Wednesday, August 19, 2026

Creating liberating content

Former wrestler on run...

Representative photo (Getty Images) NEW DELHI: A 31-year-old former national-level wrestler, who...

Manav Suthar creates history:...

India's Manav Suthar celebrates the dismissal of Sri Lanka's Lahiru Kumara. (AP...

‘Cannot afford any mistake’:...

Harmanpreet Singh celebrates with teammate after scoring a goal against Pakistan. (Pic...

First in 43 years!...

Pakistan opener Azan Awais was dismissed off the very first ball...
Homeবাংলাট্যাঙ্ক থেকে যুদ্ধবিমান,...

ট্যাঙ্ক থেকে যুদ্ধবিমান, ৪০৫ যন্ত্রাংশ এবার তৈরি হবে ভারতে

ভারতের প্রতিরক্ষা উৎপাদন ক্ষেত্রে আরও একটি বড় পদক্ষেপ নেওয়া হল। বিদেশ থেকে প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ আমদানির উপর নির্ভরতা কমিয়ে এবার দেশের মাটিতেই ৪০৫টি প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত সামগ্রী তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের নতুন **Sixth Positive Indigenisation List**-এ এই ৪০৫টি সামগ্রীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন অস্ত্র, প্ল্যাটফর্ম, সিস্টেম, সাব-সিস্টেম, স্পেয়ার, কম্পোনেন্ট এবং কাঁচামাল। এই তালিকার আওতায় আসা সামগ্রীগুলি ভবিষ্যতে ভারতীয় সংস্থাগুলির কাছ থেকেই সংগ্রহ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। 

এই সিদ্ধান্তের সবচেয়ে বড় তাৎপর্য হল, ভারতের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে **Make in India** এবং **Atmanirbhar Bharat**-এর লক্ষ্য আরও শক্তিশালী হবে। শুধু নতুন যুদ্ধাস্ত্র তৈরি নয়, একটি যুদ্ধবিমান বা ট্যাঙ্কের ভিতরে ব্যবহৃত ছোট-বড় অসংখ্য যন্ত্রাংশ দেশেই তৈরি করা গেলে পুরো প্রতিরক্ষা উৎপাদন-শৃঙ্খল আরও স্বনির্ভর হয়ে উঠবে। নতুন তালিকায় এমন বহু গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রয়েছে, যেগুলি বর্তমানে বিদেশি উৎসের উপর নির্ভরশীল ছিল।

## ৪০৫টি সামগ্রী কেন গুরুত্বপূর্ণ?

প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে একটি যুদ্ধবিমান, ট্যাঙ্ক, হেলিকপ্টার বা যুদ্ধজাহাজ তৈরি করতে শুধু মূল প্ল্যাটফর্মই যথেষ্ট নয়। এর সঙ্গে প্রয়োজন হয় অসংখ্য সাব-সিস্টেম, স্পেয়ার, গিয়ার, ইলেকট্রনিক উপাদান, কাঁচামাল এবং বিভিন্ন ধরনের Line Replaceable Units বা LRUs।

এই ধরনের অনেক উপাদান বিদেশ থেকে আমদানি করতে হলে যুদ্ধাস্ত্রের উৎপাদন এবং রক্ষণাবেক্ষণ উভয় ক্ষেত্রেই বিদেশি সরবরাহকারীদের উপর নির্ভরতা তৈরি হয়।

নতুন ৪০৫টি সামগ্রীকে স্থানীয়ভাবে উৎপাদনের আওতায় আনার ফলে সেই নির্ভরতা কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এই তালিকায় মূলত এমন সামগ্রী অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেগুলি ভারতীয় শিল্পক্ষেত্রের মাধ্যমে তৈরি করা সম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে। 

## কোন কোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার যন্ত্রাংশ থাকবে?

নতুন তালিকাটি অত্যন্ত বিস্তৃত। এর মধ্যে হেলিকপ্টার, যুদ্ধবিমান, ট্যাঙ্ক, যুদ্ধজাহাজ এবং ক্ষেপণাস্ত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত বিভিন্ন উপাদান রয়েছে।

বিশেষভাবে **Su-30MKI**, **T-90 tank**, **Light Combat Aircraft Tejas**, **Advanced Light Helicopter** এবং **Light Utility Helicopter**-এর মতো প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন যন্ত্রাংশ এই indigenisation programme-এর আওতায় এসেছে। এমনকি Su-30MKI-তে ব্যবহৃত AL-31FP ইঞ্জিনের কিছু উপাদানও এই উদ্যোগের অংশ। 

