Monday, November 2, 2026

Creating liberating content

यूईएम जयपुर ने मानवता...

जयपुर में आयोजित मानवता के लिए दौड़ के दसवें संस्करण में यूनिवर्सिटी ऑफ...

अक्टूबर 2026 में पड़ेंगी...

सनातन हिंदू धर्म में एकादशी तिथि का विशेष धार्मिक महत्व माना जाता है।...

इंफोसिस और विप्रो में...

देश की प्रमुख सूचना प्रौद्योगिकी सेवा कंपनियों में शामिल इंफोसिस और विप्रो के...

स्वर्ग में कर्ण को...

महाभारत के महान योद्धाओं में कर्ण का नाम केवल उनकी वीरता और संघर्ष...
Homeবাংলারাজনীতিবিধানসভার ডেপুটি স্পিকার...

বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন আপাতত হচ্ছে না, জল্পনা তুঙ্গে

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন আপাতত হচ্ছে না। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। বিধানসভার গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদগুলির মধ্যে ডেপুটি স্পিকারের পদ অন্যতম। ফলে নতুন বিধানসভা গঠনের পরও এই পদে নির্বাচন না হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে। কবে নির্বাচন হবে, কাকে প্রার্থী করা হবে এবং শাসকদল ও বিরোধীদের মধ্যে এই পদ নিয়ে কোনও সমঝোতা হবে কি না—তা নিয়েই এখন আলোচনা চলছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আপাতত ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন স্থগিত রাখা হচ্ছে। তবে এই সিদ্ধান্ত স্থায়ী কি না, অথবা নির্দিষ্ট কোনও তারিখে নির্বাচন হবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও সামনে আসেনি। বিধানসভার কার্যপ্রণালী এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

## বিধানসভায় স্পিকার নির্বাচনের পরও ডেপুটি স্পিকার পদ খালি

নতুন বিধানসভা গঠনের পর সাধারণত স্পিকার নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়া হিসেবে সম্পন্ন হয়। স্পিকার বিধানসভার অধিবেশন পরিচালনা করেন, আইনসভায় শৃঙ্খলা বজায় রাখেন এবং বিভিন্ন সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পিকার সেই দায়িত্ব সামলাতে পারেন।

পশ্চিমবঙ্গের নতুন বিধানসভা গঠনের পর স্পিকার নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। স্পিকার পদে নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন আপাতত না হওয়ায় পদটি খালি থাকছে। বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, স্পিকার অনুপস্থিত থাকলে ডেপুটি স্পিকার অধিবেশন পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন। তাই এই পদে দ্রুত নিয়োগ বা নির্বাচন হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তবে ডেপুটি স্পিকার পদ খালি থাকলেই বিধানসভার কাজ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায় না। স্পিকার উপস্থিত থাকলে তিনি নিয়মিত অধিবেশন পরিচালনা করতে পারেন। বিশেষ পরিস্থিতিতে বিধানসভার কার্যপ্রণালী অনুযায়ী বিকল্প ব্যবস্থাও থাকতে পারে। তবু সাংবিধানিক ভারসাম্য এবং আইনসভার পূর্ণাঙ্গ কাঠামোর জন্য ডেপুটি স্পিকারের পদ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।

## কেন নির্বাচন আপাতত স্থগিত

ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন আপাতত না হওয়ার পেছনে একাধিক রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কারণ থাকতে পারে। প্রথমত, নতুন সরকার এবং নতুন বিধানসভা গঠনের পর বিভিন্ন সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব বণ্টনের প্রক্রিয়া এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। মন্ত্রিসভা, বিধানসভার বিভিন্ন কমিটি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদ নিয়ে আলোচনা চলতে পারে।

দ্বিতীয়ত, ডেপুটি স্পিকার পদে কাকে বসানো হবে, তা নিয়ে শাসকদলের ভিতরে আলোচনা থাকতে পারে। অনেক সময় সরকার পক্ষের কোনও অভিজ্ঞ বিধায়ককে এই পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়। আবার কখনও বিরোধী দলের সদস্যকেও ডেপুটি স্পিকার পদে নির্বাচিত করার নজির রয়েছে। সেই কারণে প্রার্থী বাছাই এবং রাজনৈতিক সমীকরণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

