Tuesday, August 25, 2026

Creating liberating content

ফের ২১ দিনের ছুটি...

ডেরা সচ্চা সৌদার প্রধান গুরমিত রাম রহিম সিংকে ফের জেল থেকে সাময়িক মুক্তি...

৭০তম BPSC বাতিলের দাবিতে...

বিহারে সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষা ঘিরে ফের উত্তেজনা। **৭০তম Bihar Public Service Commission...

তৃণমূলত্যাগী ২০ সাংসদকে সুপ্রিম...

তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে **ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া (এনসিপিআই)**-তে যোগ দেওয়া ২০ জন...

জাতগণনা নিয়ে প্রশ্ন, মোদিকে...

# জাতগণনা নিয়ে প্রশ্ন, মোদিকে চিঠি খাড়গে-রাহুলের ভারতে আসন্ন **Census 2027**-এ জাতগণনা কীভাবে করা...
Homeবাংলাফুটপাথবাসী মহিলাকে ঘর...

ফুটপাথবাসী মহিলাকে ঘর দেওয়ার আশ্বাস শুভেন্দুর, বদলাল পরিস্থিতি

কলকাতার ফুটপাথে বসবাসকারী এক মহিলাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্ক এবার নতুন মোড় নিল। শিশুকে কোলে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ‘জনতার দরবারে’ হাজির হওয়া সেই মহিলাকে **বাসস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী**। মঙ্গলবার সল্টলেকে আয়োজিত জনতার দরবারে বরানগরের বিধায়ক সজল ঘোষ ওই মহিলা এবং তাঁর শিশুকে নিয়ে হাজির হন। সেখানেই মহিলার সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ওই মহিলাকে আর ফুটপাথে থাকতে হবে না। তাঁর থাকার ব্যবস্থা করবে রাজ্য সরকার। 

সম্প্রতি কলকাতার ফুটপাথে দুধ গরম করা নিয়ে ওই মহিলাকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনীতিতেও শুরু হয়েছিল চাপানউতোর। সেই বিতর্কের মধ্যেই শিশুকে কোলে নিয়ে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে গেলেন মহিলা। নিজের পরিস্থিতির কথা জানানোর পরই তাঁর জন্য স্থায়ী আশ্রয়ের আশ্বাস দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগের ফলে ঘটনাটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

## শিশুকে কোলে নিয়ে জনতার দরবারে মহিলা

মঙ্গলবার সল্টলেকে মুখ্যমন্ত্রীর ‘জনতার দরবারে’ সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় বরানগরের বিধায়ক সজল ঘোষ ওই মহিলাকে তাঁর শিশুসন্তান-সহ সেখানে নিয়ে যান। ফুটপাথে বসবাসকারী ওই মহিলার নাম সীতাদেবী বলে সংবাদ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। 

শিশুকে কোলে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সামনে দাঁড়িয়ে নিজের সমস্যার কথা জানান তিনি। তাঁর জীবনযাপন এবং থাকার পরিস্থিতি নিয়ে কথা হয়। ফুটপাথের মতো অনিশ্চিত জায়গায় একটি শিশুকে নিয়ে বসবাস করতে হওয়ায় যে সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে, সেই বিষয়টিও সামনে আসে।

এরপরই মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে আশ্বস্ত করেন যে, আর ফুটপাথে থাকতে হবে না। সরকার তাঁর থাকার ব্যবস্থা করবে বলে জানান তিনি।

## ‘ফুটপাথে আর থাকতে হবে না’, আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

মহিলার সঙ্গে কথা বলার পর শুভেন্দু অধিকারী তাঁকে আশ্বাস দেন, **“ফুটপাথে আর থাকতে হবে না। আমরা থাকার ব্যবস্থা করে দেব।”** মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁকে এমন একটি জায়গায় থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে যেখানে তিনি নিশ্চিন্তে থাকতে পারবেন। 

এই আশ্বাসের ফলে সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যে থাকা মহিলার পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। শুধু কথার আশ্বাস নয়, তাঁর থাকার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করার কথাও স্পষ্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

জনতার দরবারে সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনার সময় এই ঘটনা সামনে আসে। ফলে ফুটপাথবাসী মানুষের পুনর্বাসনের বিষয়টিও ফের আলোচনায় উঠে এসেছে।

## গত কয়েক বছরের অবহেলার অভিযোগ

মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই মহিলার পরিস্থিতি নিয়ে আরও বিস্তারিত মন্তব্য করেন। তিনি জানান, সীতাদেবী শিশুকে নিয়ে তাঁর কাছে এসেছিলেন এবং তাঁকে আর ফুটপাথে থাকার প্রয়োজন হবে না বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

শুভেন্দুর বক্তব্য অনুযায়ী, গত ১৫ বছর ধরে সরকারের কেউ সীতাদেবীর খোঁজ নেননি। এমনকী তার আগের ৩৪ বছরেও কেউ তাঁর খোঁজ নেয়নি বলে দাবি করেন তিনি। 

মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের রাজনৈতিক তাৎপর্যও রয়েছে। কারণ, ফুটপাথে বসবাসকারী মানুষের পুনর্বাসন এবং শহরের গৃহহীন মানুষের সমস্যা দীর্ঘদিন ধরেই প্রশাসনের কাছে একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

## ফুটপাথে দুধ গরম করা নিয়ে কী বিতর্ক?

ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল ফুটপাথে দুধ গরম করা নিয়ে একটি বিতর্ক থেকে। ফুটপাথে বসবাসকারী ওই মহিলার শিশুকে ঘিরে ঘটনাটি সামনে আসে এবং তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়।

এই ঘটনায় মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের প্রতিক্রিয়াও সামনে এসেছিল। তাঁকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হওয়ার পর বিষয়টি আরও বড় রাজনৈতিক আলোচনায় পরিণত হয়। এবার সেই বিতর্কিত ঘটনাই কার্যত অন্য দিকে মোড় নিয়েছে।

যে মহিলাকে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল, তিনিই এবার শিশুকে কোলে নিয়ে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পৌঁছলেন। আর সেখানেই তাঁর পুনর্বাসনের আশ্বাস মিলল।

## সজল ঘোষের উদ্যোগ

এই ঘটনার পিছনে বরানগরের বিধায়ক সজল ঘোষের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। তিনিই ওই মহিলাকে শিশুসহ মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে নিয়ে যান বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। 

ফলে বিষয়টি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর নজরে আসে। সাধারণত জনতার দরবারে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ নিজেদের সমস্যা নিয়ে উপস্থিত হন। সেই সুযোগেই সীতাদেবী তাঁর সমস্যার কথা জানানোর সুযোগ পান।

বিধায়কের এই উদ্যোগের পরই মুখ্যমন্ত্রী দ্রুত তাঁর থাকার ব্যবস্থা করার কথা জানান।

## শিশুর ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন

এই ঘটনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলির একটি হল, ওই মহিলা একা নন—তাঁর সঙ্গে রয়েছে একটি শিশু। ফুটপাথে বসবাসকারী পরিবারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ থাকে শিশুদের নিরাপত্তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে।

রাস্তার পরিবেশে একটি শিশুকে বড় করে তোলা অত্যন্ত কঠিন। থাকার জায়গার নিশ্চয়তা না থাকলে শিশুর শিক্ষাজীবনও ব্যাহত হতে পারে। সেই কারণেই পুনর্বাসনের দাবি শুধু একজন মহিলার বাসস্থানের বিষয় নয়, তাঁর সন্তানের ভবিষ্যতের সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত।

মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস বাস্তবায়িত হলে মা ও শিশুর জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে।

## ফুটপাথবাসীদের পুনর্বাসন নিয়ে ফের আলোচনা

কলকাতা শহরে ফুটপাথকে আশ্রয় করে বসবাস করেন বহু মানুষ। কেউ দীর্ঘদিন ধরে সেখানে থাকেন, কেউ কাজের সন্ধানে শহরে এসে স্থায়ী বাসস্থানের অভাবে ফুটপাথে আশ্রয় নেন। তাঁদের পুনর্বাসন একটি জটিল প্রশাসনিক বিষয়।

শুধু থাকার জায়গা করে দিলেই সমস্যার সমাধান হয় না। পুনর্বাসনের সঙ্গে যুক্ত থাকে রেশন, স্বাস্থ্য পরিষেবা, শিক্ষা, পানীয় জল, বিদ্যুৎ এবং কর্মসংস্থানের মতো একাধিক বিষয়।

সীতাদেবীর ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাই আবার প্রশ্ন উঠছে—শহরের ফুটপাথবাসীদের জন্য প্রশাসনের দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন পরিকল্পনা কতটা কার্যকর হবে?

## জনতার দরবারে দ্রুত সিদ্ধান্ত

মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা শুনে তাৎক্ষণিকভাবে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়টি নতুন নয়। তবে সীতাদেবীর ঘটনাটি বিশেষভাবে নজর কেড়েছে কারণ বিষয়টি ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে ছিল।

ফুটপাথে বসবাসকারী এক মহিলার পরিস্থিতি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর সামনে আসার পরই থাকার ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রশাসনিক স্তরে এখন পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, তা গুরুত্বপূর্ণ।

## মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করে দেন, সীতাদেবী এবং তাঁর পরিবারকে অসুবিধায় রাখা হবে না। তিনি বলেন, ওই মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর উপর এবং রাজ্য সরকারের উপর ভরসা করেন বলে জানিয়েছেন। 

এই বক্তব্যের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী একদিকে যেমন ওই মহিলাকে আশ্বস্ত করেছেন, তেমনই প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁর পরিবারের দায়িত্ব নেওয়ার বার্তাও দিয়েছেন।

এখন মূল বিষয় হল, ঘোষণাটি কীভাবে বাস্তবে কার্যকর হয় এবং তাঁকে কোথায় ও কী ধরনের বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়।

