১৯৭০ সালে কেরিয়ার শুরু, আর সেখান থেকেই ইতিহাস রচনার পথচলা। আইন পড়াশোনা শেষে নেপালের সুপ্রিম কোর্টের কুর্সিতে বসেন সুশীলা কারকি। দেশের প্রথম মহিলা বিচারপতি হয়ে ভেঙেছিলেন পুরুষশাসিত দুনিয়ার একচেটিয়া আধিপত্য।
দিল্লি, ১০ সেপ্টেম্বর: নেপালে রাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝে বড়ো চমক! কে.পি. শর্মা ওলির ইস্তফার পর নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন নেপাল সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কারকি (Sushila Karki)। শোনা যাচ্ছে, জেন-জি’র প্রস্তাবে তাঁর নামই পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জোরালোভাবে সামনে এসেছে।
কিন্তু এখানেই শেষ নয়—ভারতের সঙ্গেও রয়েছে এই নেপালি নেত্রীর অটুট যোগ। বারাণসীর সঙ্গে তাঁর জীবনের এক গভীর সংযোগ আজ সামনে আসছে নতুন করে। জানা যাচ্ছে, বিরাটনগরের মহেন্দ্র মোরং কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার পর তিনি উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি দেন বারাণসী। সেখানকার বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় (BHU) থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।
অতীতের এই শিক্ষাগত যোগসূত্রই যেন নেপাল-ভারত সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বারাণসী থেকে স্নাতকোত্তর হওয়ার পর নেপালের ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে ডিগ্রি নেন সুশীলা। আর সেই পথেই তৈরি হয় তাঁর বিচারপতি হওয়ার সোনালি অধ্যায়, যা আজ তাঁকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে দিয়েছে।
১৯৭০-এর দশকে কর্মজীবনের সূচনা করেছিলেন সুশীলা কারকি। আইন নিয়ে পড়াশোনার পর ধাপে ধাপে উঠে আসেন নেপালের সুপ্রিম কোর্টে। ইতিহাস গড়ে তিনি হন দেশটির প্রথম নারী বিচারপতি—যা আজও নেপালের বিচারব্যবস্থায় এক অভূতপূর্ব অধ্যায় হিসেবে স্বীকৃত।
২০১৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে নেপাল সুপ্রিম কোর্টের প্রথম মহিলা প্রধান বিচারপতির আসনে বসেন তিনি। আর আজ, সেই বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী সুশীলা কারকিকেই পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চাইছে নেপালের জেন জ়ি প্রজন্ম। ফলে রাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝেই আবার আলোচনায় উঠে এসেছেন এই বর্ষীয়ান আইনবিদ।
এদিকে শোনা যাচ্ছে, সাম্প্রতিক সময়ে নেপালের পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে সুশীলা কারকির সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলেন শাহ। তবে সেই বৈঠকে ঠিক কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রহস্য ঘিরে রয়েছে এই বৈঠককে কেন্দ্র করে