তৃতীয়ত, বিধানসভার অধিবেশনের সময়সূচি এবং কার্যতালিকাও নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ার কারণ হতে পারে। কোনও নির্দিষ্ট অধিবেশনে নির্বাচন না রেখে পরবর্তী অধিবেশনে তা আয়োজন করা সম্ভব। তবে এই মুহূর্তে ঠিক কোন কারণকে কেন্দ্র করে নির্বাচন স্থগিত রাখা হয়েছে, তা স্পষ্টভাবে জানানো হয়নি।

## ডেপুটি স্পিকারের সাংবিধানিক ভূমিকা

ভারতের সংবিধান অনুযায়ী, রাজ্য বিধানসভায় স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকার—দুই পদই গুরুত্বপূর্ণ। স্পিকার বিধানসভার প্রধান পরিচালনাকারী। তিনি অধিবেশন পরিচালনা করেন, বিধায়কদের বক্তব্যের সময় নির্ধারণ করেন, নিয়মভঙ্গের ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নিতে পারেন এবং আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় নিরপেক্ষতা বজায় রাখার দায়িত্ব পালন করেন।

স্পিকারের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পিকার তাঁর দায়িত্ব পালন করেন। স্পিকার কোনও কারণে পদে না থাকলে বা পদটি সাময়িকভাবে শূন্য হলে ডেপুটি স্পিকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন। বিধানসভার বিভিন্ন কার্যক্রমে তাঁর উপস্থিতি আইনসভার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

এছাড়া ডেপুটি স্পিকার পদটি রাজনৈতিক দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ। এই পদে নির্বাচিত ব্যক্তি সাধারণত বিধানসভার অভিজ্ঞ সদস্য হন। তিনি সরকার ও বিরোধী—দুই পক্ষের বিধায়কদের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখতে পারেন। যদিও বাস্তবে পদটির রাজনৈতিক গুরুত্ব অনেকাংশে নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভূমিকা ও বিধানসভার পরিস্থিতির উপর।

## বিরোধীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন না হওয়ায় বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। বিধানসভায় ডেপুটি স্পিকার পদে বিরোধী দলের কোনও সদস্যকে নির্বাচিত করা হবে কি না, তা নিয়ে বিভিন্ন রাজ্যে রাজনৈতিক বিতর্ক দেখা যায়। কিছু ক্ষেত্রে সরকার পক্ষ বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রার্থী নির্ধারণ করে। আবার কোথাও শাসকদলের সদস্যই এই পদে নির্বাচিত হন।

পশ্চিমবঙ্গের নতুন বিধানসভায় শাসকদলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে বলে প্রকাশিত নির্বাচনী তথ্য থেকে জানা যায়। ফলে ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনে সরকার পক্ষের প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা সাংগঠনিকভাবে বেশি। তবে বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ঐকমত্য তৈরি হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

বিরোধী দলগুলি সাধারণত দাবি করে, বিধানসভার গুরুত্বপূর্ণ পদগুলিতে নিরপেক্ষতা এবং ভারসাম্য বজায় রাখা প্রয়োজন। তাঁদের মতে, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের ভূমিকা দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে থাকা উচিত। অন্যদিকে সরকার পক্ষের যুক্তি হতে পারে, সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে বিধানসভার নিয়ম মেনেই পদ পূরণ করা হবে।

## নতুন বিধানসভায় রাজনৈতিক সমীকরণ

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন এসেছে। প্রকাশিত নির্বাচনী তথ্য অনুযায়ী, নতুন বিধানসভায় বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে এবং তৃণমূল কংগ্রেস বিরোধী দলের ভূমিকায় রয়েছে। এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বিধানসভার বিভিন্ন সাংবিধানিক পদ নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। 

নতুন বিধানসভায় স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন শুধু প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নয়, রাজনৈতিক বার্তাও বহন করে। সরকার পক্ষ কোন বিধায়ককে দায়িত্ব দিচ্ছে, তিনি কতটা অভিজ্ঞ এবং বিরোধীদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কেমন—এসব বিষয় রাজনৈতিক মহলে গুরুত্ব পায়।

ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ায় এই পদটি নিয়ে আরও কিছুদিন রাজনৈতিক জল্পনা চলতে পারে। বিশেষ করে নতুন সরকারের প্রথম পর্যায়ে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব বণ্টনের ক্ষেত্রে দলীয় আনুগত্য, অভিজ্ঞতা এবং সাংগঠনিক ভূমিকা বিবেচনা করা হতে পারে।

