Saturday, September 19, 2026

Creating liberating content

সিএসকে-কে পর কেকেআর প্রসঙ্গে...

ক্রিকেটের মাঠের বাইরেও রোহিত শর্মাকে ঘিরে তৈরি হল মজার এক মুহূর্ত। ভারতীয় ক্রিকেটের...

গণপতি বিসর্জনে রাহাকে আগলে...

গণপতি বিসর্জনের আবহে একসঙ্গে দেখা গেল বলিউডের কাপুর-বচ্চন পরিবারের সদস্যদের। শুক্রবার মুম্বইয়ে গণপতি...

কলকাতা লিগের শেষ দিনে...

কলকাতা ফুটবল লিগের ২০২৬ মরশুমের চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াই পৌঁছে গিয়েছে একেবারে শেষ দিনে। এবারের...

এশিয়াডে নকভির হাত থেকে...

এশিয়া কাপের ট্রফি বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার নতুন প্রশ্ন উঠেছে এশিয়ান...
Homeবাংলাআপাতত বিরোধী দলনেতা...

আপাতত বিরোধী দলনেতা ঋতব্রতই, হাই কোর্টে বড় নির্দেশ

কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে বিরোধী দলনেতা পদ নিয়ে চলা মামলায় আপাতত স্বস্তি পেলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, এই মুহূর্তে বিধানসভার স্পিকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিরোধী দলনেতার পদে বহাল থাকবেন ঋতব্রতই। তবে এই সিদ্ধান্তকে স্থায়ী বলে মানছে না আদালত। আগামী দুই মাসের মধ্যে মূল মামলার নিষ্পত্তি করতে হবে সিঙ্গল বেঞ্চকে। ফলে আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী দলনেতার পদে থাকলেও ভবিষ্যতে পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। 

এই মামলাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক এবং আইনি টানাপোড়েন চলছে। একদিকে ‘আসল তৃণমূল’-এর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্পিকার অনুমোদন করেছেন। অন্যদিকে কালীঘাট তৃণমূলের তরফে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার দাবি উঠেছে। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হয় কালীঘাট তৃণমূল শিবির। এবার ডিভিশন বেঞ্চ মামলায় সরাসরি হস্তক্ষেপ না করে বিষয়টি ফের সিঙ্গল বেঞ্চে পাঠিয়ে দিয়েছে। 

## আপাতত পদে থাকছেন ঋতব্রত

মঙ্গলবার বিচারপতি শম্পা সরকার এবং বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তার ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। আদালতের বক্তব্য অনুযায়ী, আপাতত বিধানসভার স্পিকারের সিদ্ধান্তই কার্যকর থাকবে। সেই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী দলনেতার আসনে থাকবেন।

তবে আদালত একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় স্পষ্ট করে দিয়েছে। স্পিকারের সিদ্ধান্তকে স্থায়ী সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে না। এটি আপাতত কার্যকর একটি অস্থায়ী সিদ্ধান্ত। ফলে পরবর্তী সময়ে মূল মামলার রায়ে পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। 

অর্থাৎ, এখনই বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়ে গেল, এমনটা বলা যাবে না।

## দুই মাসের সময়সীমা বেঁধে দিল হাই কোর্ট

ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি ফেরত পাঠিয়েছে হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চে। একই সঙ্গে আগামী দুই মাসের মধ্যে মূল মামলাটির নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই দুই মাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। কারণ এই সময় পর্যন্ত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর সিঙ্গল বেঞ্চের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করবে পদটি শেষ পর্যন্ত কার হাতে থাকবে। 

ফলে আপাতত স্বস্তি মিললেও ঋতব্রত শিবিরের সামনে আইনি লড়াই পুরোপুরি শেষ হয়নি।

## কী নিয়ে শুরু হয়েছিল বিতর্ক?

বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত বিধানসভায় সরকার গঠনের পর থেকেই। বিরোধী দলনেতা কে হবেন, তা নিয়ে কালীঘাট তৃণমূল এবং ‘আসল তৃণমূল’-এর মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়।

বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম অনুমোদন করেন। এরপরই বিষয়টি আদালতে গড়ায়। কালীঘাট তৃণমূলের মনোনীত বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে হাই কোর্টে মামলা করেন। 

