Tuesday, October 20, 2026

Creating liberating content

यूईएम जयपुर ने मानवता...

जयपुर में आयोजित मानवता के लिए दौड़ के दसवें संस्करण में यूनिवर्सिटी ऑफ...

अक्टूबर 2026 में पड़ेंगी...

सनातन हिंदू धर्म में एकादशी तिथि का विशेष धार्मिक महत्व माना जाता है।...

इंफोसिस और विप्रो में...

देश की प्रमुख सूचना प्रौद्योगिकी सेवा कंपनियों में शामिल इंफोसिस और विप्रो के...

स्वर्ग में कर्ण को...

महाभारत के महान योद्धाओं में कर्ण का नाम केवल उनकी वीरता और संघर्ष...
Homeবাংলাচিনে ডোভালের বড়...

চিনে ডোভালের বড় বৈঠক, হান ঝেংয়ের সঙ্গে সীমান্ত আলোচনা

ভারত-চিন সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। চিন সফরে গিয়ে সে দেশের ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝেংয়ের সঙ্গে বৈঠক করলেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। মঙ্গলবার বেজিংয়ে এই বৈঠক হয়। সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও উন্নত করার বিষয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

অজিত ডোভাল বর্তমানে চিনে দু’দিনের সফরে রয়েছেন। ভারত-চিন সীমান্ত সমস্যা নিয়ে ‘স্পেশাল রিপ্রেজেন্টেটিভ’ পর্যায়ের ২৫তম দফার বৈঠকে যোগ দিতেই তাঁর এই সফর। সেই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার আগেই চিনের ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। কারণ, সীমান্তে শান্তি ফেরানোর পাশাপাশি সামগ্রিক ভারত-চিন সম্পর্ককে স্থিতিশীল করার বিষয়টিও এই সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য। 

## হান ঝেংয়ের সঙ্গে কী নিয়ে কথা ডোভালের?

চিনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝেংয়ের সঙ্গে বৈঠকে সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখার উপায় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও কথা হয়েছে। অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং বহুপাক্ষিক ক্ষেত্রে ভারত ও চিনের যোগাযোগ আরও বাড়ানো নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে ভারতীয় দূতাবাস জানিয়েছে। 

ভারতীয় দূতাবাসের বক্তব্য অনুযায়ী, দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে যে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে, তার ভিত্তিতেই সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন ক্ষেত্রেও অগ্রগতি ঘটানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। 

অর্থাৎ, এই বৈঠককে শুধু সীমান্ত সমস্যা কেন্দ্রিক আলোচনা হিসেবে দেখলে পুরো বিষয়টি ধরা হবে না। সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার পাশাপাশি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ হিসেবেও ডোভাল-হান ঝেং বৈঠককে দেখা হচ্ছে।

## ২৫তম দফার সীমান্ত আলোচনার আগে বৈঠক

অজিত ডোভাল ও চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই দু’জনই ভারত-চিন সীমান্ত প্রশ্নে বিশেষ প্রতিনিধি। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে দুই দেশ দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত সমস্যার সমাধানের পথ খুঁজছে। ২০০৩ সালে এই ‘Special Representatives’ mechanism তৈরি হয়েছিল। 

মঙ্গলবারই বেজিংয়ে ২৫তম দফার বিশেষ প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠক হওয়ার কথা। সেই বৈঠকের আগে চিনের ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ডোভালের সাক্ষাৎ তাই আলাদা গুরুত্ব পেয়েছে। দুই দেশের সীমান্ত নিয়ে দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিষয়গুলি নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই বৈঠক একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক পদক্ষেপ।

চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র সঙ্গে ডোভালের বৈঠকেও সীমান্ত প্রশ্ন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা। 

## ৩৪৮৮ কিলোমিটার সীমান্ত নিয়ে দীর্ঘ বিবাদ

ভারত ও চিনের মধ্যে প্রায় ৩৪৮৮ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। এই সীমান্তের বিভিন্ন অংশ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বা LAC ঘিরে উত্তেজনা দুই দেশের সম্পর্ককে বহুবার প্রভাবিত করেছে।