## বিধানসভার কাজকর্মে প্রভাব কতটা

ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন আপাতত না হলেও বিধানসভার নিয়মিত কাজকর্ম পুরোপুরি থেমে যাওয়ার কথা নয়। স্পিকার অধিবেশন পরিচালনা করতে পারবেন এবং বিধানসভার আইন প্রণয়ন, প্রশ্নোত্তর পর্ব, আলোচনা ও অন্যান্য কার্যক্রম চলতে পারে।

তবে দীর্ঘদিন ডেপুটি স্পিকার পদ খালি থাকলে সাংবিধানিক কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। বিশেষ করে স্পিকার অসুস্থ হলে, বাইরে থাকলে অথবা কোনও কারণে অধিবেশন পরিচালনা করতে না পারলে বিকল্প নেতৃত্বের প্রয়োজন হয়। সেই জায়গায় ডেপুটি স্পিকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন।

এছাড়া বিধানসভার বিভিন্ন কমিটি, অধিবেশন পরিচালনা এবং বিধায়কদের মধ্যে সমন্বয়ের ক্ষেত্রেও ডেপুটি স্পিকারের ভূমিকা থাকতে পারে। তাই পদটি দ্রুত পূরণ করা হবে কি না, তা ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

## কবে হবে নির্বাচন, নজর সেদিকেই

এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন কবে হবে? আপাতত নির্বাচন না হলেও ভবিষ্যতে বিধানসভার পরবর্তী অধিবেশনে এই নির্বাচন আয়োজন করা হতে পারে। তবে তার আগে প্রার্থী নির্বাচন, দলীয় সিদ্ধান্ত এবং বিধানসভার কার্যতালিকা চূড়ান্ত করতে হবে।

সরকার পক্ষ যদি কোনও অভিজ্ঞ বিধায়ককে প্রার্থী করে, তাহলে নির্বাচন প্রক্রিয়া সহজেই সম্পন্ন হতে পারে। আবার বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনা হলে পদটি নিয়ে রাজনৈতিক সমঝোতার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও নির্দিষ্ট নাম বা নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্তভাবে জানা যায়নি।

সব মিলিয়ে, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন আপাতত স্থগিত থাকায় রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। নতুন সরকারের সাংগঠনিক পরিকল্পনা, বিধানসভার অধিবেশন এবং দলীয় সমীকরণের উপর নির্ভর করবে পরবর্তী সিদ্ধান্ত। আপাতত স্পিকার পদে কার্যক্রম চললেও ডেপুটি স্পিকার পদ কবে পূরণ হবে, সেদিকেই নজর রাজ্যবাসীর।

Get notified whenever we post something new!

spot_img

Create a website from scratch

Just drag and drop elements in a page to get started with Newspaper Theme.

Continue reading

ঔরঙ্গজেবের আমলের ৩৩৪ বছরের বনেদি পুজোর অমলিন ঐতিহ্য

পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজোর ইতিহাসে বনেদি পুজোর আলাদা মর্যাদা রয়েছে। সেই ঐতিহ্যের অন্যতম উজ্জ্বল অধ্যায় পূর্ব বর্ধমানের পানাগড়ের সোঁয়াই গ্রামের মুখোপাধ্যায় পরিবারের দুর্গাপুজো। এ বছর এই পুজো ৩৩৪ বছরে পা দিয়েছে। শুধু প্রাচীনত্ব নয়, এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে স্বপ্নাদেশ, বর্ধমানের...

বাংলায় পথচলা শুরু বিজয় থলপতির টিভিকের নতুন অধ্যায়

তামিলনাড়ুতে রাজনৈতিক সাফল্যের পর এবার পশ্চিমবঙ্গে সাংগঠনিক বিস্তার শুরু করল বিজয় থলপতি-র দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগম (TVK)। পূর্ব বর্ধমান জেলার ফাগুপুরে দলের প্রথম কার্যালয় খোলার মাধ্যমে বাংলায় আনুষ্ঠানিকভাবে পথচলা শুরু হয়েছে। এই পদক্ষেপের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে—তাহলে...

সন্ত্রাসে শীর্ষে পাকিস্তান, হাক্কানির বিস্ফোরক আত্মসমালোচনা ভাইরাল

সন্ত্রাসবাদে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় পাকিস্তানের শীর্ষে উঠে আসার দাবি ঘিরে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (IEP)-এর প্রকাশিত Global Terrorism Index 2026-এর তথ্য সামনে আসার পর পাকিস্তানের প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত হুসেন হাক্কানি ইসলামাবাদের দীর্ঘদিনের...

Enjoy exclusive access to all of our content

Get an online subscription and you can unlock any article you come across.