অর্থাৎ এবার শুধু সাধারণ বা কম গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ নয়, ভারতের সামরিক ব্যবস্থার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মগুলির সঙ্গে যুক্ত উপাদানও দেশীয়ভাবে তৈরি করার দিকে জোর দেওয়া হচ্ছে।

## Su-30MKI-র জন্যও দেশীয় যন্ত্রাংশ

ভারতীয় বায়ুসেনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধবিমান হল Sukhoi-30MKI। দীর্ঘদিন ধরে এই যুদ্ধবিমান ভারতের air combat capability-র একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ।

এই যুদ্ধবিমানের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ এবং স্পেয়ার বিদেশ থেকে আমদানি করার প্রয়োজন হয়ে থাকে। নতুন indigenisation list-এ Su-30MKI-এর জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় ভবিষ্যতে দেশীয় সংস্থাগুলি এগুলি উৎপাদনের সুযোগ পাবে।

এর ফলে যুদ্ধবিমানের maintenance এবং repair-এর ক্ষেত্রে বিদেশি সরবরাহ ব্যবস্থার উপর নির্ভরতা কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।

## T-90 ট্যাঙ্কের যন্ত্রাংশও তৈরি হবে ভারতে

শুধু আকাশপথ নয়, স্থলবাহিনীর ক্ষেত্রেও এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর অন্যতম প্রধান battle tank হল T-90। এই ট্যাঙ্কের বিভিন্ন spare এবং component-ও নতুন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

যুদ্ধক্ষেত্রে ট্যাঙ্কের operational readiness বজায় রাখতে নিয়মিত maintenance এবং spare parts-এর প্রয়োজন হয়। কোনও গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশের জন্য বিদেশি সরবরাহের উপর নির্ভর করতে হলে সময় এবং খরচ দুটোই বাড়তে পারে।

দেশে এই যন্ত্রাংশ তৈরি হলে দ্রুত replacement এবং maintenance-এর সুবিধা পাওয়া যেতে পারে।

## Tejas-এর ক্ষেত্রেও বড় পদক্ষেপ

ভারতের নিজস্ব Light Combat Aircraft বা **Tejas** programme-ও এই উদ্যোগের মাধ্যমে উপকৃত হতে পারে।

Tejas ভারতের indigenous fighter aircraft development-এর অন্যতম বড় সাফল্য। তবে একটি আধুনিক যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণভাবে দেশীয় করতে হলে শুধু airframe তৈরি করাই যথেষ্ট নয়। ইঞ্জিন, avionics, hydraulics, electrical systems এবং অসংখ্য ছোট-বড় component-এর ক্ষেত্রেও দেশীয় সক্ষমতা প্রয়োজন।

নতুন তালিকায় Tejas এবং অন্যান্য light combat aircraft-এর সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন সামগ্রী অন্তর্ভুক্ত হওয়া সেই বৃহত্তর indigenisation লক্ষ্যকেই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। 

## হেলিকপ্টারেও দেশীয় উৎপাদন বাড়বে

Advanced Light Helicopter এবং Light Utility Helicopter-এর মতো প্ল্যাটফর্মের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন component এবং gear-ও নতুন তালিকায় রয়েছে।

এর ফলে ভারতের helicopter manufacturing ecosystem-ও আরও শক্তিশালী হতে পারে।

দেশীয়ভাবে component উৎপাদন বাড়লে ভবিষ্যতে helicopter manufacturing-এর ক্ষেত্রে স্থানীয় supply chain আরও বিস্তৃত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

## যুদ্ধজাহাজ ও ক্ষেপণাস্ত্রও তালিকায়

নতুন ৪০৫টি সামগ্রীর মধ্যে শুধু বিমান এবং ট্যাঙ্কের উপাদান নেই। যুদ্ধজাহাজ এবং ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন component-ও রয়েছে।

এটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ভারতের সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং missile capability ক্রমশ আধুনিক হচ্ছে। যুদ্ধজাহাজ ও missile system-এর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ component দেশীয়ভাবে তৈরি করতে পারলে দীর্ঘমেয়াদে প্রতিরক্ষা supply chain আরও স্থিতিশীল হতে পারে।