২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পর ভারত-চিন সম্পর্কের অবনতি আরও স্পষ্ট হয়েছিল। এরপর সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরে একাধিক দফায় আলোচনা হয়েছে। সীমান্তে সেনা মোতায়েন, টহল এবং সংঘর্ষের সম্ভাবনা কমানোর পাশাপাশি সম্পর্ককে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়েছে দুই দেশ।

এখনও সীমান্ত সমস্যার পূর্ণাঙ্গ সমাধান হয়নি। তাই ডোভালের বর্তমান সফরের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পথ খুঁজে বের করা।

## অরুণাচল নিয়েও রয়েছে উত্তেজনা

ডোভালের চিন সফরের সময় অরুণাচল প্রদেশ নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অরুণাচলের কিছু এলাকায় চিনা আগ্রাসনের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। একই সময়ে চিনের সঙ্গে যুক্ত এলাকায় ২৭টি জায়গার নাম পরিবর্তনের বিষয়টিও সামনে এসেছে। 

ভারত সরকার অবশ্য অরুণাচল প্রদেশের বিভিন্ন এলাকার নাম পরিবর্তন করে চিনের দাবি মেনে নেওয়ার অবস্থান নেয়নি। বরং নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ওই ২৭টি স্থান ও তাদের বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করা হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। 

এই পরিস্থিতির মধ্যেই ডোভালের বেজিং সফর হওয়ায় সীমান্ত প্রশ্নে তাঁর আলোচনার গুরুত্ব আরও বেড়েছে।

## অরুণাচলের নাম বদল নিয়ে ভারতের অবস্থান

অরুণাচল প্রদেশের বিভিন্ন স্থান নিয়ে চিনের দাবি নতুন নয়। চিন বহু বছর ধরেই ভারতের উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যের উপর নিজের দাবি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে এসেছে। ভারত বারবার এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।

সম্প্রতি ভারতের পক্ষ থেকেও অরুণাচল প্রদেশের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার কাছাকাছি এলাকায় থাকা বিভিন্ন স্থানকে নিজস্ব সরকারি নথিতে চিহ্নিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলে দুই দেশের মানচিত্র ও ভূখণ্ড সংক্রান্ত অবস্থানের পার্থক্য এখনও স্পষ্ট।

এই আবহে সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার জন্য নিয়মিত কূটনৈতিক যোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

## ভারত-চিন সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা

ডোভালের সফর এমন সময়ে হচ্ছে যখন নয়াদিল্লি ও বেজিংয়ের মধ্যে সম্পর্ক ধীরে ধীরে স্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। সীমান্তে উত্তেজনা কমানো গেলে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সম্পর্কেও তার ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

চিনের ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ডোভালের আলোচনায় অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক সম্পর্ক উন্নত করার বিষয়টি উঠে এসেছে। বহুপাক্ষিক ক্ষেত্রেও দুই দেশের যোগাযোগ আরও বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। 

ভারত ও চিন দুই দেশই এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। ফলে তাঁদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রভাব শুধু দুই দেশের উপর নয়, গোটা এশীয় ভূরাজনীতিতেও পড়ে।

## শি জিনপিংয়ের সম্ভাব্য ভারত সফর

ডোভালের চিন সফরের সময় আরও একটি বিষয় কূটনৈতিক মহলের নজরে রয়েছে। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে BRICS শীর্ষ সম্মেলন হওয়ার কথা। চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সেই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। 

শি জিনপিংয়ের ভারত সফর এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত না হলেও কূটনৈতিক মহলে তাঁর সম্ভাব্য সফর নিয়ে যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে। যদি তিনি দিল্লিতে আসেন, তাহলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।

সেক্ষেত্রে ডোভালের বর্তমান বেজিং সফরকে সেই সম্ভাব্য উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের আগে কূটনৈতিক পরিবেশ তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