## রাজনৈতিক বিতর্ক থেকে মানবিক উদ্যোগ

সীতাদেবীকে ঘিরে শুরু হওয়া বিতর্ক এখন অনেকটাই মানবিক প্রশ্নে পরিণত হয়েছে। ফুটপাথে দুধ গরম করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে আলোচনা শুরু হয়েছিল, তা এখন গিয়ে দাঁড়িয়েছে একজন মা এবং তাঁর সন্তানের নিরাপদ আশ্রয়ের প্রশ্নে।

এই পরিবর্তনটি তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ রাজনৈতিক বিতর্কের বাইরে গিয়ে কোনও গৃহহীন পরিবারের জন্য স্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা গেলে তা বাস্তব জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলবে।

তবে সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত পুরো বিষয়টিকে কেবল ঘোষণার পর্যায়েই দেখা হচ্ছে।

## কী হবে পরবর্তী পদক্ষেপ?

এখন নজর রয়েছে প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। মুখ্যমন্ত্রী থাকার ব্যবস্থা করার কথা বলেছেন। ফলে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলি ওই মহিলার পরিচয়, পরিবারের পরিস্থিতি এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করে কী ব্যবস্থা নেয়, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

বাসস্থানের পাশাপাশি তাঁর সন্তানের শিক্ষা ও পরিবারের অন্যান্য প্রয়োজনের বিষয়গুলিও প্রশাসনের বিবেচনায় আসতে পারে।

মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, সরকার তাঁদের কোনও অসুবিধা হতে দেবে না। 

## ফুটপাথবাসীদের জন্য বড় বার্তা?

এই একটি ঘটনা থেকে বৃহত্তর কোনও সরকারি নীতির ঘোষণা হয়েছে বলে এখনও বলা যায় না। তবে ঘটনাটি শহরের ফুটপাথবাসী মানুষের সমস্যাকে সামনে নিয়ে এসেছে।

যদি সীতাদেবীর জন্য সত্যিই স্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়, তাহলে এটি অন্যান্য ফুটপাথবাসী পরিবারের ক্ষেত্রেও প্রশাসনিক উদ্যোগের একটি দৃষ্টান্ত হতে পারে। একইসঙ্গে পুনর্বাসন প্রকল্পগুলিকে আরও কার্যকর করার দাবি জোরদার হতে পারে।

কলকাতার মতো বড় শহরে ফুটপাথবাসীদের সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। শুধু সাময়িক আশ্রয় নয়, তাঁদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক পুনর্বাসনও জরুরি।

## শেষ কথা

ফুটপাথে দুধ গরম করা নিয়ে যে বিতর্কের সূত্রপাত, তা শেষ পর্যন্ত এক গৃহহীন মা ও তাঁর শিশুর বাসস্থানের প্রশ্নে এসে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার সল্টলেকে মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে শিশুকে কোলে নিয়ে হাজির হন সীতাদেবী। বরানগরের বিধায়ক সজল ঘোষ তাঁকে সেখানে নিয়ে যান। এরপর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁকে আশ্বাস দেন যে, আর ফুটপাথে থাকতে হবে না এবং তাঁদের থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। 

মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেছেন, গত ১৫ বছর ধরে সরকারের কেউ তাঁর খোঁজ নেননি এবং তার আগের ৩৪ বছরেও কেউ তাঁর খোঁজ নেয়নি। তাঁর বক্তব্য, রাজ্য সরকার ওই পরিবারকে কোনও অসুবিধায় থাকতে দেবে না। 

এখন অপেক্ষা, মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া আশ্বাস কত দ্রুত বাস্তবে রূপ নেয়। একইসঙ্গে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলকাতার ফুটপাথবাসী মানুষদের পুনর্বাসনের বিষয়টি প্রশাসন আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখে কি না, সেদিকেও নজর থাকবে।

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

ফের ২১ দিনের ছুটি রাম রহিমের, ৯ বছরে ১৭ বার জেলমুক্তি

ডেরা সচ্চা সৌদার প্রধান গুরমিত রাম রহিম সিংকে ফের জেল থেকে সাময়িক মুক্তি দেওয়া হল। এবার **২১ দিনের furlough**-এ জেল থেকে বেরিয়েছেন তিনি। ২০১৭ সালে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় সাজা পাওয়ার পর থেকে এই নিয়ে ১৭ বার জেল থেকে...

৭০তম BPSC বাতিলের দাবিতে উত্তাল বিহার, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ

বিহারে সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষা ঘিরে ফের উত্তেজনা। **৭০তম Bihar Public Service Commission (BPSC) পরীক্ষা বাতিল করে নতুন করে পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে** মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, পাটনায় পথে নামেন হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থী। গান্ধী ময়দান থেকে শুরু হওয়া সেই মিছিল মুখ্যমন্ত্রী...

তৃণমূলত্যাগী ২০ সাংসদকে সুপ্রিম নোটিস, বাড়ল চাপ

তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে **ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া (এনসিপিআই)**-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদের ভবিষ্যৎ নিয়ে এবার সরাসরি হস্তক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় তাঁদের সাংসদ পদ খারিজের দাবিতে তৃণমূলের লোকসভার দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা মামলায় মঙ্গলবার...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.