এই মামলার শুনানির সময় স্পিকারের সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়া নিয়েও একাধিক প্রশ্ন উঠেছিল।

## কেন আদালতে গেল কালীঘাট তৃণমূল?

কালীঘাট তৃণমূলের বক্তব্য ছিল, বিরোধী দলনেতা নির্বাচন নিয়ে তাদের অবস্থানকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার দাবির পক্ষে তারা আদালতের দ্বারস্থ হয়।

অন্যদিকে ঋতব্রত শিবির স্পিকারের সিদ্ধান্তকে নিজেদের পক্ষে যুক্তি হিসেবে তুলে ধরে।

এই পরিস্থিতিতে আদালতের সামনে মূল প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়—বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্পিকারের সিদ্ধান্তের আইনি অবস্থান কী এবং সেই সিদ্ধান্তে আদালত কতটা হস্তক্ষেপ করতে পারে।

## স্পিকারের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন

আগের শুনানিগুলিতে স্পিকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছিল। বিশেষ করে কেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের চিঠিকে গুরুত্ব দেওয়া হল এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়দের তরফে পাঠানো প্রথম চিঠির ক্ষেত্রে কী অবস্থান নেওয়া হয়েছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। 

এছাড়াও ঋতব্রতদের রাজনৈতিক অবস্থান এবং তাঁদের সঙ্গে দলীয় সম্পর্কের বিষয়টিও মামলার প্রেক্ষাপটে আলোচনায় এসেছে।

এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই মূল মামলা সিঙ্গল বেঞ্চে চলবে।

## ডিভিশন বেঞ্চ কেন হস্তক্ষেপ করল না?

মঙ্গলবারের শুনানিতে ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়েছে যে তারা এই মামলায় হস্তক্ষেপ করবে না। অর্থাৎ, ডিভিশন বেঞ্চ থেকে নতুন কোনও সিদ্ধান্ত না দিয়ে মামলাটি ফের সিঙ্গল বেঞ্চে পাঠানো হয়েছে।

এর ফলে মূল আইনি প্রশ্নগুলির নিষ্পত্তির দায়িত্ব আবার সিঙ্গল বেঞ্চের উপর পড়েছে।

আদালতের এই অবস্থানের ফলে আপাতত বিদ্যমান ব্যবস্থাই বহাল থাকছে। অর্থাৎ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী দলনেতার দায়িত্বে থাকছেন। 

## ঋতব্রত শিবিরে স্বস্তি

ডিভিশন বেঞ্চের এই নির্দেশ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য আপাতত স্বস্তির খবর। কারণ তাঁর বিরোধী দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালনে তাৎক্ষণিক কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না।

আগামী দুই মাস পর্যন্ত তিনি এই পদে থাকবেন। ফলে বিধানসভার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিরোধী দলনেতা হিসেবে তাঁর ভূমিকা অব্যাহত থাকবে।

তবে দীর্ঘমেয়াদি পরিস্থিতি এখনও অনিশ্চিত।

## শোভনদেবের দাবির কী হবে?

কালীঘাট তৃণমূলের তরফে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার যে দাবি রয়েছে, সেটিও এখনই শেষ হয়ে যাচ্ছে না।

মূল মামলা সিঙ্গল বেঞ্চে ফেরত যাওয়ায় সেখানে সেই দাবির আইনি ভিত্তি নিয়ে ফের শুনানি হতে পারে।

ফলে আগামী দুই মাসের মধ্যে আদালতের চূড়ান্ত অবস্থান এই রাজনৈতিক বিতর্কের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে।

## ‘আসল তৃণমূল’ বনাম কালীঘাট তৃণমূল

এই মামলার পিছনে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজনের একটি বড় প্রেক্ষাপট রয়েছে। একদিকে কালীঘাট তৃণমূলের নেতৃত্ব, অন্যদিকে ‘আসল তৃণমূল’ হিসেবে নিজেদের দাবি করা শিবির—এই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধী দলনেতা পদ নিয়ে টানাপোড়েন চলছে।

বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার পদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে এই পদ কার হাতে থাকবে, তা শুধু সাংবিধানিক বা প্রশাসনিক বিষয় নয়, রাজনৈতিক দিক থেকেও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