## ভারতীয় সংস্থাগুলির জন্য বড় ব্যবসার সুযোগ

প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের হিসাব অনুযায়ী, নতুন ৪০৫টি সামগ্রী স্থানীয়ভাবে উৎপাদনের ফলে ভারতীয় নির্মাতাদের জন্য আনুমানিক **₹৩,০৭০ কোটি টাকার ব্যবসার সুযোগ** তৈরি হতে পারে। 

অর্থাৎ এই উদ্যোগ শুধুমাত্র সামরিক স্বনির্ভরতার বিষয় নয়। এর সঙ্গে দেশের manufacturing industry-র জন্যও বড় অর্থনৈতিক সম্ভাবনা রয়েছে।

বড় প্রতিরক্ষা সংস্থার পাশাপাশি ছোট ও মাঝারি শিল্পগুলিও supply chain-এর অংশ হতে পারে।

## MSME সংস্থাগুলিও লাভবান হতে পারে

ভারতে প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রে MSME বা ছোট ও মাঝারি সংস্থাগুলির অংশগ্রহণ ক্রমশ বাড়ছে।

একটি বড় যুদ্ধবিমান বা ট্যাঙ্কের প্রতিটি component একটি মাত্র সংস্থা তৈরি করে না। বহু ছোট সংস্থা নির্দিষ্ট component, precision parts, electronics, mechanical systems এবং অন্যান্য উপাদান তৈরি করে মূল নির্মাতাদের সরবরাহ করতে পারে।

নতুন ৪০৫টি সামগ্রী স্থানীয়ভাবে উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হওয়ায় এই ecosystem আরও বিস্তৃত হতে পারে।

## আমদানির উপর নির্ভরতা কমানোই মূল লক্ষ্য

ভারত বহু বছর ধরে প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যতম বড় আমদানিকারক দেশ ছিল। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সেই অবস্থান পরিবর্তনের চেষ্টা চলছে।

সরকারের লক্ষ্য হল গুরুত্বপূর্ণ defence equipment এবং component-এর ক্ষেত্রে দেশীয় উৎপাদন বাড়ানো।

এর ফলে বিদেশি মুদ্রা সাশ্রয়ের পাশাপাশি যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে supply chain disruption-এর ঝুঁকিও কমানো সম্ভব হতে পারে।

## যুদ্ধের সময় কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?

ধরা যাক কোনও গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধবিমান বা ট্যাঙ্কের একটি নির্দিষ্ট যন্ত্রাংশ প্রয়োজন। যদি সেই component বিদেশ থেকে আনতে হয় এবং কোনও আন্তর্জাতিক সংকটের কারণে supply chain বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে সামরিক সরঞ্জামের operational readiness ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

কিন্তু সেই component যদি ভারতেই তৈরি করা যায়, তাহলে পরিস্থিতি অনেক বেশি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

সেই কারণেই প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে self-reliance শুধু অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত।

## SRIJAN Portal-এর ভূমিকা

ভারতের defence indigenisation programme-এ **SRIJAN portal** গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিভিন্ন defence items দেশীয় শিল্পের জন্য চিহ্নিত করা হয় এবং সেগুলিকে স্থানীয়ভাবে তৈরি করার সুযোগ তৈরি করা হয়।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, SRIJAN portal-এ ৩৩,০০০-এরও বেশি defence items স্থানীয়ভাবে তৈরির জন্য অফার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫,৭০০-এরও বেশি সামগ্রী ইতিমধ্যে indigenise করা হয়েছে। 

এই পরিসংখ্যান থেকেই বোঝা যায়, প্রতিরক্ষা উৎপাদনে দেশীয়করণের প্রক্রিয়া কতটা বড় আকার নিয়েছে।

## ষষ্ঠ Positive Indigenisation List

এবারের তালিকাটি হল **Sixth Positive Indigenisation List**।

Positive Indigenisation List-এর মূল উদ্দেশ্য হল নির্দিষ্ট প্রতিরক্ষা সামগ্রীর ক্ষেত্রে আমদানি সীমিত বা নিষিদ্ধ করে ভারতীয় শিল্পের কাছ থেকে সেগুলি সংগ্রহ করা।

এভাবে ধাপে ধাপে বিদেশি component-এর পরিবর্তে দেশীয় component ব্যবহারের পরিমাণ বাড়ানো হচ্ছে।

