Saturday, November 7, 2026

Creating liberating content

यूईएम जयपुर ने मानवता...

जयपुर में आयोजित मानवता के लिए दौड़ के दसवें संस्करण में यूनिवर्सिटी ऑफ...

अक्टूबर 2026 में पड़ेंगी...

सनातन हिंदू धर्म में एकादशी तिथि का विशेष धार्मिक महत्व माना जाता है।...

इंफोसिस और विप्रो में...

देश की प्रमुख सूचना प्रौद्योगिकी सेवा कंपनियों में शामिल इंफोसिस और विप्रो के...

स्वर्ग में कर्ण को...

महाभारत के महान योद्धाओं में कर्ण का नाम केवल उनकी वीरता और संघर्ष...
Homeবাংলাশিক্ষিত বেকার বাড়ছে,...

শিক্ষিত বেকার বাড়ছে, সম্পদের পাহাড়ে টুলুদের উত্থান কেন

ভারত দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নতির পথে এগিয়ে চলেছে। উচ্চশিক্ষার প্রসার ঘটছে, প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ তরুণ-তরুণী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করছেন। কিন্তু এই উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের সামনে আরও একটি কঠিন বাস্তবতা ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে—**শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বাড়ছে, অথচ সমাজের অন্য প্রান্তে রাজনৈতিক প্রভাব ও ক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত কিছু মানুষের বিপুল সম্পদ সঞ্চয়ের অভিযোগ সামনে আসছে।** এই বৈপরীত্যই নতুন করে প্রশ্ন তুলছে দেশের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিয়ে।

সম্প্রতি টুলু মণ্ডলকে ঘিরে সামনে আসা বিপুল সম্পত্তি এবং নগদ অর্থ উদ্ধারের ঘটনা সেই বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে। সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাঁর বাড়ি ও আত্মীয়দের বাড়ি থেকে প্রায় ৫০ কোটি টাকা নগদ ও সোনা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তাঁর বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রায় ৯৩ কোটি টাকা ফ্রিজ করা এবং ৮৩টি ট্রাক ও ডাম্পার বাজেয়াপ্ত করার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি ৭টি বাড়ি, একটি খামারবাড়ি, দুটি পেট্রল পাম্প, একটি ইটভাটা, একটি পার্কিং, তিনটি পাথর খাদান, দুটি ক্রাশার এবং প্রায় ৩০০ বিঘা জমি-সহ একাধিক স্থাবর সম্পত্তির উল্লেখ রয়েছে।

### **দিনমজুর থেকে বিপুল সম্পত্তির মালিক**

প্রতিবেদন অনুযায়ী, টুলু মণ্ডল একসময় ক্রাশারে দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন এবং লরিতে পাথর বোঝাই করতেন। পরবর্তীতে নিজে লরি কিনে পাথরের ব্যবসায় প্রবেশ করেন। এরপর তাঁর ব্যবসা সম্প্রসারিত হয়।

তবে তাঁর বিপুল সম্পত্তির উৎস এবং সেগুলি বৈধ পথে অর্জিত হয়েছে কি না, সেই প্রশ্নই এখন আলোচনার কেন্দ্রে। প্রতিবেদনে রাজনৈতিক প্রভাব এবং ব্যবসায়িক সুবিধা পাওয়ার অভিযোগের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। যদিও এই ধরনের অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা নির্ধারণ করবে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া।

এখানেই বৃহত্তর প্রশ্নটি উঠে আসে—কেউ ব্যবসা করে বিপুল সম্পত্তির মালিক হলে তাতে আপত্তির কারণ নেই। আইনসম্মতভাবে সম্পদ অর্জন করা সম্পূর্ণ বৈধ। কিন্তু সম্পদের পরিমাণ যদি ঘোষিত আয় বা পরিচিত ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে হয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই তদন্তের প্রয়োজন হয়।

### **সম্পদের বৈষম্য নিয়ে প্রশ্ন**

একদিকে দেশের বহু তরুণ উচ্চশিক্ষা শেষ করেও চাকরি পাচ্ছেন না। অন্যদিকে রাজনৈতিক ক্ষমতা বা প্রভাবের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের দ্রুত সম্পদশালী হয়ে ওঠার অভিযোগ সমাজে একটি অস্বস্তিকর বৈপরীত্য তৈরি করছে।

ভারতে গত কয়েক দশকে উচ্চশিক্ষার সুযোগ অনেক বেড়েছে। গ্রাম থেকে শহর, বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্তরের ছাত্রছাত্রীরা কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন। প্রযুক্তি, বিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, মানবিক ও অন্যান্য ক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষার বিস্তার ঘটেছে।

কিন্তু শিক্ষার প্রসারের সঙ্গে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান তৈরি না হলে সেই শিক্ষাই অনেক সময় হতাশার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ডিগ্রি হাতে নিয়ে চাকরির জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করা তরুণদের সংখ্যা কম নয়।