## BRICS-এর আগে বাড়ছে কূটনৈতিক তৎপরতা

BRICS সম্মেলনের আগে ভারত ও চিনের মধ্যে একাধিক উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ হচ্ছে। ডোভাল ও ওয়াং ই-র আলোচনা তারই অংশ। অন্যদিকে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের রাশিয়া সফরও একই সময়ের কূটনৈতিক ব্যস্ততার অংশ। 

এই মুহূর্তে ভারতের লক্ষ্য শুধু সীমান্ত সমস্যা নিয়ে আলোচনা নয়। বৃহত্তর আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পরিস্থিতির মধ্যেও চিনের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষ করে BRICS-এর মতো বহুপাক্ষিক মঞ্চে দুই দেশের যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

## সীমান্ত শান্তিই সম্পর্কের ভিত্তি

ভারত দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছে, সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় না থাকলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অন্যান্য ক্ষেত্রেও পূর্ণাঙ্গ অগ্রগতি সম্ভব নয়। এই নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ডোভালের বর্তমান সফর হচ্ছে।

চিনের পক্ষ থেকেও সাম্প্রতিক আলোচনায় সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে। চিনা বিদেশ মন্ত্রকের বক্তব্য অনুযায়ী, বিশেষ প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠক সীমান্ত আলোচনা এবং পারস্পরিক উদ্বেগের বিষয় নিয়ে যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। 

ফলে দুই দেশের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা এড়িয়ে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সামলানোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

## ডোভালের সফরের গুরুত্ব কোথায়?

অজিত ডোভাল ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হওয়ার পাশাপাশি ভারত-চিন সীমান্ত প্রশ্নে বিশেষ প্রতিনিধি। তাই তাঁর বেজিং সফর নিছক একটি সাধারণ কূটনৈতিক সফর নয়।

তাঁর সঙ্গে চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র বৈঠকে সরাসরি সীমান্ত সমস্যার বিষয়টি আলোচনায় আসবে। তার আগে ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝেংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়ায় সফরের রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বেড়েছে।

দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে ভবিষ্যৎ আলোচনার পরিবেশ তৈরিতেও এই ধরনের বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

## সীমান্তে শান্তি ফেরানো কতটা সম্ভব?

ভারত-চিন সীমান্ত সমস্যার সমাধান অত্যন্ত জটিল। বহু বছর ধরে বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা চললেও এখনও সীমান্তের পূর্ণাঙ্গ নিষ্পত্তি হয়নি।

তবে কূটনৈতিক ও সামরিক পর্যায়ে নিয়মিত যোগাযোগ থাকার ফলে হঠাৎ সংঘাতের সম্ভাবনা কমানো সম্ভব। দুই দেশই যদি সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে আগ্রহী হয়, তাহলে দীর্ঘমেয়াদে আস্থা তৈরির পরিবেশ তৈরি হতে পারে।

ডোভালের বর্তমান সফর সেই আস্থা তৈরির প্রক্রিয়ায় কতটা অগ্রগতি ঘটাতে পারে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

## অর্থনৈতিক সম্পর্কও গুরুত্বপূর্ণ

সীমান্ত বিবাদের পাশাপাশি ভারত ও চিনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। দুই দেশের অর্থনীতির আকার বড় হওয়ায় সম্পর্কের স্থিতিশীলতা ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ।

ডোভাল-হান ঝেং বৈঠকে অর্থনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে বলে ভারতীয় পক্ষ জানিয়েছে। 

তাই সীমান্তে উত্তেজনা কমলে দুই দেশের অর্থনৈতিক যোগাযোগও আরও স্থিতিশীল হতে পারে। তবে সীমান্ত সমস্যার সমাধান ছাড়া সব ক্ষেত্রে সম্পর্ক পুরোপুরি স্বাভাবিক হওয়া কঠিন বলেই মনে করা হচ্ছে।