নতুন তালিকায় ৪০৫টি সামগ্রী যুক্ত হওয়ায় এই programme আরও বিস্তৃত হল।

## ৩৮৯টি সামগ্রী DPSU-র সঙ্গে যুক্ত

নতুন তালিকার ৪০৫টি সামগ্রীর মধ্যে **৩৮৯টি Defence Public Sector Undertakings বা DPSU-এর সঙ্গে যুক্ত**, আর ১৬টি Indian Coast Guard-এর সঙ্গে সম্পর্কিত। 

এর মধ্যে রয়েছে Line Replaceable Units, sub-systems, sub-assemblies, components, spares এবং raw materials।

এই ধরনের বৈচিত্র্যময় উপাদানকে স্থানীয় উৎপাদনের আওতায় আনা হলে ভারতের defence manufacturing ecosystem-এর বিভিন্ন স্তরে নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

## বেসরকারি সংস্থার জন্যও সুযোগ

ভারতের প্রতিরক্ষা উৎপাদন ক্ষেত্র এখন আর শুধুমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই।

বেসরকারি শিল্প সংস্থাগুলিও defence manufacturing এবং component production-এ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

নতুন indigenisation list তাঁদের জন্যও নতুন বাজার তৈরি করতে পারে।

এর ফলে প্রতিযোগিতা বাড়ার পাশাপাশি technology development এবং manufacturing quality-ও উন্নত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

## প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ

দেশে প্রতিরক্ষা component তৈরি করতে গেলে শুধু manufacturing capacity থাকলেই হবে না। precision engineering, metallurgy, electronics, software, testing এবং quality control-এর মতো ক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তিগত সক্ষমতা প্রয়োজন।

তাই ৪০৫টি component indigenise করার উদ্যোগ ভারতের industrial technology base-কেও শক্তিশালী করতে পারে।

একটি component তৈরি করতে গিয়ে ভারতীয় সংস্থাগুলি যে প্রযুক্তি এবং expertise অর্জন করবে, তা ভবিষ্যতে অন্য defence এবং civilian manufacturing ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা সম্ভব হতে পারে।

## গবেষণা ও উন্নয়নেও জোর

দেশীয় defence manufacturing-এর সঙ্গে research and development-এর সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিদেশি কোনও component শুধু copy করে তৈরি করলেই দীর্ঘমেয়াদি স্বনির্ভরতা তৈরি হয় না। প্রয়োজন নিজস্ব design capability, testing facility এবং continuous innovation।

নতুন তালিকা ভারতীয় শিল্পকে সেই ধরনের technology development-এর দিকে আরও বেশি উৎসাহিত করতে পারে।

## আত্মনির্ভর ভারতের বড় পরীক্ষা

সরকারের **Atmanirbhar Bharat** বা আত্মনির্ভর ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হল প্রতিরক্ষা।

কারণ জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনও দেশের অন্য দেশের উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কৌশলগত ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

তাই ট্যাঙ্ক, যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার, যুদ্ধজাহাজ এবং ক্ষেপণাস্ত্রের component দেশেই তৈরি করা গেলে ভারতের strategic autonomy আরও বাড়বে।

## শুধু যুদ্ধের সময় নয়, শান্তির সময়েও সুবিধা

দেশীয় উৎপাদনের সুবিধা শুধুমাত্র যুদ্ধের সময় পাওয়া যায় না।

শান্তির সময়েও maintenance এবং upgrade-এর জন্য দ্রুত spare parts প্রয়োজন হয়। বিদেশ থেকে যন্ত্রাংশ আনতে গেলে procurement process এবং transportation-এর কারণে সময় লাগতে পারে।

দেশে উৎপাদন থাকলে সেই সময় কমানো সম্ভব হতে পারে।

ফলে military platforms-এর availability এবং operational efficiency বাড়ার সম্ভাবনা থাকে।

## বিদেশি সরবরাহকারীদের উপর চাপ কমবে

যেসব component-এর জন্য এতদিন বিদেশি suppliers-এর উপর নির্ভর করতে হত, সেগুলির স্থানীয় উৎপাদন বাড়লে ভারতীয় প্রতিরক্ষা শিল্প আরও স্বাধীনভাবে পরিকল্পনা করতে পারবে।

এর ফলে procurement-এর ক্ষেত্রে bargaining power-ও বাড়তে পারে।

একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক geopolitical tension-এর কারণে supply chain ব্যাহত হলেও তার প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম পড়তে পারে।