### **ডিগ্রি আছে, কিন্তু চাকরি নেই**

বর্তমান ভারতের অন্যতম বড় সামাজিক সমস্যা হল শিক্ষিত বেকারত্ব। একজন তরুণ বহু বছর পড়াশোনা করে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করছেন। এরপর প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা, ইন্টারভিউ এবং বিভিন্ন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছেন। কিন্তু স্থায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ সীমিত হওয়ায় অনেকেই দীর্ঘ সময় ধরে বেকার থাকছেন।

এই পরিস্থিতির অর্থনৈতিক প্রভাবের পাশাপাশি মানসিক প্রভাবও রয়েছে। চাকরি না থাকলে একজন তরুণের নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। একইসঙ্গে পরিবারের উপরও আর্থিক চাপ বাড়ে।

সবচেয়ে বড় বিষয়, দীর্ঘদিন ধরে পরিশ্রম করে শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জনের পরেও যদি সৎ পথে সম্মানজনক আয়ের সুযোগ না মেলে, তাহলে সমাজের প্রতি তরুণদের আস্থাতেও প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।

### **দুর্নীতির প্রভাব শুধু অর্থনীতিতে নয়**

দুর্নীতি শুধুমাত্র সরকারি অর্থের ক্ষতি করে না। এর প্রভাব সমাজের প্রায় প্রতিটি স্তরে পৌঁছতে পারে।চাকরিতে ঘুষ, নিয়োগে অনিয়ম, সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতি, ব্যবসায় রাজনৈতিক প্রভাব এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে পক্ষপাতিত্ব—এই ধরনের অভিযোগ যদি দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে, তাহলে যোগ্যতা ও পরিশ্রমের মূল্য কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

যে তরুণ মনে করেন তাঁর শিক্ষা ও দক্ষতার ভিত্তিতে তিনি নিজের ভবিষ্যৎ তৈরি করবেন, তিনি যদি দেখেন ক্ষমতা বা রাজনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে অন্য কেউ দ্রুত সম্পদ ও প্রভাব অর্জন করছেন, তাহলে তাঁর মধ্যে হতাশা তৈরি হওয়া স্বাভাবিক।

### **রাজনৈতিক প্রভাবের প্রশ্ন**

টুলু মণ্ডলকে ঘিরে বিতর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল রাজনৈতিক যোগাযোগের অভিযোগ। প্রতিবেদনে তাঁকে তৃণমূল কংগ্রেস-ঘনিষ্ঠ পাথর ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে ব্যবসায় সুবিধা পাওয়ার অভিযোগের কথাও বলা হয়েছে। তবে এগুলি অভিযোগ, এবং তদন্ত ও আদালতের প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত এগুলিকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে দেখা যায় না।

এই প্রসঙ্গেই বৃহত্তর প্রশ্ন—রাজনীতির সঙ্গে ব্যবসায়িক স্বার্থের সম্পর্ক কতটা স্বচ্ছ হওয়া উচিত?গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনীতি ও ব্যবসা সম্পূর্ণ আলাদা ক্ষেত্র না হলেও ক্ষমতার অপব্যবহার যাতে না হয়, তার জন্য শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি প্রয়োজন।

### **টুলু মণ্ডল কি একা?**

সম্পাদকীয়টির মূল প্রশ্নগুলির একটি এখানেই। টুলু মণ্ডলকে ঘিরে যে অভিযোগ ও সম্পত্তির তথ্য সামনে এসেছে, তা যদি তদন্তে সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে এটি কি বিচ্ছিন্ন ঘটনা, নাকি আরও বড় সমস্যার একটি অংশ?

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সময়ে সময়ে সরকারি আধিকারিক, রাজনৈতিক নেতা বা তাঁদের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে disproportionate assets বা আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পত্তির অভিযোগ সামনে আসে। তদন্তে কোথাও অভিযোগ প্রমাণিত হয়, কোথাও আবার তা টেকে না।

তাই কোনও একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা রাজনৈতিক বা ব্যবসায়ী সমাজকে বিচার না করে প্রতিটি অভিযোগের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়াই গুরুত্বপূর্ণ।

### **যুব সমাজ কোন পথ বেছে নেবে?**

এই বিতর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ সম্ভবত দেশের তরুণ প্রজন্ম।একজন ছাত্র যদি বহু বছর পড়াশোনা করে চাকরি না পান, অথচ তাঁর আশপাশে এমন কাউকে দেখেন যিনি রাজনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে দ্রুত বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে, তাহলে তাঁর কাছে সাফল্যের সংজ্ঞা বদলে যেতে পারে।

এখানেই সমাজের দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি। তরুণদের কাছে যদি সৎ পরিশ্রম, শিক্ষা, দক্ষতা এবং যোগ্যতার মূল্য থাকে, তাহলে সেই মূল্যকে বাস্তব জীবনে প্রতিষ্ঠিত করার মতো পরিবেশও তৈরি করতে হবে।

শুধু দুর্নীতির বিরুদ্ধে বক্তৃতা দিলেই হবে না। যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ, স্বচ্ছ প্রশাসন, কার্যকর আইন এবং পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাও জরুরি।

### **উন্নয়নের সঙ্গে কর্মসংস্থানও দরকার**

ভারতের অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু GDP বৃদ্ধি বা নতুন পরিকাঠামো তৈরি হলেই উন্নয়ন সম্পূর্ণ হয় না। সেই উন্নয়নের সুফল সাধারণ মানুষের জীবনে কতটা পৌঁছল, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

যদি উচ্চশিক্ষিত তরুণদের জন্য পর্যাপ্ত চাকরি না থাকে, তাহলে অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে সামাজিক হতাশাও বাড়তে পারে।

অন্যদিকে সম্পদের অসম বণ্টন এবং দুর্নীতির অভিযোগ যদি বাড়তে থাকে, তাহলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যবস্থার প্রতি আস্থার সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

### **সৎ পথে সাফল্যের সুযোগ তৈরি করাই মূল কথা**

সমাজে এমন একটি পরিবেশ প্রয়োজন যেখানে একজন তরুণ বিশ্বাস করতে পারেন যে কঠোর পরিশ্রম, শিক্ষা এবং দক্ষতার মাধ্যমে তিনি সম্মানজনক জীবন গড়ে তুলতে পারবেন।

একইসঙ্গে অবৈধ সম্পদ, দুর্নীতি বা ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠলে দ্রুত, নিরপেক্ষ এবং স্বচ্ছ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। অভিযোগ সত্য হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা এবং অভিযোগ মিথ্যা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সুনাম রক্ষার ব্যবস্থাও জরুরি।

কারণ আইনের শাসনের মূল কথা হল—কেউ রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী বলেই আইনের ঊর্ধ্বে নন, আবার কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেই তিনি অপরাধী হয়ে যান না।

### **আগামী দিনের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন**

ভারতের সামনে তাই একদিকে অর্থনৈতিক অগ্রগতির সম্ভাবনা, অন্যদিকে কর্মসংস্থান ও দুর্নীতির মতো বাস্তব সমস্যা। দেশের তরুণরা কোন ভবিষ্যৎ দেখতে পাবেন, সেটাই আগামী দিনের সবচেয়ে বড় প্রশ্নগুলির একটি।

টুলু মণ্ডলকে ঘিরে সামনে আসা সম্পত্তির অভিযোগ সেই বৃহত্তর সামাজিক বৈপরীত্যকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছে—একদিকে উচ্চশিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে কিছু ব্যক্তিকে ঘিরে বিপুল সম্পদের অভিযোগ সামনে আসছে।

সবশেষে প্রশ্নটি শুধু টুলু মণ্ডলকে নিয়ে নয়। প্রশ্ন হল, **ভারতের তরুণ প্রজন্ম কি এমন একটি সমাজ পাবে যেখানে শিক্ষা, যোগ্যতা ও পরিশ্রমের যথাযথ মূল্য রয়েছে?** নাকি ক্ষমতা, রাজনৈতিক যোগাযোগ এবং দ্রুত সম্পদ অর্জনের সংস্কৃতি তাদের সামনে সাফল্যের অন্য সংজ্ঞা তুলে ধরবে?

দেশের প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন অর্থনৈতিক বৃদ্ধির পাশাপাশি স্বচ্ছতা, কর্মসংস্থান, সামাজিক ন্যায় এবং আইনের শাসনও শক্তিশালী হবে। আর সেই লক্ষ্য পূরণে শিক্ষিত যুবসমাজের জন্য সম্মানজনক কর্মসংস্থান তৈরি করা যেমন জরুরি, তেমনই দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

ঔরঙ্গজেবের আমলের ৩৩৪ বছরের বনেদি পুজোর অমলিন ঐতিহ্য

পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজোর ইতিহাসে বনেদি পুজোর আলাদা মর্যাদা রয়েছে। সেই ঐতিহ্যের অন্যতম উজ্জ্বল অধ্যায় পূর্ব বর্ধমানের পানাগড়ের সোঁয়াই গ্রামের মুখোপাধ্যায় পরিবারের দুর্গাপুজো। এ বছর এই পুজো ৩৩৪ বছরে পা দিয়েছে। শুধু প্রাচীনত্ব নয়, এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে স্বপ্নাদেশ, বর্ধমানের...

বাংলায় পথচলা শুরু বিজয় থলপতির টিভিকের নতুন অধ্যায়

তামিলনাড়ুতে রাজনৈতিক সাফল্যের পর এবার পশ্চিমবঙ্গে সাংগঠনিক বিস্তার শুরু করল বিজয় থলপতি-র দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগম (TVK)। পূর্ব বর্ধমান জেলার ফাগুপুরে দলের প্রথম কার্যালয় খোলার মাধ্যমে বাংলায় আনুষ্ঠানিকভাবে পথচলা শুরু হয়েছে। এই পদক্ষেপের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—তাহলে...

সন্ত্রাসে শীর্ষে পাকিস্তান, হাক্কানির বিস্ফোরক আত্মসমালোচনা ভাইরাল

সন্ত্রাসবাদে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় পাকিস্তানের শীর্ষে উঠে আসার দাবি ঘিরে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (IEP)-এর প্রকাশিত Global Terrorism Index 2026-এর তথ্য সামনে আসার পর পাকিস্তানের প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত হুসেন হাক্কানি ইসলামাবাদের দীর্ঘদিনের...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.