## কূটনৈতিক বার্তা স্পষ্ট

ডোভাল ও হান ঝেংয়ের বৈঠক থেকে আপাতত যে বার্তা পাওয়া যাচ্ছে তা হল—দুই দেশ সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির জন্য যোগাযোগ চালিয়ে যেতে চাইছে।

তবে এর অর্থ এই নয় যে সীমান্ত বিরোধ মিটে গিয়েছে। বরং দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার একটি নতুন পর্ব হিসেবে এই বৈঠককে দেখা উচিত।

সীমান্তে স্থিতিশীলতা, রাজনৈতিক সম্পর্ক এবং অর্থনৈতিক যোগাযোগ—এই তিনটি ক্ষেত্রেই ভবিষ্যৎ অগ্রগতি নির্ভর করবে দুই দেশের আলোচনার ফলের উপর।

## শেষ কথা

অজিত ডোভালের চিন সফর ভারত-চিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়ে হচ্ছে। মঙ্গলবার বেজিংয়ে চিনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝেংয়ের সঙ্গে তাঁর বৈঠকে সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও উন্নত করার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। 

এই বৈঠকের পরেই ডোভাল চিনের বিদেশমন্ত্রী তথা ভারত-চিন সীমান্ত প্রশ্নে বিশেষ প্রতিনিধি ওয়াং ই-র সঙ্গে ২৫তম দফার আলোচনা করবেন। ফলে সীমান্ত বিবাদ, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা এবং ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক কোন পথে এগোবে, সেদিকেই নজর রয়েছে। 

অন্যদিকে অরুণাচল প্রদেশ নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা, সীমান্তবর্তী এলাকার নাম পরিবর্তন এবং চিনের সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ভারত সফরের জল্পনা—সব মিলিয়ে ডোভালের এই সফর কূটনৈতিক দিক থেকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

এখন মূল প্রশ্ন, এই উচ্চপর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে ভারত ও চিন সীমান্তে দীর্ঘমেয়াদি শান্তির দিকে কতটা এগোতে পারে। আপাতত দুই দেশের পক্ষ থেকেই আলোচনার মাধ্যমে সম্পর্ককে স্থিতিশীল করার বার্তা মিলেছে। 

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

ঔরঙ্গজেবের আমলের ৩৩৪ বছরের বনেদি পুজোর অমলিন ঐতিহ্য

পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজোর ইতিহাসে বনেদি পুজোর আলাদা মর্যাদা রয়েছে। সেই ঐতিহ্যের অন্যতম উজ্জ্বল অধ্যায় পূর্ব বর্ধমানের পানাগড়ের সোঁয়াই গ্রামের মুখোপাধ্যায় পরিবারের দুর্গাপুজো। এ বছর এই পুজো ৩৩৪ বছরে পা দিয়েছে। শুধু প্রাচীনত্ব নয়, এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে স্বপ্নাদেশ, বর্ধমানের...

বাংলায় পথচলা শুরু বিজয় থলপতির টিভিকের নতুন অধ্যায়

তামিলনাড়ুতে রাজনৈতিক সাফল্যের পর এবার পশ্চিমবঙ্গে সাংগঠনিক বিস্তার শুরু করল বিজয় থলপতি-র দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগম (TVK)। পূর্ব বর্ধমান জেলার ফাগুপুরে দলের প্রথম কার্যালয় খোলার মাধ্যমে বাংলায় আনুষ্ঠানিকভাবে পথচলা শুরু হয়েছে। এই পদক্ষেপের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—তাহলে...

সন্ত্রাসে শীর্ষে পাকিস্তান, হাক্কানির বিস্ফোরক আত্মসমালোচনা ভাইরাল

সন্ত্রাসবাদে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় পাকিস্তানের শীর্ষে উঠে আসার দাবি ঘিরে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (IEP)-এর প্রকাশিত Global Terrorism Index 2026-এর তথ্য সামনে আসার পর পাকিস্তানের প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত হুসেন হাক্কানি ইসলামাবাদের দীর্ঘদিনের...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.