## বৃহত্তর Make in India উদ্যোগ

এই ৪০৫টি item-এর indigenisation-কে ভারতের বৃহত্তর Make in India campaign-এর অংশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

দেশে উৎপাদন বাড়লে manufacturing sector-এর বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান এবং technological development—সব ক্ষেত্রেই ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

বিশেষ করে defence manufacturing-এর মতো high-technology sector-এ দক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হতে পারে।

## ভবিষ্যতে আরও তালিকা আসতে পারে

Positive Indigenisation List একটি চলমান প্রক্রিয়া। এর আগে একাধিক তালিকায় হাজার হাজার defence items স্থানীয়ভাবে তৈরির জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে।

নতুন ৪০৫টি item যুক্ত হওয়ায় বোঝা যাচ্ছে, সরকার এই policy থেকে পিছিয়ে আসছে না। বরং ধাপে ধাপে আরও বেশি সামগ্রীকে domestic manufacturing-এর আওতায় আনা হচ্ছে।

ভবিষ্যতে আরও গুরুত্বপূর্ণ component এই তালিকায় যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

## ভারতীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের জন্য বড় পরিবর্তন

এই উদ্যোগ সফল হলে আগামী দিনে একটি যুদ্ধবিমান বা ট্যাঙ্ক তৈরির সময় ব্যবহৃত আরও বেশি component ভারতেই তৈরি হতে পারে।

অর্থাৎ ‘Made in India’ শুধু মূল যুদ্ধাস্ত্রের গায়ে লেখা একটি পরিচয় থাকবে না। তার ভিতরের অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ অংশও দেশীয় শিল্পের তৈরি হতে পারে।

এটাই defence indigenisation-এর প্রকৃত সাফল্য হবে।

## আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা বাজারেও ভারতের সুযোগ

ভারত যদি নিজের প্রয়োজনীয় defence components-এর একটি শক্তিশালী manufacturing base তৈরি করতে পারে, তাহলে ভবিষ্যতে অন্য দেশেও সেই component export করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

ভারত ইতিমধ্যেই বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও অস্ত্র রফতানি করছে। দেশীয় component manufacturing আরও শক্তিশালী হলে সেই রফতানি বাজারও ভবিষ্যতে বাড়তে পারে।

## চ্যালেঞ্জও কম নয়

তবে ৪০৫টি component দেশেই তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হলেও বাস্তবে তা বাস্তবায়ন করা বড় চ্যালেঞ্জ।

প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে quality standards অত্যন্ত কঠোর। কোনও component সামান্য ত্রুটিপূর্ণ হলেও তা গুরুতর নিরাপত্তা সমস্যা তৈরি করতে পারে।

তাই ভারতীয় সংস্থাগুলিকে আন্তর্জাতিক মানের quality control এবং testing ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

## গুণমানের সঙ্গে আপস নয়

দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল quality।

শুধু import কমানোর জন্য যদি নিম্নমানের component তৈরি হয়, তাহলে তার প্রভাব সামরিক সক্ষমতার উপর পড়তে পারে।

তাই Make in India-এর সঙ্গে **Make it reliable**-এর ধারণাটিও equally গুরুত্বপূর্ণ।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে manufacturing-এর পাশাপাশি quality assurance-এর উপরও জোর দিতে হবে।

## বিদেশি প্রযুক্তির প্রয়োজন কি পুরোপুরি শেষ?

এই উদ্যোগের অর্থ এই নয় যে ভারত রাতারাতি সব বিদেশি প্রযুক্তির প্রয়োজন থেকে মুক্ত হয়ে যাবে।

আধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি অত্যন্ত জটিল এবং বিভিন্ন দেশের সঙ্গে technology collaboration ভবিষ্যতেও গুরুত্বপূর্ণ থাকবে।

তবে লক্ষ্য হল গুরুত্বপূর্ণ component-এর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত নির্ভরতা কমানো এবং যত বেশি সম্ভব প্রযুক্তি ও manufacturing capability দেশে তৈরি করা।

## সামগ্রিকভাবে বড় অর্থনৈতিক প্রভাব

৪০৫টি সামগ্রীকে ঘিরে প্রায় ₹৩,০৭০ কোটি টাকার সম্ভাব্য ব্যবসা তৈরি হওয়া ভারতীয় defence industry-এর জন্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। 

এর সঙ্গে যুক্ত হবে manufacturing, logistics, testing, engineering, research এবং skilled employment-এর মতো বিভিন্ন ক্ষেত্র।

