Friday, March 6, 2026
Google search engine
Homeবাংলা“ভারতের বড় দাওয়াই—এবার গোটা পৃথিবী করবে মিষ্টিমুখ!”

“ভারতের বড় দাওয়াই—এবার গোটা পৃথিবী করবে মিষ্টিমুখ!”

বড় খবর সামনে এসেছে! প্রাপ্ত তথ্যে জানা যাচ্ছে, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম চিনি উৎপাদনকারী দেশ ভারত (India) আগামী ১ অক্টোবর থেকে শুরু হতে চলা নতুন ফসল মরশুমে পর্যাপ্তের চেয়েও বেশি চিনি মজুত রাখবে। এর ফলে রফতানির দরজা খুলে যেতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। শুক্রবার এক শীর্ষ সরকারি আধিকারিক এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।

ভারতের (India) নজিরবিহীন পদক্ষেপ: 

দেশ থেকে চিনি রফতানির ফলে বিশ্ববাজারে চিনির দামে চাপ পড়তে পারে। তবে এতে দেশীয় বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে এবং আখ চাষীরা তাঁদের ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য পেতে নিশ্চিত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

খাদ্য ও গণবণ্টন মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব অশ্বিনী শ্রীবাস্তব এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে জানিয়েছেন, আসন্ন মরশুমে চিনি রফতানির সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে রফতানির জন্য কতটা চিনি নির্দিষ্ট করা হবে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি। উল্লেখযোগ্যভাবে, উৎপাদন কিছুটা কম হলেও চলতি বিপণন বর্ষে (যা সেপ্টেম্বরে শেষ হবে) ভারত ইতিমধ্যেই ১০ লক্ষ মেট্রিক টন চিনি রফতানির অনুমোদন দিয়েছে।

“আখ থেকে ইথানল উৎপাদনে রেকর্ডের ইঙ্গিত!”

অশ্বিনী শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন, আগামী মরশুমের উৎপাদন ইতিবাচক ধরা হচ্ছে। অভ্যন্তরীণ ব্যবহার ও ইথানলের চাহিদা মেটানোর পরও রফতানির জন্য যথেষ্ট পরিমাণ মজুত থাকবে বলে আশা। তাঁর মতে, নতুন মরশুমে আখ থেকে প্রায় ৪.৮ বিলিয়ন লিটার ইথানল উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে, যা এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ বলে ধরা হচ্ছে।

ভারতের চিনির মজুত বাড়ার সম্ভাবনা জোরালো। ইন্ডিয়ান সুগার অ্যান্ড বায়ো-এনার্জি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের অনুমান অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষে (যার সূচনা হবে ১ অক্টোবর) উৎপাদন পৌঁছাতে পারে প্রায় ৩৪.৯ মিলিয়ন মেট্রিক টনে। অন্যদিকে, নতুন মরশুমে দেশে চিনির ব্যবহার বেড়ে দাঁড়াতে পারে ২.৮৫ থেকে ২.৯ কোটি মেট্রিক টনে, যা চলতি বছরের ২.৮ কোটি মেট্রিক টনের তুলনায় বেশি। উল্লেখ্য, ভারত নতুন বিপণন বর্ষ শুরু করবে ৫০ লক্ষ মেট্রিক টন উদ্বোধনী মজুত নিয়ে, যেখানে গত বছরের সূচনায় মজুত ছিল ৮০ লক্ষ মেট্রিক টন।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular