
Education Loan Information:
Calculate Education Loan EMI