## বিরোধী দলনেতার পদ কেন গুরুত্বপূর্ণ?

বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

বিধানসভার বিতর্ক, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা এবং বিভিন্ন নীতি নিয়ে বিরোধীদের বক্তব্য তুলে ধরার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা থাকে।

তাই বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে টানাপোড়েন থাকা অস্বাভাবিক নয়।

এই কারণেই ঋতব্রত বনাম শোভনদেবের এই আইনি লড়াই রাজনৈতিকভাবেও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

## আদালতের পর্যবেক্ষণের তাৎপর্য

এই মামলায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল—আদালত আপাতত বিদ্যমান পরিস্থিতি বজায় রেখেছে, কিন্তু সেটিকে চূড়ান্ত বলে ঘোষণা করেনি।

অর্থাৎ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এখন বিরোধী দলনেতা হিসেবে থাকবেন, কিন্তু তাঁর পদ স্থায়ীভাবে নিশ্চিত হয়ে যায়নি।

দুই মাসের মধ্যে সিঙ্গল বেঞ্চ মূল মামলার নিষ্পত্তি করলে পরবর্তী পরিস্থিতি পরিষ্কার হতে পারে। 

## ভবিষ্যতে সিদ্ধান্ত বদলাতে পারে

আদালত বারবার উল্লেখ করেছে যে স্পিকারের সিদ্ধান্ত অস্থায়ী। ফলে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে যদি অন্য কোনও সিদ্ধান্ত আসে, তাহলে বিরোধী দলনেতার পদে পরিবর্তন হতে পারে।

এই কারণেই বর্তমান অবস্থাকে একটি interim বা temporary arrangement হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আইনি লড়াই শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও পক্ষই নিশ্চিতভাবে দাবি করতে পারবে না যে দীর্ঘমেয়াদে বিরোধী দলনেতার পদ তাদের হাতেই থাকবে।

## সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে মামলা

মামলার গতিপ্রকৃতি দেখে মনে করা হচ্ছে, ভবিষ্যতে বিষয়টি সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়াতে পারে। কারণ সিঙ্গল বেঞ্চের সিদ্ধান্তের পরেও যদি কোনও পক্ষ অসন্তুষ্ট হয়, তাহলে উচ্চতর আদালতে যাওয়ার আইনি পথ খোলা থাকতে পারে। 

তবে এই মুহূর্তে তা নিশ্চিত নয়। আগে সিঙ্গল বেঞ্চের শুনানি এবং রায়ের দিকেই নজর থাকবে।

## বিধানসভায় কী প্রভাব পড়বে?

আপাতত বিধানসভার কার্যক্রমে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা অব্যাহত থাকবে।

ফলে বিরোধী পক্ষের রাজনৈতিক কর্মসূচি এবং বিধানসভায় তাঁদের অবস্থানেও আপাতত কোনও তাৎক্ষণিক পরিবর্তন হচ্ছে না।

তবে যদি পরবর্তী সময়ে আদালতের সিদ্ধান্ত বদলায়, তাহলে বিধানসভায় বিরোধী নেতৃত্বের কাঠামোতেও পরিবর্তন আসতে পারে।

## রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ার সম্ভাবনা

এই মামলাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর আগামী দিনে আরও বাড়তে পারে। কারণ এটি শুধু একটি পদ নিয়ে আইনি লড়াই নয়, এর সঙ্গে তৃণমূলের বিভিন্ন শিবিরের রাজনৈতিক অবস্থানও জড়িয়ে রয়েছে।

যে কারণে আদালতের প্রতিটি পর্যবেক্ষণ এবং সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক মহলে বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে।

## আগামী দুই মাস গুরুত্বপূর্ণ

এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় হল আগামী দুই মাস।

এই সময়ের মধ্যে সিঙ্গল বেঞ্চকে মূল মামলার নিষ্পত্তি করতে হবে। ফলে উভয় পক্ষই নিজেদের আইনি অবস্থান আরও জোরালো করার চেষ্টা করবে।

আদালতে কোন যুক্তি গ্রহণযোগ্য হয় এবং শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত আসে, তার উপর নির্ভর করবে বিরোধী দলনেতার ভবিষ্যৎ।