ফলে একটি component indigenisation-এর প্রভাব শুধু প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের procurement budget-এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না।

## ভবিষ্যতের ভারতীয় প্রতিরক্ষা উৎপাদন

ভারতের লক্ষ্য এখন শুধু অস্ত্র কেনা নয়, অস্ত্র তৈরির ক্ষমতা বাড়ানো।

যুদ্ধবিমান থেকে ট্যাঙ্ক, হেলিকপ্টার থেকে যুদ্ধজাহাজ—প্রতিটি platform-এর জন্য একটি শক্তিশালী domestic supply chain তৈরি করতে পারলে ভারত ভবিষ্যতে আরও আত্মনির্ভর প্রতিরক্ষা শক্তি হিসেবে উঠে আসতে পারে।

নতুন ৪০৫টি item সেই দীর্ঘমেয়াদি যাত্রারই আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

## শেষ কথা

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের Sixth Positive Indigenisation List-এ ৪০৫টি নতুন সামগ্রী অন্তর্ভুক্ত করা নিঃসন্দেহে দেশের defence manufacturing sector-এর জন্য বড় খবর। এই তালিকায় Su-30MKI, T-90, Tejas, হেলিকপ্টার, যুদ্ধজাহাজ এবং ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ component, sub-system, spare এবং raw material রয়েছে। 

এই উদ্যোগের ফলে ভারতীয় শিল্পের জন্য প্রায় ₹৩,০৭০ কোটি টাকার ব্যবসার সুযোগ তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি SRIJAN portal-এর মাধ্যমে ইতিমধ্যেই ১৫,৭০০-এর বেশি defence items indigenise করা হয়েছে বলে সরকারি তথ্যের ভিত্তিতে রিপোর্ট করা হয়েছে। 

সবচেয়ে বড় বিষয় হল, এই সিদ্ধান্ত ভারতের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বিদেশি supply chain-এর উপর নির্ভরতা কমানোর পথকে আরও শক্তিশালী করবে। যুদ্ধের সময় দ্রুত spare parts পাওয়া থেকে শুরু করে শান্তির সময়ে maintenance ও upgrade—সব ক্ষেত্রেই দেশীয় উৎপাদন সুবিধা দিতে পারে।

তবে এর সাফল্য নির্ভর করবে ভারতীয় সংস্থাগুলি কত দ্রুত উন্নত প্রযুক্তি, manufacturing capability এবং আন্তর্জাতিক মানের quality control তৈরি করতে পারে তার উপর। সেই চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করা গেলে আগামী দিনে **‘Made in India’ যুদ্ধবিমান বা ট্যাঙ্কের পাশাপাশি তার ভিতরের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশও Made in India হওয়ার সম্ভাবনা আরও বাস্তব হয়ে উঠবে।**

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

মানবের ঘূর্ণিতে কুপোকাত শ্রীলঙ্কা, গলে প্রথম টেস্ট জিতল ভারত

গলে প্রথম টেস্টে শ্রীলঙ্কাকে **১৬৫ রানে হারিয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত**। পাঁচ দিনের এই টেস্টে ভারতের জয়ের অন্যতম প্রধান কারিগর তরুণ বাঁহাতি স্পিনার মানব সুথার। অভিষেক টেস্টেই দুর্দান্ত বোলিং করে মোট ১০টি উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচের মোড়...

সপ্তাহে দু’দিন আসা চলবে না, শিক্ষক-অধ্যাপকদের কড়া বার্তা মন্ত্রীর

কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-অধ্যাপকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে এবার আরও কঠোর অবস্থান নিল রাজ্য সরকার। সপ্তাহে মাত্র দু’-একদিন কলেজে এসে দায়িত্ব পালন করার প্রবণতা আর কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর...

বেনোজল ছেঁকে তবেই টলিউডে ভোট, শুরু হবে তালিকা সংশোধন

টলিউডে দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা গিল্ড-সংক্রান্ত নানা জটিলতার অবসান ঘটিয়ে এবার নির্বাচনের পথে এগোতে চাইছে নতুন প্রশাসন। তবে সরাসরি ভোট নয়। তার আগে ভোটার তালিকা থেকে তথাকথিত ‘বেনোজল’ ছেঁকে বৈধ ও প্রকৃত সদস্যদের চিহ্নিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ,...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.