## এখনই চূড়ান্ত জয় নয়

ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় আপাতত পদে থাকছেন ঠিকই, কিন্তু এটিকে তাঁর চূড়ান্ত আইনি জয় বলা যাচ্ছে না।

কারণ আদালত স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, স্পিকারের সিদ্ধান্ত অস্থায়ী। মূল মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে নিষ্পত্তি হয়েছে বলে ধরা যাবে না। 

অন্যদিকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের দাবিও এখনও বিচারাধীন।

## রাজনৈতিক সমীকরণে নজর

বিরোধী দলনেতার পদকে কেন্দ্র করে চলা এই মামলার সঙ্গে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণও জড়িত। ফলে আইনি সিদ্ধান্তের পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।

যদি সিঙ্গল বেঞ্চ ঋতব্রতকে বহাল রাখে, তাহলে বর্তমান পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী হবে। আবার যদি সিদ্ধান্ত বদলায়, তাহলে নতুন করে রাজনৈতিক এবং সাংগঠনিক বিতর্ক তৈরি হতে পারে।

## শেষ কথা

কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের মঙ্গলবারের নির্দেশে আপাতত বিরোধী দলনেতার পদে বহাল থাকছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এই অবস্থান স্থায়ী নয়। আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, বিধানসভার স্পিকারের সিদ্ধান্ত অস্থায়ী এবং আগামী দুই মাসের মধ্যে হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চকে মূল মামলার নিষ্পত্তি করতে হবে। 

বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে কালীঘাট তৃণমূল এবং ‘আসল তৃণমূল’-এর মধ্যে যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে, তারই জেরে এই মামলা আদালতে পৌঁছেছে। কালীঘাট তৃণমূলের তরফে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম বিরোধী দলনেতা হিসেবে সামনে আনা হলেও স্পিকার সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে সিলমোহর দেন। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে যায় শোভনদেব শিবির। 

ডিভিশন বেঞ্চ অবশ্য মামলায় হস্তক্ষেপ না করে বিষয়টি সিঙ্গল বেঞ্চে ফেরত পাঠিয়েছে। ফলে আগামী দুই মাসই এই মামলার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে।

এখন প্রশ্ন একটাই—দুই মাস পরে বিরোধী দলনেতার আসনে কি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই থাকবেন, নাকি আদালতের সিদ্ধান্তে সেই পদে আসবে পরিবর্তন? সেই উত্তর মিলবে মূল মামলার নিষ্পত্তির পরই।

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

সিএসকে-কে পর কেকেআর প্রসঙ্গে নায়ারের খোঁচা, জবাব রোহিতের

ক্রিকেটের মাঠের বাইরেও রোহিত শর্মাকে ঘিরে তৈরি হল মজার এক মুহূর্ত। ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম পরিচিত মুখ রোহিত শর্মা এবার টেলিভিশনের পর্দায় নতুন ভূমিকায় হাজির হতে চলেছেন। তাঁর নতুন অনুষ্ঠান ‘Family Full House with Rohit Sharma’-র একটি টিজার প্রকাশ্যে আসতেই...

গণপতি বিসর্জনে রাহাকে আগলে রাখলেন আলিয়া, পাশে রণবীর-নীতু

গণপতি বিসর্জনের আবহে একসঙ্গে দেখা গেল বলিউডের কাপুর-বচ্চন পরিবারের সদস্যদের। শুক্রবার মুম্বইয়ে গণপতি বিসর্জনের অনুষ্ঠানে অংশ নেন রণবীর কাপুর, আলিয়া ভাট এবং নীতু কাপুর। পরিবারের এই বিশেষ মুহূর্তের বেশ কিছু ছবি ও ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। তবে...

কলকাতা লিগের শেষ দিনে পাঁচ দলের শিরোপার লড়াই

কলকাতা ফুটবল লিগের ২০২৬ মরশুমের চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াই পৌঁছে গিয়েছে একেবারে শেষ দিনে। এবারের কলকাতা লিগে এমন টানটান পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে শেষ রাউন্ডের ফলাফলই নির্ধারণ করবে কার হাতে উঠবে ট্রফি। শুধু কলকাতার দুই প্রধান মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল নয়, মহামেডান...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.